| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হরতাল একটি গণতান্ত্রিক অধিকার, তবে তাতে অবশ্যই দেশ উন্নয়নের স্বার্থ ও জনগনের পূর্ন সমর্থন থাকতে হবে। একটি রাজনৈতিক দলের কোন প্রমানিত অপরাধীর বিচার বন্ধের দাবীতে হরতাল। যানবাহন ভাংচুর ও বোমাবাজী করে সাধারন মানুষের স্বাভাবিক জীবন বিপদগ্রস্ত করে ফেলার দায়ে কোন নেতা কর্মীকে আটক করলে হরতাল। হরতালে নাশকতা ঠেকাতে পুলিশ বাধা দিলে আবারো হরতাল! কী আশ্চর্য, হরতাল কী শুধুই নিজেদের প্রয়োজন আর স্বার্থ উদ্ধারের একটি পদক্ষেপ হয়ে দাড়ালো? কোনদিন তো কেউ ইভটিজিং বা রাজধানীর যানজট কিংবা ছিনতাই বন্ধের দাবীতে হরতাল দিলনা।? হরতালে দেশের শিক্ষা, বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং এই ক্ষতির একটি প্রভাব এসে পড়েছে নিরীহ কিছু চাকরীজীবিদের উপর। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারের নিদের্শে ব্যাংকে সাপ্তাহিক ছুটি কর্তন করা হয়েছে একদিন। তবে এই ছুটি কমানোই কি ক্ষতিপুরনের চুড়ান্ত সমাধান? আগে বন্ধের দিন হরতাল হতোনা, এখন হবে। নির্বাচনের এখনো অনেকদিন বাকি আছে। ক্ষমতায় রাখবোনা, ক্ষমতা ছাড়বোনা দুই দলের এই যুদ্ধে আরো কতো গাড়ি ভাঙবে, মানুষ মরবে জানিনা তবে এই নৃশংস অমানবিক হত্যাকান্ড বন্ধের জন্য দুই দলকে আলোচনায় বসে একটি সুষ্ঠ ও স্থায়ী সমাধান বের করার জন্য দেশনেত্রী ও জননেত্রীর প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।
[email protected]
২|
২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ৯:৪৯
পাঠক১৯৭১ বলেছেন: তারনকর কথা শোনেনি, বানকি মুনের কথা শোনেনি, কেরীর কথা শোনেনি; আপানার কথা শুনবে?
আপনি কোন চিড়িয়াখানায় আছেন বর্তমানে?
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ৯:৪৭
পাঠক১৯৭১ বলেছেন: তারনকো কথা শোনেনি, বানকি মুনের কথা শোনেনি, কেরীর কথা শোনেনি; আপানার কথা শুনবে?