নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পদহীনদের জন্য শিক্ষাই সম্পদ

চাঁদগাজী

শিক্ষা, টেকনোলোজী, সামাজিক অর্থনীতি ও রাজনীতি জাতিকে এগিয়ে নেবে।

চাঁদগাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার আশপাশের মমতাময়ীরা

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৪২



আইএসসি ১ম পার্ট ফাইনাল শেষ করে, শহর থেকে বাড়ী এলাম সন্ধ্যার দিকে; ফেরার পথে খামারে থেমেছিলাম বুড়োমিয়াকে দেখতে। উনাকে জানালাম, কলেজ ১ মাসের ছুটি দিয়েছে; উনি কাপড় গোছাতে লেগে গেলেন, এখুনি নিজের পরিবারকে দেখতে যাবেন। বুড়োমিয়া চলে গেলেন; এখন থেকে আগামী ১ মাস খামারের সব দায়িত্ব আমার উপর; বৈশাখ মাস, খামারের রজনীগুলো ভয়ানক সুন্দর: তিনদিকে মাঠ, বাতাস বইছে, গভীর রাতে শিয়ালের দল মাঠে শামুক খোঁজে, সোস্যালাইজিং করে; রাতের পাখীরা বের হয়।

পরদিন খুব ভোরে বাড়ী গিয়ে নাস্তা করে খামারে এসে গরু, ছাগলগুলোকে মাঠে ছেড়ে দিয়ে, পুকুর পাড়ে বসে নজর রাখলাম; ৩টা বলদ খুবই শক্তিশালী, মাঠের অন্য গরুগুলোকে আক্রমণ করে, এগুলোকে চোখে চোখে রাখতে হয়; যাক, আজকে মাঠের এইদিকে কারো গরু আসেনি, ঘাষও প্রচুর। বেলা ১১টার দিকে প্রচন্ড গরমের কারনে গরুগুলো নিজের থেকেই ঘরে ফিরলো, ভালো! আমি পানি খাওয়ায়ে, গামলায় ঘাস দিয়ে ঘরে ঢুকলাম; প্রচন্ড রোদ, অনেক গরম; দুপুরের খাবার খেতে যাবার দরকার; কিন্তু এই রোদে বের হতে ইচ্ছে হলো না। জানালর দিকে মাথা রেখে, চৌকিতে শুয়ে দৈনিক আজাদী পড়ছি; কখন চোখ লেগে এসেছিলো কে জানে! কার পায়ের শব্দে ঘুম ভেংগে গেলো! কে যেন জানালার এপাশ থেকে আস্তে ওপাশে চলে গেলো, পত্রিকার উপর ছায়ার মতো পড়লো!
-বাহিরে কে?
-আমি!
-ভেতরে আয় ছেমনা।

ছেমনা, আমাদের বাড়ীর উত্তর পাশের ২য় বাড়ীর বদি ভাইয়ের মেয়ে; বয়স ১২/১৩ হবে, বয়সের তুলনায় একটু লম্বা গঠনের, বাবাও লম্বাটে; মায়ের মতো সুন্দরী; আমি স্কুলে থাকতে খামারে আমার জন্য খাবার আনতো সব সময়; কাজটা সে নিজের থেকেই নিয়েছিলো; মাকে এটা সেটায় সাহায্য করতো, আর আমার জন্য খাবার আনতো। গত ১ বছর আমি কলেজে, বাড়ী এলে ব্যস্ত, খামারে গেলেও ছেমনার সাথে আমার সময়ে মিলে না।

-কিরে ছেমনা, কেমন আছিস, অনেকদিন তোকে দেখি না!
-এখন বের হই না; মা বলেছে, আমি বড় হয়ে গেছি!
-তাই? তুই অবশ্য অনেক লম্বা হয়ে গেছিস!
-আর কিছু না?
-তোকে অনেক সুন্দর লাগছে!

