নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পদহীনদের জন্য শিক্ষাই সম্পদ

চাঁদগাজী

শিক্ষা, টেকনোলোজী, সামাজিক অর্থনীতি ও রাজনীতি জাতিকে এগিয়ে নেবে।

চাঁদগাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

শিক্ষিত ও অশিক্ষিতদের রাজনীতি

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:৫৭

আজকে দিনটি ইসরায়েল, নরওয়ে, সিরিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানে সমানভাবে কাটছে না; আজ ইসরায়েলে মানুষ গড়ে ৮ ঘন্টা করে কাজ করেছে, বিকেলে বাড়ীতে অবসর নিচ্ছে, তবে যারা জেরুযালেমে থাকে তারা সন্ধ্যার আগে ঘরে ফিরে গেছে; নরওয়েতে ইসরায়েলের মতই, তবে, তারা বাড়ী ফেরার সময় তাড়া অনুভব করেনি, কোনভাবে ভীত হয়নি; সিরিয়ায় যুদ্ধ চলছে, মানুষ তুরস্ক সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে, আগামীকাল কোথায় থাকবে তারা জানে না; পাকিস্তানে সীমান্তের ৩/৪টি গ্রামে ড্রোন হামলা হয়েছে, মানুষ ঘরের মাঝেও ভয়ে আছে; বাংলাদেশে অবরোধ চলছে, মানুষ কাজে যেতে প্রাণটা হাতে নিয়ে যায়; আফগানিস্তানে কি হচ্ছে, তা মানুষের পক্ষে কল্পনা করা সহজ নয়।



ইসরায়েল, নরওয়ে, সিরিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানে মানুষ রাজনীতিতে সক্রিয়। ইসরায়েলের মানুষের শিক্ষার লেভেল সবার উপরে, তাদের রাজনীতির লেভেলও অনেক উপরে; তারা ভোট দিয়ে খুবই শিক্ষিত লোকদের নির্বাচিত করে। নরওয়ের রাজনীতিও ইসরায়েলের কাছাকাছি, তবে অনেক ভোট দেয় না। পাকিস্তান ও বাংলাদেশে মানুষ গণতান্ত্রিক ভোট প্রয়োগ করে অগণতান্ত্রিক ও ভয়ানক অপরাধীদের নির্বাচিত করে। আফগানিস্তানে অর্ধেক মানুষ ভোট কেন্দ্রে যায় না ভয়ে।

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪২

চাঁদগাজী বলেছেন:

গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে নেতৃত্ব দিতে হলে, আজকের পৃথিবীতে খুবই শিক্ষিত হতে হবে।

২| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


স্বল্প সম্পদের দেশকে চালাতে হলে সুইজারল্যান্ডার মানুষের মতো শিক্ষিত হতে হবে ।

৩| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৩২

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: ইসরাইল ও নরওয়ের সাথে কথিত দেশগুলির তুলনা, হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারছি না।।
দুঃখিত সমমনা হতে পারলাম না বলে।।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


মনে হয়, কাঁদলে ভালো হবে।

১৯৪৮ সালে ইজরায়েল হয়েছে; ১৯৭০ সালের দিকে নরওয়ের অর্থনীতি নিজ পায়ে দাঁড়ায়েছে।

১৯৪৭ সালে পাকীরা কলোনী থেকে বের হয়েছে; ১৯৭০ সালে আফগানিস্তান রাজতন্ত্র থেকে বেরিয়ে এসেছে।

দরকার শিক্ষা; ও শিক্ষিতরা বাকীদের সাহায্য করা।

৪| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৫ ভোর ৫:৪২

নবণীতা বলেছেন: Amader desher rajnitibid ra nijeder pocket vorbe naki deshke jati ke shikhhito hote sahajjo korbe !!!???seta vabar somoy tader koi??

২০ শে জানুয়ারি, ২০১৫ ভোর ৫:৫১

চাঁদগাজী বলেছেন:


এখন যারা সরকারে আছে, যারা বিএনপি, জাপা ও জামাতে আছে, এরা রাজনীতিবিদ নয়; দলগুলো শুধু দল, রাজনৈতিক দল নয়; এরা এক ধরণের আধুনিক রাজা, আমির, ওমরাহ, জমিদার; তবে, সবগুলো ক্রিমিনাল।

আমার কমেন্ট করার ক্ষমতা এখনো নেই; তাই আপনার লেখা নিয়ে এখানে কমেন্ট করলাম:

আপনার পোস্ট মাত্র ২ লাইনের; ২ লাইনে কিছু বলা কঠিন; যা লিখবেন, সেটাকে নিয়ে ভাবেন, ও পাঠকের জন্য নতুন কিছু ভাবনা যক্ত করুন।

৫| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৫ ভোর ৬:০৯

নবণীতা বলেছেন: Thank you so much for your suggestion.

২০ শে জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৭:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনার জন্য শুভ কামনা রলো, আমরা পশাপাশি ব্লগিং করবো, মতামত বিনিময় করবো।

৬| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৮:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন: আলেকজান্ডার (৩৫৬-৩২৩) যখন রাজ্য জয়ে বের হয়েছিল, তার লক্ষ্য ছিল পাশের দেশগুলির রাজাকে পরাজিত করে, তাদের সাম্রাজ্যকে নিজের সাম্রাজ্যের সাথে যোগ করা; আক্রান্ত রাজার সৈনিকদের সাথে তার সৈনিকদের যুদ্ধ হতো; সাধারণ প্রজাদের কোন ক্ষতি যাতে না হয়, সেটার নির্দেশ ছিলো। কিন্তু কিছু সাধারণ প্রজাকে প্রাণ হারাতে হয়েছিল, যুদ্ধ স্বাভাবিক নিয়ম মানতে পারে না।

নেপোলিয়ন (১৭৬৯-১৮২১) মস্কো অবধি পৌছেছিল, চেস্টা করেছে সাধারণ মানুষের যাতে ক্ষতি না হয়, সেজন্য সব সাপ্লাই সাথে নিয়েছিল। মস্কো বিজয়ের পর, রাশিয়ান 'জার' পালিয়ে যায়, সাথে পালিয়ে যায় নগরের বেশীর ভাগ লোক; রাগে ক্ষোভে, নেপোলিয়নের সৈনিকেরা সাধারণ মানুষের বাড়ীতে আগুন দিয়েছিল; যুদ্ধ কখনো স্বাভাবিক নিয়ম মেনে হয় না।

তৈমুর লং'এর (১৩৩৬-১৪০৫) যুদ্ধ ছিল পুরো জাতির বিপক্ষে: রাজা, প্রজা সৈনিক, সবাইকে সে শত্রু হিসেবে ভাবতো; কারো রক্ষা ছিলো না। ততকালীন সময়ের জন্যও তৈমুরের রাজত্ব ছিল বিভীষিকাময়।

বাংলাদেশে মৃদু-সিভিল-ওয়ার চলছে; এই আধুনিক যুগেও এখানে আলেকজান্ডার বা নেপোলিয়ন নেই; এখানে এখনও তৈমুরের প্রেত্মারা ক্ষমতার যুদ্ধে লিপ্ত।

রাজায় রাজায় যুদ্ধ কর, আলেকজান্ডার বা নেপোলিয়ন হও; তৈমুর হয়ো না; তৈমুরদের বিচার হবে।

৭| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ভোর ৫:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন: বোমা পড়ছে, আজ কুমিল্লায় বাসে ৭ জন পুড়ে মরলো; এদের ছেলেমেয়ে, মা-বাবারা এদের কবর দেবেন না চিনে; সরকারের কেহ এই বাসে ছিল বলে মনে হয় না; বিএনপি-জামাত শিবিরের কেহ থাকার সম্ভাবনা কম।

আজকের কুমিল্লার বাসে বোমার শুরু আজকে নয়, শুরু হয়েছিল ১৯৭২ সালে; তখন সিরাজ শিকদারের তথাকথিত 'সর্ব-হারা বিপ্লবের' শুরু ছিল; আজকেরটা তালেবানী সিভিল-ওয়ার। ১৯৭২ সালেরটাকে থামানোর দায়িত্ব ছিল শেখ সাহেবের, উনি পারেননি; আজকেরটা থামানোর দায়িত্ব শেখ হাসিনার, উনি যদি না পারেন, উনাকে বাবার ইতিহাসের অংশ হতে হবে।

