নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাজার হাজার অসাধারন লেখক+ব্লগারের মাঝে আমি এক ক্ষুদ্র ব্লগার। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া লেখালেখির গুণটা চালিয়ে যাচ্ছি ব্লগ লিখে। যখন যা দেখি, যা মনে দাগ কাটে তা লিখি এই ব্লগে। আমার ফেসবুক এড্রেস: https://www.facebook.com/sohani2018/

সোহানী

আমি অতি বিরক্ত হয়ে আমার অনেক লিখাই ড্রাফটে নিয়েছি কারন সামুতে আমার কিছু ভাবনা শেয়ার করছি, আর এ ভাবনা গুলো আমার অনুমতি ব্যাতিরেকে কপি না করার অনুরোধ করেছিলাম কিন্তু যত্রতত্র আমার লিখার কপি পেস্ট দেখেই যাচ্ছি দিনের পর দিন।

সোহানী › বিস্তারিত পোস্টঃ

জীবন কিংবা মৃত্যু: সিদ্ধান্ত আপনার

২৭ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:৪২



আমরা ঠিক দাঁড়িয়ে আছি জীবন মৃত্যুর মাঝামাঝি। ইচ্ছে করলেই যেকোন একদিকে ঝুঁকতে পারি, কিভাবে? ধরুন আপনি মৃত্যুর দিকে ঝুঁকতে চান! ওকে নো প্রবলেম, নীচের কিছু কাজ করলেই আপনি সোজা সে দরজার সন্ধান পেয়ে যাবেন। যদি না একান্ত আপনার পিছনে হোমড়া চোমড়া গোছের নিকট আত্বীয় থাকে। যারা আপনাকে নিয়ে যমে মানুষের টানাটানিতে ফিরিয়ে আনার মতো যথেস্ট চেস্টা করার ক্ষমতা রাখে!! যাক লিস্টের কাজ গুলোর দিকে নজর দেই,

১) সামনে ঈদ, আর ঈদ মানেই আনন্দ। আর আনন্দ থেকে কোনভাবেই আমাকে আপনাকে পরিবারকে বঞ্চিত করা ঠিক হবে না। তাই যেভাবেই পারেন ঠেলাঠেলি করে, গুতোগুতি করে মার্কেটে ছুটবেন। তিতলি শাড়ি, পাখী কামিজ, সাথে ম্যাচিং ব্লাউজ, গয়না, জুতা.... গুলশান, বনানী, নিউমার্কেট, গাউসিয়া আপনাকে উদ্বাত্ত আহবান জানাচ্ছে। সোস্যাল ডিসটেন্স এর ক্ষ্যাতা পুড়ি। আগে সাজগোজ, ঈদ আনন্দ, সেল্ফি, ফেসবুক....... তারপর চিন্তা করা যাবে ভাইরাস মাইরাস নিয়া।

২) রোজা চলছে, ভালো মন্দ কিছু খেতে ইচ্ছে করেই। তাই ভালো ইফতারের খোঁজে যাওয়া তেমন অন্যায় নয়। আর দু' চারজনকে বাসায় ডেকে ইফতার পার্টি এ আর এমন কি। বিশাল ইফতার পার্টিতো করছি না বা যোগ দিচ্ছি না গরীবের সামান্য এ আয়োজন।

৩) ভারতে লাখে লাখে আক্রান্ত হচ্ছে, গণহারে মরছে মানুষ। চিতায় জায়গা হচ্ছে না...। আরে তাতে কি, ওইটা ভারতে সমস্যা। আমাদের দেশেতো আর না। তাই নিশ্চিন্তে ঘোরা ফেরা করায়ই যায়।

৪) নো মাস্ক...। মাস্ক আবার কি? মার্কেটে যেয়ে সেল্ফি তুলতে হবে!! এসব মাস্ক টাস্ক পড়লে সেল্ফি তুলুম কেমনে!! আর আমারতো করোনা নাই, আশে পাশেও তো মনে হয় কারো নাই। তাই এতো সাবধানের কি আছে!!!


