| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
![]()
'সতী'- দু অক্ষরের এই শব্দটির মাঝে কতটুকু যে বিশালতা আছে, একজন নারীর পক্ষেই শুধুমাত্র তা বুঝা সম্ভব। প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন সমাজে নারীকে দিতে হয়েছে তার সতীত্বের বিভিন্ন পরিক্ষা। কখনো ভুল করে, কখনো ইচ্ছা করে, আবার কখনো বা ধর্ষীত হয়ে কুমারিত্ব হারানো মেয়েরা অপরাধবোধের আগুনে পুড়তে থাকে। সতীত্বের সাথে সাথে তার আত্মবিশ্বাস আর আইডেন্টিটিও হারিয়ে যায় অতল বিভিষীকায়। শুচিতা নস্টের আত্মগ্লানিতে পুড়ে ছাই হয়ে যায় একজন মানুষ। খেয়াল করুন, আমি কিন্ত মানুষ বলেছি। মেয়ে মানুষ নয়।
প্রশ্ন হচ্ছে মেয়ে মানুষ ট্যাগটি কোথেকে আসলো। মেয়ে মানুষ বলতে আমরা কি শুধুই নারী বুঝি? নাকি অবলা, নরম, দুর্বলের কোন প্রতিশব্দ বুঝি। সতীত্ব, কুমারিত্ব, নস্টা, শুচিতা, বেশ্যা এ শব্দগুলো কেন শুধুমাত্র নারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ? এর কোন পুরুষবাচক শব্দ নেই কেন ? এমনকি সকল ধর্মগুলাতে পর্যন্ত নারীদের পূর্ন মর্যাদা নিশ্চিত করার কথা থাকলেও ধর্মের আচ্ছাদনে
বরং জেন্ডার ডেস্ক্রিমিনেশন ই ফুটে উঠে।
একসাথে থাকার স্বার্থে , কিংবা আমাদের এই পজেসিভ সমাজে প্রতিটা মানুষকেই তার সহচরের সাথে দায়বদ্ধতায় আবদ্ধ থাকতে হয়। চলে আসে সততার প্রশ্ন। কিন্ত এ প্রশ্ন কেন শুধুমাত্র নারীদের ক্ষেত্রেই প্রযোয্য ? কেন সমানভাবে একজন পুরুষকেও সততার প্রশ্নে বিদ্ধ হতে হয় না? কেন সততার চেয়েও বড় হয়ে অঠে নারীর সতীত্ব ?
"নারী- তুমি আসলেই দুর্বল"- কোন মহাশক্তি এই অনুভব ঢুকিয়ে দিয়েছে নারীর রন্ধ্রে রন্ধ্রে ? এবার তাহলে একটু এক্সপেরিন্সের সাহায্য নেই, আপনারাও একটু মিলিয়ে দেখার চেস্টা করুন।
নারীরা কখনোই পুরুষের সমান্তরালে দাড়ানোর সুযোগ পায়নি। কতৃত্ববাদী ধারায় পুরুষ তাকে নিয়ে এসেছে তাদের পায়ের নিচে।নারীর সামনে ইশ্বরের পর প্রথম স্থান হলো পুরুষের। এই বিশ্বাসের সাথে সাথে তারা তৈরি করেছে নানান ফতোয়া। সেই ফতোয়ার বাস্তব উদাহরন সতীদাহ প্রথা। তৎকালীন পুরুষদের বেলায় স্ত্রীর মৃত্যুর পর পুরুষদের বিবাহ সম্ভব হলেও নারীদের বেলায় বিধবা বিবাহের প্রচলন করতে অনেক ঘাম ঝরেছে ইশ্বরচন্দ্রের। এখন পর্যন্ত একজন নারই ডিভর্সিকে সমাজে কানাচোখে দেখা হয়, ডিভোর্সের কারন যাই হোক না কেন ।
শরিয়া আইনে একজন ধর্ষিত নারীর সাক্ষি হিসেবে দেখতে হবে পুরুষের দ্বিগুন সঙ্খক নারীকে। এগুলো কি ডেস্ক্রিমিনেশন নয় ? পুরুষের বহুবিবাহ, বহুগামিতার সিস্টেম ও তা প্রমান করে। স্বামীর বাহিরে অন্য কোন পুরুষের কথা ভাবলে নারীর নরক অবধারিত।ধর্ষিতা নারীর বাচার অধিকার নাই। অথচ ধর্ষন করে ঘুরে বেড়ায় কত শত পরিমল, আর শাস্তি পায় কত শত সীমি। পুরুষের স্পর্শে কলুশিত নারী বেছে নেয় আত্মহননের পথ।
হায়রে অবলা নারী।
যুগে যুগে একজন নারীকে অগনিময় সতীতে রুপান্তর করতে ধর্মের ভুমিকা কি অস্বীকার করার উপায় আছে ? ইসলামে নারীকে শস্যক্ষেত্র বানিয়ে পুরুষকে তার মধ্যে যেভাবে খুশি প্রবেশের অনুমুতি দেয়া হয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মে এটো বা উচ্ছিস্ট নারীর কোন স্থান নেই। হিন্দু ধর্মে এক্সময় সন্তান উৎপাদনে অক্ষম পুরুষের নিজের সম্পত্তির উত্তরাধিকার রক্ষার্থে তার পছন্দ অপছন্দের ধার না ধরেই শুতে হত স্বামীর নির্ধারিত মানুষ্টির সাথে।
একটু চিন্তা করে দেখুন তো বর্তমান সমাজে তার কতটুকু পরিবর্তন হয়েছে ? মূল একই স্থানে আছে কিন্ত রুপান্তর ঘটেছে মাত্র।
আমাদের সমাজের প্রায় প্রতিটা ঘরেই বাচ্চা মেয়েদের যে শিক্ষা দেয়া হয়, তা হলো- একটা মেয়ের জন্মই হয় স্বামীগৃহে যাবার জন্য।স্বামী যাই হোক, তার সেবা যত্ন করে যেতে হবে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত। তা না হলে ইহকাল পরকাল সবি শেষ। এ কারনেই হাজার হাজার রুমানা মঞ্জুর কে হতে হয় নীপিড়িত, লাঞ্চিত। সমাজের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে পড়ার পরও তার স্থান পশুতুল্য একজন পুরুষের নিচে।
বাংলা একাডেমির পুরস্কার প্রাপ্ত নাসরীন জাহানের লেখা "উড়ুক্কু" উপ্ন্যাস্টিতে পড়েছিলাম- কেন্দ্রিয় চরিত্র নীনার বাসর রাতে রক্তপাত দেখে তার স্বামী চিৎকার করে উঠে খুশিতে।
হাহ, হায়রে দুর্বল নারী।
শ্রেনীবিভক্ত সমাজে যে দর্শন তৈরি হয়েছে তা শষক শ্রেনীর শ্রেনী শাষনের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। অধিকাংশ সমাজেই শাষক পুরুষ। তাই তারা সমাজ, এমনকি ধর্মীয় আইনও তৈরি করে নিয়েছে নিজেদের মত করে। নারীকে তারা বন্দি করে রেখেছে চার দেয়ালের উনুন আর সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র হিসেবে। যেহেতু ভ্রুন পুরুষের, তাই তারা মনে করে দশমাসের জন্য পুর্নতা পাওয়ার লক্ষে নারীর শরিরে তা ধার দেয়া হয়েছে মাত্র।
আমি জানিনা এ বিশ্বাস আমাদের কোথায় নিয়ে যাবে।
আমাদের অর্থনৈতিক কাঠামো , শ্রেনীবৈশম্য একজন নারীর যে কোন বিষয়কে অবদমিত করে রাখে। তাহলে নারীর জীবনে আছে টা কি ? শুধুমাত্র শারিরিক সমর্কের মধ্য দিয়ে যেখানে একজন পুরুষ কিনে নিতে পারে একজন নারীকে।
