| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কিছুক্ষণ আগে আমার এক বন্ধুর সাথে আমার ফেসবুকে চ্যাট হচ্ছিল। আমরা একই স্যারের কাছে পড়তাম।
KAMON ASO. TOMI KI BICAR CHAO
keno chaibona?
GOOD
oi mia tomi ki amare kazakar vabchila naki?
AIROKOMEI
mane?
NA… DARI ASETO. TAI. DONT MIND
valo hoia jao. Tomar pribarer koi jon muktijotha?
koi jon shohid hoise?
SORRY vai.
আমার বক্তব্যঃ
আপনার আশে-পাশের কয়জন শিবিরকর্মীর মুখে সুন্নতী দাঁড়ি এবং সাথে মাথায় টুপি আপনি দেখেন???
মিডিয়ায় তাদের জে ছবি এবং ভিভিও আসছে কোথাও কি তাদের মুখে দাঁড়ি আর মাথায় টুপি দেখেছেন????
উত্তর যে "না বোধক" হবে সেটা কনফার্ম । সন্দেহ থাকলে অনলাইনে পত্রিকার ছবি গুলো দেখে আসবেন।
আমার মূল প্রশ্ন হল-
তাহলে কেন দাঁড়ি-টুপি দেখলেই আপনার মনে শিবির সন্দেহ হয়??? দাঁড়ি-টুপি পড়া লোক দেখলেই কেন শিবিরের কর্মী বলেন????
দাঁড়ি-টুপি থাকলেই জামাত-শিবির বলাটা বা সন্দেহ করাটা অনেকের একটা বাজে অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের যাদের দাঁড়ি-টুপি আছে তাদের কত % জামাত করে ? ১, ২, ৩, ৪, ৫ কত %?
এরা স্রেফ ধর্মকে ব্যাবহার করে, এরা কোন ইসলামিক দলও নয়।
ইসলামের আক্বীদার সাথে জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মিঃ মউদুদীর আক্বীদারও মিল কতটুকু?
চলুন দেখি-
১) মওদূদী সাহেবের অসংখ্য কুফরী আকীদার মধ্যে মাত্র ৫টির ক্ষুদ্র প্রমাণ নিম্নরূপঃ
ক) আল্লাহ পাক সম্পর্কে কুফরী আক্বীদাঃ “যে ক্ষেত্রে নর-নারীর অবাধ মেলামেশা, সেক্ষেত্রে যেনার কারণে (আল্লাহ পাকের আদেশকৃত) রজম শাস্তি প্রয়োগ করা নিঃসন্দেহে জুলুম।” (নাঊযুবিল্লাহ)
(তাফহীমাত, ২য় খণ্ড, ২৮১ পৃষ্ঠা)
খ) ফেরেশতা সম্পর্কে কুফরী আক্বীদাঃ “ফেরেশতা প্রায় ঐ জিনিস যাকে গ্রীক, ভারত ইত্যাদি দেশের মুশরিকরা দেবী-দেবতা স্থির করেছে।” (নাঊযুবিল্লাহ)
(তাজদীদ ও ইহইয়ায়ে দ্বীন, ১০ পৃষ্ঠা)
গ) আম্বিয়া আলাইহিমুছ ছালাত ওয়াস সালাম সম্পর্কে কুফরী আক্বীদাঃ “নবীগণ মা’ছূম নন। প্রত্যেক নবী গুনাহ করেছেন।” (নাঊযুবিল্লাহ)
(তাফহীমাত, ২য় খণ্ড, ৪৩ পৃষ্ঠা)
গ/১) “হযরহ আদম আলাইহিস সালাম মানবিক দূর্বলতায় আক্রান্ত ছিলেন। তিনি শয়তানী প্রলোভন হতে সৃষ্ট তরিৎ জযবায় আত্মভোলা হয়ে নিজ নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলেন। ফলে আনুগত্যের উচ্চ শিখর হতে নাফারমানীর অতল গহ্বরে গিয়ে পড়েন।” (তাফহিমুল কোরআন (উর্দু): ৩য় খণ্ড, ১২৩ পৃ.)
