নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পদহীনদের জন্য শিক্ষাই সম্পদ

চাঁদগাজী

শিক্ষা, টেকনোলোজী, সামাজিক অর্থনীতি ও রাজনীতি জাতিকে এগিয়ে নেবে।

চাঁদগাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইরান এটম বোমা বানাতে গিয়ে, এটম বোমার শিকার হবে

১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:৩৫



প্রথমত: ইরানের এটম বোমার দরকার নেই; তারপর, তাদের হাতে এটম বোমা গেলে, সৌদী ও ইসরায়েলে এটম বোমা না ফেলা অবধি
অশান্তিতে ঘুমাতে পারবে না ইরানীরা। অবশ্য, তারা সৌদী কিংবা ইসরয়েলের উপর বোমা ফেলার জন্য প্রস্তুতি নেয়ার সময়, তাদের দেশে কয়েকটা বোমা ফেলবে ইসরায়েল ও আমেরিকা।

ইরানের মানুষের দীর্ঘ ইটিহাস আছে; তারা পারস্য সাম্রাজ্য স্হাপন করেছিলো মধ্য-এশিয়ায়; তাদের সাহিত্য, সংস্কৃতির ইতিহাসও লম্বা; ধর্মীয় দিক থেকে তারা এক সময় অগ্নি-উপাসক ছিলো; এখন শিয়া ধর্মাবলম্বী। প্রাচীন অগ্নি-উপাসক হিসেবে এখনো অগ্নিকে ভালোবাসে, এটম বোমা তৈরি করতে চায়; এটম বোমা অনেকেই তৈরি করেছে; ইসরায়েল এখনো কাউকে বলেনি যে, তারা এটম বোমা বানায়েছে; কিন্তু ইরান বোমা বানানোতে হাত দিয়ে, উৎসব করে বলেছিলো যে, বিশ্বম্যাপ থেকে ইসরায়েলকে মুছে দেয়া হবে; ফলাফল, এখন বানানোর অনুমতি পাচ্ছে না।

আমেরিকা ইরানকে বোমা বানাতে বাধা দিয়ে আসছে; তারা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ওবামার সাথে একটা চুক্তি করেছিলো যে, ২০২৬ সালের দিকে তারা নিজেদের নিরপত্তার জন্য ২টি এটম বোমা বানাবে। এই চুক্তিটি মৌখিকভাবে নাকচ করে দিয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প; ট্রাম্প বলছে, ইরানীদের হাতে বোমা থাকতে পারবে না; বোমা ধারণ করার মত মানসিকতা তাদের নেই।

ইরান তেল ও উন্নত মানের জীবনের জন্য বিশ্বে সব সময় সুপরিচিত ছিল; সেখানে, অনেক কবি, লেখক, দার্শনিকের জন্ম হয়েছিলো; কিন্তু টাকা থাকলে ইরানে রাজতন্ত্রের কারণে আনুপাতিক হারে মানুষের জীবনের মান বাড়ছিলো না; তারা রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায় বিপ্লবের মাধ্যমে। সাধারণ মানুষের বিপ্লব হঠাৎ করে ইসলামী বিপ্লবে পরিণত হয়; মানুষ গণতন্ত্র দেখেনি আজো; দেশের সরকারের উপর আরেকটা সরকার আছে, উহা ইসলামিক বিপ্লবীদের সরকার; দেশের সৈন্য বাহিনীর উপর আরেকটি সেনা বাহিনী আছে, উহা ইসলামিক বিপ্লবী বাহিনী। আজকেও, অবস্হা আগের মতো, তাদের টাকায়, তাদের থেকে ভালো থাকে লেবাননের সন্ত্রাসীরা।

ইরানের সাথে সৌদীর সীমান্ত বা তেল নিয়ে সমস্যা নেই, আছে আধিপত্য নিয়ে সমস্যা; ইরানীরা শিয়া, সৌদীরা ওয়াহাবী; এই ২ জাতি আরবদের ২ ভাগে বিভক্ত করে রেখেছে, আরবে মানুষ মরছে মাছির মতো এই ২ দেশের কারণে; আরবের বাহিরেও তারা নিজেদের বলয় প্রসারিত করেছে। লেবানন, ইয়েমেন, সিরিয়া, ইরাকে তারা তাদের অনুগত সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলেছে। তাদের লম্বা হাত অবশ্য পাকিস্তান, বাংলাদেশে, ইন্দোনেশিয়া অবধি প্রলম্বিত। এই কারণে, আমেরিকা ও ইউরোপ মনে করে যে, এদের হাতে বোমা থাকা ঠিক হবে না।