এবার আসি বিপরীতে দিকে, যারা ভাবেন জীবনের দিকেই আমাদের ঝোঁকা উচিত। তাদের ভাবনার লিস্টের দিকে না হয় একটু তাকাই।

১) এ এক জীবনে রোজা ঈদ অনেকবারই আসবে যদি বেচেঁ থাকি। তাই মাত্রতো একটা রোজা কিংবা ঈদ, একটু না হয় সাধারনভাবেই কাটালাম। না হয় পুরোনো কাপড় পড়েই এবারের ঈদটা করলাম, বাচ্চাদেরকে তাই বোঝালাম। সাধারন কিছু খেয়েই না হয় রোজাটা করলাম। কত মানুষইতো না খেয়ে আছে এ লকডাউনে কাজের অভাবে। আমরা যাদের দু'বেলা খাবারের চিন্তা করতে হয় না তারা না হয় কিছুদিন এ বিলাশিতা নাই বা করলাম। অনেক অনেক আনন্দ করার সুযোগ পাবো যদি বেচেঁ থাকি।

২) এটি ভাইরাস, চোখে দেখার কোনই উপায় নেই। আমি আপনি জানি না কে এটি বহন করছে। তাই প্রতিটি মূহুর্তেই সাবধান হতে হবে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যাবো না। যদি যেতেই হয় তাহলে মাস্ক পড়বো, ডিসটেন্স মেইনটেইন করবো, ভীড় এড়িয়ে চলবো, বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুবো। বাইরে থেকে এসেই কাপড় বদলিয়ে তা ধুতে দিবো।

৩) ভারতে লাখে লাখে আক্রান্ত হচ্ছে সামান্য সচেতনতার অভাবে। এবং বিশাল বর্ডারে এটি যেকোন সময়েই দেশে আসতে পারে। তাই সাবধান হতে হবে আরো বেশী। বর্ডার আমরা বন্ধ করেছি ১৪ দিনের জন্য কিন্তু পণ্যবাহী যানবাহন চলতে পারবে। তাই ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

এখন সিদ্ধান্ত আপনার! মুত্যুর দিকে ঝুঁকবেন নাকি জীবনের দিকে ঝুঁকবেন। আরো মনে রাখবেন আমরা নিতান্তই গরীব রাস্ট্র, সব কিছুর অঢেল সাপ্লাই নেই আমাদের। হাসপাতাল, ডাক্তার, নার্স, অক্সিজেন, আইসিইউ, ওষুধ..... সব কিছুই লিমিটেড। তাই ওই যে বল্লাম যাদের পিছনে একান্ত হোমড়া চোমড়া গোছের নিকট আত্বীয় থাকে ও অঢেল টাকা প্রয়োজনে ঢালতে পারবে তারাই পাবে সে লিমিটেড সুযোগ সুবিধা। এটাই কিন্তু বাস্তবতা, এটাই কিন্তু সরল সত্য।

তাই আসুন, একটু না হয় বাচাঁর চেস্টা করি ও অপরকে বাঁচতে সাহায্য করি!

সবাই ভালো থাকুন ও সুস্থ্য থাকুন।

নীচের ভারতে বর্তমান অবস্থার দু'টি ছবি শেয়ার করলাম আলজাজিরা থেকে। ও গাউছিয়ার একটা ছবি শেয়ার করলাম।




খবর সূত্র: Click This Link

https://www.aljazeera.com/gallery/2021/4/26/mass-funeral-pyres-reflect-indias-covid-crisis?fbclid=IwAR1U5xDw2xfSpxRfL7nMr1eMjQtGReloUq3axMZ7bgZpdcSHNOE8PAzL9fQ

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৯:৫৮

কামাল১৮ বলেছেন: মুমিনদের কথা হলো আল্লায় মারলে কেউ বাঁচাতে পারবেন না,অতয়েব বাঁচার চেষ্টা বৃথা।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:৪৬

সোহানী বলেছেন: সে তো দেখায়ই যাচ্ছে চারপাশের অবস্থা দেখে। আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়া যাবে............