যৌথতার স্বার্থে একজন নারীকে অবশ্যই সনযমী হতে হবে। নিজেকে সার্বিক পঙ্কিলতার হাত থেকে বেচে থাকতে হবে। তবে তা যেন হয় নিজস্ব বিচার বুদ্ধি ও শিক্ষা থেকে।
আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের একটা কথা দিয়ে শেষ করি।
" এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে যেখানে একটা লাইটের সুইচ টিপেই ঘর আলো করা যায়, সেখানে সুইচটা কি মেয়ের হাতের আঙ্গুলের টিপে হয়েছে, নাকি ছেলের হাতের , তা খুব একটা বড় ব্যাপার নয়।"
নারী ও পুরুষের সার্বিক সহযোগিতাইয় আলোকিত হোক সমস্ত পৃথিবী।
------------------------------------------------------
কোন পুরুষকে ছোট করা এ পোস্টের উদ্দেশ্য নয়। শুধুমাত্র নারীর কিছু অনুভুতি ও বাস্তবতা তুলে ধরাই এর মূল উদ্দেশ্য। ব্লগের সমস্ত নারী ব্লগারদের এই পোস্ট উৎসর্গ করলাম। ধন্যবাদ আপনাদের অনুভুতি সামুতে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য।
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৩:০৬
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: হা হা , না জানি কতজন আমারে মেয়ে ব্লগার মনে করে।
২|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৩:১১
ছাইরাছ হেলাল বলেছেন:
এখনই মন্তব্য করছি না।
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৩:২৮
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম হেলাল ভাই। দ্বিমত থাকলেও বলতে পারেন ভাইয়া। কোন সমস্যা নাই।
৩|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৩:৩২
বিবেকহীন সন্জু বলেছেন: যা বলার তাতো বলেই দিয়ছেন আমরা আর কি বলবো.......
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৩:৫৩
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: সহমতের জন্য ধন্যবাদ।
আপনি মনে হয় নতুন। আপনার জন্য শুভকামনা।
৪|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৩:৪৪
বিবেকহীন সন্জু বলেছেন: আওনার জন্য শুভকামন......আরো ভালো লেখেন.........।
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৪:০৭
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ সঞ্জু।
৫|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৪:১৪
হাসান মাহবুব বলেছেন: চমৎকার টপিক। এ বিষয়ক আরেকটা চমৎকার পোস্ট আছে। পড়ে দেখতে পারেন। Click This Link
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৪:১৭
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ হাসান ভাই।
লিঙ্কটা দেয়ায় খুশি হলাম। আপনি মাঝে মাঝে এসে আমাকে কিছু পুরাতন ভালো লেখার লিঙ্ক দিয়ে যাবেন।
ঠিক আছে ?