গ/২) “হযরত নূহ আলাইহিস সালাম চিন্তাধারার দিক থেকে দ্বীনের চাহিদা হতে দূরে সরে গিয়েছিলেন। তার মধ্যে জাহিলিয়াতের জযবা স্থান পেয়েছিল।”
(তাফহিমুল কোরআন: ২য়খণ্ড, ৩৪৪ পৃ. ৩য় সংস্করণ, ১৯৬৪ ইং)
গ/৩)হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম সম্পর্কেঃ “এখানে আর একটি প্রশ্নের উদ্রেক হয় যে, হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম যখন নক্ষত্র দেখে বলেছিলেন, এটা আমার প্রতিপালক এবং চন্দ্র-সূর্য দেখে এগুলোকেও নিজের প্রতিপালক হিসাবে আখ্যা দিয়েছিলেন, তখন সাময়িকভাবে হলেও কি তিনি শিরকে নিপতিত হননি?”
(তাফহিমুল কোরআন ১মখণ্ড, ৫৫৮ পৃ.)
গ/৪/১) “নবী হওয়ার পূর্বে মুছা আলাইহিস সালাম দ্বারা একটি বড় গুনাহ হয়েছিল। তিনি এক ব্যাক্তিকে কতল করেছিলেন।”
(রাসায়েল ও মাসায়েল, ১ম খণ্ড, ৩১ পৃ.)
গ/৪/২“মুছা আলাইহিস সালাম এর দৃষ্টান্ত হচ্ছে ঐ অধৈর্যশীল বিজয়ীর মত যে তার শাসন ক্ষমতা সুপ্রতিষ্ঠিত না করেই মার্চ করে সম্মুখে চলে যায় আর পিছনে ফেলে যাওয়া এলাকায় বিদ্রোহের দাবানল দাউ দাউ করে ছড়িয়ে পড়ে।”
(তরজমানুল কোরআন ২৯/৪-৫)
গ/৫/১) “হযরত দাউদ আলাইহিস সালাম এর কাজের মধ্যে নফস ও আভ্যন্তরীন কুপ্রবৃত্তির কিছুটা দখল ছিল। অনুরুপভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের সাথেও তার কিছুটা সম্পর্ক ছিল। আর তা ছিল এমন ধরনের কাজ, যা হকপন্থী কোন শাসনকের পক্ষেই শোভা পায়না।”
(তাফহিমুল কোরআন(উর্দু):৪র্থ খণ্ড, সুরা সাদ, ৩২৭ পৃ. ১ম সংস্করণ, অক্টোবর ১৯৬৬ইং)
গ/৫/২) “হযরত দাউদ আলাইহিস সালাম তৎকালীন যুগে ইসরাঈলী সোসাইটির দ্বারা প্রভাবান্বিত হয়ে এক বিবাহিতা যুবতীর উপর আসক্ত হয়ে তাকে বিবাহ করার জন্য তার স্বামীর নিকট তালাকের আবেদন করেছিলেন”
(তাফহিমাত ২য় খণ্ড: ৪২পৃ. ২য় সংস্করণ। নির্বাচিত রচনাবলী (বাংলা) ২য় খণ্ড, ৭৩ পৃ, আধুনিক প্রকাশনী, ১ম প্রকাশ ১৯৯১ইং]
গ/৬) “হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম সম্পর্কেঃ ‘আমাকে মিসরের রাজকোষের পরিচালক নিয়োগ করুন’- এ কথাটি বলে শুধু অর্থমন্ত্রী হওয়ার জন্যই প্রার্থনা করেননি। কারো কারো ধারনা, বরং তিনি এ বলে ডিকটিটরীই চেয়েছিলেন মৌলিকভাবে। এরই ফলশ্রুতিতে বর্তমান ইতালীর মুসোলিনির যে মর্যাদা তিনিও এর কাছাকাছি মর্যাদার অধিকারী হয়েছিলেন।”
(তাফহীমাত: ২য় খণ্ড, ১২২ পৃ. ৫ম সংস্করন এবং নির্বাচিত রচনাবলী(বাংলা) ২য় খণ্ড, ১৫১ পৃ, আধুনিক প্রকাশনী, ১ম সংস্করন ১৯৯১ইং)
গ/৭) “হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম এর দ্বারা রিসালাতের দায়িত্ব আদায় করার ব্যাপারে কিছু ত্রুটি হয়ে গিয়েছিল। সম্ভবত তিনি ধৈর্যহারা হয়ে নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই আপন স্থান ত্যাগ করে চলে গিয়েছিলেন।”
(তাফহিমুল কোরআন: ২য়খণ্ড, সূরা ইউনুস (টিকা দ্রষ্টব্য) ৩য় সংস্করণ, ১৯৬৪ ইং)
গ/৮) “হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম মারা গেছেন একথাও বলা যাবেনা, বরং বুঝতে হবে ব্যাপারটি অস্পষ্ট।”
(তাফহিমুল কোরআন ১মখণ্ড (সুরা নিসা), ৪২১ পৃ.)
