নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পদহীনদের জন্য শিক্ষাই সম্পদ

চাঁদগাজী

শিক্ষা, টেকনোলোজী, সামাজিক অর্থনীতি ও রাজনীতি জাতিকে এগিয়ে নেবে।

চাঁদগাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমাদের বাজেটে ক্যাপিটেলিজম, নাকি সোস্যালিজম\'এর তত্ব অনুসরণ করা দরকার?

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:৪৩



আপনি একজন ব্লগার হিসেবে কি মনে করেন, আমাদের বাজেটে ক্যাপিটেলিজম, নাকি সোস্যালিজম'এর তত্ব অনুসরণ করা দরকার? নাকি আপনার নিজস্ব কোন তত্ব আছে? থাকলে, বলতে পারেন, ডেফিনেশন দিতে পারেন!

আমাদের দেশে আজ অবধি যেই তত্ব ব্যবহৃত হয়ে আসছে, এটা তৃতীয় বিশ্বের গলাকাটা ক্যাপিটেলিজম; আমাদের ক্যাপিটেলিজমটা ঠিক সুইডেন, নরওয়ে, আমেরিকা, ইসরায়েল, কানাডা, জাপান এর মতো নয়; আমাদের ক্যাপিটেলিজম অনেকটা নাইজেরিয়া, মেক্সিকো, মিশর, পাকিস্তানের মতো।

শেখ সাহেবকে হত্যা করা হয়েছিল বাংলাদেশকে সোস্যালিজম থেকে দুরে রেখে, বর্তমানের মতো এই ধরণের অবস্হায় রাখতে; যারা সেটা চেয়েছিলো, তারা সফল হয়েছে। এখন শিক্ষিতরা চিৎকার দিচ্ছে, ভোট দিতে পারছে না, দেশ বেকারে ভরে গেছে, পড়ালেখার মান নেই, পুলিশ-কোর্ট-কাছারি সব দুর্নীতিতে ভরে গেছে, যাদের আছে তারাই দেশের সবকিছু দখল করে নিচ্ছে, বাকীরা বউ ফেলে বিদেশে চাকুরী করছে, মেয়েরা পরিবারের ভাত কাপড় যোগাড় করতে আরব যাচ্ছে; কিন্তু এই ধরণের শিক্ষিতরাই শেখ সাহেবের "বাকশাল"এর বিপক্ষে চিৎকার দিয়েছিলো, এরাই শেখ সাহবের মৃত্যুর পর মিষ্টি বিতরণ করেছিলো।

ক্যাপিটেলিজমের ডেফিনেশন হচ্ছে: ইহা এক ধরণের অর্থনীতি ও ফাইন্যান্স, যেখানে একজন নাগরিক নিজ চেষ্টায় সীমাহীন সম্পদের মালিক হতে পারে; দেশের উৎপাদন ব্যবস্হা প্রাইভেট মালিকানাধীন; উৎপাদনের মুলশক্তি, ক্যাপিটেল; এবং ক্যাপিটেলের মালিকেরাই চাকুরীর মালিক; শিক্ষা ব্যবস্হা থেকে শুরু করে স্বাস্হ্য সেবাসহ সবকিছু প্রাইভেট মালিকানাধীন। প্রাইভেট মালিকেরা যদি সম্পদ, উৎপাদন ব্যবস্হা, শিক্ষা ও চিকিৎসার মালিক হয়, দেশ চালনায় কারা থাকার কথা, গার্মেন্টস'এর লোকজনের প্রতিনিধিরা, নাকি ধনীদের পরিবারের লোকেরা? ক্যাপিটেলিজমের দেশগুলো আপনারা চেনেন। বর্তমান ক্যাপিটেলিজমের একটা ভয়ংকর দিক হলো, একটা সময়ের পর, সেখানে রিশেসন শুরু হয়; রিশেসন চাকুরীজীবি মানুষকে সারাক্ষণ ভয়ের মাঝে রাখে, জীবনটা খুবই ভীতিকর হয়ে উঠে।

