| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য
মানুষ পথিক বেশে ঘুরছে দেশে দেশে একটু ছায়াতলে থমকে দাঁড়ায়, স্মৃতিটুকু রেখে শুধু একদিন তো চলে যায়।
বরিশালের হিজলা উপজেলার চরবিশোর গ্রামে আরিফ রাঢ়ী (১৩) নামে এক স্কুলছাত্রকে লাথি মেরে হত্যার পর মরদেহ খালে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এশার নামাজের আগে মোশারফ (২৬) নামে প্রতিবেশী এক যুবকের বাড়িতে যায় আরিফ রাঢ়ী। এসময় মোশারফ খাটে শুয়ে থাকলে আরিফ তাকে নামাজে যাওয়ার জন্য উঠতে বলে। মোশারফ রাজি না হওয়ায় আরিফ তাকে একটি চড় দেয়। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে মোশারফ আরিফের বুকে লাথি মারে। এতে ঘটনাস্থলেই আরিফের মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে আরিফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা অভিযুক্ত মোশারফকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে হত্যার কথা স্বীকার করে। তার স্বীকারোক্তির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পরে তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহত কিশোর আরিফ রাঢ়ী হিজলা উপজেলার গৌরব্দী ইউনিয়নের চরবিশোর গ্রামের বাসিন্দা আনিছ রাঢ়ীর ছেলে। আর অভিযুক্ত মোশারফ বয়াতি একই গ্রামের শাহজালাল বয়াতির ছেলে।
এই নিহত ছেলেটার (আরিফ রাঢ়ী) বয়স সবে তেরো। তার ইমানি জোশ হঠাৎ এত বাড়ল যে, একজন নামাজ পড়বে না, সে বয়সে দ্বিগুণ হলেও তাকে চড় মেরে নামাজে নিয়ে যাবে। হিতে বিপরীত হয়ে গেল না? তোর এত ইচ্ছা ওরে নামাজে নিয়ে যাওয়ার, তাহলে একবার বল, বারবার বলে বিরক্ত করে নিজের জানটাই গেল এখন।
ছেলেটার বয়স কম, সহানুভূতি জাগছে, কিন্তু এর মতো পাকনা মানুষ কিন্তু আশপাশে অনেক আছে। সারাদিন বলে মিথ্যা কথা, মানুষের সঙ্গে বাটপারি করে, করে মানুষের ক্ষতি, অথচ মাঝেমধ্যে ইমানি জোশ জেগে উঠে। বড় বড় বাণী ছাড়ে। নামাজ পড়েছো? রোজা রেখেছো? এই জোশ এমন, যে কোনোদিন পশ্চিম দিকে ফিরেও তাকায়নি, সেও ধর্মানুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ তুলে মব ভায়োলেন্সে জড়িয়ে পড়ে।
ধর্ম ব্যক্তিগত বিষয়। কেউ পালন না করলে দায়ভার তার নিজেরই। কাউকে কিছু বলা যায়, কিন্তু জোরজবরদস্তি করা যায় না। অথচ কিছু কিছু মানুষের আসল কাজে খবর নেই, অন্যের ওপর খবরদারি করে বেড়ায়।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:০২
অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: সব মিডিয়ায় এমনই এসেছে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিউজ। সমকালের নিউজ।
২|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এমন ঘটনা আগে কখনো শুনিনি জনাব ।
।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৪
অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: এ ঘটনা বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৫
আমি নই বলেছেন: জোর করে নামাজে নিয়ে যাওয়ার জন্যে ১৩ বছরের একটা বাচ্চা ২৬ বছরের একজনকে চর মারল!!! অভিযোগটা খুবই হাস্যকর। সম্ভবত ঘটনা ভিন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা।