নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পদহীনদের জন্য শিক্ষাই সম্পদ

চাঁদগাজী

শিক্ষা, টেকনোলোজী, সামাজিক অর্থনীতি ও রাজনীতি জাতিকে এগিয়ে নেবে।

চাঁদগাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ফেইসবুক ফিল্ড মার্শালদের আরাকান বিজয়!

৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৫৮



রোহিংগাদের ফিরে যাওয়া নিয়ে আলোচনার সময়, অনেকেই কমেন্ট করেন যে, বাংলাদেশের উচিত, ১৯৭১ সালে বাংগালীরা যেভাবে যুদ্ধ করে দেশে স্বাধীন করেছিলেন, রোহিংগাদের সেই ধরণের ট্রেনিং ও অস্ত্র দিয়ে আরাকান পাঠাতে, ওরা বাংগালীদের মতো যুদ্ধ করে আরাকান মুক্ত করবে। যারা এসব বলে, তারা অবশ্যই গেরিলাযু্দ্ধ, মুক্তিযু্দ্ধ ইত্যাদি বিষয়ে কিছু জানেন বলে মনে হয় না; এসব ব্যাপারে তাদের সাধারণ জ্ঞানের ঘাটতি আছে, এবং অবশ্যই সামরিক ব্যাপারে তেমন সঠিক ধারণা নেই; এবং তারা হয়তো, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকেও সঠিকভাবে বুঝেতে ও অনুধাবন করতে পারেনি; এবং এরা হয়তো জানে না যে, ২০১৭ সালে ৮ লাখ রোহিংগা "আরসা" নামের অপদার্থ মগজহীন রোহিংগা অস্ত্রধারীদের কারণেই বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে এসেছে।

গেরিলাযুদ্ধের জন্য, যুদ্ধান্চলের শতকরা ৮০ ভাগের বেশী মানুষের সমর্থন থাকতে হয়: গেরিলারা যেন সাধারণ মানুষের সাথে মিশে থাকতে পারেন, শত্রুরা যাতে তাদের চিহ্নিত করতে না পারে, তাদের খাবার ও থাকার ব্যবস্হা সাধারণ মানুষের সহায়তায় হতে হবে, তারা অপরেশনের পর লুকিয়ে থাকার যায়গা থাকতে হবে, মানুষই তদের লুকিয়ে রাখবে, আহত হলে দেশের চিকিৎসকের কাছে নেবে ও নিরাপদ স্হানে সেবাযত্ন করবে; বাংলাদেশের বেলায় সেটা ঘটেছে। বাংলাদেশের গেরিলাদের মাঝে ইপিআর ও বেংগল রেজিমেন্টের নিয়মিত সৈনিকেরা ছিলেন কমান্ডে।

বাংলাদেশ হলো, ১ লাখ ৪৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা; এখানে যুদ্ধ চলাকালে, ১৯৭১ সালে , পুরো দেশে পাকী বাহিনীতে গড়ে ৯০ হাজারের কম সৈনিক ছিলো; কমপক্ষে ১০০/২০০ জন সৈন্য ব্যতিত তারা গ্রামে নামতে পারতো না; গ্রামে কেহই তাদের পক্ষে ছিলো না, যারা তাদের পক্ষে ছিলো, তাদের হাতে অস্ত্র ছিলো না; গ্রামের মানুষ পালিয়ে যেতো; পাকী সৈন্যরা এই পরিস্হিতির মাঝেও আক্রান্ত হয়েছে। পাকী বাহিনীর লোকেরা বেসামরিক পোাশাকে থাকলেও সহজে চিহ্নিত করা যেতো।

রাখাইন ৩৭ হাজার বর্গ কিলোমিটারের মতো যায়গা, সেখানে এখন রোহিংগা আছে ২ লাখের কম, রাখাইনরা আছে ২০ লাখের মতো; রোহিংগারা দেখতে রাখাইনদের চেয়ে আলাদা, দুর থেকেই চেনা যায়; গেরিলাদের উপস্হিতি টের পেলে, স্হানীয়রাই তাদের ঘেরাও করে হত্যা করবে; বার্মা মিলিটারী স্হানীয়দের অস্ত্র দিয়েছে অতীতে। স্হানীয়রা অবশ্যই সেখানে অবস্হিত ২ লাখ রোহিংগাদেরও হত্যা করবে ২/৩ সপ্তাহের মাঝেই। বার্মার মিলিটারী শক্ত ও বিশাল, প্রায় ৭ লাখের মতো জনবল, এবং ভয়ংকর জল্লাদ এরা; এরা প্রথমে হত্যা করে, পরে জানতে চাইবে ইহার কাছে কোন অস্ত্র ছিলো কিনা। ওরা ড্রোন ও হেলিকপ্টার থেকে আক্রমণ করে, রোহিংগাদের মশার মতো মেরে ফেলবে ২/১ সপ্তাহের মাঝে।

রাখাইনরা ও পুরো বার্মার লোকজন রোহিংগাদের চাহে না; মিলিটারী সেই সুযোগ নিয়েছে। ২০১৭ সালে, রোহিংগা হত্যা ও বিতাড়নে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা মিলিটারীর সাথে মিলে হত্যাকান্ড চালায়েছে; ফলে, রোহিংগা গেরিলাদের পক্ষে ওখানে টিকে থাকার কোন সম্ভাবনা মোটেই নেই।