সোস্যালিজমের ডেফিনেশন হচ্ছে: ইহা এক ধরণের অর্থনীতি ও ফাইন্যান্স, যেখানে কোন একজন নাগরিক নিজ চেষ্টায় সীমাহীন সম্পদের মালিক হতে পারবে না; কারণ, এই প্রচেষ্টা চালানোর সময়, অন্যদের নাগরিক অধিকার খর্ব করা হয়। দেশের উৎপাদন ব্যবস্হা সামাজিক মালিকানাধীন; অর্থাৎ, উৎপাদনের মুলশক্তি, ক্যাপিটেল'এর মালিকানা সমাজের হাতে; শিক্ষা ব্যবস্হা থেকে শুরু করে স্বাস্হ্য সেবাসহ সব মানবিক অধিকার সমান। সামাজিক মালিকানায় দক্ষতা ও অবদান ছাড়া কেহ পারিবারিক অবস্হানের সুযোগে দেশ পরিচালনায় ঢুকে পড়তে পারবে না। এই সিষ্টেমে, সালমান রহমানরা সম্পদের মালিক, দেশ পরিচালনা, উপদেষ্টা, সবকিছু এক সাথে দখল করতে পারবে না।

মন্তব্য ৪৬ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৪৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:০১

হাবিব স্যার বলেছেন: বর্তমান সময়ে আমি সোস্যালিজমের পক্ষে থাকবো।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


সীমিত সম্পদ, কমদক্ষ জনতা, অর্ধশিক্ষিত মানুষকে টেনে তোলার জন্য বাংলাদেশে সোস্যালিজম অনুসরণ করা দরকার, মনে হয়!

আপনার সাম্প্রতিক গল্পের ২য় পর্বও পড়েছি; আপাতত: কমেন্ট করিনি

২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৫৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমার কাছেতো সোস্যালিজমকেই ভাল মনে হয়। সমস্যা হচ্ছে সোস্যালিসট নেতাদেরও অনেক ভণ্ডামির ইতিহাস আছে।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:



বাংলাদেশে কোন সোস্যালিষ্ট নেতা ছিলো না; মওলানা ভাসানী প্রাকৃতিকভাবে সোস্যালিষ্ট মনোভাবের নেতা ছিলেন; কিন্তু তিনি মানুষকে সোস্যালিজম বুঝাতে পারেননি, বা উনার জন্য অর্থনীতি ও ফাইন্যান্স নিশ্চয় সোজা ছিলো না।

৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:১৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: মেরিট ডিমেরিট দুটিরই আছে । তবে একটা ওয়েলফেয়ার স্টেটে সোশালিস্টিক বাজেট মন্দ নয় ।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


ক্যাপিটেলিজমে মেরিট হচ্ছে: ২০০৮ সালে আমেরিকা যখন ডুবে যাচ্ছিল রিশেসনে, প্রেসিডেন্ট ওবামা গোল্ডমেন সাকসকে ৪৫ বিলিয়ন, এআইজি ইনস্যুরেন্সকে ২০০ বিলিয়ন, ফোর্ডকে ৩০ বিলিয়ন, জিএমকে ৪০ বিলিয়ন দিয়েছিলো; এইভাবে ১ ট্রিলিয়ন দিয়েছে।

আর, ২৩ মিলিয়ন মানুষ যারা চাকুরী হারায়েছিলো, তাদেরকে গড়ে সপ্তাহে ২৫০ ডলার দিয়েছিলো। কিন্তু রিশেশন ঠেকায়েছিলো।
হিসেব করলে দেখা যাবে, ১ জন সাধারণ মানুষ ১ ডলার পেলে, ১ জন ধনী পেয়েছে ১০০০ ডলার।

৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০২

গড়ল বলেছেন: পৃথিবীর সমস্ত উন্নত দেশই উন্নত হয়েছে ব্যাক্তি উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের কল্যানে, সরকার শুধু সহযোগীতা করেছে মাত্র। এবং তারা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে মেধাবীদের আকর্ষণ করেছে তাদের দেশে অভিবাসনের জন্য শুদঃুমাত্র এই কারণেই যে মেধাবীরাই একসময় বড় বড় উদ্যোগ নিবে ও ব্যাবসা বাড়াবে। যার ফলশ্রুতিতে বিজ্ঞান ও গবেষণাও এগিয়ে গিয়েছে কারণ বিজ্ঞানীরাও নিজেদের উদ্ভাবন দিয়ে ব্যাবসা সম্প্রসারণ করেছে ও সফল ব্যাবসায়ীতে রুপান্তরিত হয়েছে।

