| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইসলামকে আক্রমণ করার যতগুলো মোক্ষম অস্ত্র ইসলামবিদ্বেষীদের হাতে রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এই প্রোপাগাণ্ডা যে ইসলাম ক্রীতদাসি ও যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে যৌন-সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ করে দিয়েছে বরং ক্রীতদাসি ও যুদ্ধবন্দিনীদের যৌনদাসীতে পর্যবসিত করেছে। তাদের এই প্রোপাগাণ্ডায় যে কেউ ভেবে বসতে পারেন, ইসলামই বুঝি ক্রীতদাসি আর যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রবর্তক। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে ক্রীতদাসি আর যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে অতিপ্রাচীনকাল থেকে চলে আসা যথেচ্ছ, অমানবিক ও অনিয়ন্ত্রিত যৌনাচারকে ইসলাম সীমিত, মানবিক ও নিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে আনার পাশাপাশি তাদেরকে জৈবিক চাহিদা পূরণের একটি বৈধ ও মর্যাদাপূর্ণ সুযোগ প্রদান করেছে যার ফলে একদিক দিয়ে তাদের সন্তান জন্মগতভাবে স্বাধীন ও পিতার সম্পদের উত্তারিকারী হয়, অন্যদিক সন্তান গর্ভধারণের মাধ্যমে ক্রীতদাসিটি ক্রমান্বয়ে মুক্তি লাভ করে।
অনেকেই ভেবে থাকেন, যুদ্ধের ময়দানেই যে কোন যুদ্ধবন্দিনীর সাথে যে কোন মুসলিম যোদ্ধা ইচ্ছেমতো দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে, ইসলামে এ ব্যাপারে কোন বাধা-নিষেধ তো নেই-ই, বরং এটিই সম্ভবত ইসলামী নিয়ম। এটি একটি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা। যুদ্ধক্ষেত্রে তো নয়ই এমন কি যুদ্ধ শেষ হলেও বন্টন হবার আগে কোন যুদ্ধবন্দিনীর সাথে দৈহিক সম্পর্ক স্হাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কেউ যদি এ ধরণের কোন কার্যে লিপ্ত হলে তবে সেটাকে ধর্ষণ হিসেবে গণ্য হয় এবং উক্ত ব্যক্তির ওপর ব্যভিচারের হদ প্রযুক্ত হবে। উদাহরণস্বরূপ, জিরার ইবনুল আযওয়ার খলিফা/খলিফা পক্ষ হতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক বণ্টনের আগেই একজন যুদ্ধবন্দিনীর সাথে সহবাস করার কারণে উমর(রা.) তার ওপর ব্যভিচারের হদ প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
বিস্তারিত এখানে