ট্রাম্প মৌখিকভাবে চুক্তি বাতিল করার পর, ইরান নতুন করে বোমা বানানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছে, এবং জুন মাসে চুল্লীতে আগুন দেবে বলেছে। আমেরিকা বলছে, চুল্লীতে আগুন দিলে আগুন লাগবে ইরানে; আমেরিকা ইরান উপকুলে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।


মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:৫৪

আপেক্ষিক মানুষ বলেছেন: আমরা এটম বোমা চাই না। আমরা শান্তি চাই। আমরা চাই আমেরিকা, রাশিয়া, চিন, ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, ইরান সহ যাদের যাদের এটম বোমা আছে তারা সব নষ্ট করে ফেলুক। নাইলে এই পপৃথিবীতে শান্তি আসবে না।

হাত সবারই লম্বা সেটা ইরান হোক, সৌদি হোক, ইয়েমেন কিংবা আমেরিকা। আমি বলব আমেরিকার হতই সব থেকে বেশি লম্বা।

যখন যুদ্ধ লাগবে সবাই শক্তি প্রদর্শনে মরিয়া হয়ে উঠবে, একে অপরকে এটম বোমা নিক্ষেপ করবে, শান্তি নষ্ট হবে এই সুন্দর পৃথিবীতে।

আমাদের শান্তির জন্য উচিৎ বোমা বর্জন করা, সকল আগ্নেয়াস্ত্র বর্জন করা। কে সুন্নি, কে শিয়া, ইহুদি, খ্রিষ্টান দেখার থেকে সবাইকে মানুষ হিসেবে দেখাই ভাল।

১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


সোভিয়েতের পতনের পর থেকে, "আনবিক বোমা" বিরোধী আন্দোলন থেমে গেছে বিশ্বে।

২| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:৩৮

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: তেনা প্যাঁচানো কাহিনী।

১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


এগুলো বুঝার আগে সামান্য অংক, বিজ্ঞান, পলিটিক্যাল সায়েন্স, ইতিহাস, আন্তর্জাতিক বিষয়, অর্থনীতি, ন্যাটো, ইত্যাদির উপর সামান্য মগজ থাকতে হবে; না হয়, তেনা থাকবে মাথায়

৩| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:৫২

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ইরান নিউক্লিয়ার বোমা বানাতেও পারবে না, আমেরিকার সাথে লড়ে জিততেও পারবে না। গাদ্দাফি, সাদ্দাম এদের মতো মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর নেতারা হুমকি দিতে পটু, কিন্তু লড়াই করার সময় এরা হলো ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার। ফলে এরা নিজেরা তো মরেই, দেশের জনগণকেও মেরে রেখে যায়। সৌদি আরব আরও বেশি মূর্খ। ওয়াহাবি মতবাদ হলো হিংস্রতা, গোঁড়ামি ও নির্বোধদের মতবাদ।

১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



মনোভাবের দিক থেকে ইরান ও অন্য মুসলিম দেশগুলোর সরকারের সাথে আমেরিকার মিল বেশী; ইরানের ক্ষমতায় এখন সন্ত্রাসীরা।

৪| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:৫৮

উরনচণ্ডী বলেছেন: অলিখিত শর্ত সব্যসাচীর অনুমতি ছাড়া কেউ কোন বাজী ফুটাতে পারবে না।

সব্যসাচী আফগানিস্থান, ইরাক, সিরিয়ায় সুবিধায় নাই। সুন্দর সুন্দর অস্রে কি তাহলে জং ধরবে? ভেনিজুয়েলা/উ.কোরিয়া/ইরান/চীন নিয়ে কি করা যায়। কিউবা রাশিয়ার বাগরায় ভেনিজুয়েলায় ফ্রি কিক নেয়া কঠিন, বেয়ারা উ.কোরিয়া ঠুস ঠাস করে যাচ্ছে, চীনের হাতে সোয়া ট্রিলিয়নের ট্রেজারী বন্ড রইল বাকী ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের মাথা মোটাদের ঘাড়ে কাঠাল না ভাঙ্গলে ২০২০ সালে কাসিমপুরে যাওয়াও লাগতে পারে। গত রবিবার পার্শিয়ান গলফে ভিয়েতনাম নাটক হয়ে গেল। কিন্তু শিয়া- লেবাননে হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনে আনসার, ইরাকে পপুলেশন মবিলাইজেশন সব রসুনই এক। এবার খেলা হবে!!!