২০০১ সালের পর, দেশ দ্রুত জংগীবাদের দিকে এগিয়ে গেছে, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ফিলিস্তিনে বাংগালীরা যুদ্ধ করছিলো ভলনটিয়ার হয়ে, তারা দেশে ফিরে আসছিলো, দেশে তাদের সমর্থকেরা ছিলো; দেশের মানুষ টের পায়নি, সরকার কিছু করেনি, অনেক সরকার তাদেরকে বাহবা দিয়েছে।

দেশে মানুষের বৃদ্ধির হারের সাথে মানুষের চাকুরীর সৃস্টি হয়নি, সরকারগুলো সেই চেস্টা করেনি; তারা মানুষকে আরবে বিক্রয় করেছে; কয়েক কোটী মানুষ ইতিমধ্যে আরব ঘুরে এসেছে; আরবে দীর্ঘদিন থেকে এদের অনেকেই আরবদের মতবাদ আমদানী করেছে।

আজ পাকিস্তানী, আফগানী ও আরবী সন্ত্রাস এদেশে দানা বেঁধে উঠেছে; একে দমন করার দায়িত্ব সরকারের; সরকার সমর্থ না হলে মানুষকেই সেই দায়িত্ব নিতে হবে, সেই পথ হবে লম্বা, সিরিয়া বা আগফানিস্তানের মত লম্বা।

৮| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১২:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:
জনপ্রিয় মন্তব্যসমূহ
সকল পোস্ট নির্বাচিত পোস্ট অনুসারিত ব্লগ নোটিশ বোর্ড চাঁদগাজী ব্লগ

নতুন ব্লগ লিখুন
কমেন্ট মডারেশন
লগ আউট

আমার প্রিয় পোস্ট

শিক্ষিত হোন, জাতিকে সাহায্য করুন

সাম্প্রতিক আবিস্কার, 'অবরোধ' ও 'পেট্রোলবোমা'
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ভোর ৪:৫৪ |
শেয়ারঃ
0 0

অবরোধ ও পেট্রোল বোমার সাথে একটি নাম যুক্ত হয়ে থাকবে, নামটি হচ্ছে, খালেদা জিয়া; উনি 'অবরোধ' শব্দটি উচ্চারণ করার সাথে সাথে ৩০ দিন ফুটছে এই বোমা; মনে হয়, উনার 'অবরোধ' কমপক্ষে ৩টি সন্ত্রাসী দলকে পেট্রোল বোমা মারতে সুযোগ করে দিয়েছে।
'অবরোধ' শব্দটি যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়, গ্রীকেরা ১০ বছর অবরোধ করেছিল ট্রয়; হিটলার ৪ বছর অবরোধ করেছিল লেনিনগ্রাদ। পেট্রোল বোমার ব্যবহার হয়েছিল ব্যাপকভাবে আফগানিস্তানে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী আফগানীদের শিখায়েছিল। আমাদের জাতির জন্য এগুলো নতুন আবিস্কার

গত ৩০ দিন, আমাদের দেশে পেট্রোল বোমা খইয়ের মত ফুটছে; ৫০ জনের মত পুড়ে মরে গেছে, ২৫০ জনের মতো আজীবনের জন্য পংগু হয়ে যাবে এতে; জাতি ইতিমধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ হারায়েছে; আরো কতদিন এভাবে চলবে সরকার জানে।

কে কে বোমা মারছে, সেটি পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে সামন্য সময় লাগবে; তবে, অবরোধ যে, সেই সুযোগ এনেদিয়েছে, এতে কোন সন্দেহ নেই।

এই অবরোধ খালেদা জিয়াকেও সাহায্য করবে, উনার ৩২ বছরের কর্মজীবনের অবসান ঘটবে শীঘ্রই; অবশ্য উনার প্ল্যান ও স্বপ্ন পুরণ করার মত ঘটবে না, মনে হচ্ছে; উনাকে হয়তো মহান আবিস্কারের জন্য ক্ষতিপুরণ দিতে হবে, গুনে গুনে।

আমাদের স্বাধীনতা ছিল এক মহান স্বপ্নে ভরা; এ স্বপ্নকে যারা ভেংগে খান খান করেছে, তাদের নামের লিস্ট অনেক লম্বা; লিস্টের প্রথমে আছে পাকিস্তান; আমাদের স্বপ্ন যাতে কার্যকরী না হয়, তার পেছনে সারাক্ষণ কাজ করেছে পরাজিত পাকিস্তান; পাকিস্তান সোজাসুজি আমাদের আক্রমণ করেনি, তারা তাদের সম-মনা আমাদের কিছু মানুষকে ব্যবহার করে, তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে।

১৯৭১ সাল থেকে যারা বাংগালীদের হত্যা করে আসছে, কেহ বিচার থেকে পালাতে পারবে না; হোক সে রাজাকার, হোক সে 'অবরোধ'কারী বা পেট্রোলবোমাবাজ।

৯| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৭

চাঁদগাজী বলেছেন: বর্তমানে, আমাদের দেশে রাজনীতির স্হান দখল করেছে ষড়যন্ত্র; ফলে, যাঁরা শিক্ষার সুযোগ পাননি, তাঁরা অনেকেই চলমান ঘটনাকে রাজনৈতিক কার্যকলাপ হিসেবে নিচ্ছেন, যা আসলে ষড়যন্ত্র মাত্র। ষড়যন্ত্র অনেক সময় বেশ নাটকীয়তার সৃস্টি করে, তাতে অনেক মানুষ আকর্ষণ অনুভব করেন; ভুলক্রমে, নিজেরাও তাতে অংশ নিয়ে নিজকে রাজনীতির অংশ ভাবেন।

আমাদের দেশের অনেক নিরক্ষর মানুষ খুবই কস্টের এক পেশা নিয়ে বেঁচে আছেন, তাঁরা রিকসাচালক; অনেক শিক্ষিত মানুষ রিকসা ব্যবহার করেন; এ সুযোগে তাঁরা চালকের সাথে আলাপ আলোচনা করেন; ফলে, রিকসাচালকেরা অনেককিছু শোনেন ও নিজের মতামতও প্রকাশ করেন। এটা একটা মাত্র উদাহরণ; জীবিকার কারণে ও সমাজের সব স্তরের মানুষ রাজনীতিতে সংযুক্ত হচ্ছেন, নিজেদের ভুমিকা রাখছেন। কিন্তু এই বিরাট সংখ্যক মানুষের রাজনৈতিক ধারণা বর্তমান পৃথিবীর স্টানডার্ডে কিছুই না।

আমাদের শিক্ষার মান খুবই নীচু; তা মাপবেন কিভাবে? আমাদের বেশীর ভাগ ছাত্র পরীক্ষার আগে আদাজল খেয়ে পাশের জন্য লেগে যায়; তারা শিখার চেস্টা করেন না। ফলে, এসব দুর্বল শিক্ষিত মানুষগুলো রাজনীতির মতো কঠিন সাবজেক্টের কিছুই বুঝে না; অনেক সময় বিরক্ত হয়ে বলতে থাকে, রাজনীতি নোংরা।

রাজনীতি শক্ত, কারণ এখানে অনেকগুলো বিষয়, ও এসব বিষয়গুলোকে অনুধাবন করা দরকার। রাজনীতি বুঝতে হলে, শিক্ষার দিক থেকে, পলিটিক্যাল সায়েন্স, সোস্যাল সায়েন্স, পলিট ইকোনোমি, ইকোনমি, অংক, ইতিহাস, লজিক, ফিলোসফি, টেকনোলজি জানতে হবে।

১০| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ভোর ৪:২০

চাঁদগাজী বলেছেন: নির্দলীয় জীবিত দগ্ধদের জীবন বদলে গেছে, এ মানুষগুলো এখন রাজনৈতিক দলগুলো কর্তৃক সৃস্ট প্রতিবনদ্ধী। আমরা এই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াবো, এ নিরীহ মানুষগুলোর উপর যে ধরণের অমানুষিক আক্রমণ করে, এদেরকে জীবন থেকে বন্চিত করা হয়েছে, তার সঠিক বিচার আমরা করবো।

একটি ফলপ্রসু বিচার হবে, এই স্বপ্নহারা মানুষগুলো যেন, তাদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারে তার জন্য আমরা অর্থের সংস্হান করবো; সে অর্থ আসবে যাদের আক্রমণে ও যাদর কার্যক্রমে এদের জীবনের স্বপ্ন ভেংগেছে তাদের পকেট থেকে।