২০১৭ সালে, রোহিংগা অস্ত্রধারীদের মাঝে মুলত: পাকী রোহিংগারা ও কিছু পাকী জংগী ছিলো; বাংলাদেশ থেকে অস্ত্র দিলে, ট্রেনিং দিলে, বার্মা জানতে পারবে কয়েক ঘন্টার মাঝে; এরপর, ওরা আর কোন আলোচনায় আসবে না; সম্ভব হলে, বাংলাদেশ আক্রমণ করবে।

মন্তব্য ৬৫ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৬৫) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:২৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: রোহিঙ্গারা মোটেই সাদাসিধে নিরপরাধ মানুষ নয়।

৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


ওদের দ্বারা গেরিলা যু্দ্ধ হবে না; যুদ্ধ করতে সাহস, ধৈয্য, বুদ্ধিমত্তা, বিশাল মন ও মানবতার দরকার হয়।

২| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৮

ডার্ক ম্যান বলেছেন: রোহিঙ্গারা শুধু সন্তান উৎপাদনে পারঙ্গম । আর আমাদের অনলাইন জেনারেলগুলো অনালাইনে বাকুম করতে পারঙ্গম

৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



অনলাইনের ফিল্ড মার্শালেরা মুখ খোলাতে দেশের অবস্হা বুঝতে সহজ হচ্ছে।

৩| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১৯

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন:

আপনি বলেছেন, ''২০১৭ সালে ৮ লাখ রোহিংগা "আরসা" নামের অপদার্থ মগজহীন রোহিংগা অস্ত্রধারীদের কারণেই বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে এসেছে।''

আপনি কি জেনে-বুঝে ভুল তথ্য সরবরাহ করছেন? রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে বিতাড়িত হচ্ছে প্রায় ২০ বছর ধরে। উখিয়াতে তাদের ক্যাম্প ২০১৭ সালের আগে থেকেই আছে।

তথ্য দেওয়ার আগে বুঝে-শুনে দেওয়া উচিৎ।

ব্লগে মিথ্যাচার বর্বর কাঠাল পাতা চিবুনেওয়ালারাই করে। আপনি কি তাদের একজন?

৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:




১৯৭৯ সালে ৩ লাখ রোহিংগা এসেছিলো বাংলাদেশে; তারা মোটামুটি চলে গিয়েছিলো; এরপর বড় আকারে ৩ লাখের বেশী এসেছিলো ১৯৯৩ সালে; সেখান থেকে সামান্য পরিমাণ যাওয়া আসায় ছিলো, ৩ লাখ রয়ে গেছে; এরপর, ১০/২০ হাজার করে আসছিলো, যাচ্ছিলো।

২০১৭ সালের আগষ্ট মাসে, আরসা আক্রমণ চালায় রাখাইন পুলিশের উপর: ১৪ জন পুলিশ নিহত হয়, ৭০ জন আরসা সদস্য নিহত হয়, ৮ লাখ রোহিংগা এসেছে বাংলাদেশে; ওকে, ফিল্ড মার্শাল সাহেব!

৪| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: এই কথা গুলো কে বলেছিল??
আপাতত আশ্রয় দিন, খাদ্য দিন, চিকিৎসার সুযোগ দিন- তাদেরকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিবেন না।
তাঁরা ছন্নছাড়া, পরিবারহীন। তাঁদের সংখ্যা এখন শতক থেকে কয়েক হাজারে পৌঁছেছে।
রোহিঙ্গা পরিচয়ে নয় তাঁরা মানুষ হিসেবে একটু আশ্রয় চায়, মানবতা চায়।

৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


অনেকের সাথে আমিও বলেছিলাম।

৫| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫১

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন:

আপনি বলেছেনঃ ১৯৭৯ সালে ৩ লাখ রোহিংগা এসেছিলো বাংলাদেশে; তারা মোটামুটি চলে গিয়েছিলো; এরপর বড় আকারে ৩ লাখের বেশী এসেছিলো ১৯৯৩ সালে; সেখান থেকে সামান্য পরিমাণ যাওয়া আসায় ছিলো, ৩ লাখ রয়ে গেছে; এরপর, ১০/২০ হাজার করে আসছিলো, যাচ্ছিলো।


এইতো এতোক্ষণে আসল তথ্য দিলেন।
তাহলে বুঝা যাচ্ছে, রোহিঙ্গারা অত্যাচারিত হচ্ছে অনেক আগে থেকেই। আরসা'র আক্রমন একটি উপলক্ষ মাত্র।

নাহ, আমি ফিল্ড মার্শাল নই। কিন্তু, কেউ ভুল তথ্য দিলে তার কানে ধরে মাপ চাওয়ানোতে আমার জুরী মেলা ভার। :)

৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি অবশ্যই ফিল্ড মার্শাল।

আপনি সমাজকে যা দিচ্ছেন, তার থেকে বেশী খাচ্ছেন।

৬| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:০২

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন:
আপনি বলেছেনঃ আপনি সমাজকে যা দিচ্ছেন, তার থেকে বেশী খাচ্ছেন।

যাদের খাওয়ার অধিকার নেই, তাদেরটা নিয়ে খেয়ে ফেললে দোষের কিছু নয়।

আপনি আমার সামনে খেলে, আপনারটা কেড়ে নিতাম, হয়তো।

৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:০৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