অন্যদিকে সোস্যালিজম এই ব্যাক্তি উদ্যোগকেই নিরুৎসাহিত করে এবং তার ফলশ্রুতিতে ঐসব দেশগুলো একটা পর্যায় মুখ থুবরে পড়েছে বা সোস্যালিজম ত্যাগ করেছে।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:


রুশ বিপ্লবের পরে, ইউরোপ শিক্ষিত হয়ে উঠেছিলো, তারাই ক্যাপিটেলিজম গড়েছে, রাজতন্ত্রের ক্যাপিটেল দিয়ে।

বাংগালীরা তখন বইপত্র দেখেনি; বাংলাদেশে জেনারেল জিয়া ক্যাপিটেলিজম গড়েছে, কারা ভালো করেছে? চোর ডাকাতেরা; এদের মেধা দেখেন।

৫| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৩৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বেজলাইন হচ্ছে শর্তহীন দেশপ্রেম আর ডেডিকেটেড নেতা। এটা না থাকলে কোন ইজমেই কাজ হবে না। আর এটা থাকলে যে কোনটাই ভালো। উদাহরন সারা বিশ্বেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

তবে এটা বিশাল আলোচনার ব্যাপার। এককথায় বলা একটু মুশকিলই বটে! :)

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার নিক থেকে ভুয়া শব্দটা বাদ দিয়ে দেখেন, তখন অর্থনীতি মাথায় ঢুকতে পারে। প্রতিদিন খাচ্ছেন দাচ্ছেন, ব্লগে লিখছেন, হাজার হাজার টোকাই কোথা থেকে আসছে, ৮০ লাখ মানুষ স্ত্রীকে দেশে রেখে বিদেশ ঘুমায়, কয়েক হাজার বাংগালী মেয়ে আরবদের ঘরে ঘুমায়, সেগুলো তো নিশ্চয় মাথায় ঢুকে না।

৬| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৫৬

নতুন বলেছেন: ভুয়া মফিজ বলেছেন: বেজলাইন হচ্ছে শর্তহীন দেশপ্রেম আর ডেডিকেটেড নেতা। এটা না থাকলে কোন ইজমেই কাজ হবে না। আর এটা থাকলে যে কোনটাই ভালো। উদাহরন সারা বিশ্বেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

ক্ষমতা মজার জিনিস... বত`মানে দেশের মানুষের নৈতিকতা নাই...তাই লংকায় গেলে সবাই রাবনই হয়ে যায়।

এখন একজন নেতা দরকার যে দেশে সবাইকে আইন মানতে বাধ্য করতে পারে.... যদি দূনিতি কমানো যায় তবে দেশের মানুষ ভালো থাকবে...দূনিতি কম থাকলে ক্যাপিটালিজমও ততবেশি ক্ষতি কর হয় না... তখন ব্যক্তি বা প্রতিস্ঠানের ক্ষমতা ততবেশি থাকেনা নিয়ন্ত্রনে থাকে। আর দুনিয়া যেহেতু ক্যাপিটালিজমে মজে আছে তাই আমাদেরও ঐটা ছাড়া পথ নাই... কিন্তু দেশপ্রেমহীন মানুষ ক্ষমতায় থাকলে কোন ইজমেই দেশের লাভ হয়বেনা।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



পশ্চিম যখন ক্যাপিটেলিজমে ছিলো, চীনাদের কেহ চিনতো না, চীনারা যখন সোস্যালিজমে গেছে, পশ্চিম তাদের চিনেছে, আপনারাও চিনছেন! নিজের টাকাট নিজে সেতু বানাতে পারেন না, এখন নেতার দরকার হচ্ছে?