মৃত দগ্ধদের পরিবার চালনার জন্যও ক্ষতিপুরণ দিতে হবে।

রাস্ট্রের আইনানুসারে, দেশে এটর্নী জেনারেলকে সিভিল স্যু করতে বলবো, যদি উনি সঠিকভাবে সবকিছু করেন, তা'হলে ঠিক আছে; না হয়, উনাকে চাকুরী থেকে সরে যেতে হবে।

আমরা চাবো দেশের হাইকোর্ট যেন, এ ব্যাপারে সঠিক পদক্ষেপ নেয়। হাইকোর্ট যদি সটিক ব্যবস্হা নিতে অপারগ হয়, তাদেরও সরে যেতে হবে। আপনারা যারা মনে করেন যে, এটা সঠিক পদক্ষেপ, আপনারা এতে অংশ নিন; আমরা এসব অন্যায়ের বিপক্ষে দাঁরাবো।

১১| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:২১

চাঁদগাজী বলেছেন: কোন গণতান্ত্রিক দেশে পার্টির প্রধান একই সময়ে দেশের প্রধান হওয়া উচিত নয়; ৩৪ বছর, ৩১ বছর, ২৯ বছর যদি একজনই পার্টির প্রধান থাকে, উহা পার্টি থাকতে পারে না। কিন্ত বাংলাদেশ সেই ইতিহাস রচনা করেছে; কারণ রাজনীতিবিদদের যায়গা দখল করেছে অরাজনীতিবিদরা। অরাজনীতিবিদরা কৌশলে প্রশাসন থেকে শুরু করে রাস্ট্রের স্নায়ুগুলো দখল করে নিয়েছে, দখল করে নিয়েছে ব্যবসা বাণিজ্য ও সম্পদ। রাজনীতির নামে এই অপরাজনীতি দেশকে সিভিল-ওয়ারের মাঝে নিয়ে গেছে।

সিভিল-ওয়ার শুরু করেছে রাজনৈতিক শব্দ ব্যবহার করে; যিনি ৩১ বছর পার্টি প্রধান, তিনি নাকি গণতন্ত্র্র পুরুদ্ধার করছেন; যদি উনি সক্ষম হন, সেটা হবে গণতন্ত্র; উনার হাতে ক্ষমতা না থাকলে উহা গণতন্ত্র নয়; রাজনীতিতে এগুলোকে বলা হয় ষড়যন্ত্র।

এখন একজন গণতন্ত্র দিচ্ছেন না, আরেকজন পাচ্ছেন না; এতে সিভিল-ওয়ার শুরু হয়ে গেছে। সিভিল-ওয়ার শুরু হয়ে গেলে, সেখানে আর গণতন্ত্র নিয়ে ভাবার সময় নেই; তখন উহাকে থামাতে হবে, অথবা বাড়তে দিতে হবে; একজন উহাকে বাড়তে দিচ্ছে; আরেকজন থামানোর চেস্টা আপাতত করছেন বলে মনে হয় না।

পুরোদেশ যখন বোমা আক্রমনে ক্ষতবিক্ষত, তখন সরকার চাইলে ৩১ বছরের পার্টি চেয়ারম্যানের কাছে দেশ ছেড়ে দিয়ে চলে যেতে পারবেন না; কারণ, দেশে বোমাবাজ ব্যতিত জনগণও আছেন, যাদেরকে রক্ষার দায়িত্ব সরকারের।

দেশ যখন আক্রান্ত, তখন উহাকে রক্ষা করাই দরকার; উহাকে বোমাবাজদের হাতে ছেড়ে দিয়ে কেহ চলে যেতে পারবে না। বোমাবাজি থামলে, ছেড়ে দেয়ার সঠিক পথ বের করা কঠিন হবে না; সহজ পথ হলো, ১০ বছরের বেশী কেহ পার্টির প্রধান থাকতে পারবে না; ২ বারের বেশী কেহ রাস্ট্রের প্রধান হতে পারবে না।

১২| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৩:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন: খালেদা জিয়ার বর্তমান স্বামী ফালুর দিক থেকে খালেদা জিয়া বিলিওনিয়ার; ফালুকে রাস্তার থেকে এনে বিলিওনিয়ার ব্যবসা্যী ও এমপি বানায়েছে খালেদা জিয়া। বর্তমান অবরোধে ফালু বিরাট টাকা ইনভেস্ট করছে; পরোক্ষভাবে তা খালেদা জিয়ার পকেট থেকেও যাচ্ছে; তাই বলছি, বিলিওনিয়ার খালেদা জিয়ার বিলিয়ন ডলার 'অবরোধ'।

দরিদ্র বেংগল রেজিমেন্ট, ইপিআর, আর দরিদ্র কৃষকের ছেলেরা বিলিওনিয়ার আদমজী, দাউদ, ইস্পাহানীকে দৌড়াতে গিয়ে, ২২০০০ মুক্তিযোদ্ধা প্রাণ দিয়েছিলেন; আশা ছিল সব বাংগালী সুখে দু:খে মিলেমিশে বাংলায় থাকবে, সমবায় পদ্ধতিতে চলবে আদমজী, কর্ণফুলি, সোনালী, রূপালী ব্যাংক; কেহ বিল গেইট হবে না, সবার সবকিছু থাকবে।

সম্ভব হয়নি, আমাদের জেনারেল জিয়া নিজকে বিক্রয় করলেন পশ্চিমের ক্যাপিটেলিজমের কাছে; শুরু হলো, ক্যাপিটেলিজম গড়া। উনার নেই, উনার ক্যাপিটেলিজম রয়ে গেছে; উহাকে ব্যবহার করে উনার স্ত্রী ফালু ও নিজের ভাইদের ও ছেলেদের বিলিওনিয়ার বানায়েছেন; বিলিওনিয়ারকে বিয়ে করে নিজেও এখন বিলিওনিয়ার; প্রতিদিন লাখ লাখ খরচ করে অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশে ২২ জন বিলিওনিয়ার আছেন আমেরিকান ডলারে; খালেদা জিয়া উনাদের একজন।

১৩| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন: জ্ঞান

১৪| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:

১০/১৫ বছর সময়ে একজন বিলিওনিয়ার সৃস্টি করতে গড়ে ৫০ লাখ মানুষের সুযোগ কেড়ে নিতে হয়েছে বাংলাদেশে।
গুলশানে ১টা বাড়ী তুলতে হয়তো ২০০০ মানুষকে ট্রলারে করে মায়েশিয়া যেতে হয়েছে; আমেরিকায় ছেলেমেয়েকে পড়াতে পাঠানোর জন্য ১৯৮০ সালের দিকে হয়তো ৫০০০দরিদ্র পরিবারের রিলিফের খাবার চুরি হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ ভয়ংকরভাবে ঘন বসতি, অদক্ষ শ্রম ও সীমিত সম্পদের দেশ, যেখানে ৫০ ভাগ মানুষ আজো লেখাপড়ার সুযোগ পায়নি। পেছনে পড়া লোকেরা বারবার প্রতারিত হচ্ছে ক্ষমতায় আসীন শ্রেণী কত্তৃক; আবার সঠিক জ্ঞানের অভাবে তারা ভুল লোকের পেছনে দৌড়াচ্ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের সমস্যা হলো ক্ষমতা দখল করে এক শ্রেণী সব সম্পদ দখল করছে: সরকারী ক্ষমতা, ব্যাবসা, শিক্ষা, সরকারী সম্পদ। মানুষ ক্ষমতাসীন দলে যোগ দিচ্ছে অন্যায়ভাবে কিছু পাবার আশায়।
আমাদের দরকার এমন রাজনৈতিকদল, যার সদস্যের সঠিক আয় থাকবে, যেন দলের থেকে ক্ষমতা নিয়ে আয় করতে হয় না।

২০১৩ সালের বোমাবাজি যখন থেমে গিয়েছিল, এবারেরটাও থামবে; তবে, স্বাভাবিক উপায়ে থামবে না, শক্তি দিয়ে থামাতে হবে; শক্তি দিয়ে থামালে, পরাজিতরা কিছু সময়ের জন্য অকেজো হয়ে যায়; কিন্তু বিলুপ্ত হয় না।
সন্ত্রাসের বিলুপ্তি ঘটাতে হলে সুসম অর্থনীতি ভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে; এ ধরণের সমাজ শুধুমাত্র জ্ঞানী, দক্ষ ও মমতাশীল লোকের পক্ষে গড়ে তোলা সম্ভব।

