| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরকারের অনিয়ম-অবিচার বন্ধের দাবিতে হরতাল দেওয়া যেমন গণতান্ত্রিক অধিকার, তেমনি একজন সাধারণ মানুষ হরতাল মেনে অফিস, দোকান, স্কুল, কলেজ বাদ দিয়ে চুপচাপ বাসায় বসে থাকবে কি না, সেটাও তার গণতান্ত্রিক অধিকার। দিনের শেষে হরতালকারী বলছে, জনগণ হরতাল সফল করেছে। তাহলে যে লোকটিকে তারা বোমা মেরে আহত করল, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারল, সে কি জনগণের বাইরে অন্য কেউ?
হরতালে ব্যাংক, হাসপাতাল, ফার্মেসি, পত্রিকা অফিস, খাবারের হোটেলসহ অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সম্ভব হয় না, এ জন্য টুকটাক যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকে। সেসব যানে হরতালকারীদেরও নিশ্চয়ই কোনো আত্মীয়-পরিজন থাকতে পারে। অথচ পিকেটাররা চলন্ত গাড়িতে আচমকা এলোপাতাড়ি ইট-পাথর ছুড়ে আর লাঠিসোঁটা দিয়ে এমনভাবে যানবাহন ভাঙচুর করে, যেন সরকারের যাবতীয় ব্যর্থতার জন্য দায়ী গাড়িতে বসে থাকা যাত্রীরা।
দেশের উন্নয়নের স্বার্থেই যদি হরতাল দেওয়া হয়; সরকারি বাস, ট্রেন, বিদ্যুৎ অফিস ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে আগুন দিয়ে কি তা সম্ভব? এই সাধারণ হিসাবটা হরতালকারীরা কবে বুঝবে??
রবিউল করিম
[email protected]
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ১০:৩৫
আইটি আরন বলেছেন: nice post.