-মাঠ থেকে ছাগল নিতে এসেছিলাম, দেখি তুমি খামারে। তোমাকে দেখতে এলাম; তুমি খেয়েছ?
-না, এই গরমে যেতে চাচ্ছি না।
-বরাবরের মতোই অলস তুমি; আমি নিয়ে আসবো!
-এখন থাক, এই রোদে খাবার আনার দরকার নেই, তুই অসুস্হ হয়ে যাবি।
-আসার সময় দেখলাম, পুকুরের উত্তর পাড়ে ২ গাছে কলা পেকে আছে, পাখী অনেকগুলো খেয়ে ফেলেছে। দা আছে ঘরে?
-বুড়োমিয়ার ঘরে দেখ।

ছেমনা হাতে দা নিয়ে কলা কেটে আনতে চলে গেলো; পুকুরের উত্তর পাড়টায় দুনিয়ার সাপের বাসা। আমি দৌড় দিয়ে বের হলাম; সে প্রায় উত্তর পাড়ের কাছে; আমি চীৎকার দিয়ে বললাম,
-ছেমনা থাম, আমি আসছি; ওখানে অনেক সাপ।

আমি লাঠি হাতে প্রথমে পাড়ে উঠলাম; কলা অনেক আগেই পেকেছে, বুড়োমিয়া টের পায়নি; ২ জনে মিলে ২ ছড়া কলা ঘরে আনলাম।
দু'জনে বসে খাচ্ছি; আমি ২/৩টা খাাওয়ার সময়, ছেমনা ৪/৫টা খেয়ে ফেললো।
-কিরে, তুই এত কলা কিভাবে খাচ্ছিস? পেটে ব্যথা করবে।
-আমি সকাল থেকে কিছু খাইনি; আসলে, কাল রাতেও খাইনি।
-ঘরে কিছু নেই?
-না, আব্বার অসুখ আজ ৪/৫ দিন, কাজকর্ম নেই।
-আমাদের ঘরে যাস নাই কেন?
-এখন শরম লাগে, বড় হয়ে গেছি।
-তুই আবার কিসের বড় হলি! ছাতা নিয়ে যা, খাবার নিয়ে আয়; মাকে বলিস মেহমান আছে ১ জন।

ছেমনা ২ জনের খাবার এনেছে; আমার ক্ষুধা নেই, কলা খেয়ে ক্ষুধা চলে গেছে। ছেমনা বললো,
-তোমার মেহমান কই?
-মেহমান তুই!
ছেমনা অদ্ভুত করে হাসলো।
-তুই খেয়ে নেয়, বাকীটুকু তোর বাবার জন্য নিয়ে যা; কলা খেয়ে আমার পেট ভরে গেছে, কলাও নিয়ে যা।
-আমিও খেতে পারবো না; কলা বেশী খাওয়াতে পেট ভারী লাগছে; সবটুকু নিয়ে যাই, আব্বা ও আম্মা খাবে।
-বেলা ডুবার আগে আমার জন্য রাতের খাবার নিয়ে আসিস; মাকে বলিস, মেহমান থাকবে একজন।


-

মন্তব্য ৫০ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (৫০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৩৪

জুন বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর এক বাস্তব কাহিনী। ছেমনার প্রতি আপনার নিঃস্বার্থ মায়া পড়ে মনটা আদ্র হয়ে উঠলো চাঁদগাজী। কত ঘরে ঘরে এমন উপোস করা মানুষের খবর আমরা কজনাই বা রাখি।
+

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:০৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলামাতা চিরদিনই দুগ্ধহীন ছিলেন; সন্তানেরা অপুষ্টিতে ভুগেছে চিরদিন।

২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫৬

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: আপনার এ কাহিনিগুলো মনকে আলোড়িত করে....
আশাকরি যাপিত জীবন নিয়ে আরো লিখবেন....

কিন্তু আপনার কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধ না দেখা প্রজন্মের জন্য লেখা চাই....

