নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাজার হাজার অসাধারন লেখক+ব্লগারের মাঝে আমি এক ক্ষুদ্র ব্লগার। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া লেখালেখির গুণটা চালিয়ে যাচ্ছি ব্লগ লিখে... যখন যা দেখি, যা মনে দাগ কাটে তা লিখি এই ব্লগে।

সোহানী

আমি অতি বিরক্ত হয়ে আমার অনেক লিখাই ড্রাফটে নিয়েছি কারন সামুতে আমার কিছু ভাবনা শেয়ার করছি, আর এ ভাবনা গুলো আমার অনুমতি ব্যাতিরেকে কপি না করার অনুরোধ করেছিলাম কিন্তু যত্রতত্র আমার লিখার কপি পেস্ট দেখেই যাচ্ছি দিনের পর দিন।

সোহানী › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার বুয়া কাহানি... পর্ব-৫ (স্পেশাল পর্ব আদুরির জন্য)

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:১২





কয়দিন ধরে পত্রিকার পাতায় চোখ রাখতে পারছি না... খুললেই আদুরির অসহায় মুখের দিকে তাকালে নিজের উপর ঘৃনা ধরে। মানুষ কি করে এত জঘন্য হতে পারে। আমাদের মাফ করে দে আদুরি... আমরা তোর জন্য কিছুই করতে পারলাম না। ঘৃনা ঘৃনা আমাদেরকে.... মানুষ নামের জঘন্য প্রানিকে। আমার এ লিখা শুধু তোর জন্য.....নিজেকে শান্তনা দেয়ার জন্য।



এর আগের পর্বগুলো আমি তোদের নিয়ে অনেক মজা করেছি কিন্তু আমাদের মজা যে এতটা নির্মম হতে পারে তা এখন তোকে দেখে বুঝছি। আমাদের ক্ষমা করে দে আদুরি......আমাদের ক্ষমা করে দে আদুরি .......।



আমার ব্যাক্তিগত তথ্য শেয়ার করি .. আমার মায়ের বাসা বা আমার বাসায় সবসময় ২/৩ জন কাজের মেয়ে কাজ করে। আমরা কখনই তাদের কাজের মেয়ে বলি না, বলি এ্যাসিটেন্ট আর আমার বোন বলে ম্যানেজার। কেন কাজের মেয়ে বলি না কারন "কাজের মেয়ে" শব্দটায় কেমন যেন দাস প্রথার গন্ধ পাই। একটা মেয়ে বা ছেলে তার পরিবার পরিজন ..আপন ঘর... খেলার বন্ধুদের ছেড়ে এ বয়সে এসেছে আমার পরিবারের কাছে একটু ভালো থাকার জন্য.. একটু ভালো খাওয়ার জন্য .. দাস হিসেবে বিক্রি হতে নয়। এ সহজ সত্য কেন আমরা বুঝি না...।



আমার পরিবারের এ্যাসিটেন্টরা খুব সহজে আমাদের বাসায় ছেড়ে যেতে চায় না। কারন আমার মা তাদেরকে মেয়ের মত আদর করে আর আমাদেরকে ও শিক্ষা দিয়েছে সে ধরনের বিহেব করতে। আামাদের কাছে ভালোবাসা বা নিরাপত্তা পায় বলে তারা আমাদের ছেড়ে যেতে চায় না। অনেক সময় বিরক্ত যে হইনি তা নয় তখন আমরা তাদের সকল পাওনা পরিশোধ করে তাদের মা বাবার হাতে তুলে দিয়েছি। কিন্তু কখনই গায়ে হাত তোলার চেস্টা করিনি।



গায়ে কেন হাত তুলবো... কোন অধিকারে!!! স্ত্রী বা স্বামী কি সবসময় আপনার মনের মত হয়? আপনার সন্তান কি আপনার মনের মত হয়? তাদের কি আপনি এভাবে নির্মম ভাবে পিটান?? তবে কেন এ অসহায় মেয়েদের পিটান যার আপনার বিরুদ্ধে জোর গলায় কথা বলার ও সাহস রাখে না।



সামান্য একটু ভাতের জন্য... একটু ভালো থাকার জন্য তারা আমার আপনার বাসায় আসে তার বিনিময়ে ২৪ ঘন্টা শ্রম দেয়, তাতে কি আপনার হয় না।