২| ২৭ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১০:৫৯

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আমাদের মাঝে কোনো সচেতনতাই নাই :( আল্লাহ আমাদের রক্ষা আর হেফাজত করুন

২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:৪৭

সোহানী বলেছেন: আমিন।

কিন্তু এভাবে তো বড় বিপদ ডেকে আনতে চাই না।

৩| ২৭ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:১৭

শাহ আজিজ বলেছেন: কেয়া নাম হ্যায় - তিতলি শাড়ি , পাখি কামিজ , মুরদাকো ওপর ক্যাট ওয়াক , মর যায়ু ম্যায় -------------------------

২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:৪৮

সোহানী বলেছেন: সে আর বলতে রে ভাই.........। মুরদাকো ওপর ক্যাট ওয়াক চলছে ভারতে। আর আমরাতো আবার কঠিন ভারতপ্রেমী!!

৪| ২৭ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:৩১

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: মাথার উপর বিপদ না আসা পর্যন্ত হয়তো আমরা কখনই সচেতন হবনা।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:৪৮

সোহানী বলেছেন: বিপদ মাথায় নিয়েও আমরা সচেতন হই না। এতোটাই বেকুব.........

৫| ২৭ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১২:০১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: যারা দিন এনে দিন খায়, এরা না হয় জীবিকার তাগিদে মৃত্যুকে মেনে নিয়েই বের হয়, কিন্তু একটা গোষ্ঠি আছে, তারা কোনোকছুকেই গ্রাহ্য করে না। সরকারেরা আদেশ তো মানবেই না, আবার নানান অজুহাত দেখাইয়া বলবে- তাদের করোনা হবে না। এদের ক্ষেত্রে কোনো মোটিভেশন কাজ করে না।
ভালো লিখেছেন আপু। একমত।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:৪৯

সোহানী বলেছেন: ওদের মোটিভেশন হলো পছায় জালি বেত। কিন্তু কে শুনে কার কথা। জবাবহীনতা একটা ভয়ংকর দিক......

৬| ২৭ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৫৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: আর্মি রাস্তায় না নামলে এই দেশের মানুষ কারো কথা শুনবে না।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:৫০

সোহানী বলেছেন: নামানো তো উচিত তাহলে। কিন্তু তারপরও শুনবে কি??

৭| ২৭ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৫

মা.হাসান বলেছেন: কোভিড ভাইরাস বহনকারি একজন মানুষ মাসে চারশোর বেশি লোকের মাঝে রোগ ছড়াতে পারেন। কোভিডের এভারেজ মর্টালিটি রেট ১.৪%, সে হিসেবে ৪০০ লোক আক্রান্ত হলে মারা যাবে ৫ জনের বেশি।

সোশাল ডিস্ট্যান্সিং না মেনে যারা ঘুরে বেড়ায় তাদের হাতে মানুষের রক্ত লেগে আছে।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:৫৩

সোহানী বলেছেন: সবচেয়ে বড় কথা টেস্ট না করেই আমরা ঘোষনা দেই যে করোনা আক্রান্ত নই। কিন্তু আমরা আসলটা জানি না। যার কারনে ভয়াবহতা আরো বাড়ার সম্ভাবনা আছে। মসজিদ, শপিং, বাজার কিছুইতো বন্ধ হয়নি। তাহলে আর লকডাউন বলে নাটক কেন করছে!

৮| ২৭ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৫১

খায়রুল আহসান বলেছেন: সময়োপযোগী সতর্কতামূলক পোস্ট - অনেক ধন্যবাদ, এবং প্লাস +।

"সোশাল ডিস্ট্যান্সিং না মেনে যারা ঘুরে বেড়ায় তাদের হাতে মানুষের রক্ত লেগে আছে" - মা.হাসান এর সাথে একমত।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:৫৫

সোহানী বলেছেন: কি করবো বলেন, ভারতের অবস্থা দেখে খুব শংকায় দিন কাটাই। যেকোন সময়ই আমরা এমন পরিস্থিতিতে পড়তে পারি।

৯| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৪:২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