৬|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৪:৩০
মুনসী১৬১২ বলেছেন: ভাল বলেছেন দ্বিমত নেই
তবে পুরুষ নারী যেহেতু দুজনই (কেউ স্বীকার করুক আর নাই করুক) ভীন্ন (শারীরিক হোক আর মানসিক)
তাই তারা কখনও সমান হতে পারে না ( এর মানে আবার কেউ বড় নয়)
তবে সহযোগী অবশ্যই , প্রতিযোগি নয় সহকর্মী
আর এটারই প্রয়োজন---
ধর্ম পুরুষকে নারীর চেয়ে কিছু বেশি মর্যাদা দিয়েছে এর কারণ ধর্মগুলো মনে করেছে অসি ছেলেদের হাতে আর যাঁতার লাঠি মেয়েদের হাতে ---তারা সমাজকে হয়ত এভাবে সুখী দেখতে চেয়েছে--
কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া প্রকৃতিতেও (অন্য প্রাণে) এমন আছে অনেক---
এটা ঠিক কিনা জানি না তবে
যাই হোক সমান সম্মান, সমান মর্যাদা নিয়া সভ্যতাকে দুজনই এগিয়ে নিয়ে যাক ওমেগা পয়েন্টে এটাই কামনা
কারণ দিন শেষে একজন বন্ধুর যে বড় প্রয়োজন
আর সেটা অর্ধাঙ্গ আর অর্ধাঙ্গী ছাড়া কে বেশি হতে পারে
নজরুলের ভাষায় (হয়ত কিছুটা ভুল হয়েছে শব্দগুলোতে)
এ পৃথীবির যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণ কর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ১১:২৫
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আমি কিন্ত কোথাও সমান অধিকারের কথা বলতে চাইনি, বলতে চেয়েছি সুষম অধিকারের কথা।
মাঝে মাঝে ধর্মের উপর ভরসা পাইনা।
পোস্টের শেষে আবু সাইয়ীদ স্যারের একটা কোটেশন দিয়েছি, দেখুন। সেটার সারকথা হলো- এখন যুগ হচ্ছে শিক্ষা ও প্রযুক্তি নির্ভর। কায়িক পরিশ্রম এখন নারী ও পুরুষের যোগ্যতার মাপকাঠি হতে পারে না। অসি অথবা যাতার লাঠি এখন গৌন।
এ পৃথীবির যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণ কর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর
৭|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৪:৩১
হাসান মাহবুব বলেছেন: লেখার সাথে প্রাসঙ্গিক হলে অবশ্যই দিবো
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ১১:৩১
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: থাঙ্কু হাসান ভাই। উপরের লেখাটা পড়লাম। অনেক ফাটাফাটি।
৮|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৯:৩০
জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
খুবই ভালো ও শক্তিশালী পোষ্ট।
ভালো লেগেছে খুব।
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৫
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ জিসান ভাই।
ঈদের আগে ঢাকা আসা হবে নাকি ?
৯|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ১১:৩৮
আমি তুমি আমরা বলেছেন: পড়লাম ... ... কিন্তু পুরা শেষ করতে পারি নাই।
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৫
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: সেকি, কেন ?
১০|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ১১:৪১
রাইসুল জুহালা বলেছেন: তন্ময়, এটা একটা চমৎকার লেখা।
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৭
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আমি যে কোন ধরনের লেখা ভালো লিখতে পারি, তাই বুঝিনা। একারনে বিভিন্ন ধরনের এক্সপেরিমেন্টাল লেখা লিখি।
তবে এটা একেবারেই আমার পিওর অনুভুতি।
আপনাকে ধন্যবাদ ভাইয়া।
১১|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১২:৫৪
নিভৃত নয়ন বলেছেন: প্রিয়তে,এরকম পোস্ট সামুতে আছে বলেই এখন অ সামু ছারতে পারি নাই।
ধন্যবাদ ভাই।![]()
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪০
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনার মন্তব্যে আবেগতাড়িত হয়ে গেলাম।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও।
১২|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:৪২
ছাইরাছ হেলাল বলেছেন:
পারস্পারিক সন্মানবোধের জায়গাটি সবসময়ই
অবহেলিত রয়ে গেছে।
অত্যন্ত সুন্দর লিখেছে তন্ময়।
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪২
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনি সার কথা বলে দিলেন।
অনেক ধন্যবাদ।
১৩|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:৪৯
গ্রামের মানুষ বলেছেন:
শিরোনাম দেইখ্খা আইছিলাম...... ![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
লেখা ভাল হইছে...............
![]()
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৩
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: লেখা ভালো লাগলে এই রকম ইমো দেইলেন কেন ?
ভুই পাইসি।
১৪|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:০৪
শিপু ভাই বলেছেন: সবলেরা দূর্বলের উপর আধিপত্য করবে- এটাই প্রকৃতির নিয়ম।
এ নিয়ম কেয়ামত পর্যন্ত ভাংবে না মনে হয়।
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৫
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ভাংতে হবে। নাহলে আমাদের মা বোনরাও অবহেলিত থেকে যাবে।
ঈদ কি ঢাকায় করছেন শিপু ভাই ?