ভুলতো আপনি ও করেন সে জন্য কি শাস্তি দেন নিজেকে অথচ তারা ভুল করলে সহ্য হয় না। আপনার নিজের ছেলে মেয়ে কি কাঁচের জিনিস ভাঙ্গে না????? তারা কি অপরাধ করে না ??? তখন কি আপনি এমন নির্মমভাবে পিটান???? আবার দেখা যায় অনেকে কাজেরে মেয়েদের ভালো কিছু খেতে দেয় না... বাসি না করে খাওয়ায় না। আপনি একবার চিন্তা করেন বাসায় পোলাও কোর্মা রান্না হচ্ছে আর আপনাকে বা আপনার বাচ্চাদের কেউ খেতে দিচ্ছে না আপনার তখন কেমন লাগবে???? অথচ এ কথাটা আপনি চিন্তা করেন না যে ওদের ও খেতে ইচ্ছা করে...



আমি কর্মজীবি, আমার দুটো ছোট ছোট ছেলে মেয়ে আছে। সারাদিন কি আদরে ওরা রাখে তাদের... তাহলে কেন আমি সামান্য অপরাধে তাদের গায়ে হাত তুলবো। আমার আড়াই বছরের মেয়েকে কে বেশী আদর করে জিঙ্গাসা করলে বলে.. আপুনি বেশী আদর করে। সে আমার মেয়েকে ভালোবাসে আমি তাকে অত্যাচার কিভাবে করবো??? ওদেরকে পরিবারের সন্তান হিসেবে কেন আপনারা মেনে নিতে পারেন না.....



দু:খিত অনেক কথা বলে ফেললাম.. আসলে আদুরি বা রহিমা বা নাসিমা .. ওদের খবর প্রতিদিন পত্রিকার পাতায় দেখতে দেখতে আর ভালো লাগে না। আমরা কেন দিনের পর দিন এত অমানুষ হয়ে যাচ্ছি...



নিচে আমার কাজের মেয়ের ছবিটা দিলাম আদুরির সাথে তুলনার জন্য ..... আমরা ওদের ভালো রাখলে সেটা আমাদেরই ভালো.... কারন আমার সন্তান আমাকেই অনুকরন করবে এবং ওরা সেটা দেখেই শিখবে...







আমার আগের ৪র্থ পর্ব যদি পড়তে চান ......



Click This Link



(এ লিখাটা তাদের জন্য নয় যারা কাজের মেয়েকে সত্যিকারের ভালোবাসে যদিও জানি যাদের উদ্দ্যেশে আমার এ লিখা তারা এটা পড়বেন না। তারপরেও লিখলাম কারন আপনার ছেলে মেয়ে এ লিখা পড়বে এবং আপনাকেই একসময় প্রতিহত করবে এ অত্যাচারের বিরুদ্ধে...)

মন্তব্য ৩৩ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩৩) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:২২

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:


আপনার জন্য দোয়া করি যেন আল্লাহ আপনার সবসময় মঙ্গল করেন। আমার শ্রদ্ধা জানবেন।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:২৮

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ....

২| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:৩০

হেডস্যার বলেছেন:
বাহ !! :)
আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুক।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:৩৬

সোহানী বলেছেন: আমি আমার মঙ্গল অবশ্যই তবে সবার আগে ওই সব অসহায় মেয়েদের মঙ্গল চাই.....................

৩| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:৪১

এ্যরন বলেছেন: সুন্দর হয়েছে

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:৪৬

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ তবে ওদেরকে অত্যাচার হাত থেকে কিভাবে বাচাঁবো ???? সবার সাহায্যের হাত বাড়ানো দরকার...............আর দরকার কঠিন শাস্তি অত্যাচারকারীর........

