নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পদহীনদের জন্য শিক্ষাই সম্পদ

চাঁদগাজী

শিক্ষা, টেকনোলোজী, সামাজিক অর্থনীতি ও রাজনীতি জাতিকে এগিয়ে নেবে।

চাঁদগাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশে গ্রাজুয়েটদের মাঝে বেকার বেশী কেন?

০৯ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭



চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীতে কৃষি শ্রমিকের খুবই আভাব, অনেক জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে না; আমি চাকুরীর কারণে বিদেশে অবস্হান করার ফলে, দেশের অন্য এলাকা সম্পর্কে আমার ধারণা পরিস্কার নয়। দেশে গেলে, আমার সময় কেটে যায় নিজ গ্রামে; মিডিয়া থেকে "বেকারত্ব" ইত্যাদি সম্পর্কে তেমন সঠিক রিপোর্ট, বেকারত্বের হার, বেকারত্বের সঠিক কারণ, ইত্যাদি সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা পাওয়া মোটামুটি অসম্ভব। আমার কেমন ধারণা হয়ে গেছে, মিডিয়া ইত্যাদিতে প্রশ্নফাঁস জেনারেশন ঢুকে গেছে, এদের কথার কোন মুল্য নেই, এদের রিপোর্ট প্রতিবেদনের মাঝে কোন সঠিক বিশ্লেষণ, নিরীক্ষণ, মতামত, ডাটা, ফলোআপ, কিছুই নেই!

আমাদের গ্রাম ও আশপাশের গ্রামের নতুন গ্রাজুয়েটরা যারা বেকার আছে, তাদের সাথে আমার দেখা হয় না বললেই চলে; এরা প্রায়ই কোথায় কোথায় আড্ডা মেরা বেড়ায়, কোথায় থাকে পরিবারও জানে না। আমাদের এলাকার প্রচুর মানুষ আরব দেশসমুহে চাকুরী করে, এদের পরিবারের নতুন গ্রাজুয়েটরা পড়ালেখায় তেমন ভালো না, খুবই তরুণ বয়সে ধর্মকর্ম নিয়ে ব্যস্ত, বিদেশ থেকে আসা টাকা দিয়ে পরিবার চালনায় ব্যস্ত, চাকুরী পাবার জন্য তেমন প্রচেষ্টা চলায় না। আরব দেশে যারা শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে, বা ছোটখাট ব্যবসা করছে, তারা দেশে বেড়াতে এলে, তারা এমনভাবে চলে যে, তারা যেন ওখানকার ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে, ডিগ্রি নিয়ে এসেছেন; এদের পরিবারের ছেলেমেয়ারা সাধারণ মানুষ থেকে বেশী ধর্মীয় হয়ে যায়; ধর্মীয় হওয়া হয়তো খুবই ভালো, কিন্তু তরুণ ছেলেমেয়েরা যখন অধিক ধর্মীয় হয়ে যায়; আমার ধারণা, এদের সাধারণ জ্ঞান ও ধারণার বিকাশ অন্যদের চেয়ে অনেক কম।

ব্লগার জাহিদ অনিক এ বছর আমার এক পোষ্টে মন্তব্যে বলেছিলেন যে, দেশে কয়েক লাখ নতুন গ্রাজুয়েট বেকার আছে; উনি কি শহর ও গ্রাম মিলিয়ে বলেছেন, এবং উনার ধারণা কতটুকু সঠিক, কে জানে! সরকার শিক্ষিত বেকার আছে বলে কোথায়ও উল্লেখ করে না। সরকারীভাবে, দেশের বেকারত্বের হার প্রতি সপ্তাহে গণনা করা উচিত ও দেশের মিডিয়ায় প্রকাশ করা উচিত। সরকারের তরফ থেকে চাকুরী সৃষ্টি ও এমপ্লয়মেন্ট'এর উপর কাহারা কাজ করেন আমার জানা নেই; তবে, সরকারের এসব ডিপার্টমেন্ট আছে, মানুষ এসব অফিসে চাকুরী করে, বিদেশী সাহায্যে ভাগ বসায়।