সময়োপযোগী সচেতনতামুলক একটি পোষ্ট ।
ক্রমেই করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে বাংলাদেশ। প্রতিদিনই হুহু করে বাড়ছে
নতুন রোগীর সংখ্যা , যদিউ দিন দুয়েক ধরে সংক্রমন ও মৃতের সংখ্যা একটু নিন্মমুখী বলে দেখা যাচ্ছে । তবে
আশঙ্কা করা হচ্ছে, মে মাসে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছি আমরা। যদি আমরা এখনই সবকিছু বন্ধ করে
দিতে না পারি তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে বলে মতামত দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।লকডাউন সফল করতে
সরকার কঠোর পদক্ষেপ না নিলে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে।

জনগণকে সচেতন করতে সবধরনের ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। মুভমেন্ট পাস ছাড়া চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা
থাকলেও অনেকে তা মেনে চলছেন না। অনেক দায়িত্বশীল নাগরিকও আইন মেনে চলছেন না। পুলিশ বা
ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালনে বাধা দিচ্ছেন। অনেকক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাকবিত-ায় জড়িয়ে
যাচ্ছেন। বাজারে মানুষের উপচেপড়া ভিড় এবং সেখানে সামাজিক দূরত্বের কোন বালাই নেই। অধিকাংশ
মানুষের মুখে মাস্ক নেই। সরকারী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দোকান খুলে ব্যবসা
করছে অনেক ব্যবসায়ী। ক্রেতা-বিক্রেতা কারও মুখে মাস্ক নেই। রাস্তার পাশের চায়ের দোকানে আগের
মতোই ভিড় এবং আড্ডা চলছে দেদারছে।

নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি অনেক দায়িত্বের মধ্যে একটি অন্যতম দায়িত্ব হচ্ছে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল
থাকা এবং আইন মেনে চলা। করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে প্রতিটি নাগরিকের
সহযোগিতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সকল নাগরিকের উচিত আইনগুলো মেনে চলা এবং
সেই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা করা। পরিচয়পত্র, মুভমেন্ট পাস ইত্যাদি চাওয়া মাত্র
প্রদর্শন করা। মাস্ক পরিধান করা এবং সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। সচেতনতা ও আইনের প্রতি
শ্রদ্ধাশীল হওয়া আর টিকা দান কর্মসুচী আরো জোরদার করা একান্ত প্রয়োজন ।

করুনাকালে দেশের অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই । এটা আরো দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা ।
স্বউপার্জনকারী ক্ষুদ্র ব্যসায়ী,নিন্ম আয়ভুক্ত বিভিন্ন পেশাজিবী ও শ্রমজীবী মানুষ বেকার জীবন যাপন করছেন । তাদের
আর্থিক দুরাবস্থা সহ্য সীমার বাইরে চলে গেছে । এমতাবস্থায় তাদের সকলের জন্য স্বাভাবিক জীবন যাপন উপযোগী
করুনাকালীন ভাতা প্রদান করা একান্ত প্রয়োজন। দেশে বানিজ্যিক ব্যংকগুলিতে প্রায় ১২ লক্ষ কোটি টাকার অধীক
তারল্যতা রয়েছে । কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রয়েছে বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ । দেশে আমাদানী ব্যয় কমে
গেছে । এই মহুর্তে দেশের গ্রামীন এলাকায় অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে গতিশীলতা আনার জন্য দেশের বানিজ্যিক
ব্যাংকগুলি স্বলপ সুদে ক্ষুদ্র ঋন কর্মসুচী চালু করে দেশের অর্থনীতিকে সচল করে তুলতে পারে । দেশের বেকার
কর্মহীন মানুষদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়ে বানিজ্যিক ব্যাংকগুলি করুনার এই আপদকালীন সময়ে
সসহায়তার হাতপ্রসারিত করতে পারে । বিদেশে দাতা সংস্থা ও বিশ্বব্যাংকও এই করনা কালীন সময়ে বেশ ভাল
অংকের ঋন সহায়তা দিচ্ছে । বৈদেশিক রেমিটেন্সও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে । মোদ্দা কথা হলো করোনার এই
বিপদকালে অর্থ ও সম্পদের তেমন সীমাবদ্ধতা নেই বলেই মনে হচ্ছে । দরকার শুধু সরকারের উদার দৃষ্টিভঙ্গি ,
কর্মপন্থা ও বাস্তবায়ন পর্যায়ে কঠোর নিয়ম শৃংখলা বজায় রেখে দুর্ণীতির লাগাম টেনে ধরে সহায়ক গনমুখী কর্মসুচী
জনগনের দোরগোড়ায় সঠিকভাবে ও সঠিক সময়ে পৌঁছে দেয়া ।