অন্ধকার কি একটা এনার্জি, নাকি এনার্জি নয়; সেটা নিয়ে আপনি দ্বন্দ্বে আছেন ২০১৯ সালে, আপনাকে নিয়ে দেশ সমস্যায় আছে।

৭| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:১৫

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন:

এই পোস্টে অন্য ব্লগারদের ভুল তত্থ্য দিয়েছেন। আরসা'র আক্রমণের জন্যে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসছে, এটা বলতে চেয়েছেন।

এসব আবোল-তাবোল বলার জন্যে অন্য ব্লগগুলোতে আপনি ধরা খেয়েছিলেন।

৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


২০১৭ সালে, পুলিশের উপর আরসা'র আক্রমণের কারণেই ৮ লাখ রোহিংগাকে প্রাণ নিয়ে বাংলাদেশে আসতে হয়েছে, এতে কোন ভুল তথ্য নেই; আপনি সবকিছুই কম বুঝেন।

৮| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৩২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan's Tuition) আপনি মাত্র ১৯৯০ সনের কথা জানেন না, তাহলে ১৯৭৯ কতোটা জানেন আর তা নিয়ে ব্লগে বাজে মন্তব্য করার মতো দুঃসাহস দেখাচ্ছেন আপনার কি এই শিক্ষা?

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৫৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


এঁদের আমি নাম দিয়েছি, ফেইসবুক ফিল্ড মার্শাল

৯| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:১৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: না, এরা হচ্ছে রোহিঙ্গাদের সহোদর। রোহিঙ্গা নিয়ে এদের অনেক মাষ্টার প্লান আছে যেমন ছিলো রাজাকার হারামখোর নিজামীর। বাংলাদেশে নিজামীর ফাঁসী হয়েছে এটা তার নুন্যতম সাজা ছিলো।

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


নিজামী বেগম জিয়াকে কাজে লাগায়ে, ১৯৯৩ সালে আসা রোহিংগাদের নামে ২/৪ বিলিয়ন দলার এনেছিলো; সেটা সে ইসলামী ব্যাংকে খাটায়েছিলো

১০| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:২১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ৫. ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫১ ০
শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan's Tuition) বলেছেন:
নাহ, আমি ফিল্ড মার্শাল নই। কিন্তু, কেউ ভুল তথ্য দিলে তার কানে ধরে মাপ চাওয়ানোতে আমার জুরী মেলা ভার। :)


শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan's Tuition) আপনি কতোটা অসুস্থ তা কি আপনি জানেন? নাকি আমাদের বলতে হবে আপনার অসুস্থতা কি পর্যায়ে আছে?

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:১১

চাঁদগাজী বলেছেন:



অনেক বিষয়ের উপরই শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan's Tuition)'এর সম্যক ধারণা নেই, মনে হয়।

১১| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:৪৬

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: রোহিঙ্গা'রা বার্মাতে সংখ্যালঘু। এটা অনেকেই বুঝতে চাইছেন না।

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


অনেকই বইতে লিখা বিষয় বুঝে না, নকল না করে ৩৩ নম্বর পায় না; ফলে, রোহিংগাদের কমপ্লেক্স সমস্যা কি করে বুঝবে?

১২| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:৫৭

সুপারডুপার বলেছেন: ছবি : শাইয়্যানের টিউশনের , "স্বস্তিকা প্রতীকঃ শুধু হিটলার নয়, পৃথিবী'র বিভিন্ন জাতি, ধর্ম ১২০০০ বছর ধরে ব্যবহার করে আসছে" পোষ্টে আমার করা মন্তব্য।
শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan's Tuition) কোন দেশের দিকে বায়াস , সবাইতো এমনি বুঝতে পারে। আর এইদিকে বায়াস লোকেরা কেমন হয় , সবাই তাও জানে। মাহমুদ ভাইয়ের সাথে সহমত: এরা হচ্ছে রোহিঙ্গাদের সহোদর। রোহিঙ্গা নিয়ে এদের অনেক মাষ্টার প্লান আছে যেমন ছিলো রাজাকার হারামখোর নিজামীর।

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:১৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



ব্লগার শাইয়্যানের টিউশন'এর পোষ্টগুলোতে আজগুবি ব্যাপার স্যাপার থাকে

১৩| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৩:২৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: চাঁদগাজী ভাই, রোহিঙ্গা নিজ দেশকে কখনো আপন দেশ হিসেবে নেয়নি, নিজের দেশে ফেরত যাওয়ার জন্য তাদের শতশত। অভিযোগ। তাদের শত শত বায়না পূরণ হলে তবেই তারা বার্মাতে প্রত্যাবর্তন করবে। বার্মা কি রোহিঙ্গাদের যৌতুক আদায়ের শশুর বাড়ী? রোহিঙ্গাদের বাধ্য করতে হবে যাতে বার্মীজদের পায়ে ধরে বার্মা ফেরত যায়। রোহিঙ্গা নিয়ে আমরা বার্মীজদের সাথে কোনো দন্দ্ব করবো না। বার্মা বাংলাদেশের - আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র।

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:


বার্মার সেনা বাহিনীর বিপক্ষে হাজারো অভিযোগ থাকার পরও তারা প্রায় ৬০ বছর দেশ চালাচ্ছে; তারা বিশ্বের কারো কথা শোনে না, আমেরিকাকে পাত্তা দেয় না; এরপর ওদের বর্তান বন্ধু/মালিক হচ্ছে চীন; ফলে, বাংলাদেশের কপাল পুড়েছে, ওরা ঘর পরিস্কার করে অপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ফেলেছে বাংলাদেশে।

১৪| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৪:১৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: রোহিঙ্গা'রা বার্মাতে সংখ্যালঘু। এটা অনেকেই বুঝতে চাইছেন না।

বাংলাদেশে কি সংখ্যালঘু আছে?
তাদের উপর কি নির্যাতন হচ্ছে?
বাংলাদেশে কি মৌলবাদী নেই?

