নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সহনশীলতাই ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক।

দেশ প্রেমিক বাঙালী

আমি একজন সাধারণ মানুষ। সর্বজন গ্রাহ্য মতামতকে প্রাধান্য দেই।

দেশ প্রেমিক বাঙালী › বিস্তারিত পোস্টঃ

পর্দার আড়ালে থাকা খুনি ক্রিস্টোফার কলম্বাস!

১৭ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:১৩



১৪৯২ সালের কথা। একদল অস্ত্রধারীকে সঙ্গে নিয়ে তিনটি জাহাজে করে ১২ অক্টোবর আমেরিকার বাহামাস দ্বীপে পৌঁছান ক্রিস্টোফার কলম্বাস। সরলমনা স্থানীয় আদিবাসীরা তাদেরকে অতিথি হিসেবে স্বাগত জানান। কলম্বাসের একটি ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ মেরামতও করে দেন তারা। অভ্যর্থনা জানাতে আসা আদিবাসীদের দেহে স্বর্ণের অলঙ্কার দেখে কলম্বাস অনুমান করেন আশেপাশের কোথাও স্বর্ণের খনি রয়েছে। আদিবাসীদের সরলতা কলম্বাসকে মুগ্ধ করে এ জন্য যে, তিনি খুবই কম পরিশ্রমে ওই ভূখণ্ডের সব কিছু নিজের দখলে নিতে পারবেন। তিনি আমেরিকার মূল মালিক আদিবাসীদের নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনা পাকাপোক্ত করেন এবং স্পেনে গিয়ে আরও এক হাজার দুইশ’ ইউরোপীয়কে সঙ্গে নিয়ে আসেন। শুরু হয় নির্মমতা, চলে গণহত্যা। কলম্বাস বাহিনী হিস্পানিওলা দ্বীপের একটি প্রদেশে ১৪ বছরের উপরের সব আদিবাসীকে তিন মাস পরপর একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বর্ণ জমা দেওয়ার নির্দেশ জারি করেন। এই নির্দেশ মানতে যারাই ব্যর্থ হতো তাদেরই দুই হাত কেটে ফেলা হতো। হাত কাটার পর তারা রক্তপাতে মারা যেত। অনেকে বাঁচার জন্য পালানোর চেষ্টা করতো। তাদেরকে হিংস্র কুকুর দিয়ে খুঁজে বের করে নির্মম অত্যাচারের মাধ্যমে মেরে ফেলা হতো। অনেক আদিবাসীকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে।

হিস্পানিওলা দ্বীপে বসবাসকারীরা ছিল আরাওয়াক গোত্রের। ঐতিহাসিক সনদগুলো বলছে,কলম্বাসের নেতৃত্বাধীন ইউরোপীয় বাহিনীর নির্মমতা সইতে না পেরে ৫০ হাজার আদিবাসী বিষ খেয়ে গণ-আত্মহত্যা করেছিলেন। মায়েরা তাদের ছোট ছোট বাচ্চাদের বিষ খাইয়ে মেরে ফেলতেন যাতে ইউরোপীয়রা ওই বাচ্চাদেরকে কুকুরের খাবারে পরিণত করতে না পারে। এরপরও যারা বেঁচে ছিলেন তাদেরকে দাসে পরিণত করেন কলম্বাস। নিজের মতো করে সব কিছু গড়ে তুলতে আদিবাসীদের রাত-দিন পরিশ্রমে বাধ্য করেন। কলম্বাসের এই নিষ্ঠুরতার কারণেও মারা যায় হাজার হাজার আদিবাসী। আরাওয়াক গোত্র সংক্রান্ত ঐতিহাসিক তথ্য-উপাত্তে দেখা যায়, ১৫১৫ সালেও আরাওয়াক গোত্রের ৫০ হাজার সদস্য বেঁচে ছিল। কিন্তু ১৫৫০ সালে সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছিল ৫০০ জনে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৬৫০ সালে দ্বীপটিতে আরাওয়াক গোষ্ঠীর আর কেউ বেঁচে ছিল না। এর বহু আগেই কলম্বাস মারা যান, কিন্তু সেখানে দখলদার ইউরোপীয়দের গণহত্যা থেমে থাকেনি। কলম্বাসের উত্তরসূরিরা একই কায়দায় আদিবাসী নিধন অব্যাহত রাখে।

কলম্বাসের সময়ের কিছু নির্মমতার ইতিহাস উঠে এসেছে তার নিজস্ব জার্নাল ও চিঠিতে। আরও তথ্য পাওয়া যায় স্পেনের ঐতিহাসিক বার্তোলমে দা লাস কাসাস এর লেখা ‘হিস্টোরি অব দ্য ইন্ডিজ’ বইয়ে। তিনি লিখেছেন,কলম্বাস বাহিনী তাদের ছুরি ও তলোয়ারের ধার পরীক্ষা করার জন্যও আদিবাসীদের টুকরো টুকরো করে কাটতো, নিষ্পাপ শিশুদের শিরশ্ছেদ করতো। কলম্বাস যাদেরকে রেড ইন্ডিয়ান বলে নামকরণ করেছিলেন সেই আদিবাসীদের একটা বড় অংশকে নিশ্চিহ্ন করার পর ইউরোপীয়রা নিজেদের বিলাসী জীবন নিশ্চিত করতে একদল সেবকের প্রয়োজন বোধ করে। তারা আফ্রিকা মহাদেশে গিয়ে মানুষ ধরে আনতে শুরু করে। এভাবেই আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের আগমন। তারা স্বেচ্ছায় আমেরিকায় আসেননি, তাদেরকে জোর করে ধরে আনা হয়েছে।