১৫|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:১৭
অধরা নীল বলেছেন: " এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে যেখানে একটা লাইটের সুইচ টিপেই ঘর আলো করা যায়, সেখানে সুইচটা কি মেয়ের হাতের আঙ্গুলের টিপে হয়েছে, নাকি ছেলের হাতের , তা খুব একটা বড় ব্যাপার নয়।"
আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের এই কথাটি আমাদের মনে ঠাঁই দিতে আর কতদিন লাগবে জানি না.........মাঝে মাঝে নিজেকে বড়ই অকিচ্ঞিতকর মনে হয় যখন দেখি আমার বোনটি ধর্ষিত হয়ে আত্মহননের পথ বেঁছে নিচ্ছে, আর ঐ নরপশু ঘুরে বেড়াচ্ছে অবলিলায়.......
ওরে তোরা কবে মানুষ হবি বল
এ চরাচর মুখর হবে তোদের কোলাহল.....
আমরা আসলেই কবে মানুষ হব.....একজন মানুষকে লিঙ্গে চিহ্নিত না করে মানুষ হিসেবে চিনব........সেদিন যেন খুব দূরের না হয়........
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৮
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: চমৎকার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ অধরা।
সেদিন যেন খুব দূরের না হয়........
১৬|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:২৯
নাআমি বলেছেন: খুব ভাল লাগল আপনার চমৎকার লেখাটা, যদিও আমাদের দেশের সমাজ-ব্যবস্থা দিনে দিনে পাল্টাচ্ছে, মেয়েরা আগের মত অতটা অবহেলিত আর নাই তবুও এ ধরনের সমস্যা এখনও অনেক দেখা যায়, বিশেষ করে গ্রামে-গন্জে....
সবচেয়ে ভাল লাগল যে কথাটা তা হোল,
খেয়াল করুন, আমি কিন্ত মানুষ বলেছি। মেয়ে মানুষ নয়।
ধন্যবাদ ভিন্নধর্মী এক উপস্থাপনের জন্য......
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৫
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপু, সত্যিকার নারী স্বাধীনতা এখনো অনেক দূর। এমনকি নারীবাদি মহিলারা পর্যন্ত ঘরে আসলে আর দশজন সাধারন মহিলাতে পরিনত হয়। অভিজ্ঞতা থেকে বললাম।
আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
১৭|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:১২
ক্যারোলিনা রোজালিন বলেছেন: চমত্কার একটি পোস্ট।পড়ে অনেক ভালো লাগলো।
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:৫১
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রোজালিন আপু।
আপনি সেফ হয়েছেন ?
১৮|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:১২
ক্যারোলিনা রোজালিন বলেছেন: চমত্কার একটি পোস্ট।পড়ে অনেক ভালো লাগলো।
১৯|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৯:০৬
শিপু ভাই বলেছেন: এখন পর্যন্ত ঢাকায় কোন ঈদ করি নাই।
আগামী ৪/৫ বছর পর হয়তো ঢাকায় করতে পারি।
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১০:২৪
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ভাবসিলাম ঈদের ছুটিতে দেখা করবো।
২০|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১০:৩৯
ফয়সাল তূর্য বলেছেন: ভালো লিখেছেন।
নারী ও পুরুষের সার্বিক সহযোগিতায় আলোকিত হোক সমস্ত পৃথিবী।
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১১:০৪
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: নারী ও পুরুষের সার্বিক সহযোগিতায় আলোকিত হোক সমস্ত পৃথিবী।
ধন্যবাদ তূর্য ভাই।
২১|
১৩ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১২:১৬
বড় বিলাই বলেছেন: সামাজিক এই বৈষম্যটুকু দূর করা খুবই কঠিন। অশিক্ষার দোষ দিয়ে লাভ নেই, শিক্ষিতরাই এই মানসিকতা নিয়ে বেঁচে আছে।
অনেক গুছিয়ে লিখেছেন কথাগুলো।
১৩ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১২:২৯
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আরে, আমাকে আপনি আপনি করে বলছেন কেন ?