আমার ধারণা, সাম্প্রতিক সময়ের নতুন গ্রাজুয়েটরা তাদের ডিগ্রি অনুসারে যতটুকু দক্ষ হওয়ার কথা, তার কাছে কিনারেও নেই! কোনকাজ সম্পর্কে নতুন গ্রাজুয়েটদের প্রেকটিক্যাল অভিজ্ঞতা না থাকতে পারে, কিন্তু আনুমানিক ধারণা ও সেই ব্যাপারে কমনসেন্স থাকার কথা; আমি যত নতুন বেকার গ্রাজুয়েট দেখেছি, এদের বেশীর ভাগই দেশ, জাতি, অর্থনীতি, সমাজ, ফাইন্যান্স সম্পর্কে মোটামুটি অজ্ঞ; কিন্তু লেখাপড়া যতটুকু করুক, যত অজ্ঞই হয়ে থাকুক, এদের খেয়ে পরে বেঁচে থাকতে হবে; এদেরকে চাকুরী দিতে হবে।

মন্তব্য ৪৬ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৪৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমাদের মানুষরা দেশে কাজ করতে চায় না।
মালয়েশিয়াতে এসে ঠিকই কামলা দেয়।
দেশে কাজ করতে শরম লাগে ।

০৯ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


দেশে প্ল্যান করে নতুন গ্রাজুয়েটদের জন্য চাকুরীর সৃষ্টির ব্যাপারে শেখ হাসিনা ও প্রেসিডেন্ট সাহেব ১ শব্দ কোনদিন বলেছেন বলে আমার মনে হয় না।

মালয়েশিয়ায় কি বাংগালী নতুন গ্রাজুয়েটরা চাকুরী করছে?

২| ০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৫

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

আপনি বলেছেন, ''সরকারের তরফ থেকে চাকুরী সৃষ্টি ও এমপ্লয়মেন্ট'এর উপর কাজ করে কারা আমার জানা নেই;''

SEIP – Skills for Employment Investment Program-টিতে এডিবি'র
ফান্ডিং-এ কয়েক লক্ষ শিক্ষিত বেকার জনবলকে তৈরী করা হচ্ছে নির্দিষ্ট কিছু চাকরী'র জন্যে। উদ্যোগটা প্রশংসার দাবীদার।

লিংকটি কাজ না করলে এখানে ক্লিক করতে পারেন- http://seip-fd.gov.bd/about-us-2/

০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


এগুলো সব সময় বিদেশী ফাণ্ড ডাকাতী করে, আজকাল এগুলো কি বদলেছে?

৩| ০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: সৌদিতে যারা যায় তাদের লেখাপড়ার দৌড় অল্প।
বাংলাদেশের সমস্ত মিডিয়া অদ্ভুত এক ইশারায় চলছে।
সমস্ত বাংলাদেশে বহু গ্রাজুয়েট আছে, তারা কিভাবে গ্রাজুয়েট হলো তাই আমি ভাবি!!!!???


সব মিলিয়ে দেশের মানুষ ভালো নেই। তবে অল্প কিছু মানুষ খুব ভালো আছে।

০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:১৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


এখন বাংলাদেশে পড়ালেখা না করে পাশ করা সম্ভব; পড়ালেখা না করে যারা পাশ করে, তারা যে শুধু যে অদক্ষ তা নয়, এরা মানসিক দিক থেকে পংগু ও অসৎ

৪| ০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:২৩

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
লেখক বলেছেন: এগুলো সব সময় বিদেশী ফাণ্ড ডাকাতী করে, আজকাল এগুলো কি বদলেছে?

এখন পর্যন্ত সেই রকম কিছু চোখে পড়ছে না। তবে, যারা ট্রেইনার, তাঁদের বেতন ভাতা অপর্যাপ্ত। থার্ড পার্টি সোর্সাররা বেতনের বৃহদাংশ নিয়ে নেয়।

কিন্তু, যারা ট্রেইনিং নিচ্ছেন, তাঁদের ৬০%-কে চাকরী দেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে থার্ড পার্টি ট্রেইনিং প্রভাইডারদের। তাই, বেকারের সংখ্যা যে কমবে তা বলাই বাহুল্য।