বিখ্যাত কৃষ্ণাঙ্গ লেখক ও কোস্ট গার্ড অ্যালেক্স হেলি আমেরিকায় তার নিজের প্রথম পূর্বপুরুষের অনুসন্ধানে ব্যাপক গবেষণা চালিয়েছেন। সেই গবেষণালব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে লেখা ‘রুট্‌স: দ্য সাগা অফ এন অ্যামেরিকান ফ্যামিলি’ বইয়ে আফ্রিকা থেকে মানুষ ধরে আনার কিছু ঘটনার প্রামাণ্য বর্ণনা রয়েছে। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে গবেষণার পর জানতে পারেন আমেরিকায় তার প্রথম পূর্বপুরুষের নাম কুন্তা কিন্তে। গাম্বিয়া থেকে কুন্তা কিন্তে-কে ধরে নিয়ে আসে ইউরোপীয়রা। কুন্তা কিন্তে’র আমেরিকায় পৌঁছার খুঁটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছেন অ্যালেক্স হেলি। কুন্তা কিন্তে জঙ্গলে কাঠ কাটতে গিয়ে ইউরোপীয়দের অনুচরদের মাধ্যমে অপহৃত হন। এরপর তার আত্মীয়-স্বজনেরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। ১৭৬৭ সালে এক ইউরোপীয় দাস ব্যবসায়ী অন্যান্য পণ্যের সঙ্গে গাম্বিয়ার যে ১৪০ জন মানুষকে জাহাজে করে আমেরিকায় নিয়ে এসেছিল তার মধ্যে কুন্তা কিন্তেও ছিলেন। জাহাজটি অ্যানাপোলিসের বন্দরে এসে থামে। অ্যানাপোলিস বর্তমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত। আমেরিকায় পৌঁছার আগেই পথে নির্মমতায় মারা যায় ৪২ জন গাম্বিয়ান। বেঁচে যাওয়া ৯৮ জনের একজন হলেন কুন্তা কিন্তে।




সাংবাদিক ড. সোহেল আহম্মেদ এর লেখা থেকে।

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:৩৭

রাােসল বলেছেন: Thanks

১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২০

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

২| ১৭ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:৫৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ইতিহাস পাতা উল্টায় আপনমনে

সো কল্ড সভ্যদের অসভ্য অর্তাচার আর বর্বরতার ইতিহাস আপনাতেই উঠে আসছে মহাকালের নিয়মে!

এই সোনার বাংলা যেমন লুট করেছে ক্লাইভ গং
গড়ে তুলেছে লন্ডনের প্রাসাদ সূখ - তাতে মিশে আছে বাংলার বাঙ্গালীর রক্ত, ধন, সম্পদ আর
তাদের জঘন্য নির্মম বর্বরতার ইতিহাস।

১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২২

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: কলম্বাস ও ক্লাইভ এদের গন্তব্য একই সেটা হলো দস্যুতা করা।

৩| ১৭ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৪৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
‘ইন ফোরটিন নাইনটি টু, কলম্বাস সেইলড দ্য ওশান ব্লু’।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ছড়ার মাধ্যমেই ক্রিস্টোফার
কলম্বাসকে চিনে ছিলাম আমরা। কলম্বাসকে কোটি
কোটি মানুষ হিরো হিসেবেই জেনে এসেছে।
নতুন বিশ্ব’ আবিষ্কারের জন্য বিরাট কৃতিত্ব দেয়া হয় যে
ব্যক্তিটিকে তিনিই আবার যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে বিতর্কিত
এক নামও।কিন্তু কলম্বাস এমন কী করেছিলেন
যে তাকে এখন অত্যাচারী আখ্যা দেয়া হচ্ছে?
বিশেষ করে, আমেরিকার আদিবাসী
রেড ইন্ডিয়ানদের সঙ্গে তার আচরণ ছিল প্রশ্নবিদ্ধ এবং
এই মানুষদের জীবনকে বিপন্ন করেই তিনি সহিংস
পন্থায় উপনিবেশ স্থাপন করতে চেয়েছিলেন।
সম্প্রতি জর্জ ফ্লয়েড হত্যা এবং এর প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপজুড়ে প্রতিবাদের মধ্যেই আলোচনায় উঠে এসেছে কলম্বাসের নাম। আদিবাসী মানুষের ওপর তিনি যে নিষ্ঠুরতা চালিয়েছেন তার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এই নাবিকের ভাস্কর্য সরিয়ে ফেলার ডাক উঠেছে। এরই মধ্যে তিনটি ভাস্কর্য একটি লেকে ফেলে দেয়া হয়েছে, একটির মুণ্ডু আলাদা করে ফেলা হয়েছে ও আরেকটি টেনে মাটিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। প্রতিবাদকারীরা জানিয়েছেন, আদিবাসী মানুষের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শনের জন্যই তারা কলম্বাসের ভাস্কর্যকে টার্গেট করছেন।