শিক্ষিতদের এই মানসিকতা আরো বেশি। একদম ঠিক বলেছেন।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।
২২|
১৩ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:০৭
দূর্যোধন বলেছেন: গুড ওয়ান।
সিরিয়াস একটা টপিক নিয়ে লিখেছেন,তবে একটু যদি বানানের দিকটা খেয়াল রাখতেন.... যদিও তেমন বড় ব্যাপার না,কিন্তু টপিক সিরিয়াস হলে সেটা কি আশা করা যায় না ?? ![]()
১৩ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:১৫
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: হুম, ঠিক বলেছেন, আসলেই বানানের দিকে নজর দেয়া প্রয়োজন। দেখি এটা এডিট করে দিবো, আর নেক্সট পোস্ট থেকে আরো কেয়ারফুল থাকবো।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
২৩|
১৩ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:৪১
মিথী_মারজান বলেছেন: অনেক সুন্দর মানসিকতা ও আন্তরিকতা পূর্ণ লেখাটি অনেক ভাল লাগলো।
অনেক অনেক শুভ কামনা রইল।
ভাল থাকবেন।
১৩ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১০:১২
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনার জন্যও অনেক অনেক শুভকামনা। পোস্ট ভালো লেগেছে শুনে যার নাই পর খুশি হলাম আপু।
ভালো থাকুন।
২৪|
১৩ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১০:৩৮
কবির চৌধুরী বলেছেন: আমার প্রতিষ্ঠানের হর্তাকর্তা দুজন নারী। তাদের কাজের পারফেকশন দেখলে হতবাক হতে হয়! নারী অবলা দুর্বল বলার কোন সুযোগই নেই।
পোস্টে বিশাল একটা +
১৩ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১০:৫৮
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: প্রিয় ব্লগারকে পোস্টে পেয়া মন্টাই ভালো হয়ে গেলো।
কবির ভাই, আমি মাক্সিমাম মেয়েদের কথা বলেছি। আমার মনে হয় ৮০% মেয়েদের ই এই অবস্থা। সেপেশালি গ্রামের দিকে।
আপনি কোন প্রতিস্টানে আছেন ?
অনেক ধন্যবাদ পোস্টপড়ার এবং কমেন্ট করার জন্য।
২৫|
১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:২৩
রেজওয়ান তানিম বলেছেন: বেশ লিখেছ তন্ময় । আমার মতে পরের পোস্ট টা তুমি দুদিন পরে দিলেও পারতে ।
এটাই বেশি দরকারি ছিল
১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:৩৭
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: থাঙ্কু তানিম ভাই।
আমি দশমাস ধরে ব্লগে থাকলেও লেখছি আসলে দু মাস ধরে।হয়তো আবার লেখা বন্ধ হয়ে যাবে। তাই যখন যা মাথায় আসছে তখন তাই লিখে ফেলছি।
ঐ পোস্ট টাতে কিন্ত দারুন আলোচনা হচ্ছে।
তবে এটাকে আরো হাইলাইট করা উচিৎ ছিলো। আপু ব্লগারদের মতামত জানতে পারলে বেশ হতো।
আর রিপোস্ট ভালা পাইনা। তাই রিপোস্টের কথা চিন্তাও করিনা।
আপনার নতুন পোস্ট দেখে আসলাম। চমৎকার বিষয় নিয়ে লিখেছেন।
২৬|
০৩ রা নভেম্বর, ২০১১ ভোর ৬:৩৮
বীরেনদ্র বলেছেন: Thank you very much Tonmoy. Yes you are very true to say that our society is full of gender discrimination and that is largely due to dominition by the males.
I came here from the link you provided in your comment in my article. Thank you once again.