জুনায়েদ বি রাহমান ভাই, একহাতে তালি বাজেনা। রোহিঙ্গাদের বার্মা অবস্থান বা তাদের গোড়াপত্তন কতো সন থেকে আর রোহিঙ্গা ভার্সেস বার্মীজ সমস্যা কতো সন থেকে?

উত্তরগুলো দিন তারপার শুরু হবে কথা।

১৫| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৬:২৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ফিল্ড মার্শাল একটি উপযুক্ত টাইটেল দিয়েছেন, তবে এ সমস্ত ফিল্ড মার্শালগন শুধুমাত্র ফেইজ বুকেই নয় এদের আনাগুনা আছে ছোট বড় , প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য সকল প্রকারের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এদের যত তারাতরি সনাক্ত করা যাবে ততই সঙ্গল , অন্যথায় সমুহ বিপদের সম্মুখীন হতে হবে সমগ্র জাতিকে । উইকিপিডিয়াতে দেখলাম লেখা আছে হাজার হাজার রোহিঙ্গা থাইল্যান্ডেও আশ্রয় গ্রহণ করেছিল তবে অভিযোগ রয়েছে থাইল্যান্ড থেকে রোহিঙ্গাদের পুনরায় নৌকায় করে খোলা সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ।অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে নীজেদের ইচ্ছায় কিংবা অন্য কারো ইন্ধনে রোহিঙ্গাদের অনৈতিক কিছু আচরনের কারণে থাইল্যান্ডের মত নৌকায় করে সাগরে ভাসিয়ে দেয়ার মত ইতিহাস না আবার সৃস্টি হয়।

মানুষের ধৈর্যের ও মানবতা প্রদর্শনের একটি সীমা আছে , কেও যদি নীজ হতেই তাদের উপর হতে মানবতার হাতটি সরিয়ে নেয়ার জন্য সজ্ঞানে আচরণ করে তাহলে কিই বা করার থাকে । শুধু দফা দিয়ে যদি রফা করা যেতো তাহলে তো কোন কথাই ছিল না , আমরাও মাত্র একটি দফা তুলতে পারি বলতে পারি, বাবা সোনারা তোমরা নীজ দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য নীজেদের মন মানসিকতা তৈরী কর ও সেখানে গিয়ে সকলের সাথে মিলে মিশে থাকার চেষ্টা করো, আমরা আছি তোমাদের পাশে । আগেতো যাও সেখানে তার পর দেখা যাবে । তোমাদের সাথে না হয় এনজিউ কর্মী হিসাবে হাজার হাজার ফিল্ড মার্শাল মানুষ যাবে তোমাদের দেখবাল করার জন্য , এনজিউ কর্মী হিসাবে যাবতীয় খরচাদি দেয়ার জন্য সারা দুনিয়ার মানবতাবাদী মানূষতো আছেনই পাশে থাকর জন্য । মায়ানমার তোমাদের জন্য ঘরাড়ী তুলে না দিলে ,আস্তা কুতুপালং কেম্প তুলে নিয়ে যাবে ফিল্ড মার্শালগন তোমাদের জন্য । হাজার হাজার আন্তর্জাতিক এনজিউ কর্মীর উপস্থিতিতে ময়ানমার তো পারবেনা তোমাদের উপর নির্যাতন করতে , তাই ভয় নাই , এক দফা দাবী তুলে ফিরে যাও তোমাদের নীজ দেশে । সর্বোপরি আল্লাহ আছেন অসহায়দের সাথে ।