৭| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:১৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বাকশাল দেরিতে (১৯৭৫এ) চালু করা হয়ে ছিল।
দরকার ছিল ৭২ সালেই বাকশাল চালু করা। এবং একটানা ১০ বছর চালানো।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


শেখ সাহেব স্মার্ট ছিলেন না।

৮| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৩৯

রাজীব নুর বলেছেন: মন দিয়ে পোষ্ট পড়লাম।
আপাতত মন্তব্য করছি না। পড়ে মন্তব্য করবো।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


Das Kapital পড়ার শুরু করেন, ৫ বছর পর মন্তব্য করতে পারবেন।

৯| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৬

নতুন বলেছেন: চীনের প্রসিডেন্টের হাতেই সব ক্ষমতা... তিনি আজীবন ক্ষমতায় থাকবেন... সব কিছুই সরকার নিয়ন্ত্রন করে... এটা একরকমের অত্যাচার জনগনের উপর। উন্নয়ন হচ্ছে কিন্তু জনগন সুখী না চীনের।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


চীনের কম্যুনিষ্ট পার্টি সোস্যালিজমকে বাদ দিয়ে গলাকাটা ক্যাপিটেলিজমে প্রবেশ করেছে ২০০০ সালের দিকে; এখন সেটার ফল ভোগ করছে।

এই চীনারা ১৯৫০ সাল অবধি, কলিকাতার রাস্তায় হকারী করতো, বাড়ীতে চাকর থাকতো; আজকে তারা পদ্মাসেতু বানাচ্ছে বাংগালীদের জন্য, হাইোয়ে বানাচ্ছে বাংলাদেশে।

১০| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:১৭

তারেক ফাহিম বলেছেন: সোস্যালিজমকেই ভাল মনে হয়

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



সোস্যালিজম যদি ভালো না হতো, চীনারা এখনো কলিকাতার রাস্তায় ঘুমাতো; বৃটিশ আমলে কলিকাতায় হোমলেস ছিলো চীনারা; আজকের বাংগালীদের মতো পরিবার ফেলে চলে যেতো, ২০ বছর পর দেশে ফিরতো।

১১| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৮

অন্তরা রহমান বলেছেন: নিঃসন্দেহে ক্যাপিটালিজম। সোশ্যালিজম একটা মৃত স্বপ্ন ছাড়া এখন আর কিছুই না। যেসকল দেশ এই তত্ত্বের বুলি কপচায় তারা নিজেরাই এর যথাযথ প্রয়োগ করছে না।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ ভোর ৬:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি হয়তো কোন ইজমই বুঝেন না; আপনার মতো মানুষ আছেন বলেই ফালুরা বিলিওনিয়ার হয়, লাখ লাখ বাচ্চা টোকাই হয়, এবং মেয়েরা সৌদীতে কাজ করতে যায়।

১২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

আখ্যাত বলেছেন:
ক্যাপিটেলিজম আর সোস্যালিজম সম্পর্কে ভাল একটা ধারণা পেলাম
আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ
একটি ব্যবস্থায় আমি সম্পদের সীমাহীন পাহাড় গড়ে তুলতে পারি
আরেক ব্যবস্থায় নিজের খুশি মত সম্পদ সঞ্চয়ের কোন স্বাধীনতাই আমি পাইনা
তৃতীয় আরেকটি তত্ত কল্পনা করা যায় কিনা
যেখানে সম্পদ সঞ্চয়ের স্বাধীনতা থাকবে, তবে সেই সঞ্চিত সম্পদে বঞ্চিত শ্রেণির অধিকার স্বীকৃত থাকবে
রাষ্ট্র নিজেই দায়িত্ব নিয়ে সম্পদের পাহাড় থেকে সুনির্ধারিত হারে সম্পদ সংগ্রহ করবে, তারপর যোগ্য প্রাপকের ঠিকানায় পৌঁছে দেবে

মন্তব্যে কোন নির্বুদ্ধিতার প্রমাণ লক্ষ্য করলে নিজ গুণে ক্ষমা করবেন।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ ভোর ৬:৫৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইহুদীদের মাঝে বিল গেইটস নেই; কিন্তু হোমলেস ও টোকাই নেই; ওদের মতো ভাবতে হবে।

১৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: Das Kapital পড়ার শুরু করেন, ৫ বছর পর মন্তব্য করতে পারবেন।

৫ বছরে আমার হবে না। আরও বেশী সময় লাগবে।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ ভোর ৬:৫৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি অনেক বই পড়েন, এটা পড়ার শুরু করেন।

১৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৫৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: চাঁদগাজী,



সুন্দর একটি বিষয়ের অবতারনা করেছেন।
ভুয়া মফিজ একদম ঠিকই বলেছেন যে, শর্তহীন দেশপ্রেম আর চুড়ান্ত ডেডিকেটেড নেতাই হলো কোন তত্ত্বটি কাজে লাগবে তার বেজলাইন । এটা না থাকলে কোন ইজমেই কাজ হবে না।
আর আমাদের দেশটা তো লিলিপুটিয়ান মগজ নিয়ে প্রশ্নফাঁস জেনারেশনের ডোডো পাখিতে ভরা! এদের দিয়ে যা হবে তা শুধুমাত্র - সেলফইজম বহাল রাখা। আমরা গলা টিপে ধরায় ধরাশায়ী ব্লগার, আমাদের কোনও মত বা ধারনাই কাজে আসবেনা তাই কিছু না বলাই ভালো.....................।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:



আমাদের মানুষেরা, যাঁরা পান্তাভাত খেয়ে মাঠে যেতেন, তাঁরাই যোদ্ধা হয়ে প্রাণ দিলেন, স্বাধীনতা আনলেন; তাঁদের সাথে ছিলেন ৬ কোটী মানুষ; এর থেকে বেশী দেশ-প্রেমিক কারা হতে পারেন? তারপরও তো কিছু ঘটলো না।

অর্থনীতির নিয়ম মেনেই শুধু জাতিকে সম্পদশালী করা যায়, অন্য কোন উপায় নেই।

১৫| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৫৯

নীলপরি বলেছেন: সোস্যালিজম ভালো হলেও এর ফলাফলের ধৈর্য্য কি সবার আছে ?

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


জিয়া পরিবার, ফালুর পরিবার, বসুন্ধরা পরিবার, কর্ণেল ফারুকদের পরিবারদের কোন ধৈর্য্য আছে বলে মনে হয় না; সব ধৈর্য্য দেয়া হয়েছে টোকাইদের, ও বস্তির মেয়েদের, যারা সৌদি গিয়ে ডলার পাঠায়; তাদের পাঠানো ডলারে মুহিত ও প্রেসিডেন্টদের চিকিৎসা চলে সিংগাপুরে।

১৬| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ ভোর ৫:৪৫

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: দুটোর কোনোটাই অনুসরণ করা হয় না বাংলাদেশের বাজেটে | আর জনগণ কোনটা চায় তাও পাত্তা পায় না যে দলই ক্ষমতায় আসে | বাংলাদেশের বাজেট হচ্ছে জগাখিচুরিজম !

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ ভোর ৬:৪৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



বাজেট হলো অর্থনীতির আর্ট, কিংবা চাকর ছেলের বাজারে যাবার সমান। সাইফুর রহমান, মুহিতেরা ছিলেন সরকার ও প্রশাসনের বাজার করার চাকর ছেলে।