ঘ/১) হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কেঃ
“আল্লাহ তা’য়ালার নিকট কাতর কন্ঠে এই আবেদন করুন, যে কাজের দায়িত্ব আপনাকে দেওয়া হয়েছিল তা সম্পন্ন করার ব্যাপারে আপনার দ্বারা যে ভুল ত্রুটি হয়েছে কিংবা তাতে যে অসম্পূর্ণতা রয়ে গেছে তা যেন তিনি ক্ষমা করে দেন।”
(তাফহিমুল কোরআন (বাংলা) ১৯শ খণ্ড, ২৮০পৃ. মুদ্রনেঃ ওরিয়েন্টাল প্রেস, ঢাকা ১৯৮০ ইং এবং কোরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা (বাংলা) ১১২পৃ. ৮ম প্রকাশ, আধুনিক প্রকাশনী: জুন ২০০২)
ঘ/২) “মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানবিক দূর্বলতা থেকে মুক্ত ছিলেন না। অর্থাৎ তিনি মানবিক দূর্বলতার বশীভূত হয়ে গুনাহ করেছিলেন।”
(তরজমানুল কোরআন ৮৫ তম সংখ্যা, ২৩০পৃ. ও তরজমানুস্ সুন্নাহ, ৩য় খণ্ড, ৩০৫ পৃষ্ঠা)
ঘ/৩) “মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে মনগড়া কথা বলেছেন এবং নিজের কথায় নিজেই সন্দেহ পোষণ করেছেন।”
(তরজমানুল কোরআন, রবিউল আউয়াল সংখ্যা, ১৩৬৫ হিজরী)
ঘ/৪) হযরত মুহাম্মদ (সা.) রিসালাতের দায়িত্ব পালনে ত্রুটি করেছেন, তাকে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।
(তাফহীমুল কুরআন, সুরায়ে নসর এর তাফসীর)
ঙ) সাহাবা কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম সম্পর্কে কুফরী আক্বীদাঃ
ঙ/১। “সাহাবায়ে কেরাম সমলোচনার বাহিরে নন। তাদের দোষ বর্ণনা করা যায়। সাহাবাদের সম্মান করার জন্য যদি ইহা জরুরী মনে করা হয় যে, কোনভাবেই তাদের দোষ বর্ণনা করা যাবে না তবে আমার (মওদুদী) দৃষ্টিতে ইহা সম্মান নয় বরং মূর্তি পূজা। যার মূলোৎপাটন এর লক্ষ্যেই জামাতে ইসলামীর জন্ম”। (তরজুমানুল কুরআন ৩৫শ’ সংখ্যা, পৃষ্ঠা ৩২৭)
ঙ/২।) "সাহাবায়ে কিরাম অনেকে মনগড়া হাদিস বর্ণনা করেছেন।"
(তরজমানুল কোরআন ৩৫ সংখ্যা) ঙ/৩)
ঙ/৩) "সাহাবাদের মধ্যে জাহেলিয়াতের বদ-স্বভাবের পুনরাবৃত্তি ঘটে।"
(তাফহীমাত ২য় খণ্ড, ১৫৫ পৃষ্ঠা)
ঙ/৪) “হযরত আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহু খিলাফতের দায়িত্ব পালনে সম্পুর্ণ অযোগ্য ছিলেন”।
(তাজদীদ ও ইয়াহইয়ায়ে দীন: পৃষ্ঠা ২২,)
ঙ/৫) “নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ওফাতের সময় ব্যাক্তিসম্মানের কু-মনোবৃত্তি হযরত উমর (রঃ)কে পরাভূত করেছিল।
(তরজুমানুল কুরআন, রবিউস সানি ৩৫৭ হিজরী)।
ঙ/৬) “হযরত উসমান রাযিয়াল্লাহু আনহু এর মাঝে সজন-প্রীতির বদগুণ বিদ্যমান ছিল।