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:১৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লিখতে গিয়ে, শেষে মুক্তিযুদ্ধকে অপমাণিত করে ফেলার ভয় আছে মনে।

৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:০২

জাহিদ অনিক বলেছেন: বাহ ! আপনার আতিথেয়তার ধরণ দেখে আমি নিজেই মুগ্ধ হয়ে গেলাম।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


৬০ শতকের গ্রাম বাংলা, মানুষজন এর কাছাকাছিই ছিলেন।

৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:০৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনার কলেজ জীবনের এক নির্মল হৃদয়ের পরিচয় পেয়ে মুগ্ধ হলাম। ঠিকই তো মমতাময়ীদের তাৎক্ষণিকভাবে আমরা হয়তো চিনতে পারি না। কিন্তু পরে তাদের মমতাই আমাদেরকে বেঁধে রাখে জীবনভর।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:১৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমার ভুবন ভরে এরাই আছেন।

৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৪৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: শিয়ালের দলের সোস্যালাইজিং করার কথাটা শুনে খুব মজা পেলাম। :)
আপনার এ ধরণের লেখাগুলোকে সংরক্ষণ করুন। ৮০/১০০ পৃষ্ঠার মত হলে বই বের করে ফেলুন। এসব লেখা মানুষের মনে রেখাপাত করে। মানুষের কঠোর মনও এমন লেখা পড়ে মমতায় আর্দৃত হয়। মানুষ পরোপকার করতে উদ্বুদ্ধ হয়।
বড় হয়ে ওঠা ছেমনা যে আপনাকে নিরাপদ মনে করেছে, এটাও গল্পের একটা ভাল দিক। পেটে জ্বলন্ত ক্ষুধা নিয়েও সে বড় হয়ে ওঠার কারণে খাদ্যের জন্য অপরের (আপনার) বাড়ীতে যেতে পারেনি, শরম পেয়েছে। এ রকম একটা বয়স থেকেই বোধকরি নারীরা সর্বংসহা হয়ে ওঠার একটা শিক্ষা প্রাকৃ্তিকভাবেই লাভ করে।
গল্পের সমাপ্তিটা দারুণ টেনেছেন। এতে একজন দক্ষ গল্পকারের মুন্সিয়ানা প্রকাশ পেয়েছে।
চমৎকার এ ছোট গল্পে চতুর্থ প্লাস + দিয়ে গেলাম।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার চোখে অনেক বিষয় ধরা পড়ে সব সময়। ধন্যবাদ, এগুলো হয়তো অনেকের জীবনের সাথে মিল খুঁজে পেতে পারে!

৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: গল্পের শিরোনামঃ "আমার আশপাশের মমতাময়ীরা"। আশাকরি, এটা সিরিজ আকারে চলতে থাকবে এবং আপনার লেখার মাধ্যমে আমরা আরো কয়েকজন মমতাময়ীর পরিচয় পাবো।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমার শৈশব ও যৌবনের শুরুটা ছিল মমতাময়ীদের ভুবনে, সেটাই এখন স্বর্ণযুগ হয়ে আছে।

৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:৫৪

পুলক ঢালী বলেছেন: দারুন সুন্দর একটা অভিজ্ঞতা নিয়ে আপনার মমতাপুর্ণ মন আর মমতাময়ী এক শিশুর উপাখ্যান হাজির করলেন।
গরীবদের জীবন যে কত কষ্ট আর বেদনায় ভরা তা আপনি খুব কাছ থেকে অবলোকন করেছেন।
সোস্যালাইজিং হা হা হা কি কায়দা করে উপস্থাপন করলেন আপনাকে বাহবা দিতেই হয়। :D

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:২৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলায় কোন শব্দ মনে করতে পারিনি; আমাদের চারিপাশে ভালোবাসার আরো অনেক ভুবন আছে

৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৪০

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: লেখায় সংবেদনশীল মনের পরিচয় পাওয়া যায়।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