১৫| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন: সোমালিয়া, সুদান, আফগানিস্তান, সিরিয়া, ইরাক, লেবানন, লিবিয়া, ইয়েমেন, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ক্রমেই অকার্য্যকর দেশে পরিণত হচ্ছে; দেশগুলোতে ইসলামিক সিভিলওয়ার শুরু হয়েছে। মিশর চেস্টা করছে কমপক্ষে হোসনী মোবারকের আমলে ফেরত যেতে। সর্বশেষ, বাংলাদেশকে ঐসব দেশের কাতারে নেয়ার চেস্টা চালাচ্ছে দেশের পরিচিত কিছু অপশক্তি। সৌদী আরব বেশ শংকার মাঝে আছে; যদি সৌদীতে গন্ডগোল শুরু হয়, তা পারস্য উপসাগরীয় ছোট দেশগুলোতে ছড়ায়ে পড়বে আগুনের মতো।

ইসলামিক সিভিলওয়ার হচ্ছে, ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন সেক্টের মাঝে ক্ষমতা, সম্পদ ও ধর্মীয় ট্রেডিশন নিয়ে যুদ্ধ; ইসলামিক সেক্টগুলো, শিয়া, সুন্নী, ওয়াহাবী, কুর্দ ও আরো অনেকগুলো ছোট ছোট সেক্ট। ইসলামিক সিভিলওয়ারের ফলে, দেশগুলো ভেংগে ছোট ছোট দরিদ্র দেশের সৃস্টি হবে; দেশগুলো ধর্মীয় রাজতন্ত্রের মতো শাসিত হবে।

এখন যেভাবে ইরাকে যুদ্ধ চলছে, ইরাক ৩ ভাগ হবে: শিয়া, সুন্নী ও কুর্দ এলাকা; তারপর, তাদের মাঝে শুরু হবে দীর্ঘ স্হায়ী যুদ্ধ; ইরান ইরাকের মতো।

সিরিয়ার বর্তমান গৃহযুদ্ধ শেষ যখন হবে, তখন হয়তো একটা ঘরও অক্ষত থাকবে না; অর্ধেক লোক বিদেশে পালিয়ে যাবে, তিনভাগের একভাগ লোক পংগু হয়ে যাবে।

আফগানিস্তানে আগামী ২০ বছর যুদ্ধ চলবে; পাকিস্তানের উত্তরাংশ প্যালেস্টাইন রিফিউজী ক্যাম্পের মত অরাস্তট্রে পরিণত হবে।

আগামী কয়েক বছর, বাংলাদেশে মৌলবাদীরা দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যাবে; দেশের উৎপাদন কমে যাবে; মানুষ ক্রমে পাকীদের মত ধুর্ত ও সন্ত্রাসী হয়ে উঠবে; তারপর, সমবেত চেস্টার ফলে, মৌলবাদীরা পরাজিত হবে।



সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১১:০৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...




১৬| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন: দেশে মৌলবাদের উথ্থান ঘটেছে পাকী, আফগান, ইরানের সাথে মিল রেখে; একই সময়ে অসম ক্যাপিটেলিজম জাতিকে চরমভাবে ধনী ও দরিদ্র শ্রেণীতে ভাগ করেছে; সাথে যুক্ত হয়েছে নিম্নমানের শিক্ষা ও নিরক্ষরতা। দুস্টরা পেট্রোল বোমাকে গণতন্ত্রের আন্দোলন বলে চালাচ্ছে। শিক্ষিতরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রবেশের সঠিক চেস্টা করেননি; তারা সুবিধাজনক অবস্হানে থেকে দুস্টদের রাজনীতি ও দখলের অর্থনীতি থেকে লাভবান হয়েই খুশী:
১। ড: বদিউল আলম


আনু আহমেদ, বুদ্ধিজীবি হিসেবে নাম লেখানোর জন্য চাইনীজ বাম রাজনীতিতে নাম লিখায়ে রাখছে; অনেক সংস্হার সাথে যুক্ত; বলেন, দেশের সম্পদ রক্ষা করছেন বিভিন্ন উপায়ে; কার সম্পদ, কার জন্য রক্ষা করছে বুঝা মুশকিল। দেশে সমস্যা দেখা দিলে, উনাকে সমস্যার মাঝখানে দেখা যায়; কোন পক্ষে না; আবার এমন কিছু পদক্ষেপ নেই যে, যেখানে উনার স্বকীয়তা বুঝা যাবে।
কামাল একজন আন্তর্জাতিক কর্পোরেট আইনজীবি; শেখ সাহেব উনাকে নিয়ে আসেন পলিটিক্সে, রচনা করতে দেন শাসনতন্ত্র; উনি রচনা করেছেন গার্বেজ: শাসনতন্ত্রে নাগরিকের কোন অধিকার নেই, নিজের আদলে ক্যাপিটেলিস্ট মেনিফোস্টো তৈরি করেছিলেন; শেখ সাহেবের ক্ষতি হয়েছিলো শুধু শুধু। এখন, যখনই দেশে গন্ডগোল শুরু হয়, তখনই তিনি সামনে আসতে চেস্টা করেন; অন্য সময়ে টাকা আয়ের ধান্ধায় বিদেশ ঘুরেন।
৩। ড: এমাজ উদ্দিন, বাংলাদেশের একমাত্র "রাস্ট্র বিজ্ঞানী", যিনি খালেদা জিয়া ও তারেককে বুদ্ধিমান রাজনীতিবিদ হিসেবে সার্টিফিকেট দিয়েছেন। তারেককে নিয়ে লিখিত কাদের বইয়ের মোড়ক উনি খোলেন সব। ফালু যে রাস্তা থেকে এসে বিলিওনিয়ার হচ্ছে, উলফা যে তারেকের সাহায্যে বাংলাদেশে ঘর বেঁধেছে উনি তা দেখে না; উনি দেখে না যে, জামাত খালেদা জিয়াকে দখল করেছে; ভালোই "রাস্ট্র বিজ্ঞানী", এখন অবরোধের পেট্রোল বোমার তাত্বিক হিসেবে পুলিশের খাতায়।
৪। কাদের সিদ্দিকী: মুক্তিযুদ্ধে বিরাট অবদান রেখেছিলেন; যুদ্ধের পরে শেখ সাহেবের সাথে সাথে থেকে উনাকে এমন ভাব দেখায়েছেন যে, সিদ্দিকী একাই দেশ স্বাধীন করেছেন; উনার দরকার ছিল টাকায় প্রতিদান: পুরো টাংগাইলই দখল করে বসে। শেখ সাহেব উনাকে টাংগাইলের গভর্নর বানায়েছিলেন, শুধু চেয়ারটা সরায়ে দিয়েছে জেনারেল জিয়া। এরপর শেখ হাসিনার মাথায় উঠেছিল; শেখ হাসিনা মাথায় উকুন ব্যতিত আর কা্উকে থাকতে দেয় না, সাক্ষী স্বয়ং ড: কামাল হোসেন, তোফায়েল। এখন দেশে গন্ডগোল হলে উনার ৫ম শ্রেণীর বিদ্যা কাজে লাগানোর জন্য গলার গামছা দিয়ে ঝুলতে থাকে।

১৭| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ২:৩৯

চাঁদগাজী বলেছেন: শেখ হাসিনার সরকারের অনেক গলদ আছে, কিছুটা স্বৈর; কিন্তু সরকারের অবস্হান মৌলবাদের বিপক্ষে; খালেদা জিয়ার সরকার ছিল স্বৈর ও মৌলবাদের সংমিশ্রণ, যার মাঝে আজকের পেট্রোল বোমার বীজ ছিল।

বেশীর ভাগ মুসলিম-প্রধান দেশগুলো আভ্যন্তরীণ ইসলামিক সিভিলওয়ারে জড়িত এমহুর্তে; আবার সামগ্রিকভাবে তারা মৌলবাদ সমস্যায় ডুবছে। ইরান ইসলামিক সিভিল-ওয়ার মুকত, কিন্ত সেখানে মৌলবাদ ঝেকে বসেছে; বিশ্ব মৌলবাদী ইরানকে ভয় পায়। মিশর স্বৈরতন্ত্র থেকে বের হতে গিয়ে মৌলবাদের হাতে চলে যায়; এখন সেখানে চেস্টা চলছে মৌলবাদকে ঠেকানোর জন্য; কিন্ত মৌলবাদকে ঠেকানোর জন্য মিলিটারীর দরকার; ঘুরেফিরে হোসনে মোবারকের পথ, গণতন্ত্র জয়ী হতে পারছে না।