(খেলাফত ও মুলকিয়াত, পৃষ্ঠা ৯৯)
ঙ/৭) “হযরত আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু স্বীয় খেলাফতকালে এমন কিছু কাজ করেছেন যাকে অন্যায় বলা ছাড়া উপায় নেই। (খেলাফত ও মুলকিয়াত, পৃষ্ঠা ১৪৬/১৪৩)
ঙ/৮) “হযরত মুয়াবিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহু স্বার্থবাদী, গনিমতের মাল আত্মসাৎকারী, মিথ্যা সাক্ষ্যগ্রহকারী ও অত্যাচারী ছিলেন”।
(খেলাফত ও মুলকিয়াত, পৃষ্ঠা ১৭৩)
* শরীয়ত বলেঃ “সাহাবায়ে কেরাম সমলোচনার বাহিরে। তাদের দোষ বর্ণনা করা হারাম ও কবিরা গুনাহ”।
(শরহুল আকায়েদ পৃষ্ঠা ৩৫২)
২) পবিত্র কুরআন শরীফ সম্পর্কে কুৎসাঃ “কোরআন করিম হেদায়েতের জন্য যথেষ্ট, কিন্তু নাজাত বা মুক্তির জন্য নয়।” (তাফহিমাত, ১ম খণ্ড, ৩১২ পৃষ্ঠা)
* আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি যেন আপনি (নবী) মানবজাতিকে অন্ধকারের অতল গহ্বর থেকে উদ্ধার করে আলোর পথ দেখাতে পারেন। সূরা ইবরাহীম, আয়াতঃ ১। মুফাসসিরীনে কেরামের ব্যখ্যানুযায়ী আলোর পথই হচ্ছে মুক্তির পথ। কে সত্যবাদী? মহান মালিক নাকি মাওদূদী সাহেব?
৩)পবিত্র হাদীছ শরীফ সম্পর্কে কুৎসাঃ “হাদীস কিছু লোক থেকে কিছু লোক পর্যন্ত অর্থাৎ মানুষের মুখে মুখে বর্ণিত হয়ে আসছে। এসবকে বড়জোর সঠিক বলে ধারণা করা যেতে পারে কিন্তু দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করার কোন অবকাশ নেই। আর একথা স্পষ্ট যে, আল্লাহর দীনের যে সকল বিষয় এতো গুরুত্বপূর্ণ যে, এগুলোর দ্বারা ঈমান ও কাফেরের মাঝে পার্থক্য নির্ণীত হয় সেগুলো গুটিকয়েক লোকের বর্ণনার উপর নির্ভর করে মানুষকে বিপদগ্রস্ত করা আল্লাহ তায়ালা কখনো পছন্দ করতে পারেন না।"
(রাসায়েল ও মাসায়েল, ৬৭ পৃষ্ঠা) কী কুখ্যাত মন্তব্য!!! একটু বিবেচনা করুন।
চলুন, এবার দেখি মওদূদী সাহেব থেকে আরো কি কি হাদীস বর্ণিত আছেঃ
১। প্রসঙ্গঃ ইসলামী রীতিনীতি।
“পোশাক পরিচ্ছদ, চাল-চলন, আকৃতি-প্রকৃতি চুল কার্টিং ইত্যাদির ব্যাপারে বিধর্মীদের অনুকরণ করতে কোন দোষ নেই”। (তরজুমানুল কুরআন, ছফর সংখ্যা, ১৩৬৯ হিজরী)
* ইসলাম বলে, ইসলামী পোশাক-পরিচ্ছদ-প্রকৃতি চাল-চলন ইত্যাদি গ্রহণ করবে। এসব ব্যাপারে বিধর্মীদের অনুকরণ করবে না। (এমদাদুল মুফতিয়ীন, ২য় খণ্ড, ১৫৪ পৃষ্ঠা)
২। প্রসঙ্গঃ দাড়ি কাটা ও রাখা।