০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনার কথা বিশ্বাস করছি, ভালো বলে মনে হচ্ছে! তবে, জার্মনী ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বাংলাদেশকে বেকারদের ট্রেনিং দেয়ার জন্য বিপুল পরিমাণে টাকা দিয়ে আসছে সব সময়।

৫| ০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৪১

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: দেশের মূলধারার সংবাদ মাধ্যমে অনেক সংবাদ আসে না এবং অনেক সংবাদ ভুলভাবে প্রকাশ করা হয়। এক্ষেত্রে ব্লগ ভালো ভূমিকা রাখলেও তার উপরেও আজ খড়গ নেমে এসেছে।

দেশের গ্রাজুয়েটদের অবস্থা বড়ই করুণ। শিক্ষিত বেকারদের নিয়ে কোনো শুমারী হয় কিনা আমার জানা নেই। তবে অধিকাংশ গ্রাজুয়েট ইংরেজিতে দূর্বল বলে শুনেছি।

আর শিক্ষা ব্যবস্থার ছাল-বাকল তো র্যাংকিংয়ে প্রকাশ পেয়েছে। আর বিসিএস তো কি তা জানেনই। উগান্ডার রাজধানীর নাম জেনে ব্যাটা আমার পুলিশের বড়কর্তা !!

০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগে লেখা পোষ্ট থেকেও নতুন গ্রাজুয়েটদের সম্পর্কে কিছু কিছু ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। দেশের সাংবাদিকতায় কিছু ছেলেমেয়ে ঢুকে গেছে, ১০০% ফাউল; ওরা দরকারী বিষয়ে প্রতিবেদন করতে অপারগ।

দেশের অর্থীতিবিদরা ও ইউনিভার্সিটির শিক্ষকেরা নতুন গ্রাজুয়েটদের বেকারত্ব নিয়ে সরব হয়নি কোনদিন; এরা ১০০% ইডিয়টস।

৬| ০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:০৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: বাংলাদেশে গ্রাজুয়েটরা নিজেদের কুলীন ভাবে। অথচ করতে চায় চাকুরি,হতে চায় চাকর। নিজে কিছু করে খাওয়ার দক্ষতা এদের নেই।
এদেশে আন্তর্জাতিক মানের গ্রাজুয়েটের সংখ্যা ১৫% এর বেশি হবেনা।

০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:১৬

চাঁদগাজী বলেছেন:




শেখ হাসিনা ও আমাদের প্রেসিডেন্ট সাহেব পড়ালেখার কোন খোঁজ খবর রাখছেন বলে মনে হয় না; আমাদের প্রেসিডেন্ট সাহেব ৮৩টি ইউনিভার্সিটির চ্যানচেলর।

৭| ০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:২০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: অথচ তারা বেকার। :(

না হচে্ছ জ্ঞানার্জন না পাচেছ চাকুরি।

০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:


প্রশাসনের বড় পদের লোকেরা, অর্থনীতিবিদগণ, সাংসদগণ, প্রেসিডেন্ট, ইউনিভার্সিটির শিক্ষকেরা এই ব্যাপারে কোনদিন কিছু বলছে না; এরা দুনিয়ার অথর্ব লোকজন।

৮| ০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:০৮

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: বাংলাদেশে ওভারকোয়ালিফায়েডদের সংখ্যা অনেক বেশি - যদিও সেই ডিগ্রি বা যোগ্যতা বিশ্বয়ানের যুগে মোটেও মানসম্পন্ন নয় | এই গ্র্যাজুয়েটদের পড়াশোনার মানের পাশাপাশি মড়ার উপর খাড়ার ঘার মতো রয়েছে ইংরেজি ভাষায় অসম্ভব দুর্বলতা - এরা চালিয়ে নেয়ার মতোও কমিনিকেশন করতে পারে না | এই ধরণের নিম্ন দক্ষতা নিয়ে কি দেশ কি বিদেশ কোথাও সরল পথে যোগ্য চাকুরী পাওয়া বাংলাদেশী ডিগ্রিধারীদের পক্ষে অনেকটা দুঃসাধ্য |

১০ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


বিদেশী যেকোন ভাষা শিখতে অনেক পড়ালেখা, মনোযোগ ও সময় দিতে হয়; আজকের জেনারেশন কষ্ট করে কিছু করতে চাচ্ছে না, ফাঁকি দিচ্ছে; কিন্তু ভাষার বেলায় ফাঁকি দেয়া সম্ভব নয়, মুখ খুললেই ধরা পড়ে।

৯| ০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:১৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: বাংলাদেশে কমন সেন্স জিনিসটি খুবই আনকমন। প্রশ্নফাঁস জেনারেশন বলেন বা প্রশ্নব্যাংক জেনারেশন বলেন, এদের জেনারেল এ্যাওয়েরনেস বলতে কিছু নেই। শুধু চোখ কান খোলা রেখে চললেও যা কিছু জানা যায়, এরা তাও জানে না। তবে ব্যতিক্রম তো অবশ্যই আছে।

১০ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


কিশোর ও তরুণ বয়সে মানুষ খুবই সহজ থাকে, দয়ালু, ভাবপরায়ন হয়ে থাকেন; ছাত্র বয়সে মানুষ পরোপকার করা, অন্যকে ভালোবাসা, অন্যের দু:খে দু:খী হওয়ার মতোর গুণ অর্জন করেন; তবে, শিশুকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শেষ অবধি এরা পারিবারের ছায়াতলে থাকেন; এই সময়ে এরা উদার থাকেন, চাপমুক্ত থাকেন; জীবনের এই সময়ে এরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সমাজ, পরিবার, প্রকৃতি থেকে দীক্ষা লাভ করেন; সবকিছু মিলে এদের কমনসেন্স গড়ে উঠে; আমাদের ভয়ানক বিশৃংখল অবস্হা আমাদের তরুণদের কমনসেন্স গড়তে সাহায্য করছে না।

১০| ০৯ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৫১

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: হুম দেশটা যে কি হচ্ছে ওস্তাদ ভাবনার শেষ নেই । :(
তবে এই মুহুর্তে দেশে আপনাদের মত লোক বড় বেশি প্রয়োজন । দেশ আপনাদের পাশে পেলে
হয়ত আবার নতুন করে প্রাণ ফিরে পাবে ।

১০ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



মানুষ এখনো দেশ থেকে পালাচ্ছে; দেশে ফেরত গিয়ে জাতিকে সাহায্যের কথা বললে, অনেকেই বিশ্বাস করে না।

১১| ১০ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৭:৪২

ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: আপনার এই খাঁজ কাঁটা খাঁজ কাঁটা খাঁজ কাঁটা খাঁজ কাঁটা খাঁজ কাঁটা মার্কা বলদামী লেখা পড়তে মজাই লাগে! যে ভাবেই হোক সব কিছুর মধ্যে ধর্ম নিয়ে টান দেওয়ার চেষ্টাটা নেহাতই ছেলেমানুষী এবং বাচ্চামী হলেও এক সময় যে নাম কামাতে পারবেন সেটা আঁচ করা যায়!

১০ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


যারা ধর্ম বিষয়ক কাজে কর্মে যুক্ত থাকেন, তারা মানব সমাজের জন্য দরকারী কোন বড় কাজ করেন না; কারণ, তাদের ধারণা ও ভাবনাশক্তি মোটামুটি লজিকহীন

১০ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


এবার ধর্মীয় মনোভাবের লোকেরা, যারা মোদী ভোট দিয়েছেন, আপনি তাদেরকে বেশী সচেতন নাগরিক মনে করেন, নাকি ভোটে ধর্মের-প্রাধান্যকে অগ্রাহ্য করে, মোদীকে ভোট দেয়নি, তাদেরকে বেশী সচেতন নাগরিক মনে করেন?

১২| ১০ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:২১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
এসএসসি ও এইচএসসির পর টেকনিক্যাল শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। সবার বিএ এমএ হবার দরকার নেই।
কাজের জন্য পড়তে হবে।

সবাইকে কাজ করতে হবে। কাজের কোন বিকল্প নেই।

১০ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


শেখ হাসিনা আগে মুহিত সাহেবকে অর্থমন্ত্রী বানায়ে জাতির অর্থনীতিকে গলাকাটা ক্যাপিটেলিজমে পরিণত করেছিলো; এখন আরো কম দক্ষ একজনকে নিযুক্তি দিয়েছে, যে আগে বাজেটের টাকাটুকুও খরচ করার মত অবস্হানে ছিলো না; ফলে, দেশে চাকুরী সৃষ্টি হবে না, চাকুরী খুঁজতে হবে আরবে ও মালয়েশিয়ায়।

১৩| ১০ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:৩৬

বলেছেন: বেকারত্বের হার কত তা জানা জরুরি!!