০৩ রা নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৫৯
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। বাংলা লিখতে সমস্যা হচ্ছে ভাইয়া ?
২৭|
০৩ রা নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৩৭
বীরেনদ্র বলেছেন: yes, to some extent I find difficulty to write bengali letters. I use"Avro" and in most of my writings I do so in Microsoft words and then copy and paste in the blog, but in English I can do so directly.
১৫ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৩
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ব্যাপার না।
২৮|
২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৬
শিপন মোল্লা বলেছেন: কঠিন লিখা,ভালই হিয়ছে।
২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১১
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আবুশিথি।
এতদিন পর পোস্ট টা আবার পড়া হলো, ভালই লাগছে।
২৯|
২৯ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:১৭
আরজু পনি বলেছেন: তন্ময় আপনাকে লাল সালাম...
আমি আবেগতাড়িত হয়ে গ্যাছি আপনার লেখা পড়ে...
কোন পুরুষ কে নয়...আমার প্রতিবাদ অসাধুত্তে, পশুত্বে, পঙ্কিলতাকে....
প্রিয়তে নিলাম...অবশ্যই প্রিয়তে নেয়ার মতো পোস্ট
২৯ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৪২
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আরজুপনি ভাই।
মজার ব্যাপার কি জানেন ? আমার একটা পোস্ট আছে যেটা কিছুটা ১৮+ , ব্যান কমার্শিয়াল নিয়ে । সেই পোস্ট টা তিন হাজারের বেশিবার পড়া হয়েছে।
আর এই পোস্টটা অনেক ব্লগার খেয়ালই করেন নি। কিংবা এড়িয়ে গেছেন। হা হা।
যাই হোক, এক্টুখানি সচেতনতা তৈরি হলে সেটাও অনেক।
আপনি সাইকোলজি তে পড়েন ? আমার বেসিক সাইকোলজির উপরে একটা কোর্স ছিলো প্রথম দিকে।অনেক ভালো লাগতো সাব্জেক্ট টা।
ভালো থাকুন ভাইয়া।
৩০|
২৯ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:০০
টুকিঝা বলেছেন: আমাদের সমাজের প্রায় প্রতিটা ঘরেই বাচ্চা মেয়েদের যে শিক্ষা দেয়া হয়, তা হলো- একটা মেয়ের জন্মই হয় স্বামীগৃহে যাবার জন্য।স্বামী যাই হোক, তার সেবা যত্ন করে যেতে হবে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত। তা না হলে ইহকাল পরকাল সবি শেষ। এ কারনেই হাজার হাজার রুমানা মঞ্জুর কে হতে হয় নীপিড়িত, লাঞ্চিত। সমাজের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে পড়ার পরও তার স্থান পশুতুল্য একজন পুরুষের নিচে।
অসাধারন। প্রিয়তে চলে গেল।
২৯ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:০৯
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: টুকিঝাপু,আপ্নার নামটা দেখলেই মনটা অনেক হাসিখুশি হয়ে যায়।জাফর ইকবাল স্যারের লেখা দুটা ক্যারেক্টারই আমার অনেক প্রিয়।আবার আমার বাসার আশে পাশে পিচ্চিগুলা সারাক্ষন টুকি ঝা খেলে।
এতদিন পরে এই পোস্ট কোথেকে পেলেন ? যাই হোক অনেক অনেক ধন্যবাদ।
৩১|
২৯ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:০৮
আরজু পনি বলেছেন: লিংক দিবেন? প্রাসঙ্গিক হলে আমি পড়ি সেটা যত প্লাসই হোক....
১৮+ কৌতুক সাধারণত এড়িয়ে যাই অপ্রাসঙ্গিক মনে হয় বলে.....
সামুতে আনন্দ পাওয়ার অনেক সুস্থ পোস্ট আছে....
আপনার লেখা চালিয়ে যান....মানুষকে সচেতন আমাদেরকেই করতে হবে
আপনি অনেক ভালো থাকুন....আশা করি আপনার সাথে খুব শিঘ্রী দেখা হবে...