আমরা মনে প্রাণে চাই রোহিঙ্গাগন তাদের নীজ ভুমিতে ফিরে গিয়ে যাবতীয় সকল প্রতিকুলতাকে নীজেদের আচরণ ও সৎৎগুণাবলি দিয়ে জয় করে একটি শান্তিপুর্ণ ও সূখী জীবন যাপন করুক । তারা যদি স্বইচ্ছায় সেখনে ফিরে যেতে চায় তবে তাদেরকে আমরা সর্বাত্বক সহযোগীতা করার জন্য যাপিয়ে পড়ব । আর যদি নীজ দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য তারা এমন কোন শর্ত জুরে দিতে চায় যার দায় ভার বাংলাদেশকেই বহন করতে হবে, তাহলে এহেন রোহিঙ্গাদের কারণে আমরা কোন প্রকারেই আমাদের প্রতিবেশী কিংবা উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে বিরাগভাজন কিংবা শত্রুতে পরিনত হওয়ার মত কোন কর্মসুচী নিতে পারিনা ।এদেশীয় রোহিঙ্গা ফিল্ড মার্শালগন যদি তারপরেও এদের প্রতি অবিবেচকের মত সোচ্চার থাকেন তবে মনে রাখতে হবে এটা ২০১৭ সাল নয় , এর মাঝে অনেক কিছুই ঘটে গেছে, মানুষের নাক, মুখ, চোখ, নাক কান খুলে গেছে, রোহিঙ্গাদেরকেও মানুষ আগের থেকে অনেক বেশী চিনেছে ও তাদের জন্য কাদের কান্না বেশী ও তা কি কারণে তাও মানুষ বিলক্ষন বুঝে গেছে।জাতি যদি এখনো এদের বিষয়ে সচেতন না হয় তাহলে কপালে আরো অনেক বেশী ভোগান্তি আছে , তারপরেও অবশ্য অনেকেই বিবিধ কারণে মনে প্রাণে চায় ভোগান্তির মাত্রাটা আরো বাড়ুক। তবে সকলে সচেতন হলে তাদের সে আশা মাঠে মারা যেতে পারে ।

দোয়া করি আল্লাহ রোহিঙ্গা জাতিগুষ্ঠিকে হেফাজত করুন ও তাদেরকে নিরাপদে, নির্বিগ্নে তাদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য গাইবী একটি ব্যবস্থা করে দিন । আমাদের সকল মুমিন মুসলমান ও ঈমানদার ভাইবোনেরা সকলেই জানেন যে আল্লাহ সর্বশক্তিমান, তিনি ইচ্ছা করলে মহুর্তেই সকল সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। এর জন্য আল্লার কাছে মন থেকে চাইতে হবে , আল্লার কাছে চাওয়ার জন্য দুহাত তুললেই হবে, এর জন্য কাগজ কলম আর অনলাইনের যোগাযোগ মাধ্যমে তর্কের ঝড় তোলার কোন প্রয়োজন নাই।

রোহিঙ্গাদের জন্য আল্লার কাছে দোয়া চাওয়া ছাড়া যে আর কোন গতি নাই সে কথাটা অনেক আগেই ২০১৭ সনে বিপন্ন
রোহিঙ্গাদের মঙ্গল কামনায় সকলের সহযোগীতা ও সর্ব শক্তিমান আল্লাহ্‌র কাছে সাহায্য প্রার্থনা শির্ষক একটি বেশ বড়সড় পোষ্ট দিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্তসহ তুলে ধরে পরিশেষে বলে ছিলাম শক্তিধর দেশ, সমুহ কতৃক সংখ্যালঘু জাতি সত্তাসহ সকল প্রকার মানবতার বিপর্যয় রোধে যে কোন ধরনের কুটনৈতিক প্রচেষ্টা ও সামরিক মহরা কিংবা সংঘাত কোনটিই কার্যকরি নয় এমন কি শক্তিধরদের নীজেদের জন্যও নয় । এমনতাবস্থায় আমাদের জন্য একমাত্র আশ্রয়স্থল হলেন মহাশক্তিধর আল্লাহ, তিনিই পারেন সকল সমস্যার সমাধান করতে , তবে আমাদের সকলকে সবধরনের অপশক্তির বিষয়ে সাবধান ও সচেতন থাকতে হবে ।

ধন্যবাদ সচেতন মুলক পোষ্টটির জন্য ।

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


বার্মা, ফিলিপাইন, কম্পুচিয়া, লাওস, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ডের মানুষ অন্য জনগোষ্ঠীর প্রতি ভয়ংকর নির্মম হয়; সেই কারণেই রোহিংগাদের জন্য ঐদিকে পালানোর অবস্হা ছিলো না।

বার্মার মিলিটারী সরকার সেই দেশে বিদেশী এনজিও, মিডিয়া, কিছুই সহ্য করে না; আমি রোহিংগা সমস্যার কুলকিনারা দেখছি না। রোগিংগারা পুরোপুরি অশিক্ষিত, এদেরকে পরিস্হিতি বুঝানো সম্ভব হবে কিনা বলা মুশকিল।

১৬| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৭:৪২

ইসিয়াক বলেছেন: আমার রোহিঙ্গাদের প্রতি সব সহানুভূতি নষ্ট হয়ে গেছে। ওরা তো কোন দিক দিয়েই কোন নিয়ম মানতে চায না ।বর্বর জাতি মনে হয় ওদেরকে ।

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


সমস্যা ২ দিক থেকে: বার্মা ওদেরকে চাহে না, ওরা ভয়ে বার্মা যেতে চাহে না।

১৭| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:১১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: তবে সবাই সচেতন হলে ভালো । এতে করে জনমত তৈরী হবে । এক সময় দেশের বেশির ভাগ মানুষই রোহিঙ্গাদের বিপক্ষে চলে যাবে । সেই দিন খুব বেশি দূরে নয়। কেননা বাংলাদেশের মানুষের আবেগ খুব বেশি দিন থাকে না । রোহিঙ্গাদের প্রতি আবেগ ইতোমধ্যেই অনেক কমে গেছে‌

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



রোহিংগাদের ফিরে যাবার পরিবেশ বার্মা তৈরি করছে না; এখানে বাংলাদেশ ও বিশ্ব আজও আটকা; রোহিংগাদের ভুল বক্তব্যের কারনে বার্মার মিলিটারী ক্ষেপবে; তদুপরি, বাংলাদেশের মানুষ যদি অস্ত্র/গেরিলাযুদ্ধের কথা বলে, বার্মা কথা বলতেও চাইবে না।