মানুষের জীবনের একটা সময় থাকে, তখন সবকিছুতেই মন আন্দোলিত হয়।

৯| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:১০

আহমেদ জী এস বলেছেন: চাঁদগাজী,




একাধারে ভালোবাসার, স্নেহের, মমতার, সহমর্মিতার ছবি দেখে কেঁপে উঠলাম, আদ্র হলো মনটাও! চোখের কোনে একটু জলও কি এসে গেলো?
শুধু একজন "মমতাময়ী"ই নয় দেখা মিললো একজন "মমতাবান" এরও।

হৃদয় ছুঁয়ে যায় এমন করে খুব সাবলীল ভাবে অবলীলায় লিখে গেছেন একসময়ের কথা। এখন সে দিন নেই , নেই সেই ভালোবাসার মনও। সবই যান্ত্রিক হয়ে গেছে।

খুব টাচি +++++++++++++++

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:


অনুভবতাই জীবনের পরিধিকে বিস্তৃত করে দেয়; অজানা মানুষের জন্য মানুষের মন ও দু'চোখ আদ্র হয়ে উঠে।

১০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৪২

হাবিব স্যার বলেছেন: অতিথি ও আতিথিয়তা উভয়ই মুগ্ধ করলো।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫২

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলার মানুষ, সুখে দু:খে-ভরা জীবন।

১১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: চাঁদগাজী ,




আপনি হয়তো দেখে থাকবেন, আমি ব্লগপোস্ট ডট কম এ আমার নিজস্ব একটি ঘর খুলেছি এখানে আহমেদ জী এস এর ব্লগ ..... “ অতল জলের আহ্বান ”
সেখানের দেয়ালে সামুব্লগের মানসম্মত লেখা ( সাহিত্যিক ও সামিজিক মূল্য সহ ) পোস্টগুলোকেও সময় করে টাঙিঙে দিতে চাই, এমন কথা বলেছি।
আপনার এই লেখাটিকেও সেখানে রাখতে চাই। অনুমতি প্রার্থনা করছি।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


একটা বড় পদক্ষেপ নিয়েছেন, ভালো হলো, পড়ার সুযোগ বাড়লো।
ওখানে প্র্রকাশ করুন, কেহ পড়তে চাইলে পড়ুক।

১২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
বেশ কাব্যিক ভাষায় লেখা গল্পটি পাঠে মুগ্ধ ।
এটি পাঠে আদি চর্যাপদের কথা মনে পড়ে যায়
যেখানে ৩৩ তম পদে দেখা যায় হয়েছে লেখা
“টালত মোর ঘর নাহি পরবেষী।
হাড়ীত ভাত নাঁহি নিতি আবেশী।

অর্থাৎ-
টিলার উপর ঘর আমার,
নেই কোনও প্রতিবেশী ।
হাঁড়িতেও নেই ভাত,
তবু নিত্য আসে অতিথি ।)
এ গল্পটিতেও কিছু দর্শনকথা অসামান্য
চিত্ররূপের মাধ্যমে উঠেছে ফুটে ।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি ব্লগে নিয়মিত হচ্ছেন, আনন্দের কথা। আপনি অনেক বাংলা জানেন।

১৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সময়কালটা কি ৭০ দশকের ? সেসময়ের খ্যাদ্যভাবের কথা শুনিয়াছি। এখন খাদ্যাভাব এতো প্রকট নহে।
কাহিনীতে অভাবের সাথে সাথে একটু কি প্রেমের আভাসও পাওয়া যাইতেছে ?
আপনার লেখার হাত ভালো আগেই বলিয়াছি। জীবিত অবস্থায় প্রকাশ না করিতে পারেন অন্তত মুক্তিযুদ্ধের অপ্রকাশিত ইতিহাস লিখে যাইয়েন।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:১৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


৬০ দশকের শেষের দিনগুলোর কথা।

মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে মানুষের জানার আগ্রহ দেখলে লিখবো।

১৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:১৭

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: হৃদয় ছুঁয়ে গেল।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি হৃদয়বান মানুষ

১৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

ঢাকার লোক বলেছেন: খুব সুন্দর লিখেছেন ! সত্যি হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া লেখা !
ছেমনার কি আর কোনো ভালো নাম ছিল ? থাকলে না হয় তাই যদি ব্যবহার করতেন !