জেনারেল জিয়া পশ্চিমের হয়ে বাংলাদেশকে ক্যাপিটেলিজমে নেয়ার সময় নিশচয় বুঝতে পারেনি যে, দেশে অসম-অর্থনীতির সুযোগে মৌলবাদ ঢুকে যেতে পারে; আসলে অসম-অর্থনীতি বহুমুখী সমস্যার সৃস্টি করতে পারে, যা ঘটেছে ইরাকে। ইরাকের মানুষ, আরব হিসেব নিজেরাই ব্যক্তিগতভাবে স্বৈর-স্বভাবের; ফলে, সাদ্দাম হোসেন বিরাট সমস্যা ছিল না; কিন্তু সমস্যা ছিল সাদ্দাম হোসেন শিয়া ও কু্র্দদের অর্থনৈতিকভাবে পুরোপুরি বন্ছিত করে।

শেখ হাসিনার সরকারের আচরণ থেকে মনে হয়, সরকার স্বৈর-আচরণ করছে; এই আচরণের ফলাফল ভালো হওয়ার কথা নয়; কিন্তু মৌলবাদকে থামাতে গণতন্ত্র কাজ করবে না; কারণ, মৌলবাদ কোন গণতান্ত্রিক পদ্ধতি নয়। মিশরে বরং, গণতন্ত্রকে কাজে লাগিয়ে মৌলবাদ ক্ষমতায় চলে গিয়েছিল।

শেখ হাসিনার আগের সরকার ছিল স্বৈর এবং মৌলবাদের সংমিশ্রণ; তাদের আগের সরকার, এরশাদের সরকার ছিল পুরোপুরি স্বৈর; তার আগের সরকার, জেনারেল জিয়ার সরকার ছিল স্বৈর; তার আগের সরকার, শেখ সাহেবের সরকার ছিল আধা-স্বৈর। তা'হলে শেখ হাসিনা হঠাৎ নতুন কিছু নয়, এটা বাংগালীদের চলমান পদ্ধতি মাত্র।

১৮| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৩:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন: খালেদা জিয়ার আন্দোলন এখন এক জায়গায় এসে থেমেছে, 'পেট্রোল বোম'; হরতাল যত দিচ্ছেন, আন্দোলন ততই ডুবছে; পেট্রোল বোমাও থেমে যাবে; খালেদা জিয়া, বিএনপি, বোমাবাজরা সবাই ক্লান্ত হয়ে যাবে; সরকার সেভাবেই এগুচ্ছে, সময়ের সাথে বোমাবজরা নিজেরাই পালাতে যায়গা পাবে না। তা'হলে কি নিয়ে সংলাপ?

খালেদা জি্য়ার আন্দোলন এখন নিম্নমুখী, এটা নিশ্চয় শেখ হাসিনা বুঝতে পেরেছে; এ অবস্হায় ভুল করেও সরকার কোন সংলাপে যাবে না।

খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার রাজনীতিতে 'জনগণ' বলতে তেমন কিছু কোনদিনই ছিল না, পার্টিই সব; মানুষ মরলে, সরকারী সম্পদ বিনস্ট হলে, এরা কোনদিন মাথা ঘামায়নি; ফলে, পেট্রোল বোমায় মানুষ মেরে দাবী আদায় বোধ হয় সম্ভব হবে না।

আবার, শুধু পেট্রোল বোমা থামানোর জন্য সংলাপে গেলে, সন্ত্রাসীরা মাথায় উঠে যাবে; ফলে, সেদিক থেকেও সংলাপ গ্রহনযোগ্য নয়।

সংলাপ বা চুক্তির প্রস্তাব আসতে হয় শক্তিশালী পক্ষ থেকে; 'নাগরিক সমাজ' এতই দুর্বল যে, সরকার মাইক্রোস্কোপ দিয়েও তাদের খুঁজে পাবে না; উনারা দেশের নাগরিক নন, উনারা "বিশিস্ট" নাগরিক, যাদের সাইনবোর্ড ব্যতিত আর কিছুই নেই; ফলে, সরকারের মাথা ব্যথা নেই।

১৯| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১১

চাঁদগাজী বলেছেন: ড: মইন খান হচ্ছেন বিএনপি'র একমাত্র নেতা যিনি চুরি ই্ত্যাদির সাথে জড়িত নন; বিএনপি'র এই দুর্সময়ে উনি হাল ধরতে পারতেন; কিন্তু তিনি সেটা না করে, ভুলের দিকে এগুচ্ছেন; তিনি চাচ্ছেন যে, বাংলাদেশের বর্তমান অবস্হায় জাতি সংঘ হস্তক্ষেপ করুক। জাতি সংঘে মাহমুদুর রহমান মান্না, ড: এমাজুদ্দিন, ড: কামালরা চাকুরী করেন?

জাতি সংঘ ১৯৪৮ সাল থেকে প্যালেস্টাইনে হাত দিয়ে বসে আছে; বর্তমানে জাতি সংঘের বড় বড় প্রজেক্ট হলো সিরিয়া, আফগানিস্তান, ইয়েমেন, লিবিয়া, সুদান, কংগো ও ডজন খানেক আফ্রিকান দেশ।

প্যালেস্টাইনে ৬৬ বছরে প্যালেস্টাইনে কি করতে পেরেছে? কাশ্মীরেও জাতি সংঘ কাজ করছে ৬৭ বছর। এখন ড: মইন খান চাচ্ছেন, জাতি সংঘ আওয়ামী ও বিএনপি সমস্যা সমাধান করুক; এগুলো কি ভাবনা, এত কম ভাবনার লোকেরা কি করে পিএইডি পায়?

যাক, বহু পিএইচডি খালেদা জিয়ার ও শেখ হাসিনার লন্ড্রি করছেন; অসুবিধা নেই; অনেকই উচ্চ শিক্ষা নেন, সেগুলোকে ব্যব হার করতে জানেন না, যেমন বিএনপি'র ড: খন্দকার মোশারফ ও আওয়ামী ড: হাছান মাহমুদ। কিন্তু মইন খান ওদের তুলনায় ভালো অবস্হানে ছিলেন; তিনি পেট্রোল বোমার সন্ত্রাসের বাহিরে থাকতে পারতেন।

উনার উচিত, জাতি সংঘ সম্পর্কে গুগলে ১০ মিনিট ব্যয় করা, কিংবা আমার পোস্টগুলো পড়া; তা'হলে উনার পিএইচডি'টা ফল দেয়ার শুরু করবে; উনার উচিত, পার্টির সাথে কথা বলে, বিএনপি'র ৩১ বছরের সভাপতিকে সামন্য হলেও শান্তিতে থাকতে দেয়া: সভাপতিকে অবসরে পাঠায়ে বিএনপি'কে পেট্রোল বোমা ব্যবসার বাহিরে নিয়ে আসা।

২০| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন: এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায় তথাকথিত রাজনৈতিক হয়রাণীর শিকার হয়ে অনেকে বৃটেন, ফান্স ও স্পেনে বসবাস করার সুযোগ পেয়ে আসছিল বেশ দীর্ঘদিন থেকে। আমাদের দেশ থেকে লন্ডনে বাস করছে খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক জিয়া।
শুধু তারেক নয়, তৃতীয় বিশ্বের অনেক অপরাধী নিজ দেশ থেকে পালিয়ে এসে লন্ডনে বসবাস করে; এদের অনেকেই বিরাট টাকা পয়সা নিয়ে আসে; বৃটিশ জানে, এ ধরণের লোকেরা তাদের দেশে চুরি ডাকাতি করে সম্পদের মালিক হয়, ক্যাপিটেলিজম চালু করে, এক সময় 'এলিট' হয়ে যায়।

তারেক জিয়া রাজনৈতিক কার্যকলাপ থেকে অপরাজনীতির জন্য পরিচিত লন্ডনে। লন্ডনে সে মোটামুটি ভালো করছে; কারণ, লন্ডনে পাকী, বাংগালী ও আরবী মৌলবাদ বেশ শক্তিশালী; বৃটিশ এ ব্যাপারে সতর্ক, তবে শক্ত পদক্ষেপ নেয় না, তারা মানবতায় বিশ্বাস করে, ও তারা সমস্যা সমাধানে খুবই দক্ষ।

