| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যেন প্রতিটা ঠোঁটেই সুখ দীপ্ত হাসির খেলা,
দুঃখকে ছুটি দিয়ে তবেই শান্ত হবেন কর্তা।
অভাবকে দেশ ছাড়া করার বক্তৃতায় মঞ্চে যেন আগুন লেগে যায়।
অতীতের সব ভুলকে কাঠগড়ায় দার করিয়ে
যুগ যুগ জমে থাকা সব অভিমানের হিসেব নেবেন নিয়ম মেনে।
দশ বছরের পল্টুটাও খুশির চোটে তিনটা লাফ দিয়ে বলে
“তিন বেলা করে ভাত খাব।”
বোধহয় এ বেলায় কিছু হবেই !!
নতুন দিনের আশায় হাফ ছেড়ে বুক ভরে শ্বাস নিতে ইচ্ছে করছে খুব!
সাথে প্রণাম বা সালাম ঠুকতে পারতাম যদি কর্তার চরণে?
তালি বেজে উঠলো হঠাৎ !! নাটক দেখছিলাম ??
হাতেমতায়ীর অভিনেতা দেখি সোনার পালঙ্কে ঠেং তুলে চুরুট টানছেন !!
গুটি কয়েক তালির আশায় ? নাকি নিত্য নতুন অভিনয়ে
দর্শক মাতিয়ে মঞ্চের নেশাটা ধরে রাখার চেষ্টা ?
নির্বাণ নির্বাণ করে চিৎকার করছো কেন অত ?
তুমি তো সেদিন নাটক দেখে উল্লাসে গড়িয়ে পরেছিলে মঞ্চের সিঁড়িতে।
মশাল জেলে গুটিকয়েক তেলাপোকার ফাঁসির দাবিতে
গলা ফাটিয়েছো কোন এক চত্বরে।
টিকে থাকার ভং ধরে মোড়ে মোড়ে ভীতিকর গগণ বিদারী
আওয়াজ তুলে শৃঙ্খলা হারিয়েছো তুমিই তো।
উস্কে দেয়া সাংবাদিকের মুক্তি চেয়ে কবিতা লিখ নি তুমি ?
নিরীহ সাদা পোশাকের লোকগুলিকে মাঠে নামিয়ে
কখনো সাধু কখনো চোর বলে হাসি কান্নার রং গুলিয়ে
ছুড়েছো উপহাসের আকাশে।
ফিরে এলে বদলে দেবে সব ? হাসিও না ! বরং কান্নাটাই আজ
ভিটে বাড়ির মতো আপন মনে হয়।
সেদিন দেখি এক ভি আই পি রোডের মাঝখানে রক্তের ছোপ ছোপ,
পাশেই ফুটপাতে পরে আছে অগোছালো সার্ট টাই পরা
নিষ্প্রাণ কোন এক তুই।
মৃত্যুই তোর কাম্য ছিল, কেন আজও তুই যুগ যুগ ধরে
চাকরির খোঁজে দুয়ারে দুয়ারে মামার তালাশ করিস।
তোর সন্তান কেন আজব্দি নেতার বদলে
ডাক্তার হবার স্বপ্ন দেখে।
পেটের দায় কিবা টাকার লোভে প্রতিদিন তুই
এ দল ও দলে মিছিল করে বেড়াস।
তোর কারণেই অভিনেতারা বদলে বদলে
নিষ্পাপ হবার চেষ্টা চালায়।
তোর জন্যই পুঞ্জিভূত অভিমানগুলো
ব্লাস্ট হবার কেবল স্বপ্নই দেখে।
অভিমান দিয়ে লেখা এই কাব্যের প্রতিটা শব্দ বুলেট ভেবে নিস তুই।
একটা বুলেট আমার।
©somewhere in net ltd.