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


ছেমনা আফরোজ

১৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ক‌ঠোর বাস্তবতার সাবলীল প্রকাশ।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


বলতে পেরেছি

১৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: চমৎকার। গল্পে মমতাময়ীর চেয়ে আপনার মমতা ফুটে উঠেছে বেশি।
১ নং প্রতিমন্তব্য ও ৫ নং মন্তব্য বেশ ভাল লাগলো।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:০০

চাঁদগাজী বলেছেন:


১নং ও ৫ নং মন্তব্যকারীরা জীবনকে অনুভব করেছেন অভিজ্ঞতার আলোকে।

১৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: চাঁদগাজী,



পড়ার সুযোগ বাড়লো হয়তো!
আপনার এই লেখাটি সেখানে ইতিমধ্যেই লটকে দিয়েছি আপনার নাম সহ।
দেখলে মনে হয় খারাপ লাগবেনা।
অনুমতির জন্যে ধন্যবাদ। এই অনুমতি যতোদিন বেঁচে থেকে ব্লগপোস্ট ডট কম এ লেখা প্রকাশ করবো ততোদিনের জন্যে।
শুভেচ্ছান্তে।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার সাইটে পড়তে যাবো; আশাকরি, সময়ের সাথে সাইটটি পাঠকদের কাছে পরিচিতি পাবে।

১৯| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি একজন হৃদয়বান মানুষ।
আমি খুব আবেগপ্রবন মানুষ।
পোষ্ট পড়ে আরও আবেগী হয়ে উঠলাম।


ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার লেখায় বেগ আছে, মনে আবেগ আছে; সেইজন্য আপনার অনুসারী আছেন অনেকেই

২০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৫৭

বলেছেন: এজটি আলোকিত লেখা পড়লাম।

গ্রামীণ জনপদের সহজ সরল স্বভাবের মানুষগুলো এখন বড়ই আধুনিক হয়ে গেছে - লজ্জা শরম কি আর আছে!


০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


সময়ের সাথে সবই বদলে যাবে, আজকেও সবকিছু আছে, হয়তো কিছুটা বদলে গেছে।

২১| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৩৬

অন্তরা রহমান বলেছেন: সিনেমার একটা জন্রা আছে। ফিল গুড মুভি। আপনার এই লেখাটাও ঐ ধাঁচের। পড়া শেষে মনে ভীষণ ভালো লাগার অনুভূতি ভীড় করে। সুন্দর লিখেছেন।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:


ঘটনাটি লিখার পর থেকে আমার কাছে কেমন ভালো একটা অনুভবতা এসেছে!

২২| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:২৫

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আগেই বলেছি, আপনি রাজনীতি বিষয়ক ব্লগার না হয়ে প্রিন্ট মিডিয়াতে লিখলে প্রথম সারির কথা সাহিত্যিক হতে পারতেন...

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনারা রাজনীতি নিয়ে লিখেন, আমি ছুটি নিই।

২৩| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

নীলপরি বলেছেন: খুবই মানবিক লেখা । মন ভিজে গেলো ।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:


কবিদের মনটা অনেক বড়; সব ধরণের ঝড়, বাতাস, উত্তাপ সহজে অনুভুত হয়।

২৪| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩০

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনার সর্বশেষ পোষ্ট সরিয়ে নেয়ার কারন বুঝতে পারলাম না।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:১১

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমার ১ বন্ধু আছেন, ইহুদীরা মুসলমানদের চেয়ে ভালো, এ'কথা শুনলে উনি হতাশ হয়ে যান; উনার সাথে তাস খেলি, আড্ডা দিই, উনার অনুরোধে সরাতে হলো।

২৫| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৪৯

আলাপচারী প্রহর বলেছেন: মনের ক্ষুধা মিটে না। অনেক ভালো লাগলো।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ ভোর ৫:৩২

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার ভালো লাগার কথা জেনে খুশী হলাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.