১৭| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পুঁজিবাদের কেন্দ্রীয় বৈশিষ্টই হল পুঁজির সঞ্চয়ন, রাষ্ট্র এখানে জবরদস্তির হাতিয়ারগুলো ধরে রাখে।, ক্রমেই সে বাণিজ্যিক স্বার্থের খপ্পরে পড়ে, তার কার্যক্রম পুজিপতি সম্প্রদায়ের পক্ষ হতে সেবা কেনাবেচার দালালিতে গিয়ে ঠেকে। পুজিবাদী অর্থব্যবস্থায় উৎপাদন, বন্টন, ভোগ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ থাকে না, যদিও বা থাকে তবে তা পুজিবাদের বিকাশেই কাজ করে। পুজিবাদী ব্যবস্থায় আয় বন্টন কোন পর্যায়ে গিয়ে দা্ড়ায় তা এ পোষ্টের লেখাতেই বিবৃত ।পুজিবাদী ব্যবস্থায় সম্পদের মালিকানার ভিত্তিতে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্মবিত্ত ইত্যাদি অসম শ্রেণিবিভাগ সৃষ্টি হয়, পুজিবাদী মতাদর্শে পরিচালিত সরকারী জাতীয় বাজেট তাকে আরো বেগবান করে । এটি সর্বাত্মকভাবে সমাজতন্ত্রের বিপরীত একটি অর্থব্যবস্থা । তাই বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে পুজিবাদ কাম্য হতে পারেনা ।উল্লেখ্য সমাজবাদ বা Socialism এর বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে উৎপাদনের উপকরণের সামাজিক মালিকানা এবং সামগ্রিক অর্থনীতির একটি সমবায় ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা যার মধ্যে জাতীয় আয়ের সুসম বন্টনের নিয়ামক বিদ্যমান থাকে ।এই অর্থব্যবস্থায় জাতীয় আয় বন্টনের মূলনীতিই হল প্রত্যেকে তার নিজ নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করবে এবং কাজ অনুযায়ী পারিশ্রমিক পাবে। এভাবে আয় ও সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিতের মাধ্যমে সামাজিক ন্যয়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা যায়।এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দেশের উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থা দেশ বা সমাজের কল্যানের দিকে লক্ষ্য রেখে করা হয়। অর্থাৎ সামাজিক কল্যাণ সাধনই এই অর্থ ব্যবস্থার মুল উদ্দ্যেশ্য , ইত্যাকার বিবিধ কারণে আমি সমাজবা্দেই বিশ্বাসি যদিও সমাজবাদ আজকের যুগে বহুবিদ জটিল প্রশ্নের সন্মুখীন , তথাপি বলা যায় এটা এখনো মন্দের ভাল । ধন্যবাদ ভাল একটি প্রসঙ্গে আলোচনার সুত্রপাত করার জন্য ।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার ভাবনার মুল্য আছে। আপনি কেমন আছেন? ব্লগে লিখুন

সমাজতন্ত্র কমপক্ষে সবাইকে ন্যুনতম অধিকার দেবে: শিক্ষা, চাকুরী, চিকিৎসা ও থাকার ঘরের নিশ্চয়তা দেবে; জাতি হিসেবে, আমরা টোকাইদের কোন দায়িত্ব নিচ্ছি না; কার মেয়েটা সৌদী গেলো, তাতে শেখ হাসিনার চিন্তা নেই, এই ধরণের অর্থনীতি বাংগালীকে দাসে পরিণত করেছে।

১৮| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:১৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সোসা‌লিজম বা ক্যা‌পিটা‌লিজম যেটাই ব‌লি না কেন নি‌বে‌দিতপ্রাণ নেতা থাকাও জরু‌রি। কেবল ত‌ত্ত্বের ভেতর সীমাবদ্ধ থাক‌লে কোন নী‌তিরই প্র‌য়োগ হয় না। প্র‌য়োজন সামা‌জিক বিপ্লব, জাগরণ। সেটা তো হ‌বে না। মানু‌ষের জন্য শিক্ষা, চি‌কিৎসা, আহার, বাসস্থান, কর্মসংস্থান , বি‌নোদন কত কিছুর প্র‌য়োজন।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:১৭

চাঁদগাজী বলেছেন:

নিজস্ব অর্থনৈতিক তত্ব দিয়ে জাতিকে সুখী করার মতো জ্ঞানী ও দক্ষ নেতা আমাদের নেই; তাই তারা অন্যদের তত্ব অনুসরণ করছে; তবে, খারাপটা ব্যবহার করছে।

১৯| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:৪৯

নাসির ইয়ামান বলেছেন: ব্লগের ডিসক্রিপশন দেখেই বুঝা যায়,চাঁদগাজী সাহেবের জনসাধারণের উন্নতির বিষয়ে ভালোই চিন্তিত থাকতে হয়!

এটা মানবিকতার দৃষ্টান্ত!