বাংলাদেশে চলমান সন্ত্রাসের সাথে তারেক জিয়ার সম্পৃক্ততা লক্ষ্য করেছে বৃটিশ; মনে হয়, বৃটিশ পুলিশ বা এ জাতীয় কোন সংস্হা তারেকের সাথে কথা বলেছে, গত সপ্তাহ থেকে তারেক বেশ চুপ হয়ে গেছে। বাংলাদেশে পেট্রোল বোমা আক্রমনের প্রথম সপ্তাহে তাকে বেশ সক্রিয় দেখা গিয়েছিল; স্হানীয় ও বাংলাদেশী বিএনপি নেতাদের সাথে এখানে ওখানে মিটিং পিটিং নিয়ে বেশ দৌড়াদোড়ি করছিল; হঠাৎ করে সবকিছু যেন থেমে গেছে।

লন্ডন আন্ডার গ্রাউন্ড আক্রান্ত হওয়ার পর, লন্ডনবাসীরা তথাকথিত 'নির্বাসিতদের কার্যকলাপের' উপর নজরদারী বাড়িয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে আগত মৌলবাদীরা লন্ডনে বেশ পরিচিতি লাভ করেছে, এবং কাজকর্ম কম করার ফলে, একাংশ বেশ দরিদ্র হয়ে গেছে, তারা সরকারের উপর নির্ভর করছে; বৃটিশ দরিদ্রদের প্রতি সদয় নয়; হয়তো কিছু বাংগালীকে এ কারণে লন্ডন ছাড়তে হবে। এ অংশের বেশ কিছু অকারণ রাজনীতিবিদকেও সাম্প্রতিক সময়ে তারেকের সাথে দেখা গেছে, যা ভালো লক্ষণ নয়। বৃটিশ যদি মনে করে যে, তারেক লন্ডনে তার হাওয়া ভবন নির্মাণের চেস্টা করছে, তা'হলে বাবুর কপাল ভাংবে, লন্ডন ছাড়তে হবে; তখন সৌদি বা দুবাই চলে যেতে হবে।

২১| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ২:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন: ফ্রান্সে সবচেয়ে দরিদ্র শ্রেণী হচ্ছে আরবেরা; লন্ডন ও আমেরিকায় একই অবস্হা। সৌদীতে সবচয়েে বড় বেতনের চাকুরী করে আমেরিকান, বৃটিশ ও ফ্রান্সের নাগরিকেরা; আরবদের উত্তোলিত তেল অনুসারে, আরবদের মাথাপিছু আয়ের ক্রয় ক্ষমতা কথা ফ্রান্সের নাগরিকের থেকে বেশী হওয়া উচিত।

আমি যেই স্টেইটমেন্টগুলো উপরে লিখেছি, এগুলো অর্থনৈতিক স্টেইটমেন্ট; এগুলো আরব সমাজের উপর কাজ করছে; উপরের স্টেইটমেন্টগুলোর ফলাফল হচ্ছে, ইরাকে গৃযুদ্ধ, সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ, ইয়েমেনে গৃহযু্ধ, প্যালেস্টাইন রিফিউজী ক্যাম্প, সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ, লেবাননে গৃহযুদ্ধ; বাকী আরবরা হুমকীর সন্মুখীন।

আরবদের এই অর্থনৈতিক অসমতার সাথে যোগ হয়েছে তাদের অশিক্ষা ও প্রতিশোধ পরায়নতা। আধুনিকতার দিক থেকে আরবের শিক্ষার মান খুবই নীচু। আরবেরা খুনের বদলে বিচার চায় না, তারা চায় খুন।

বর্তমান বিশ্বে অর্থনীতি অসমতা সন্ত্রাসের সৃস্টি করে, অশিক্ষা সন্ত্রাসের সৃস্ট করে; প্রতিশোধ পরায়নতা সন্ত্রাসের সৃস্টি করে।

আমাদের জাতি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আরবদের অনুসরণ করছে; আমাদের ৫০ লাখ মানুষ আরবে চাকুরী করে; তাদের উপর আরবদের প্রভাব পড়ছে।

২২| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ২:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন: মিরসরাই ট্রেন স্টেশনটা পাহাড়ের সাথে লাগানো; ১০৬০ সালের দিকের দিনগুলোতে পাহাড় থেকে এক ঝাঁক বানর স্টেশনে খাবারের সন্ধানে আসতো; তারা আসতো পাহাড়ে যখন বন্য ফলের অভাব হতো; দলে ৮/১০টা বানর।

বানরগুলো কারো ক্ষতি করতো না, কেহ কিছু দিলে খেতো, না হয় স্টেশনের বারান্ধায় ঘুরাফিরা করতো, নিজেদের মাঝে বাঁদরামী করতো; খাবারের আশায় দোকানের সামনে ঘুরতো, মানুষের পেছনে পেনছে অনুসরণ করতো।

যতক্ষণ পর্যন্ত পেট খালি থাকতো, তারা খাদ্য সংগ্রহের ব্যস্ত থাকতো; স্টেশনের আশেপাশের বাড়ীতে তারা যেতো না; সেসব বাড়ীর ফলমুলে হাত দিতো না।

পেট ভরে গেলে বানরগুলো স্টেশনের আশেপাশে 'সোস্যালাইজিং' করতো: মা বানর বাচ্ছাকে দুধ খাওয়াতো, উকুন পরিস্কার করে দিতো, বাচ্ছাকে কোলে নিয়ে ঘুম পাড়ানোর ব্যবস্হা করতো; বাচ্ছাগুলো লাফঝাপ দিতো; বয়স্ক বানরগুলো শুয়ে বসে ঝিমাতো।

সন্ধ্যার আগে তারা পাহাড়ে চলে যেতো; কখনো স্টেশনে থাকতো না; বেশী বৃস্টি হলে স্টেশনে রাত কাটাতো।

স্টেশনের মানুষেরা এসব বানরদের চিতনো; প্রা্য সব বানরকে তারা নাম দিয়েছিল। মানুষ কোনভাবে এদের ক্ষতি করার চেস্টা করতো না; বানরেরাও কারো ক্ষতি করতো না।

যেদিন পর্যাপ্ত খাবার পেতো না, বানরগুলো সোস্যালাইজিং করতো না, খাবারের সংগ্রহে ব্যস্ত থাকতো; এটাই প্রকৃতির নিয়ম।

২৩| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন: বৃটিশ

বৃটিশ রাস্ট্রদুত খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করেছেন; অনেক কথা হয়েছে নিশ্চয়; মিডিয়ায় শিরোনাম এসেছে, 'রাজনীতিবিদরা যেন পরিনাম ভাবেন'; যেই সাংবাদিক কথোপকখনের এই কথাটুকুকে গুরুত্ব দিয়েছেন, উনার প্রজ তারিফ করতে হয়।
আমার সন্দেহ হচ্ছে যে, খালেদা জিয়া এ বাক্যটার গুরুত্ব বুঝতে পারেননি; পারলে, তিনি কিছু একটা উত্তর দিতেন, যা লেখার মাঝে আসতো; এবং খালেদা জিয়া পদক্ষেপ

২৪| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন: বৃটিশ রাস্ট্রদুত খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করেছেন; অনেক কথা হয়েছে নিশ্চয়, চা-পানি খেয়েছেন; মিডিয়ায় শিরোনাম এসেছে, সাদামিয়া বলেছেন, 'রাজনীতিবিদরা যেন পরিনাম ভাবেন'; যেই সাংবাদিক কথোপকখনের এই কথাটুকুকে গুরুত্ব দিয়েছেন, উনার প্রজ্ঞার তারিফ করতে হয়।

আমার সন্দেহ হচ্ছে যে, খালেদা জিয়া এ বাক্যটার গুরুত্ব বুঝতে পারেননি; পারলে, তিনি কিছু একটা উত্তর দিতেন, যা লেখার মাঝে আসতো; এবং খালেদা জিয়া সঠিক কোন একাটা পদক্ষেপ নিতেন, বা সেদিকে মোড় নিতেন। বাক্যটি খালেদা জিয়া বা বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের মনোযোগ আকৃস্ট করতে পারেনি, এ নিয়ে কেহ কথা বলেনি।