“দাড়ি কাটা ছাঁটা জায়িয। কেটে ছেঁটে এক মুষ্টির কম হলেও ক্ষতি নেই। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে পরিমাণ দাড়ি রেখেছেন সে পরিমাণ দাড়ি রাখাকে সুন্নত বলা এবং এর অনুসরণে জোর দেয়া আমার মতে মারাত্মক অন্যায়”। (রাছায়েল মাছায়েল, ১ম খণ্ড, ২৪৭ পৃষ্ঠা)
* ইসলাম বলে, এক মুষ্টি পরিমাণ দাড়ি রাখা ওয়াজিব। কেটে ছেঁটে এর কম করা হারাম।
(বুখারী শরীফ, ৭৫ পৃষ্ঠা, মুসলিম শরীফ, ১২৯ পৃষ্ঠা, আবু দাউদ শরীফ ২২১ পৃষ্ঠা)
৩। প্রসঙ্গঃ সুন্নতে রাসূল।
“হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আদত, আখলাককে সুন্নত বলা এবং তা অনুসরণে জোর দেয়া আমার মতে সাংঘাতিক ধরনের বিদয়াত ও মারাত্মক ধর্ম বিকিরণ।
(রাছায়েল মাছায়েল, ২৪৮ পৃষ্ঠা)
* ইসলাম বলে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আদত, আখলাক ও স্বভাব-চরিত্র আমাদের অনুকরণের জন্য উত্তম নমুনা বা সুন্নত।
(সূরা আহযাব, আয়াতঃ ২১। বুখারী শরীফ, ২য় খণ্ড, ১০৮৪)
৪। প্রসঙ্গঃ দ্বীনের আসল উদ্দেশ্য।
“দ্বীনের আসল মকছুদ হলো ইসলামী হুকুমত। নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত ইত্যাদি সমস্ত ইবাদত হলো উক্ত মকছুদ অর্জনের মাধ্যম”।
(আকাবেরে উম্মত কী নজরমে, ৬৪ পৃষ্ঠা)
* ইসলাম বলে, দ্বীনের আসল মকছুদ নামায, রোযা, হজ্ব, যাকাত ইত্যাদি কায়েম করা। ইসলামী হুকমত উক্ত মকছুদ অর্জনে সহায়ক। (শরহুল আকায়েদ, ৩০৪ পৃষ্ঠা)
** মিস্টার মওদুদীর উপরোক্ত মন্তব্যের ফল এই দাঁড়ায় যে, ইসলামী হুকুমত অর্জিত হলে নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত ইত্যাদি ইবাদতের কোন প্রয়োজন নেই। যেহেতু মকছুদ অর্জিত হলে মাধ্যমের আর প্রয়োজন থাকে না। (নাঊযুবিল্লাহ)
আপনি চেষ্টা করবেন মূল কিতাব পরার জন্য কারন বাংলা কিতাবগুলো অনেকটা চুরি করে সংশোধন করে ফেলেছে মগবাজার থেকে।
মূল কিতাব না পেলে এই বইগুলো পড়ুন....
১. মাওলানা মওদূদীর সাথে আমার সাহচার্যের ইতিবৃত্ত – মাওলানা মনজুর নোমানী (রহঃ) (ঐ)
২. মওদূদী সাহেব ও ইসলাম -মুফতি রশীদ আহমাদ লুধীয়ানভী (রঃ) (দারুল উলুম লাইব্রেরী-৩৭,নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার)
৩. মওদূদীর চিন্তাধারা ও মওদূদী মতবাদ -ইজহারে হক ফাউন্ডেশান; প্রাপ্তিস্থানঃ (দারুল উলুম লাইব্রেরী-৩৭,নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার)
৪. ফিতনায়ে মওদুদীয়াত – মাওলানা যাকারিয়া (রহ.)
৫. ভুল সংশোধন -মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.)