৪| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:৪৭

সাদা রং- বলেছেন: আমরা যে বাসায় থাকি তার পাশের ফ্ল্যাটের ৩ তলায় দুই জন কাজের মেয়ে কে দেখা যায় বয়স কত আর বড়টা ১৩-১৪ আর ছোট টা ৬-৭। মাঝে মাঝে ভুল হলে খুব মারে। তখন তাদের কান্নার শব্দ শুনা যায়। ঐ ফ্ল্যাটের ভদ্র মহিলা নাকি কোন কলেজের মিস।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:১৪

সোহানী বলেছেন: হা সেটাই... আমাদের মত শিক্ষিতরাইতো ওদের গায়ে হাত তুলে। আমার ফ্লাট এর তিন তলায় ও একই ঘটনা। মেয়েটা আমার কাছে প্রায় আসে। সেকারনেই আমার প্রতিবাদ কেন আমরা তাদের ফ্যামিলি মেম্বার হিসেবে না নিয়ে দাস হিসেবে নেই।...... প্লিজ আমাদের কে এগিয়ে আসতেই হবে নতুবা দিনের পর দিন এরকম অত্যাচার চলবেই....

৫| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:৪০

প্রভাষ প্রদৌত বলেছেন: আপু আমার তো প্রথম দেখায় দুবোন মনে
হয়েছিল ।


আপনার জন্য শুভকামনা ।



৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:০২

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ প্রভাষ.. আসলেও ওরা দুবোন। সারাদিন একসাথে থাকে, খেলা করে, পড়াশুনা করে....আবার আমার ও টেক কেয়ার করে। আমি বাসায় পৈাছালে দৈাড়ে আমার কাপড়/টাওয়াল এন দেয় দুজন একসাথে।

৬| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৫:১২

সজিব ইসলাম বলেছেন: আপুনি তুমি অনেক ভাল, তোমার মনটাও অনেক ভাল। এই রকম ভালো মনের মানুষ পাওয়া দুস্কর। আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুন।

০১ লা অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৯:৪২

সোহানী বলেছেন: আমি জানি না আমার ভাল কিনা কিন্তু আমি সবার ভালো চাই... অনেক ভালো চাই....

৭| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৫:৩০

আমি ইহতিব বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার লেখাটা। সবাই এভাবে ভাবতে পারলে আদুরীদের এতো করুণ চিত্র মনে হয় আমাদের দেখতে হতনা।

আপনার মেয়ে ও এ্যাসিটেন্ট দুজনই অনেক সুন্দর। এ্যাসিটেন্ট কে দেখে মনেই হচ্ছেনা ও কোন দরিদ্র পরিবারের সন্তান।

আল্লাহ আপনাদের মতো মানুষগুলোকে সবসময় ভালো রাখুন এই দোয়া করি।

০১ লা অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৯:৪৬

সোহানী বলেছেন: ষত্যিই তাই.... আমি আমার এ্যাসিটেন্ট এর আগের ছবি অর্থাৎ আমার বাসার জয়েন করার কয়েকদিন পরের ছবি দিলাম নিচে.. পার্থক্য ধরতে পারবেন.....

৮| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৯:৪৯

সোহানী বলেছেন:

আমার এ্যাসিটেন্ট, আমার বাসার জয়েন করার কয়েকদিন পরের ছবি ....

৯| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৯:৫৭

অ্যানোনিমাস বলেছেন: শুভকামনা নিরন্তর

০১ লা অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:১৭

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ..

১০| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৫

ইরফান আহমেদ বর্ষণ বলেছেন: শুভকামনা রইল অনেক.....

০২ রা অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১০:০০

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ..

১১| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৪

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: ভাল লাগল... :)

২৪ শে অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৯:৪২

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ.. ..

১২| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ২:৫৬

সাইনাস বলেছেন: লেখার জন্য 3প্লাস . .আপনার জন্য 3প্লাস

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৯:১৮

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ....

১৩| ০৪ ঠা মে, ২০১৪ সকাল ১১:১৮

ইখতামিন বলেছেন:

সবাই এই ব্যাপারটা বুঝে না


সুন্দর লিখেছেন

০৪ ঠা মে, ২০১৪ দুপুর ১২:০৫

সোহানী বলেছেন: হা সত্য.......... অনেক ধন্যবাদ........