মনে হয়, শেখ সাহেব ৬ দফার পরিণাম জানতেন না; তিনি পরিণাম না জেনেই বাকশাল করেছিলেন। জিয়া পরিণাম না জেনেই দেশকে সেনা শাসনের অধীনে নিয়েছিলেন, রাজাকার ও বাংলাদেশ বিরোধীদের রাজনীতি করতে দিয়েছিলেন। মনে হয়, এরশাদ পরিণাম না ভেবেই সাত্তার থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছিলেন। বদরুদ্দোজারা পরিণাম না ভেবেই খালেদা জিয়াকে বিএনপির সভাপতি বানায়েছিলেন।

শেখ হাসিনা পরিণাম না ভেবেই আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়েছিলেন।

খালেদা পরিণাম না ভেবেই অবরোধ আর হরতাল দিয়ে যাচ্ছেন অন্ধের মতো।

পশ্চিম কিছু করার আগে পরিণাম হিসেব করে দেখে, পরিণাম অনুমান করার জন্য অংক আছে, অংকের মডেল আছে: উহাকে বলে, 'গেইম থিওরী', 'প্রেডিশান মার্কেট', 'জাজমেন্ট থিওরী'; পরিণাম যে, একেবারে মিলে যাবে, তা নয়; তবে, কাছাকাছি কিছু ঘটবে; জাতিকে নিয়ে, চোখ বন্ধ করে একাটা কিছু করা রাজনীতি নয়; সাদামিয়া সেটাই বলেছে।

২৫| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৪৫

চাঁদগাজী বলেছেন: সজীব ওয়াজেদ জয় আবার মুখ খুলেছে; সে মুখ খুললেই ভুল কিছু একটা বেরিয়ে পড়ে; এবার বলছে, "সন্ত্রাসীদের সাহায্য করছে শুশীল সমাজ"; এ ধরণের অমুলক কথা বলে সে সরকার ও আওয়ামী লীগের জন্য বোঝা হচ্ছে সব সময়ে; আগামী কয়েকদিন ওয়ায়দুল কাদের, সুরনজিত সেন, তোফায়েল আহমেদ, আমীর হোসেন আমু,এইচ টি ইমাম জয়ের ভুলকে পরিশোধনের কাজে ব্যস্ত থাকবে।

জয় সর্ব প্রথম সমস্যা সৃস্টি করেছিল, "আমার কাছে তথ্য আছে", ঘোষনা দিয়ে; তারপর, উনার বড় অবদান ছিল, ঢাকা শহরের সবার বিলবোর্ড দখল করে সরকারের উন্নয়নের বিজ্ঞাপন ঝুলায়ে দেয়া; সর্বশেষ হলো সুশীল সমাজকে সন্ত্রাসের অপবাদ দেয়া।

সুশীল হলো শিক্ষিত শ্রেণী, এখানে আছে আমাদের শিক্ষকেরা, ইন্জিনিয়ার, ডাক্তার থেকে সব প্রফেশানেলেরা শিক্ষিত শ্রেণী; বাংলাদেশে শিক্ষিতরা অশিক্ষিতদের উপর সুযোগ নিয়েছে, নিচ্ছে; তাই বলে তারা সন্ত্রাসীদের সাহায্য করছে ভাবা ভালো লক্ষণ নয়।

জয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা আওয়ামী লীগের অনেকেরই আছে; কিন্তু উনারা ভয়ে মুখ খোলে না; কেহ লটিফ সিদ্দিকী হতে চাহে না।

ড: কামাল হোসেন, এটিএম শামসুল হুদা, মান্না সংলাপের পক্ষে কথা বলায়, উনারা সন্ত্রাসের সাহায্য করছে বলা বুদ্ধিমানের কাজ নয়; উনাদের প্রস্তাব আওয়ামী লীগ বা খালেদা জিয়া গ্রহন করবে, না করবে, সেটা উনাদের ব্যাপার। সরকার ও আওয়ামী লীগ চেস্টা করছে 'সময়ের উপর ভর করে' বোমাবাজদের ও খালেদা জিয়াকে ক্লান্ত করে ফেলতে; এবং সেটা কাজ করবে; ফলে, তারা সংলাপে যাবার সম্ভাবনা কম; এবং গেলেও, তারাই জয়ী হবে।
শেখ হাসিনা থেকে আওয়ামী লীগের "আ" অবধি সবাই সংলাপকে না করে দিয়েছে। না করতে গিয়ে মায়া, নাসিম, হাছান মাহমুদ শামীম ওসমানরা এক ধরণের ব্যখ্যা দিচ্ছে; সুরনজিত ও তোফায়েলের ব্যখ্যা ঠিক শামীমদের মত হবে না কোনদিন। তবে, জয়ের ব্যখ্যা শামীমদের চেয়েও নীচুতে চলে গেছে; শিক্ষিতদের সন্ত্রাসের পক্ষে বলার মত নীচু ভাবনা এ জগতে নেই।

২৬| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৪৮

চাঁদগাজী বলেছেন: খালেদা জিয়া অরোধের চেয়ে আরো উপরের স্তরে নিয়ে যাচ্ছেন উনার আন্দোলানকে, শুরু হচ্ছে 'অসহযোগ আন্দোলন'। মনে হয়, খালেদা জিয়া হয়তো 'অসহযোগ আন্দোলন' শব্দটি না বুঝেই উচ্ছারণ করছেন; 'অসহযোগ আন্দোলন' হলো, সরকারের সাথে প্রশাসন ও জনতার অসহযোগ।
বাংগালীরা 'অসহযোগ আন্দোলন' করেছেন একবার, ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে, ২১ দিন; তার আগে করেছেন গান্দ্ধী, বৃটিশের বিপক্ষে।
আমাদের অসহযোগ আন্দোলনে 'পুর্ব পাকিস্তান' সরকারে কর্মরত বাংগালীরা পশ্চিম পাকিস্তান সরকারের বিপক্ষে অবস্হান নিয়েছিল; পুর্ব পাকিস্তানের প্রশাসন ইয়াহিয়া সরকারের আদেশ মানছিল না। গান্দ্ধীর আন্দোলনে, কলোনীর প্রশাসনের ভারতীয় কর্মচারীরা বৃটিশের কাজ করা বন্ধ করেছিল আংশিকভাবে। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বৃটিশের সাথে আংশিকভাবে ব্যবসা বন্ধ করেছিল।
খালেদা জিয়ার হয়ে, প্রশাসনের কাজ কে বন্ধ করবে? কোন জনসংখ্যা উনার হয়ে সরকারের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ করবে? শেখ সাহেব করেছেন, গান্দ্ধী করেছেন, সেজন্য উনিও করবেন, এ ধরণের কোন ফরমুলা তৈরি করা নেই; রাজনীতি না জানলে, ডুবার সময় খড়কুটা সবই বড় বড় ফরমুলা হয়ে উঠে।
খালেদা জিয়ার কারণে বাংলাদেশে ১০/১২ জন বিলিওনিয়ার হয়েছে; উনার অসহযোগের সময় ফালুর ব্যবসা বাণিজ্য চলবে, মেজর মান্নানের সব কলকারখানা চলবে, আমির খসরুর কলকারখানা চলবে, নোমান, ফখরুলের ব্যবসা বাণিজ্য চলবে; বাদ দিলাম বাকীদের।

ফালুর ব্যবসা বাণিজ্য চলা কিন্তু খালেদা জিয়ার ব্যবসা বাণিজ্য চলা; তা'হলে 'অসহযোগ আন্দোলন' কোথায়? ধুর, তুঘলকেরাই বাংলা চালালো আজীবন।
খালেদা জিয়া ৩১ বছর বাংগালীদের অনেক জ্বালায়েছেন; বাকী ছিল 'অসহযোগ আন্দোলন' ।

আজকে উনার সবচেয়ে বড় অবদান হবে, ৩১ বছর অপরাজনীতির পর অবসরে যাওয়া, তাতে সকল পাপের মোচন হবে।