১০ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:৩৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশ সরকারের কোন সংস্হা এটা প্রকাশ করে না; বেসরকারী সংস্হা, ইউনিভার্সিটিগুলো এই ধরণের কাজ করলেও চলতো; আমাকে এই দায়িত্ব নিতে হবে হয়তো।

১৪| ১০ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:০২

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম মন্তব্য গুলো পড়তে।
পড়লাম।

১০ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


ভালো, মন্তব্য থেকে ব্লগারদের সম্পর্কে ধারণা গড়ে উঠে।

১৫| ১০ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:০৩

হাসান রাজু বলেছেন: লেখাপড়ার অবস্থা এদেশে খুবই খারাপ। সরকারি প্রাইমারী স্কুলে এখন কেউ বাচ্চাদের পড়াতে পাঠায় না। এটা একেবারে দরিদ্র শ্রেণীর জন্য অলিখিত বরাদ্ধ। প্রাইভেট/কিন্ডারগার্টেন গুলো টাকার কাঙাল। সরকারি প্রাইমারী স্কুলগুলোও তাই। বিভিন্ন ছুতায় ১/২/৫/১০ টাকা চাঁদা তুলে খায় শিক্ষকরা । হাইস্কুল ও কলেজগুলোর শিক্ষকরা টিউশনি করে টাকা কামাইয়ে ব্যাস্ত, পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্র ফাসের ব্যাপারেতো জানেন ই। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলো মেধাবীদের টেনে নেয়। বাকি যারা থাকে তাদের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিবিএ এমবিএ ডিগ্রি ধরিয়ে দেয়। টাকা থাকলে কসাই এর লাইসেন্স পেতে বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলো সর্বদা প্রস্তুত। একেক বর্ষের সবচেয়ে মেধাবী পোলাপানগুলো সরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করেও বেকার কিংবা ক্যারিয়ার গড়তে ব্যর্থ, সেখানে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করে কিভাবে কি করবে? বুঝি না।

১০ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪২

চাঁদগাজী বলেছেন:


ডাক্তারদের ছে্লেমেয়েরা বেসরকারী মেডিক্যালে পড়ে, পরিচিতির কারণে এরা প্রাইভেট থেকে সরকারী হাসপাতালে ও ক্লিনিকে চাকুরী পাচ্ছে! এরা বিদেশে এসে বাংগালী ডাক্তারদের ক্লিনিকে এসিসটেন্ট হিসেবে যোগ দিতেছে; যাক, এরা বেকার থাকছে না।

১৬| ১০ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২০

গড়ল বলেছেন: লক্ষ লক্ষ নয়, বেকারের সংখ্যা কোটির কাছাকাছি হবে কারণ আমরা বাসার মেয়েদেরকে বেকার ধরি না।

১০ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমি গ্রাজুয়েটদের ব্যাপারে একটা অনুমান পেতে চাচ্ছি।

১৭| ১০ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৫১

খেয়া ঘাট বলেছেন: আপনি ঘন ঘন পোস্ট না করে সময় নিয়ে চিন্তাশীল পোস্ট দেন।
আপনার সুচিন্তিত চিন্তা লিপিবদ্ধ হওয়ার দরকার আছে।

১১ ই জুন, ২০১৯ রাত ১:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


ধন্যবাদ

১৮| ১১ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৫:৪৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
বেকার জীবনে আমি ঢাকার একটি নামকরা কোম্পানীতে ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলাম। সেই ইন্টারভিউতে সদস্যগণ আমাকে বার বার মনে করিয়ে দিচ্ছিলেন- তাদের চাকরি নাকি আমি করবো না!