প্রশাসনের সকল স্তরে জবাবদিহিতার পরিবেশ নিশ্চিত করণ ও দুর্নীতি প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থাগ্রহন করলে ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরী হবে।

সর্বোপরি ইসলামের বিধান বাস্তবায়ন করলে সামাজিক ভারসামিয রক্ষা হবে!

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


ধর্মীয় মানুষেরা জীবন নিয়ে ভাবেন না, উনারা মৃত্যুর পর বড় জীবনের অপেক্ষা করছেন, মৃতরাই উনাদের নেতা, ও মৃত্যুই উনাদের জীবনের শুরু; আজকে এসব ভাবনা মানুষকে হতাশ করছে।

২০| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:২১

পুলক ঢালী বলেছেন: আপনি খুব ভাল একটি বিষয়ের অবতারনা করেছেন, দুঃখের বিষয় এ বিষয়ে কিছু বলার মত কোন যোগ্যতাই আমার নেই। আপনার সংজ্ঞা, পাঠকদের মতামত বিশেষ করে ডাঃ এম এ আলী সাহেবের বিশ্লেষন মূলক মন্তব্য, ভুয়া মফিজ, পদাতিক চৌধুরী সুন্দর মন্তব্য থেকে যেটুকু জ্ঞান পেলাম তার ভিত্তিতেই এই মন্তব্য।
দেশপ্রেম এবং ন্যায়বোধ থাকলে যে কোন নেতাই মনে হয় সম্পদের শুষম বন্টন করে ন্যয় বিচার প্রতিষ্ঠা করে দেশের উন্নতি ঘটাতে পারেন। ক্যপিটালিজম ব্যাক্তি উদ্যোগে শিল্প স্থাপন করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে (এখানে শ্রমিক শোষনের প্রসঙ্গ আসতে পারে) এই পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহন তরান্বিত হয়।
সোশ্যালিজমে ব্যক্তির উদ্যম ও আগ্রহ এবং ক্রিয়েটিভিটির মূল্যায়নে ঘাটতি থাকে। আমাদের দেশে সরকারী টেলিটক,বিমান,বিআরটিসি সব অদক্ষতায় ভরপুর কারন চাকুরীর নিশ্চয়তা মানুষকে কর্মোদ্যমে নিরুৎসাহী করে । একজন মন্তব্য করেছেন উভয় ব্যবস্থায় মেরিট ডিমেরিটস আছে তাহলে উভয় ব্যবস্থার মেরিটস গুলো নিয়ে সোশিওক্যাপিটালিজম নামের কোন পদ্ধতি উদ্ভাবন করা যায় কিনা বিশেষজ্ঞরা ভেবে দেখতে পারেন। :)

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশের ব্যক্তিগত উদ্যোক্তারা শুরু করার মুলধন কোথায় পেলো? সালমান রহমান বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংকের সব টাকা দখল করে রেখেছিলো দেশের জন্মের পরপরই, বসুন্ধরা মানুষের জমি জোর করে কম দামে কিনেছে, আমাদের ৩ টি ব্যাংকের ২০ বিলিয়ন ডলার হারায়েছে, কারা এগুলো নিয়ে গেছে? বর্তমানে তাদর ভুমিকা কি?

২১| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:০৩

নাসির ইয়ামান বলেছেন: ধর্ম এজীবনকে উপেক্ষা করে না,বরং এজীবনটাই সুন্দর করে সাজিয়ে পরকালে উত্তম প্রতিদানের কথা বলে!

যারা ইহজগতকে বাদ দিয়ে পরকাল নিয়ে পড়ে থাকে,ওরা ধর্ম মানে না,অন্যকোন অসদুদ্দেশে এরকম করে!

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ ভোর ৫:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



ধর্ম বার বার এসেছে, মানুষ এক পর্যায়ে ধর্ম থেকে যখন উপকৃত হয়নি, তখন মানুষ ধর্মের থেকে উন্নত সমাধান খুঁজেছে।

২২| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:০৪

নাসির ইয়ামান বলেছেন: ধর্ম এজীবনকে উপেক্ষা করে না,বরং এজীবনটাই সুন্দর করে সাজিয়ে পরকালে উত্তম প্রতিদানের কথা বলে!