১৮| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৯:৪৮

মোঃ ইকবাল ২৭ বলেছেন: রোহিঙ্গাদের কারনে বার্মা কোন এক সময় হয়তো বাংলাদেশ আক্রমণ করতে পারে ।রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ ও বার্মা দুই দিকেই অরাজগতা সৃষ্টি করবে সামনে ।ওরা অশিক্ষিত বিধায় মাথায় যখন যা আসে তা নিয়ে দৌড়ায়, ওদেরকে সভ্য করার চেষ্টা করছে এনজিওরা, তবে সেটা বাংলাদেশকে বেশি ক্ষতি গ্রস্থ করলেও রোহিঙ্গাদের কোন ফায়দা হবে না ।সব মিলিয়ে সামনে ভয়াবহ বিপদ অপেক্ষা করছে,কক্সবাজার,টেকনাফ ও চট্টগ্রামের জন্য ।রোহিঙ্গারা গোয়ার, একরোখা।

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৪০

চাঁদগাজী বলেছেন:


রোহিংগারা অশিক্ষিত হওয়ায়, ওরা নিজেদের সমস্যাগুলো বুঝতে অক্ষম; এখন কিভাবে এর সমাধান হবে, বলা মুশকিল।

১৯| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:৪২

সুপারডুপার বলেছেন: @মোঃ ইকবাল ২৭,

রোহিঙ্গারা এখন বাংলাদেশে বর্বর, ময়লা-আবর্জনা। ময়লা-আবর্জনার জন্য বাংলাদেশে, বার্মার সম্পর্ক খারাপ করার মত বড় বোকামি কাজ হয়তো করবে না।

§ বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশু মাতৃক্রোড়ে §
§ রোহিঙ্গারা মায়ানমারে ফিরে না যেতে চাইলে, রোহিঙ্গাদের পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে পাঠাতে পারলে, সুন্দর ভাবে মিলে মিশে থাকতে পারবে §


কয়লা ধুয়লেও, ময়লা যায় না। এনজিওগুলো ওদের সভ্য করার চেষ্টা করে, কোনো লাভ হবে বলে মনে হয় না। এনজিওগুলো ও আমেরিকা, ওদের মায়ানমারে ফিরে নিয়ে গিয়ে,পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে নিয়ে যেয়ে, সভ্য করার চেষ্টা করুক।

২০| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: বিপদগ্রস্থ অসহায় মানুষ অন্য সক্ষম মানুষের কাছে আশ্রয় না পেলে এই মানব জীবনের অর্থ কি? বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বার্মাতে (আজকের মায়ানমার) অসহায় বাংলাদেশের অনেক মানুষ আশ্রয় পেয়েছিলো এইসব অতি দরিদ্র্র রাখাইন বাসীদের কাছে।

আগে মানুষ, তারপর দেশ। মানুষকে বাচতে দিতে হবে। যখন কিছু মানুষ হাড় জিরজিরে মহিলা-শিশুদের নিয়ে জীবন বাচানোর জন্য একটা ভাঙ্গা নৌকায় পানিতে ভাসতে ভাসতে আমাদের দেশে পাড়ি জমায় তখন এদেরকে ফিরিয়ে দেয়ার কোনো মানবিক যুক্তি আমার জানা নেই।

এই মাটির উপর মানুষ হিসাবে সবার সম-অধিকার আছে।

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৪২

চাঁদগাজী বলেছেন:


সমস্যা হচ্ছে, মহিলা, শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে, ওদেরকে তো জোর করে বের করা যাবে না।

২১| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:০১

রাকিব আর পি এম সি বলেছেন: রোহিঙ্গাদের অস্ত্র দিয়ে প্রশিক্ষণ দিলে তারা ভবিষ্যতে মিয়ানমারের পরিবর্তে বাংলাদেশের বিরুদ্ধেই যুদ্ধে নেমে পড়তে পারে! বড়ই কৃতঘ্ন এক জাতি ওরা।

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:১১

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশের সরকার, কিংবা মানুষকে যেন কোনদিনও রোহিংগাদের গায়ে হাত তুলতে না হয়; ওরা প্রাণ বাঁচাতে এসেছে, ওদের সরকার ওদেরকে নিবে না, ওরাও না যাওয়ার পক্ষে; আমাদের জাতির জন্য নতুন সমস্যা

২২| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আচ্ছা ওদের কী টাইটেল দেয়া যায়? যারা রোহিঙ্গা নারীদের ২য় স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করার সবক দিয়েছিলেন...

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



'গর্দ্ভব' একটা ভালো শব্দ, ওদেরকে এটা দিলে কেমন হয়?

