নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অপেক্ষা

নীল আকাশে পাখির ঝাক

একিউমেন

ভালো থাকবেন

একিউমেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

শায়খ আলবানী সাহেবের আসল রুপ [পর্ব-3]

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:১৭

বিগত পোস্টে আমরা শায়খ আল বানীর ব্যাপারে বহু বিখ্যাত



ওলামাদের অবস্থান জানিয়েছি কিন্তু দেখা গেল তার বহু অন্ধ ভক্তগন



মানছে না মূলত আল্লাহ যাকে হেদায়েত প্রদান করেন সেই হেদায়েত



পায়।তবুও আমরা আল্লাহ ও তার রাসুলের খাতিরে বাতিলের বিপক্ষে



কথা বলে যাবই ইনশাল্লাহ।এই সেই নাসিরউদ্দিন আল বানী যিনি ইমাম বুখারিকে কাফের বলেছে।অনেকেই বিশ্বাস করবে না আমিও করিনি তবে দেখুন ১টা তাফসিরের জন্য নাসীরুদ্দিন আলবানী ইমাম বুখারী (রহ.) কে



গোমরাহ এবং কাফের বলেছে। তার বই''فتاوى الالباني ''-৫২৩ নং



পেজ-''

ن تأويل البخاري في سورة القصص( كل شيء هالك الا وجهه) بالملك,



قال الالباني ان هذا التأويل لا يقول به مؤمن مسلم وقال ان هذه التأويل هو



عين التعطيل.

تجد الكلام في طبعتين من صحيح البخاري, النسخة الاولى هي من دار



ابن كثير اليمامة الجزء الرابع صفحة 1788 و النسخة الثانية في رابط



نسخته الموضوع هنا و جميع النسخ تحتوي على نفس الكلام .

صحيح البخاري كتاب التفسير تفسير سورة القصص صفحة 1788 الجزء



الرابع مطبعة ابن كثير اليمامة الطبعة الثالثة بيروت:::::



الألباني بهذا يكون كفّر من أوّل هذه الآية بهذا التأويل فإذن البخاري عنده



كافر لأن نسخ البخاري كلها متفقة على هذا ولا يستطيع الألباني أن يُثبت



نسخة خالية عن هذا التأويل لكنه يُكابر هربا مما يتوقعه, فمثله كمثل من



أراد أن يغطي الشمس بكفه في يوم صحو رابعة النهار. ثم ليس هذا



التأويل مما انفرد به البخاري بل أوّل سفيان الثوري رضي الله عنه هذه



الآية:{ كُلُّ شَىْءٍ هَالِكٌ إِلاَّ وَجْهَهُ }(88) بقوله:{ ما أريد به وجهه}.



تفسير سوره القصص ابن كثير



ثم إن تأويل البخاري لهذه الآية ثابت عنه, فقد قال في أول سورة القصص



ما نصه:{ كُلُّ شَىْءٍ هَالِكٌ إِلاَّ وَجْهَهُ }(8 8)[سورة القصص] إلا ملكه,



ويقال: إلا ما أُريد به وجه الله} انتهى بحروفه. فإنكار الألباني لذلك دليل



جهله فكيف يدعي أصحابه بأنه حافظ محدث, سبحانك ربنا هذا بهتان



عظيم. শায়খ বদরুদ্দিন হাসান দিয়াব দামেশকী তার বিরুদ্ধে ১ টি



কিতাব লিখেছে যার নাম''انوار المصابيح علي ظلمات الأ لباني فِي صلاة



التراويح''[তারাবিহের নামাযের প্রসঙ্গে আল বানীর ভ্রান্তি নির্বাপক



আলোক রশ্মি] শায়খ বিন বায তার বিরুদ্ধে এই বইটি লিখেছেন''اين



يضع المصلي يده في الصلاة بعد الرفع من الركوع'' এরপর শায়খ



ইসমাঈল বিন আনসারী প্রনীত''تصحِيح صلاة التراويح عشرين ركعة



والرد علي الألباني في تضعيفه''[২০ রাকাত তারাবির বিশুদ্ধ হাদিসকে



আলবানীর দুর্বল বলার জবাব]। প্রখ্যাত মুহাদ্দিস শায়খ আব্দুল ফাত্তাহ



আবু গুদ্দাহ [রাহ]প্রণীত''كلمات في كشف اباطيل و افتراءات''[আল



বানীর বাতিল মতবাদ ও মিথ্যা অপবাদের উন্মোচনে কিছু কথা]।আল



বানী যেই রাসুলুল্লাহর নামায লিখেছেন তার ভুল শুদ্ধ করে শায়খ



হাসান সাক্কাফ ১টি কিতব লিখেছেন''صحيح صفة صلاة



النبى''[রাসুলুল্লাহর শুদ্ধ নামায পদ্ধতি]। শায়খ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ



আদ দুবাইশ প্রণীত''تنبيه القارئ علي تقوية ما ضعفه الألباني''[আল



বানী অবহিত দুর্বল হাদিস শক্তিশালি হিসেবে সতর্ক সংকেত]শায়খ



আবু উমার হাই ইবনে সালেম আল হাই প্রণীত''النصيحة في بيان



الاحادِيث التي تراجع عنها الألباني في الصحيحة''[যেসব সাহিহ



হাদিসকে আল বানী দুর্বল বলেছে তা পুণঃবিবেচনা করার



উপদেশ]শায়খ আব্দুল্লাহ আত তুওয়াইজারি প্রণীত''التنبيهاة علي



رسالت الالباني في الصلاة''।ডক্টর মুহাম্মাদ সাঈদ রামাদান আল



বুওয়াইতী প্রণীত''اللامذهبية اكحطر بدعة تهددالشريعة الاسلامية''[লা



মাযহাবি মতবাদ মারাত্মক বিপদজনক ইসলামী শারিয়াতের জন্য



ভয়ংকর হুমকি]-এতে তিনি আল বানীরও বিরুদ্ধে বলছেন।শায়খ



আতিয়্যা মুহাম্মাদ সালিম আলবানী্র বিরুদ্ধে প্রনিত''التراويح اكثر من



الف عام''প্রমুখ বিখ্যাত ওলামাগন আল্বানীর ভুল ও ভ্রান্ত মতবাদ তুলে



ধরেছেন তাদের কিতাবে দলিল ও পৃষ্ঠা সহকারে।ইনশাল্লাহ আমরা



নাসিরুদ্দিন আল বানির আরো ভুল ভ্রান্ত মতবাদ তুলে ধরবো অপেক্ষা



করুন। সত্য আসার পর যারা মুখ ফিরিয়ে নেই তারাই পথভ্রস্ত।আল্লাহ



আমাদের সবাইকে হেদায়াত নাসিব ও বুঝার তাওফিক দান করুক



আমিন।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৫:১৪

শার্ক বলেছেন: there is no hadith for 20 rakat namaz. where u get this? this practice started later and everone knows that. do u know the meaning of hadith. this proves u are telling lie.

২| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৪৩

টিনের বাড়ী বলেছেন: শার্ক , দলিল কি ?

৩| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৫৫

মাহমুদডবি বলেছেন: কি আর বলব ইদানিং ব্লগে কিছু পন্ডিত বাইর হইছে যারা ইসলামের স্কলারদের নিয়ে মনে যা আসে তাই বলে।

তারাবি শুরু হইছে ওমর (রাঃ ) সময়। এর আগে রাসুল(সাঃ ) জীবিত থাকাকালিন সাহাবিদের নিয়ে রমজানের একরাতে নামাজ পরে.। পরে তিনি তা আর পরেন নাই । তারপর নবীজী(সাঃ ) নিজ ঘরে একাকি পড়েন কারন তিনি সাহাবাদের মধ্যে এত উতসাহ দেখতে পান যে মনে করেন আল্লাহ(সুবঃ ) এটা ফরজ করে দিতে পারেন।

আরো কিছু দালাল ব্লগার আছে যারা নামে বেনামে এই সব বিভ্রান্তি ছরিয়ে বেরায়। এক একজন একএকজনের পিছনে লাগে। মানুষকে একটা বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে। আল্লাহ আমাদের এদের থেকে হেফাযত করুন।

৪| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:১৭

উযায়র বলেছেন: ভাই আপনি আলনাবী সম্পর্কে লিখে ইমানী দায়িত্ব পালন করছেন।
কিছু গোমরাহ তাকে নবীর চেয়েও বেশী মানে!
সাহাবাদের থেকে তো বেশী মানে ই!