অথচ তখন আমার একটি চাকরি দরকার ছিল। কেননা, আমার কোন আয়ের উৎস ছিল না। বেশীর ভাগ রাস্তাই আমি হেটে মেরে দিতাম। সেই সময় ১০ টি টাকা আমার কাছে মনে হতো ১০০০ টাকা।

ইন্টারভিউ এর শেষে আমাকে একটি টেলিফোন নম্বর সংবলিত কাগজ ধরিয়ে দিয়ে বললেন- সোমবার এই নম্বরে কল করে রেজাল্ট জেনে নিবেন।

যথারীতি সোমবার কার্ডফোন বুথে গিয়ে একটি কার্ড ভাড়া করে কল দিলাম। সুকন্ঠী এক নারী ওপাশ থেকে ধরলেন। আমাকে আমার রোল নম্বর আর নাম বললাম। তিনি একটু অপেক্ষা করতে বললেন। তার পর জানালেন সেই অসাধারণ রেজাল্ট।

আমি জীবনে মাত্র তিনটা ইন্টার ভিউতে চাকরি পেয়েছিলাম। বিখ্যাত সেই কোম্পানী আমাকে নেয়নি। কিন্তু আজো বুঝতে পারিনা তারা কেন আমাকে বার বার বলছিলেন যে, চাকরিটি নাকি আমি করবো না।

১১ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে ম্যানেজমেন্টে যারা চাকুরী করে, এরা এক সময়ে ইডিয়টে পরিণত হয়, অন্যকে মানুষ হিসেবে গণ্য করে না, অন্যের পরিবারকে যে খেয়ে পরে বাঁচতে হবে, সেটা তারা ভুলে যায়; যারা ইন্টার ইন্টার ভিউ নেয়, তারা মানুষের মাঝে পড়ে না।

১৯| ১১ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: গ্রামে গঞ্জে অনার্স মাস্টার্স সহজলভ্য করে দেয়াতে অনেকেই এই ডিগ্রীগুলো পাওয়ার পর কিছু কায়িক শ্রম করতে চাইছে না। যেমন - ড্রাইভার, কেয়ারটেকার, সিকিউরিটি, সেলসম্যান, কৃষিকাজ ইত্যাদি...

১১ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



সেটা একটা বড় সাময়িক সমস্যা; কিন্তু সরকার কি জানে, বছরে কতজন ছাত্র বিভিন্ন লেভেলে, বিভিন্ন সাবজেক্টে বের হয়ে আসছে? যদি জানে, সরকার কি পদক্ষপ নিচ্ছে?

২০| ১১ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: পরিসংখ্যান ব্যুরো'র এগুলো জানার কথা। আমাদের দেশে সরকারগুলো চাকুরি দেয়ার বা সৃষ্টি করার চাইতে রাস্তা, ব্রিজ সহ বিভিন্ন মেগা প্রজেক্টে বেশী আগ্রহ দেখায়। এসব উন্নয়ন সহজেই দৃশ্যমান বলে জনগণকে সহজেই ধোঁকা দেয়া যায়। বেকারত্ব দূর করার মত মেকানিজম নিয়ে কাউকে তেমন ভাবতে দেখা যায় না। সবচেয়ে বড় কথা এই লোভী প্রশাসন (যাদের বেশীরভাগ আপনার ভাষায় বিসিএস দেয় ঘুষখোর হওয়ার জন্য) দিয়ে এ দেশের তেমন কোন পরিবর্তন হবে না...

১১ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্যুরোক্রেটরা, সরকারের মন্ত্রি, এমপি ও প্রশাসনের উপরের লোকেরা দেশটাকে পুরোপুরি কলোনীর মতো ব্যবহার করছে।

২১| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:২২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: শ্রমশক্তি জরিপ ২০১৬-১৭ অনুযায়ী সারা দেশে ২৬ লাখ ৭৭ হাজার বেকার লোক আছেন। এই বেকারদের মধ্যে ১০ লাখ ৪৩ হাজার উচ্চমাধ্যমিক কিংবা স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করেও চাকরি পাচ্ছেন না। বেকারদের মধ্যে ৩৯ শতাংশই এমন শিক্ষিত বেকার। অন্যদিকে যাঁরা পড়াশোনা করতে পারেননি, মোট বেকারদের মধ্যে তাঁদের হার সবচেয়ে কম, মাত্র ১১ দশমিক ২ শতাংশ।