২৩| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: চাঁদগাজী ভাই, বাংলাদেশের তথাকথিত ফেসবুকার আর ব্লগার রা কি জানে বাংলাদেশে বাংলাদেশী মানুষ কতোটা মানবেতর জীবন যাপন করছে? সেখানে রোহিঙ্গা তো ফ্রি রেশন পাচ্ছে!!! বাংলাদেশী মানুষের মতো ঠেলা রিক্সা কুলি দিমুজুরী করতে হচ্ছে না। তাই রোহিঙ্গা নিয়ে কুমিরের কান্না এটি কুটিল চিন্তার বহিঃপ্রকাশ।

বিএনপি জামাত - বার্মাতে রোহিঙ্গাদের নানাভাবে সহযোগিতা করেছে বার্মীজদের সাথে দন্দ্ব করার জন্য তা কি আমরা সবাই ভুলে গেছি? বাংলাদেশের জামাত শিবির আর জামাত মাতা বিএনপির - রোহিঙ্গা নিয়ে বড় ধরনের মাষ্টার প্লান করেছে যার নমুনা ব্লগে নেটে ভাচুয়াল জগতে পত্রিকায় অনলাইনে দেখতে পাচ্ছি, আপনি চাঁদগাজী ভাই কি কিছু দেখতে পাচ্ছেন? কিছু বুঝতে পারছেন?

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪১

চাঁদগাজী বলেছেন:




রোহিংগারা জামাতীদের দরকারী ভবিষ্যত জংগী; বাংলাদেশে নতুন করে শিবির ইত্যাদি রিক্রুট করার জন্য রোহিংগারা ১নং চয়েস।

বিএনপি কোনভাবে ওদের কাজে পারবে না আজকে; কিন্তু শেখ হাসিনার পর, বিএনপিও এদের কাজে লাগাবে।

২৪| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:০৩

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: রোহিঙ্গা'রা বার্মাতে সংখ্যালঘু। এটা অনেকেই বুঝতে চাইছেন না।

বাংলাদেশে কি সংখ্যালঘু আছে?
তাদের উপর কি নির্যাতন হচ্ছে?
বাংলাদেশে কি মৌলবাদী নেই?

জুনায়েদ বি রাহমান ভাই, একহাতে তালি বাজেনা। রোহিঙ্গাদের বার্মা অবস্থান বা তাদের গোড়াপত্তন কতো সন থেকে আর রোহিঙ্গা ভার্সেস বার্মীজ সমস্যা কতো সন থেকে?

উত্তরগুলো দিন তারপার শুরু হবে কথা।
-
"রোহিঙ্গা'রা বার্মাতে সংখ্যালঘু। এটা অনেকেই বুঝতে চাইছেন না।"- ভাই কথাটা বলেছি তাদের উদ্দেশ্য করে, যারা বলেছেন - রোহিঙ্গাদের অস্ত্র দিয়ে, ট্রেনিং দিয়ে যুদ্ধের জন্য বার্মাতে পাঠানো হোক। বার্মাতে রোহিজ্ঞারা সংখ্যালঘু। ধর্ম,ভাষা নানা কারণে বার্মা মিলিটারি'র (রোহিজ্ঞা তাড়ানোর) সিদ্ধান্তে জনসাধারণের সাপোর্ট আছে। সুতরাং সাধারণ মানুষের কাছে (সংখ্যালঘু রোহিজ্ঞা'রা) সন্ত্রাসী হিসেবেই বিবেচিত হবে। বার্মার মানুষ অস্ত্রধারী রোহিজ্ঞা যোদ্ধাদের পিটিয়ে মেরে ফেলবে।
চাঁদগাজী বিস্তারিত সুন্দর করে লিখেছেন।

আমি আপনার সাথে সহমত, একহাতে তালি বাজে না। রোহিঙ্গা সমস্যা পুরানো সমস্যা। শিক্ষাদীক্ষার অভাবে এরা বুঝে না বুঝে বার্মাতে অনেক কিছু করেছে, বলেছে। (বর্তমানে বাংলাদেশে যেমনটা করছে, বলছে!) ফলে বার্মার মানুষদের সাথে থাকতে পারেনি।

২৫| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৩১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: জুনায়েদ বি রাহমান ভাই, পয়গম্বর, আশেক, পীর, গাউস, কদম এসে বংশবৃদ্ধি করে ও ধর্মান্তরিত হয়ে বার্মাতে রোহিঙ্গাদের গোড়াপত্তন হয় ৮ম-৯ম শতকে মতভেদে ১২তম শতকে। এতো দিন বার্মীজদের সাথে তাদের এলার্জি ছিলো কি না জানা নেই তবে ১৯তম শতকের মাঝামাঝি এসে বার্মীজদের সাথে রোহিঙ্গা দন্দ্ব শুরু হয়। বার্মীজ যদি খারাপ হিংস্র পশু হয় তাহলে রোহিঙ্গাও দুধে ধোয়া তুলসি পাতা নয় - রোহিঙ্গা প্রচুর বদমায়েশী করেছে বার্মাতে - যার ফলাফল বর্তমান বিশ্ব দেখছে।

ইট মারলে পাটকেল খেতে হয় তবে পাটকেলের আঘাতটি বেশীই হয়। বার্মা বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র রোহিঙ্গার কারণে বাংলাদেশ বার্মার সাথে কোনো দন্দ্বে জড়াবে না। আর রোহিঙ্গা কোনো সমস্যা করলে বাংলাদেশের প্রশাসনের প্রয়োজন পরবে না, চট্টগ্রামের মানুষ ১৩ লক্ষ রোহিঙ্গাকে বঙ্গোপসাগরের ৭০ মিটিার নিচের পানি খাওয়ায়ে আনবে ইনশাল্লাহ।

২৬| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৩৬

নাসির ইয়ামান বলেছেন: রাখাইন আর আসাম বাংলাদেশের সাথে জুড়ে দিলেই হয়!