৫| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৫৫

নূরুল্লাহ তারীফ বলেছেন: প্রিয় ব্লগার, একিউমেন! আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। মসজিদে নববীর গ্রন্থাকার বিষয়ে আপনার সুন্দর পোষ্টটি দেখে আপনার ব্লগ পড়তে এলাম। এই মসজিদ ও গ্রন্থাকারের সাথে অনেকদিনের স্মৃতি আমার জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে। তাই এর সাথে সংশ্লিষ্ট কোন লেখা চোখে পড়লে আগ্রহভরে পড়ি। কিন্তু হাদীস বিশারদ আলবানীকে নিয়ে আপনার নেতিবাচক এ পোষ্টটি দেখে কষ্ট পেলাম। আপনার লেখায় প্রকাশ পেয়েছে- আপনি একজন তালিবে ইলম। ইলমের পথে যেদিন আপনি পা বাড়িয়েছেন সেদিন থেকে আপনার পায়ের নীচে আল্লাহর ফেরেশতারা ডানা বিছিয়ে যাচ্ছেন। তালিবে ইলমকে আমি মহব্বত করি, তালিবে ইলমের কল্যাণ কামনা করি। কিন্তু ভাই, আপনি নিজেও নিশ্চয় আলবানীকে একজন আলেম হিসেবে গণ্য করবেন। তাহলে একজন তালিবে ইলম হয়ে এ ধরনের পাবলিক মিডিয়াতে একজন মৃত আলেমের কুৎসা রটনা করে ইসলামের কি লাভ? যেখানে প্রতিনিয়ত নাস্তিক মুরতাদরা ইসলামকে গায়েল করার অপচেষ্টা করছে, ইসলামী আদর্শকে কলুসিত করার প্রানান্তকর তৎপরতা চালাচ্ছে সেখানে ইসলামের খাদেমরা একতাবদ্ধ না হয়ে একে অপরের গায়ে কাদা ছুটাছুটি করে ইসলামের কী লাভ!! উপরন্তু, আপনি লিখেছেন- "এই সেই নাসিরউদ্দিন আল বানী যিনি ইমাম বুখারিকে কাফের বলেছে।" আপনি আলবানীর যে বাণীটি উদ্ধৃত করেছেন তা হচ্ছে- قال الالباني ان هذا التأويل لا يقول به مؤمن مسلم
সরল বঙ্গানুবাদ করলে দাঁড়ায়, "এ ধরনের ব্যাখ্যা কোন মুমিন মুসলমান করতে পারেন না।" এখানে আলবানী বুখারীকে কাফের বললেন কোথায়। আলবানী যে কথা বলেননি টেনেহিচঁড়ে সেটা তাঁর উপর চাপিয়ে দেয়া কতটুকু নৈতিক ও ইসলামিক। এমনকি যারা স্বীকৃত মুআত্তিলা (معطلة) আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত তো তাদেরকেও সাধারণভাবে মুসলমান মনে করেন। তদুপরি একজন বরেণ্য আলেমে দ্বীন, শতাব্দী শ্রেষ্ঠ হাদীস বিশারদকে অপবাদ দেয়া কিভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। আমি আলবানীর অন্ধভক্ত নই। একজন মুমিনের উপর অপর মুমিনের অধিকার হচ্ছে- তাঁর সম্মান রক্ষা করা। সে অনুভুতি থেকে এই মন্তব্য লিখলাম। আলবানী না হয়ে অন্যকোন আলেম হলেও আমি তাঁর পক্ষে এভাবে লিখতাম। ইসলামের পক্ষে লেখার কত বিষয় রয়ে গেছে সেগুলো নিয়ে লিখুন। লোকদেরকে নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত, আদব, আখলাক, মাতাপিতার, অধিকার, কবর, আযাব, পুলসিরাত, জান্নাত, জাহান্নাম ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞান দিন। অযথা কোন আলেমের গীবত, বুহতানে জড়িয়ে গুনাহর পাল্লা ভারী করার দরকার নেই। আল্লাহ আমাদের সুমতি দিন।

৬| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:০৩

মহান প্রকৃতি বলেছেন: আলবানী একটা কালপ্রিট উলামায়ে সু---এটা তার ভক্তরাও জানে, কিন্তু মুখে বলে না

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.