৬. হক্ব বাতিলের চিরন্তন দ্বন্দ্ব- আল্লামা আহমাদ শফী, হাটহাজারী।
৭. ঈমান ও আক্বীদা -ইসলামিক রিসার্স সেন্টার, বসুন্ধরা।
৮. ফতোয়ায়ে দারুল উলূম (আংশিক)
৯. ইসলামি আকীদা ও ভ্রান্ত মতবাদ -মাওলানা মুহাম্মাদ হেমায়েত উদ্দীন(১১/১, বাংলাবাজার, ঢাকা)
২|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৩৭
একিউমেন বলেছেন: পোষ্ট করলাম ১২-৩১এ। আপনি কমেন্ট করলেন ১২-৩৩এ। পড়লেন কক্ষন? দয়া করে পড়ে মন্তব্য করবেন।
৩|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৫৭
ফকির সাইঁ বলেছেন: পুরাটা পরার মত টাইম নাই এখন, তাই পিয় তে নিলাম, সুন্দর লেখা।
আর একটা কথা, আমি গেট-আপ, সোল, মাইনড----- একজন মুসলিম, আমি কিনতু শাহাবাগে ছিলাম মুভমেনটে, কোই আমাকে কিনতু কেউ শিবির বলে নি।
আমি ওনেক বড় কেমপাসে ছিলাম বেশ কয়েক বছর যাবৎ, দাড়ি-টুপি-পাগড়ী পরি, না ভাই আমার এমন কোন পোবলেম হয় নাই, বরং আললাহু সুবহানুতালার রহমতে ভালোই আছি।
আপনাকে জো দিয়ে একটা কথা বলতে পারি, সেটা হোলো হুজুর (সা) এর সকল সুননাহ ই রহমত, সো নিরভয়ে থাকুন, আললাহু সুবহানুতালার উপর ভারষা রাখুন।
৪|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১১
দিশার বলেছেন: কোরান সুন্না অনুজাই বিধর্মী নারী দের দাসী করে রাখতে মন চায় . একটু fatwa দিয়ে সাহায্য করেন please
৫|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:২০
ফকির সাইঁ বলেছেন: @দিশার :: ভাই আপনি ও কিনতু সাগুদের নাহাল কাজ টা করলেন, ডিফারেনস টা কোথায় ! ফর ইয়োর কাইড ইনফো..... ইসলামে এই রকম কিছু নাই যেটা আপনি বললেন।
৬|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:৫৭
একিউমেন বলেছেন: ফকির সাইঁ বলেছেন: @দিশার :: ভাই আপনি ও কিনতু সাগুদের নাহাল কাজ টা করলেন, ডিফারেনস টা কোথায় ! ফর ইয়োর কাইড ইনফো..... ইসলামে এই রকম কিছু নাই যেটা আপনি বললেন।
৭|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:০৫
দিশার বলেছেন: দাস দাসী নিষিদ্ধ করা একটা আয়াত দেখান please . আমি অন্তত ১০ তা হাদিস এবং রেফারেন্স , সাহাবাদের জীবনী থেকে উদাহরণ দিতে পারব।
৮|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৩
একিউমেন বলেছেন: @ দিশার, আপনি কোন পোস্টে কি মন্তব্য করছেন? আপনি ব্লগে ঝগড়ানাকরে কোন হাদিস বিসারদের কাছে যান। আপনার আয়াত ও হাদিস পেশ করুন। দেখুন তারা কি বলে। কিছু কিছু আয়াত ও হাদিস মুহাম্মাদ (সা) এর জামানার জন্য ছিল। আমার যুক্তি পেশ করার পর আপনি অনেক প্রশ্ন করবেন। আপনার প্রশ্ন করাটা ব্যাতিক্রমি কিছু না। জবাব দিয়ে আমি শুধু সময়ই ব্যয় করতে পারি। কাজের কাজ কিছু হবে বলে মনে হয় না। আর একটা কথা, ফতোয়া সবাই দিতে পারে না ফতোয়া দেয়ার জন্য মুফতি হতে হয়। আর আইন পাশ করলেই যেমন বিচারক হওয়া জায়না তেমনি ইফতা পাশ করলেই মুফতি হওয়া যায় না। আর কিছু লিখব না। কোন মাদ্রাসায় গিয়ে জিজ্ঞেস করেন। মাদ্রাসার ঠিকানা না জানলে বইলেন।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৩৩
আবদুল্লাহ-আল-নিফাদ. বলেছেন: মনকে সুন্দর করুন। যার মন অসুন্দর তারা সব জায়গায় খারাপ গন্ধ পায়। ভালো কে ভালো বলার সদ সাহস থাকা উচিত। ভালো কাজকে সমত্থন করুন। যুদ্ধ অপরাধের বিচার এখন কোন রাজনৈতিক দাবি নয়। এটা মানুষের প্রানের দাবি। বাঙালি জাতির কলঙ্কমুক্ত হবার দাবি।