শুভেচ্ছা রইল

২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৫

সোহানী বলেছেন: আলী ভাই, আপনি আপনার মতোই চমৎকার একটি প্রয়োজনীয় মন্তব্য করেছেন। কিন্তু দূর্ভাগ্য, যাদের তা নিয়ে চিন্তা করার কথা তারা তার থেকে বহু দূরে।

সরকারী ভূমিকায় সবচেয়ে বেশী আমি গুড়ুত্ব দিবো স্বউপার্জনকারী ক্ষুদ্র ব্যসায়ী, আয়ভুক্ত বিভিন্ন পেশাজিবী ও শ্রমজীবী মানুষদের জন্য ভাতার ব্যাবস্থা করা। আমরা এ শ্রেণীর অবস্থা কোনভাবেই অনুধাবন করতে পারছি না। দিন আনে দিন খায় এ মানুষগুলোর আয়ের উৎস্য বন্ধ। তাহলে তারা কিভাবে বাঁচবে? সরকারী বেসরকারী উদ্যোগ যে খুব দরকার। এ বিদ্যানন্দ আর কতই বা করতে পারে। একটা বড় মুভমেন্ট দরকার এদেরকে বাঁচাতে। জানি না কেউই কি ভাবছে কিনা এ নিয়ে।

আর সাধারন এর সচেতনতা যে কতটা জরুরী তা বলে বোঝানো যাবে বলে মনে হয় না। সেখানে দরকার কঠোর প্রয়োগ। কিন্তু স্বউপার্জনকারীদের আয়ের ব্যবস্থা না করা গেলে কোনভাবেই ইটি ঠেকানো যাবে না। ওরা পেটের ধান্দায় বের হতে বাধ্য। ওদেরকে স্বল্পকালীন কোন ভাতার আওতায় আনলে বাকিরা বের হবে কম।

অনেক ধন্যবাদ চমৎকার এ মন্তব্যটি রাখার জন্য।

১০| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৯:৪৫

জটিল ভাই বলেছেন: মৃত্যু বলতে কোন মৃত্যু বুঝালেন তা আরেকটু পরিষ্কার করে বলতে পারতেন :p

২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৬

সোহানী বলেছেন: মৃত্যুতো একটাই বিশেষ্য, পরিষ্কার করে কি আর বলবো বলেন!

১১| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:০৪

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: বাংলাদেশের মানুষকে লাইনে আনতে হলে কারফিউ জারী করতে হবে।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৭

সোহানী বলেছেন: কিন্তু তার আগে গরীব মানুষগুলোর খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে। ওরা আয় না করলে খাবে কি?

১২| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:২৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এই সব বইলা কোন ফায়দা নাই। আল্লাহর মাল আল্লাহই নিয়া যাইবে, দুই দিন আগে বা দুই দিন পরে........। লন, আপনের জিনিস আপনেরেই ফিরায়ে দিলাম। :P =p~

২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৮

সোহানী বলেছেন: সেই জন্যইতো লিখতে চাই না এ বিষয়গুলো নিয়ে। বেশীর ভাগরইতো ধারনা, "আল্লাহর মাল আল্লাহই নিয়া যাইবে, দুই দিন আগে বা দুই দিন পরে"।

১৩| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:২০

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী,




কোনও সিদ্ধান্ত নেয়ার অবস্থাতেও নেই আমরা। ক্ষমতায় থাকা লোকজনদের যে যার মতো, যখন তখন , যা খুশি ফতোয়া জারী করায় যে হযবরল অবস্থা তৈরী হয়েছে তাতে কি সিদ্ধান্ত নেবেন সে সিদ্ধান্ত করতে করতেই আজরাইল হাজির হয়ে যাবে ।