২৭| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:৩৭

চাঁদগাজী বলেছেন: এরশাদের পতনের দরকার ছিল, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মানুষকে এরশাদের বিপক্ষে সংগঠিত করেছিল। এখন হিসেব করলে, এটা পরিস্কার যে, শাসনকাল হিসেবে এরশাদের সময় ভালো ছিল; তখন জাতির হাতে টাকা কম ছিল; সরকারের উঁচু পর্যায়ে, ব্যুরোক্রেটরা জাতির টাকা চুরি করতো, চোরের সংখ্যা কম ছিল। রাজনীতিবিদরা এরশাদ থেকে ছিঁটেফোটা যা পেতো চলে যেতো।
খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর, দেশে ডাকাতি শুরু হয়, ব্যবসা বাণিজ্য রাজনীতিবিদদের পরিবারে চলে যায়; রাজনীতিবিদরা চুরি শুরু করে, সরকারী জমি দখল, ব্যাংকের টাকায় চাকুরী সৃস্টির কথা বলে শিল্পলোন নিয়ে টাকা দখল। এ অবস্হার পুরো সুযো্গ নেয় ব্যুরোক্রেট, পুলিশ, ছাত্র রাজনীতির ছেলেরা, মিলিটারী, সবাই।

খালেদা জিয়ার ভাইবোন, ছেলে, চৌদ্ধগোস্ঠী শিল্পপতি; দাতাদের সব টাকায় এরা সবাই মিলিওনিয়ার।

এটা আওয়ামী লীগের জন্য সুযোগ করে দেয়

২৮| ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ভোর ৬:৫১

চাঁদগাজী বলেছেন: অভিজিতের কোন লেখা পড়িনি এখনো; ব্লগ থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, উনি হয়তো ধর্মের বিপক্ষে বা ধর্মের সংস্কার নিয়ে লিখতেন; হয়তো ইসলাম ধর্ম নিয়ে লিখতেন, বা উনার ব্লগে অন্যেরা লিখতেন। ইসলাম ধর্মের মানুষ, খাঁটি মুসলান, শিয়া মুসলমান, ইসলাম ধর্মের পক্ষে যারা কথা বলছে, তাদেরকেই ইসলাম ধর্মের অন্য অংশের লোকেরা, সুন্নীরা মেরে ফেলছে, মসজিদে বোমা মারছে; সেখানে ধর্ম ও ইসলাম ধর্মের ব্যাপারে কথা বলে, বাংলাদেশে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কোথায়?

ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, পাকিস্তানে খাঁটি ইসলাম ধর্মীরা অন্য খাঁটি শিয়া, সুন্নী, কুর্দি ইসলাম ধর্মীদের মেরে পরিস্কার করে ফেলছে। ইরানে সুন্নীদের মারছে না, কিন্তু দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করছে, কৌশলে তাদের অর্থনীতির শিকারে পরিণত করেছে। সৌদীতে সুন্নী ও শিয়ারা নিজেদের পরিচয় দেয় না।

অভিজিত বাংলাদেশ ছেড়ে আমেরিকায় চলে এসেছিল; আজকে সব বাংগালীকে আমেরিকান ভিসা দিলে, শেখ হাসিনা, উনার মন্ত্রীসভা ও খালেদা জিয়া ব্যতিত সবাই আমেরিকা চলে আসবে; জয় তো আমেরিকারই বাসিন্দা। সেই দেশ থেকে, এই এনার্খির মাঝে অভিজিত কোন বই প্রকাশ করতে গেলো বাংলাদেশে; সেখানে বই কে পড়ে?

মানুষ সুযোগ পেলে আমেরিকা চলে আসে, মানুষ সুযোগ না পেলে আমেরিকা চলে আছে; মেস্কিকোর ২০ মিলিয়ন বে-আইনীভাবে চলে এসেছে; চীন থেকে জাহাজে করে আসছে; ভারতীয়রা কাজের পারমিশন নিয়ে চলে আসছে; মানুষ পাঁয়ে হেটে আসছে; সেই দেশ থেকে কেন অভিজিত বাংলাদেশে যায় বই প্রকাশ করতে? ভাবনায় সমস্যা ছিল।

আমেরিকায় বসে বই লেখ, লেখ যে যিশু পতিতার সাথে থাকতো; লেখ যে, মুসা তোরাহ নিজে লিখেছে; যা ইচ্ছা তাই লেখ, কেহ কিছু বলবে না; মানুষ পড়বে, কিছুই বলবে না ; কারণ, এখানে মানুষ পড়ে, পড়তে জানে।




২৯| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ২:১৮

সূর্য্য আমি! বলেছেন: সূর্য্য আমি! বলেছেন: তোর লাইগা আরেকটা কাব্য ;)

কি জানি কি খেয়ালে, মুতেছিনু দেয়ালে,
সেই দেয়াল চেটেছিলো, গাজী আর শেয়ালে ;) :D

যা, তোর কমান্ডাররে খুজতে ফাকিস্তান যা পাকী জারজ গাজী ছাগু। তোর কমান্ডার রাজাকারে আছিলো নাকি পাকী আর্মিতে? তার পুটকী চাটতি? নীলখেতের ছাগুফিকেটও কি নীলক্ষেতেই পাইছোস নাকি ইসলামাবাদ থাইকা প্রিন্ট কইরা পাঠাইছে?

খেলা তো শুরুই হয় নাই। পার্ট টু, থ্রি, উইকেন্ড মেগা আমোদপোস্ট কতকিছু বাকী আছে। এইগুলাও মজার। এইখানে তো জাস্ট টোকা দিতাছি। বুইড়া ছাগুরে আঙ্গুলের ব্যায়াম করাইতেছি যাতে খালামনিরে ঠিকমত উংলির পুলক দিতে পারে ;)

টানা কমেন্টামু না। কিছুক্ষন পর পর আইসা গুতা দিয়া যামু। অপেক্ষায় থাকবি কখন আসতেছে, কখন আসতেছে। অপেক্ষা এক আশ্চর্য্য যন্ত্রনার ব্যাপার। তোর সাথে মানসিক গেম খেইলা মজা পাইতেছি। একটা বিকৃত অসুস্থ্য মানসিকতার নিঃসঙ্গ প্রবাসী এবং কর্মহীন বুইড়ার জীবন নিয়া গল্পের প্লটও মাথায় চইলা আসছে। যার বিকৃতিরে দুনিয়া কখনো পাত্তা দেয়নাই আর শেষ সম্বল ছিলো অনলাইনে বমি করা। একদিন সেইটা নিয়াও টানাটানি দেখা দিলো।

এরপর, এরপর কি হইলো?

জানার জন্য অপেক্ষায় থাকুক আমজনতা ;)


োস্বর্নাখালামনির জন্য একটা ছুট্টু শায়েরী। আবার আসলে একটূ শুনাইয়া দিস তো পাকী জারজ গাজী ছাগু ;)

চুতিয়া চুতমারানী, োদা কি তোর সঙ্গে যাবে??
গাজীরে চাটতে দিলে োদা কি তোর ক্ষয়ে যাবে?? ;)

ওই কাজেই বিজি থাক। নাইলে আরো নোংরা রুপ দেখবি। সিপি গ্যাং স্টাইল। =p~ =p~

৩০| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৬

রংহেডেড বলেছেন: আপনার ব্লগে কীইবা এমন তথ্য আছে ? আপনার সাময়িক পোস্টে হ্যাকিং শব্দটা ব্যবহৃত হইল কেন বুঝলাম না। বুঝলাম যে আপনার আইডি নকল করতেছে । বাট হ্যাকিং শব্দটা ব্যবহার করলেন কেন ? শব্দ শিখলেই যে ইজাইতে হইব তা না ।

৩১| ২৯ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: পোস্ট যেমনই হোক, পোস্টে প্রায় এককভাবে রেখে যাওয়া আপনার ক্রমাগত মন্তব্যগুলো পড়ে মুগ্ধ হয়েছি। কয়েকটাতে অনেক মূল্যবান কথা বলেছেন। দু'বছর দু'মাসের পুরনো পোস্টতাতে প্রথম 'লাইক' দিয়ে গেলাম।
যেদিন পর্যাপ্ত খাবার পেতো না, বানরগুলো সোস্যালাইজিং করতো না, খাবারের সংগ্রহে ব্যস্ত থাকতো; এটাই প্রকৃতির নিয়ম (২২ নং মন্তব্য)-- হা হা হা!!! :)
রাজনীতি না জানলে, ডুবার সময় খড়কুটা সবই বড় বড় ফরমুলা হয়ে উঠে (২৬ নং মন্তব্য -- সত্য।

৩২| ০৬ ই মে, ২০১৭ রাত ১:০৫

চাঁদগাজীর মত অসভ্য ব্লগার বলেছেন:

৩৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:২৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: জাতির সেরা মানুষগুলো কেন জাগে না? কেন তারা চুপ থাকে? তারা কিসের নেশায় চুপ থাকে অথবা দালালি করে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.