যারা ইহজগতকে বাদ দিয়ে পরকাল নিয়ে পড়ে থাকে,ওরা ধর্ম মানে না,অন্যকোন অসদুদ্দেশে এরকম করে!

২৩| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:০৪

নাসির ইয়ামান বলেছেন: ধর্ম এজীবনকে উপেক্ষা করে না,বরং এজীবনটাই সুন্দর করে সাজিয়ে পরকালে উত্তম প্রতিদানের কথা বলে!

যারা ইহজগতকে বাদ দিয়ে পরকাল নিয়ে পড়ে থাকে,ওরা ধর্ম মানে না,অন্যকোন অসদুদ্দেশে এরকম করে!

২৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:১৩

পুলক ঢালী বলেছেন: গাজীভাই আমার মনে হচ্ছে আপনি ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে প্রসঙ্গ হারিয়ে ফেলেছেন। যাদের প্রতি আপনার ক্ষোভ তাদের প্রতি আমারও ক্ষোভ আছে। এরা সিস্টেমের ডিমেরিটস এর ফসল। সিস্টেম ইম্প্লিমেন্ট এন্ড মনিটরিং এর ঘাটতির সুযোগ যে কেউ নিতে পারে এর জন্য আমরা তার নৈতিকতাকে দায়ী করতে পারি সিস্টেম পরিচালনা করার মত যোগ্য এবং ডেভোটেড নেতার অভাবে সব জগাখিচুরী পাকিয়ে আছে।
চীন ছিল কমিউনিষ্ট কান্ট্রি, চলতো কমান্ড টাইপ অর্থনৈতিক পদ্ধতিতে, সোভিয়েত ইউনিয়নও তাই ছিল। কিন্তু এই পদ্ধতি মানুষের সব চাহিদা পূরন করতে পারতো না, ফলে' কোনো প্রডাক্ট প্রয়োজনের অতিরিক্ত সরবরাহ হত, আবার কোনো প্রডাক্টের বাজারে ঘাটতি থাকতো, ফলস্রুতিতে ভারসাম্যহীনতা কালোটাকার জন্ম দিতে শুরু করে। পরবর্তিতে তারা বিদেশী বিনিয়োগ আমদানী করে ক্যাপিটালিজমের সূত্রপাত ঘটায় কিন্তু সোস্যালিজমকেও ধরে রাখে এবং এক মিক্সড ইকোনমিক সিস্টেম প্রবর্তন করে যেটা হলো সোশিওক্যাপিটালিজম আমি না জেনেই এই কথা বলেছিলাম, কিন্তু এখন দেখছি আগে থেকেই এই পদ্ধতি চালু আছে ।
সুতরাং আপনার টপিক আমাদের বাজেটে ক্যাপিটেলিজম, নাকি সোস্যালিজম'এর তত্ব অনুসরণ করা দরকার? অনুসারে একটা সিস্টেমে কার্যকর হবেনা বরঞ্চ আপনার উল্লেখ করা দুটো সিস্টেমই একসাথে প্রয়োগ করতে হবে।

Most of the main economies in the world are now mixed economies, which operate under a mix of socialism and capitalism.

view this link

আপনার পোষ্টের কারনে আমাকে কিছু পড়াশুনা করতে হলো এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ। :D
ভাল থাকুন।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:১৪

চাঁদগাজী বলেছেন:

আপনার বলা "সোশিওক্যাপিটালিজম" এর মতো কিছু একটা ফ্রান্স, সুইডেন ও কানাডায় চালু হয়েছে, এটার পর্যায়ে যাওয়ার জন্য দক্ষ অর্থনীতিবিদদের দরকার।

সোভিয়েত ও চীন এক যায়গায় গিয়ে থেমে গেছে; আপনি যেই কারণ দেখায়েছেন, সেগুলো সঠিক; আমাদের অতটুকু হোক, সময় বদলাচ্ছে, আমরা হয় থেমে যাবো, কিংবা আরো পথ বের করবো; কিন্তু এখন যেভাবে আছি, এটা জাতির জন্য অপমান ছাড়া কিছুই নয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.