২৯ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:২০
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: হা হা, আমিও তাই।
আমার লেখাটা আসলে ১৮+ কৌতক নিয়ে না। অনার্সে আমার মেজর ছিল আডভার্টাইসিং। সে কারনে মাঝে মাঝে এড, ডিজাইনিং নিয়ে পোস্ট দেই। এটাও সে রকম একটা পোস্ট। ব্যান হওয়া টেলিভিশন এড নিয়ে। ১৮+ লিখেছিলাম মজা করে।
ফাকিবাজি একটা লেখা, কিন্ত ৩১০০ বার পঠিত। হা হা।
দাড়ান, লিঙ্ক দেই, নেটের স্পিড ভালো হতে হবে কিন্ত।
কোক - পেপসির যে সব বিজ্ঞাপনগুলা ব্যানড। মোটামুটি ১৮+
৩২|
১১ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৫৯
বাদ দেন বলেছেন: আমি নারী পূরুষের সম অধিকারে বিশ্বাস করি না।
নারীর অধিকার একটু বেশী থাকা উচিত বলে মনে করি।
কিছু জ্ঞানগর্ভ কথা বলতে চাইতাসিলাম, কিন্তু কেমন জানি আইলসামি লাগতেছে
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:০৭
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: বাদ দেন বলেছেন বাদ দেন
৩৩|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:১৭
তিথির অনুভূতি বলেছেন: নারীদের নির্যাতন ও তাদের সতীত্ব নিয়ে পরীক্ষা- নীরিক্ষার প্যাচ এত বেশী চলে যে মাঝে মাঝে প্রগতিশীল নারীদের সামনে এগিয়ে যাওয়া বন্ধ হইয়ে যায়।
কিছু পুরুষের জন্য বাকী পুরুষেরাও বিপথে যাচ্ছে আর নারীকে অসম্মান ও হয়রানী করছে
নারীকে সম-অধিকার ও সম্মান দেওয়া পুরুষই পুরুষ ।
যেতা স্বাভাবিকতা হওয়া উচিত তাই আজ নীতিতে পরিনত করার জন্য আন্দোলন করতে হচ্ছে ।
এ আন্দোলন চলুক ** আমরা স্বাভাবিক ও সুস্থ জীবন চাই।
সোজা প্রিয়তে।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:১৬
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ভালো থাকুন তিথি আপু। ধন্যবাদ আপনাকে।
৩৪|
১৯ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:০৮
তাশা বলেছেন: আবার আরজুপনি ভাই...............
............. আরজুপনি একজন আপু............
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:১৭
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: এখন জানি, তখন জানতাম না।
৩৫|
২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:২৩
ঠিক যেন আমার মতো বলেছেন: সহমত। কিন্তু বিপ্লবের জন্য আত্তত্যাগ অবসম্ভাবী।শুরুটাই প্রয়োজন । আজকের সমাজে কজন প্রতিষ্ঠিত মানুষ নার্সকে ঘরের বউ করে আনে আর তাকে কাজ করতে দেয়?সবাই (অনেকেই) চায় ডাক্তার বউ
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:১৮
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: দারুন একটা উদাহরন দিয়েছেন।
ধন্যবাদ।
৩৬|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৯
আফসিন তৃষা বলেছেন: অনেক ভালো লিখেছেন। আস্তে আস্তে সবাই এরকম সচেতন হবে আশা করি। একজন মানুষকে মানুষ হিসেবে বিচার করতে হবে।
৩৭|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৯
আফসিন তৃষা বলেছেন: অনেক ভালো লিখেছেন। আস্তে আস্তে সবাই এরকম সচেতন হবে আশা করি। একজন মানুষকে মানুষ হিসেবে বিচার করতে হবে।
১৮ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৩:২৩
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ তৃষা
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:৫৫
মিঠাপুর বলেছেন: সুন্দর নারীসুলভ লিখেছেন বাই