আমরা সাইড লাইনে মশার কামড় খাই।

১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইরানীরা পারসিক হয়ে থাকলেই চলতো, শিয়া হয়ে মগজ হারিয়ে ফেলেছে; হিজবুল্লার লোকেরা ইরানী নাগরিকের চেয়ে বেশী আয় করে।

৫| ১৫ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৫১

জুন বলেছেন: আমাদের দেশে অনেক সমস্যা আছে সেগুলা বাদ দিয়া আপনি কি সব ইরান মিরান নিয়া আছেন চাঁদগাজী :-*

১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



ব্লগারেরা যেন সমসাময়িক অবস্হা বুঝতে পারেন।

৬| ১৫ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: কি মন্তব্য করবো? এই বিষয়ে তো কিছুই জানি না।

১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


যুদ্ধ লেগে গেলে শুনবেন; তবে, ইরানী প্রেসিডেন্ট হয়তো পাগলামী ছেড়ে বাস্তবতায় ফিরবে।

৭| ১৫ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৫১

গড়ল বলেছেন: ইরান কি করতে পারে সেটা আমেরিকা ভাল করেই জানে, অতএব এটা একটা বাহানা মাত্র আরবে সৈন্য পাঠানোর। কারণ ইসরায়েল-ফিলিস্তিনী যে চুক্তি ট্রাম্প বানিয়েছে এবং গছাতে যাচ্ছে জোড় করে সেটা নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি যাতে না হয় সেটার জন্যই পাশবর্তী দেশগুলো, বিশেষ করে তুরস্ক, সিরিয়া, লেবানন ও জর্ডান কে আগাম হুমকি বার্তা দিল যে আমার ১২০,০০০ সৈন্য তৈরী আছে রউনা হওয়ার জন্য। ঐদেশগুলো যেন একটু সামলে চলে এটাই উদ্দেশ্য মনে হচ্ছে আমার কাছে।

১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:


বর্তমান সময়ে, আরবের এলাকায় ১২০ হাজার সৈন্য দীর্ঘদিন রাখতে গেলে আমেরিকা নিজে ক্লান্ত হয়ে যাবে। আমেরিকা কি করছে, সেটা সহজে বলে না, ইরান বা তুরস্ক কি করবে ভবিষ্যতে সেটা নিয়ে ঢোল বাজায়।

গাজা থেকে মানুষ পালিয়ে যাবে ক্রমে, ইসরায়েল "২ দেশ" চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাবে।

৮| ১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:২৬

সাহিনুর বলেছেন: হুম...গভীর বিষয় । পড়লাম এবং জানলাম কিছু তথ্য । ধন্যবাদ

১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইরানীরা বেকার থাকছে, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানে সুন্দর সুন্দর মসজিদ উঠছে।

৯| ১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৮

মোঃ ইকবাল ২৭ বলেছেন: সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর তাদের নিজেদের পারমানবিক বোমা নিয়ে তারা নিজেরাই বিপদে ছিল। পরে পরাশক্তি গুলোর সাহায্য নিতে হয়েছিল।সে সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের অর্থনৈতিক অবস্থা এতো বেশি খারাপ ছিল যে কিছু বিপদ জনক পারমানবিক চুল্লি ধংব্স করার পর্যাপ্ত অর্থ তাদের নিকট ছিল না।এর পর মিকাইল গর্ভাচেভের সরকার পতনের পর আস্তে আস্তে রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয়।সোভিয়েতের পতনের জন্য অনেকটা মিকাইল গর্ভাচেভ দায়ী, স্নায়ু যোদ্ধে আমেরিকার রিগানই জয়ী হল। যা আজ পর্যন্ত তাদেরই জয় জয়কার অব্যাহত আছে।