শ্রমশক্তি ২০১৬-১৭ জরিপে আরো বলা হয়েছে, উচ্চমাধ্যমিক পাসদের মধ্যে বেকারত্বের হার সবচেয়ে বেশি প্রায় ১৫ শতাংশ। উচ্চমাধ্যমিক পাস করে ৬ লাখ ৩৮ হাজার জন কোনো কাজ পাননি। তাঁরা আর পড়াশোনা করতে চান না, কাজ করতে চান। স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে ৪ লাখ ৫ হাজার লোক এখনো পছন্দ অনুযায়ী কাজ পাননি। স্নাতক ডিগ্রিধারীদের মধ্যে বেকারত্বের হার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, ১১ দশমিক ২ শতাংশ। অন্যদিকে পড়াশোনা করার সুযোগ পাননি, এমন মানুষের মধ্যে বেকারত্বের হার সবচেয়ে কম, মাত্র ৩ লাখ। বলেন এখন কোন দিকে যাবেন ।

এই বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের চীফ ইকনমিষ্ট ছড়া আকারে বলেন, ‘লোক বলে কাজ কই, আর কাজ বলে লোক কই’। তাঁর মতে, এ দেশে কাজের চাহিদা আছে, কিন্তু দক্ষ লোক নেই। একধরনের চাহিদা ও জোগানের ফারাক আছে।

শিক্ষিতরা যেনতেন কাজ করতে চান না। অনেক কাজে তাঁদের অনীহা আছে। তাঁদের শিক্ষা আছে, কিন্তু শিক্ষার মান খারাপ বা আশানুরুপ নয় , দক্ষতা খুব বেশি নেই। অনেকে চাকরির দরখাস্ত পর্যন্ত করতে পারেন না। চাকরিদাতা এমন লোকদের চাকরি দিয়ে বোঝা তৈরি করতে চান না। আবার একই চাকরিদাতারা বিদেশ থেকেও লোক এনে কাজ করাচ্ছেন। এর মানে, চাহিদা আছে কিন্তু দেশে দক্ষ লোকের অভাব আছে। তাই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে হলে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে।

একদিকে জনশক্তি রপ্তানি করছি, অন্যদিকে আমদানি করছি। আমাদের বেকার তরুণরা একটি চাকরির সন্ধানে হন্যে হয়ে ঘুরছে, বিদেশ যাওয়ার জন্য সর্বস্ব বিক্রি করছে, অন্যদিকে আমাদেরই প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশিদের নিয়োগ দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে চলে যাওয়ার রাস্তা করে দিচ্ছে। বিষযটির প্রতি সরকারের নজর দেয়া প্রয়োজন ।

ধন্যবাদ মুল্যবান পোষ্টটি দিয়ে আলোচনার সুযোগ দানের জন্য ।

১২ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৫:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:


বেকার ও দরিদ্রা আলাদা একটা বাংলাদেশে বাস করেন; ওখানে সরকার নেই, এরা নিজ দায়িত্বে বেঁচে থাকেন।

১২ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৫:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন:




বেকার ও দরিদ্ররা আলাদা একটা বাংলাদেশে বাস করেন; ওখানে সরকার নেই, এরা নিজ দায়িত্বে বেঁচে থাকেন।

২২| ১৪ ই জুন, ২০১৯ রাত ৩:৩৬

দেশী পোলা বলেছেন: এজন্যই বলছিলাম, দেশের মেয়েগুলোকে বিনা পয়সায় মাস্টার্স পড়ার সুযোগ করে দিন, ছেলেগুলা বিদেশে কামলা খাটুক - সমস্যা নেই

মাস্টার্স করা মেয়েগুলা যখন মা হবে, ওরাই নিজেদের পরের জেনারেশনকে পিটিয়ে পিটিয়ে সোজা করে নিজের পায়ে দাড় করিয়ে দেবে। শিক্ষিত মা বানান, জাতি শিক্ষিত হবে। অশিক্ষিত মায়ের ছেলেরা কখনই এপল মাইক্রোসফট বা টেসলাতে কাজ পাবে না।

১৪ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৪:৩৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


দেখা যাক, আমি ছোটখাট একটা পদক্ষেপ নিচ্ছি; জানাবো। কেমন আছেন? আপনি এখন কোথায়?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.