১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২২

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষণ।

৪| ১৭ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: হায় হায় কলম্বাস তো তাহলে বিরাট দুষ্টলোক।

আসলে আমরা যারা এখনও সমাজের কিছু মানূষকে মহৎ বলে জানি আড়ালে তারাও হয়তো বিরাট খুনি। জানি না বলে সাধু।

১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২৩

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: প্রকৃত অর্থেই সে দুষ্টলোক ছিল।

৫| ১৭ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:২৬

পলাতক মুর্গ বলেছেন: পশ্চিমা শয়তানদের মুখোশ উম্মোচন হইতেছে অবশেষে, ভাল.........

১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২৩

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: সত্য কখনো চাপাপড়ে থাকেনা।

৬| ১৭ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:৪৮

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: সাদা বাবুরা কালোদের প্রতি ঘৃণাপোষন করেন সেই আদি থেকেই।

১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২৪

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: ১০০% সত্য কথা।

৭| ১৭ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:২২

নতুন নকিব বলেছেন:



অত্যাচারীদের সব অপকর্ম ধীরেধীরে বেরিয়ে আসবে এভাবেই।

১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২৪

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: সত্য সত্যই যাহা কখনো চাপা পড়ে থাকবেনা একদিন বের হবেই।

৮| ১৭ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:২৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


খনকার ইউরোপে ২ শ্রেণীর মানুষ সমুদ্র অভিযানে যেতেন: বিজ্ঞানী ও জলদস্যু, কলম্বাস আসলেই দস্যু ছিলো।

১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২৫

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

৯| ১৭ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


এবার এই দস্যুর মুর্তি ভেংগে ফেলেছে মানুষ

১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২৬

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: মানুষরা ঠিক কাজটিই করেছেন।

১০| ১৭ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৪৯

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: ভালো লিখেছেন।

১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২৬

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১| ১৭ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৬

কাছের-মানুষ বলেছেন: ফেইসবুকেও দেখলাম মূর্তি ভাংচুর এর ভিডিও। পোষ্ট ভাল।

১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২৬

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: আরো আগে ভাংতে হতো।

১২| ১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:০১

অনল চৌধুরী বলেছেন: আরবরা মিসর,সিরিয়া,ইরাকসহ পৃথিবীর অনেক দেশ দখল করে সেসব দেশের ভাষা ধ্বংস করেছে।কিন্ত কোনো মহাদেশে তারা এরকম বর্বরতা চালায়নি,যেটা করেছিলো ইউরোপীয়রা এ্যামেরিকা মহাদেশ ছাড়াও অষ্ট্রেলিয়া,নিউজিল্যান্ডে।
এরাই আসল মানুষখেকো।
অ্যালেক্স হ্যালির কাহিনী অবলম্বনে ৭০-৯০"-এর দশকে রুটস ধারাবাহিক বিটিভি' তে দেখানো হয়েছিলো।

১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২৭

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: এরাই আসল মানুষখেকো; চমৎকার বিশ্লেষণ।

১৩| ১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:১৭

আরোগ্য বলেছেন: পোস্ট প্রিয়তে। ধন্যবাদ এমন পোস্ট করার জন্য

১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২৮

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪| ১৮ ই জুন, ২০২০ রাত ১:১১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: তথ্যবহুল লেখা । ভালো লাগলো

১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২৮

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

১৫| ১৮ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৩৯

পদ্ম পুকুর বলেছেন: এ রকম একটা ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে যখন আমেরিকানরা সারা বিশ্বে মানবতার ফেরিওয়ালা সাজে এবং আমেরিকায় থাকা অন্যদেশীয় মানুষ সেটার স্বপক্ষে কলম চালায়, তখন বিষয়টা অত্যন্ত হাস্যকর হয়ে যায়।

১৮ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৫৭

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: আমেরিকাতে এখনো বর্ণবাদ আছে তবে আগরে মতো না।

১৬| ২৫ শে জুন, ২০২০ রাত ২:২৬

শায়মা বলেছেন: এই পোস্ট প্রিয়তে রাখলাম!!!

০৬ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:৫২

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭| ২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ২:৩৬

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বিটিভিতে রুটস দেখানো হয়েছিল ৮০র দশকে কয়েকটা পর্বে কয়েক সপ্তাহ ধরে। খুব প্রশংসিত হয়েছিল তখন। কুন্তাকিন্তে কে মূল চরিত্র ধরে এটা নির্মাণ করা হয়েছিল।

০৬ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:৫৩

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: এমদম ঠিক।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.