১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার ধারনা ভুল, সোভিয়েতের পতন চেয়েছিলো রাশিয়ানরা, তারা জমাকৃত সম্পদ দখল ও ভোগ করতে গিয়ে সোভিয়েত ভেংগে দিয়েছে। রিগ্যানের কোন হাত ছিলো না।

১০| ১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৫

পথিক প্রত্যয় বলেছেন: শিয়ারা ইসলামের নাম দিয়ে বিপ্লব করেছে এটা কোন ভাবে ইসলামি বিপ্লব নহে। সৌদি চাইবে না তার উপর মধ্যপ্রাচ্যে কেউ ছড়ি ঘুড়াক। ইরান কাতার এইসব দেশ ভবিষ্যতে সৌদি আগ্রাসনের কবলে পড়বে

১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:


সৌদীরা চাচ্ছে রাজতন্ত্র ধরে রাখতে; ইরান কি চাচ্ছে বলা মুশকিল, তবে তারা প্রতিটি শিয়া মুসলমানকে সন্ত্রাসীতে পরিণত করছে।

১১| ১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

মোঃ ইকবাল ২৭ বলেছেন: সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যে রাষ্ট্র গুলো তৈরি হয়েছে তা প্রায় মুসলিম রাষ্ট্র।সাথে সাথে সেখানে আস্থানা গেড়েছে লাদেন, মোল্লা ওমরের মতো ইসলামী উগ্রপন্থী দল গুলো, যাদেরকে সৃষ্টি করেছিল আমেরিকা। যদিও পরে এরা আমেরিকার শত্রুতে পরিণত হয়।তবে বর্তমানে আমেরিকার রাশিয়াকে ভাঙ্গা গড়ায় কোন ইনট্রেস্ট নেই। এখন আমেরিকার নজর মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় এলাকা গুলো গরম রাখা এবং তেল মজুদ করা।

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৫৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


তেল আমেরিকার চেয়ে চীন, ভারত, জাপান ও ইউরোপের বেশী দরকার। সোভিয়েত ভাংগার ফলে মুসলমানদের ক্ষতি হয়েছে।

১২| ১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৫৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: রেজা শাহ এর ইরান কি আজকের ইরান এর চেয়ে বেশি খারাপ ছিল? এখনকার ইরানের য কথাবার্তা থাকে গরম।

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইরানে রাজতন্ত্রের দিন এমনিতেই শেষ হয়ে এসেছিলো; তবে, ইরানে বুদ্ধিমান পারসিকেরা ক্ষমতায় যেতে পারেনি, দুষ্ট শিয়াশক্তি ক্ষমতা দখল করে সন্ত্রাসী জন্ম দিচ্ছে।

১৩| ১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:১৩

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: আমেরিকার আছে আর সেজন্য নাগাসাকি হিরোসীমাতে মেরে অগণিত মানুষ খুন করেছে।বাটপার আমেরিকা।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইতিহাসে তো নিশ্চয় মাষ্টার!
ইুরোপে ২য় বিশ্বযুদ্ধ কখন শেষ হয়েছে, আর জাপানে কখন শেষ হয়েছে, আপনার কোন ধারণা আছে? পার্ল-হারবারে এসে জাপানীরা আমেরিকান মেরেছিলো বিনা কারণে, শুনেছিলেন নাকি, নাকি অজানা বিজ্ঞানে ফাইনাল দিয়েই যাচ্ছেন?

১৪| ১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:০৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: সোভিয়েতের পতনের পর থেকে, "আনবিক বোমা" বিরোধী আন্দোলন থেমে গেছে এটা সত্যিই অবাক করা বিষয়।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


সত্তুর সালের দিকে সারাবিশ্ব উথাল পাথাল "আনবিক বোমা" বিরোধী আন্দোলনের সুচনা হয়েছিলো; সোভিয়েত শেষ, মানুষ ভুলে গেছে যে, বিশ্বে আনবিক বোমা আছে।

১৫| ১৬ ই মে, ২০১৯ ভোর ৬:০০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: পৃথিবীতে শাসকশ্রেণীর ভালো মানুষ নয়। ভালো মানুষ শাসন করলে পৃথিবীর অবস্থা বদলে যেতে পারত।

১৬ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইরানের ৪০% মানুষ ফানাটিক;ফলে, ওরা বিপদে পড়ার সম্ভাবনা আছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.