২৯ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪০

সোহানী বলেছেন: কেমনে যে কি?? এতো বড় একটা মহামারী কিন্তু কথা, কাজ, সম্পদ কোন কিছুরই কোন সমন্বয় নেই। অথচ প্রথমেই দরকার ছিল উপযুক্ত ব্যাক্তি দিয়ে একটা কমিটি করা। সে কমিটিই সব সিদ্ধান্ত নেবার দায়িত্ব নিতো। অবশ্য কমিটির কথা বলে নিজেই লজ্জা পাই। দেখা গেল সেখানে শাহেদ সাবরিনারা দখল করে আছে। আর ডা: জী আহমেদ বা ডঃ এম এ আলী রা যে এ কমিটিতে আছে তাদের কোনই পাত্তাই নাই :P

১৪| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৫১

জটিল ভাই বলেছেন: লেখক বলেছেন: মৃত্যুতো একটাই বিশেষ্য, পরিষ্কার করে কি আর বলবো বলেন।

আমি সহজ কথাটা একটু জটিলভাবে বলেছিলাম আরকি :P মানে পরপারের মৃত্যুর আগে এই পারেতো অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক বহুভাবে মৃত্যু ঘটে। সেইজন্য আপনার পোস্টে "মুভমেন্ট পাস" বিষয়টা যুক্ক থাকা সময়ের চাহিদা :D :D

২৯ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৩

সোহানী বলেছেন: একদম ঠিক! অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক বা ধরেন সেমি, হাফ, লাইফ সাপোর্ট............. বহুভাবে মৃত্যু ঘটে। সেখানে শুধু একা নয়!! পরিবার পরিজন, বন্ধূ-বান্ধব, পাড়া প্রতিবেশী .... সবাইকেই নিয়েই মৃত বা অর্ধমৃত অবস্থায় যেতে পারে। .......... কিন্তু কেউ শুনে না, বোঝে না। যতক্ষন না নিজের ঘাড়ে পরে ততক্ষন পর্যন্ত কেউই বুঝে না, মানে না।

১৫| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:১১

ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন: গতকাল (২৮-০৪-২০২১ইং তারিখ) একজনকে মাস্ক পরতে বললাম, সে উত্তর দিল "আল্লাহ কি মাস্ক পরতে বলছে ?"
কি উত্তর আছে এ প্রশ্নের ? আমরা বড় জটিল জাতি

২৯ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৫

সোহানী বলেছেন: সেই জন্যই তো বলি, " আল্লাহর মাল আল্লাহই নিয়া যাইবে, দুই দিন আগে বা দুই দিন পরে........।"..

আমরা এখন এতো বেশী উজবুক ধার্মিক হয়ে গেছি যে কোনটা বাস্তব আর কোনটা ধার্মিক সব এক কাতারে ফেলেছি।

১৬| ০৫ ই মে, ২০২১ রাত ২:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: ঢাকা শহরের মানুষের মধ্যে করোনা নিয়ে কোনো চিন্তা নাই।

১২ ই মে, ২০২১ রাত ১১:৩৭

সোহানী বলেছেন: সেটাইতো দেখছি। দিব্যি শপিং মফিং করে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

১৭| ১৯ শে মে, ২০২১ রাত ১১:২৩

ঢুকিচেপা বলেছেন: ঈদের আগে দক্ষিণবঙ্গের মানুষ যেভাবে বাড়ী গেছে আল্লাহ তাদের ভালো রাখুন।
আমাদের সবকিছুতেই গা ছাড়া ভাব, অন্য সবকিছুতে পার পেলেও বর্তমান পরিস্থিতিকে হাল্কাভাবে নেয় শুধু বোকামিই না, আত্মঘাতী।

২৪ শে মে, ২০২১ রাত ১:০০

সোহানী বলেছেন: আশা করি দেশের পরিস্থিতি এখন ভালো। লকডাউন শিথিল হচ্ছে মানে পরিস্থিতি ভালোর দিকে যাচ্ছে।

আমরা কোনকালেই সিরিয়াস ছিলাম না। অবশ্য সিরিয়াস হবার ও সুযোগ খুব কম। এত কোটি কোটি লোকের দেশে কোন রকমে খেয়ে পড়ে যে বেচেঁ আছে তাতেই অবাক হতে হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.