১৪| ১১ ই আগস্ট, ২০১৪ ভোর ৬:০৬

এ্যরন বলেছেন: আসলে দাস প্রথা আমাদের রক্তে মিশে আছে । সুখের কথা হলো এখন সচেতনতা বেড়েছে । কিন্তু আমাদের মনোভাব বদলায়নি । আমার এক এক্স বস (মহিলা) ছিলেন কেমব্রীজ থেকে আইন পাশ করা। তার বাসাতে দেখেছি কাজের মেয়েদের জন্য আলাদা ভাত তরকারী রান্না করা হতো। এ যদি হয় আপার ক্লাসের কথা তাহলে সাধারণ পরিবারের মনোভাব সহজেই অনুমান করা যায়।

১১ ই আগস্ট, ২০১৪ সকাল ১০:০৫

সোহানী বলেছেন: অনেক দিন পর লিখাটা পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

সত্যিই তাই। দাস প্রথা আমাদের রক্তে মিশে আছে বলেই তো আমরা গার্মেন্টস্ শমিকদের বেতন না দিয়ে নিউইয়র্ক সিটিতে বাড়ি তৈরী করি। আর বাসায় সামান্য বেতনের বিনিময়ে দাস রাখি। শুধু আপনার কেমব্রীজ থেকে আইন পাশ করা বস নয়ই ...... আমি আমার চারপাশের অসংখ্য মহিলা/পুরুষকে দেখেছি কি অমানুবিক বিহেব করতে তাদের সাথে।

১৫| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১২:০৫

মৃদুল শ্রাবন বলেছেন: আপনার আপনাদের মানুষিকতাকে শ্রদ্ধা জানাই।

লিঙ্ক ধরে লেখাটা পড়লাম। নিয়মিত থাকতে পারিনা দেখে অনেক ভালো ভালো পোষ্ট মিস হয়ে যায়।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৯:৫১

সোহানী বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ লিখাটি পড়ার জন্য মৃদুল শ্রাবন ।

আমি কিন্তু আপনার লিখা খুব পছন্দ করি। আপনার লিখার হাত খুবই ভালো।

১৬| ০৮ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:৪৩

প্রামানিক বলেছেন: আমাদের বাড়িতেও কয়েকজন কাজের ছেলে কাজের মেয়ে থাকতো। তাদেরকে কখনই মারতাম না, সামান্য ধমক দিলেও মা রেগে যেত। মা ওদেরকে সাথে নিয়ে ভাত খাওয়াতো, ভালো-মন্দ যাই রান্না করতো সেখানে থেকে অল্প হলেও মা তাদেরকে না দিয়ে নিজে কখনই খেতো না। কাজের মেয়ে নিয়ে সুন্দর লেখা। ধন্যবাদ আপনাকে।

০৯ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১২:১৭

সোহানী বলেছেন: হাঁ প্রামানিক ভাই, সেটাই কথা। দোষ আমাদের মানসিকতার। একটু যদি সহনশীল হই তাহলে এ অত্যাচার বন্ধ হবেই।

আপনার মায়ের প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা। সবাই যদি এমন হতো তাহলে আজ দেশে এতো অশান্তি থাকতো না।

অনেক অনেক ভালেঅ থাকেন প্রিয় কবি....।

১৭| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: এইসব এসিস্ট্যান্টদের জন্য খুব মায়া লাগে।
আমার বাসায় যা কিছু ভাল রান্না করা হয়, কিংবা কিনে আনা হয়, তার কোন কিছু থেকেই আমাদের এসিস্ট্যান্ট বাদ পড়েন না। এ ব্যাপারে আমার স্ত্রী অত্যন্ত সুবিবেচক।

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:৫৬

সোহানী বলেছেন: অনেক ভালোলাগা প্রিয় খায়রুল ভাই আমার পুরোনো পোস্টে উকিঁ দেবার জন্য। সেই সাথে নিজের পার্সোনাল এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করার জন্য।

আসল কারন হলো গৃহপরিচারিকার কাজ এখনো কাজের মর্যাদা পায়নি। এটি যখন দেশে এনলিস্টেড কাজ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে তখন নিয়ম কানুন বা আইন প্রয়োগ করা যাবে। যেমন দেখেন বিদেশে ন্যানি পেশা একটি স্বীকৃত পেশা। সব কাজের মতো এটিও আওয়ারে চলে। সকল সুযোগ সুবিধা একই। তাই এ নিয়ে কেউই কথা বলে না। অথচ দেখেন দেশে কি করুন অবস্থা ওদের। কেউ নেই ওদের হয়ে কথা বলার..............

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.