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪২

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি আমাদের আশা, কেড়ে নেন রাখাইন ও আসাম।

২৭| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আপনি আমাদের আশা, কেড়ে নেন রাখাইন ও আসাম।
- এখস রাত ১০ টা বেজে ৫২ মিনিট আপনার মন্তব্য পড়ে হাসছি ধন্যবাদ চাঁদগাজী ভাই। হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ

২৮| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:০২

প্রবালরক বলেছেন: বার্মা আক্রমন করে দখল করার পূর্বে আরাকান তো একটা স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল।
১৯৪৭ সনে ভারত উপমহাদেশের স্বাধীনতার সময় আরাকানের মুসলিমরা চেষ্টা চালিয়েছিল তৎকালীন পাকিস্তানের যোগ দিতে। তাদের দিকে কর্নপাত করা হয় নি।

রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশ ঠেলে দেয়ার কয়েকটি প্রয়াস -
১। ১৯৭৮-এ প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার পর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সরাসরি বার্মার রাজধানী রেঙ্গুনে চলে যান। আলোচনার টেবিলে বসে বার্মার কতৃপক্ষকে রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নিতে রাজী করিয়ে আসেন। সব রোহিঙ্গারা তখন ফিরে যায়।
২। ১৯৯২ সনে পুনরায় প্রায় ৮ লক্ষ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়। সেসময়ে বাংলাদেশ সরকার বার্মার বর্ডারের দিকে সেনাবিহীনিকে মবিলাইজ করতে থাকে। অপরদিকে ইউএনএইচসিআর-র সাথে মিলে সরকারী প্রতিনিধিরা বার্মাতে গিয়ে কথা বলে। এর ফলে ৫ লক্ষ রোহিঙ্গাকে তখন বার্মা ফিরিয়ে নেয়। প্রায় ৩ লক্ষ রোহিঙ্গা কয়েকটি ক্যাম্পে থেকে যায়।
৩। ২০১৩ সনে হাসিনা সরকারের আমলে আরাকান লিবারেশন আর্মি বেশ তৎপরতা চালাচ্ছিল বার্মিজ আর্মির বিরুদ্ধে। হঠাৎ সরকারের কাছে গোয়েন্দা তথ্য আসে যে বার্মিজ আর্মি আবারো রোহিঙ্গা বিতাড়নের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসছে। বাংলাদেশে সেনাবাহীনি তখন বর্ডার পার হয়ে ঢুকে পড়ে বার্মায়। তারা মঙডু পর্যন্ত এগিয়ে যায়। এসময় বার্মিজ সেনাবাহীনির সাথে তাদের টুকটাক কিছু সংঘর্ষ ছাড়া বড় কোন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। বার্মিজ সেনাবাহীনিই পিছু হটে যায়।
তখনকার বাংলাদেশী মিডিয়াতে খুব হইচই চলছিল যে বার্মা বর্ডারে যুদ্ধ চলছে। কিন্তু সরকারী ভাবে কখনো যুদ্ধের কথা স্বীকার করা হয়নি। তখন দীপুমনি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেবারে আর কোন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসেনি।
৪। তারপরের ২০১৭-র কাহীনি তো সবাই জানেন।
এবার স্টেকহোল্ডারদের সংখ্যা অনেক বেশী।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:


রোহিংগারা বাংলাদেশে আসার সময়,যেই ধরণের সহানুভুতি পেয়েছিলো, তা এখন হারাচ্ছে; আগামীদিনগুলোতে মানুষ ওদের পক্ষে না থাকার সম্ভাবনা; রাখাইনে সেটাই ঘটেছে।

২৯| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৯

সুপারডুপার বলেছেন: ২০১৭ তে শেখ হাসিনা নোবেল শান্তি পুরস্কারের আশায় , প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছেন।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


দেশের মানুষ রোহিংগাদের রক্ষার পক্ষে ছিলো।

৩০| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৫৩

সুপারডুপার বলেছেন: এখন সবচেয়ে শঙ্কার বিষয় : রোহিঙ্গারা আই এস , জঙ্গি সংগঠনে অংশগ্রহণ করতে পারে। পাকিস্তান -আফগানিস্তান ওদের না নিয়ে গেলেও, ওদের মার্শাল আর্ট ট্রেনিং করাতে পারে। পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (ISI) বাংলাদেশে সক্রিয় হতে পারে।

রক্তপাত-মারপিট ঠেকাতে, সরকারের এখনই সতর্ক হওয়া উচিত।

মারামারি একবার শুরু হলে তা আর তখন মানবতার গান শুনিয়ে থামানো যাবে না। পূর্বের অসতর্কতার জন্য অনেক রক্তপাত হবে , অনেক নিরপরাধ লোকের প্রাণ যাবে।


০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


রোহিংগারা নিজেদের দুর্দিনকে অনুধাবন করার মতো জ গোষ্ঠি নয়

৩১| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: সুপারডুপার ভাই, এখন মার্শাল আর্টের যুগ নাই, বহুত ব্লাক বেল্ট দেখেছি গণধোলাই খেয়ে এখন মাদকাশক্ত!!! বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ এখানে রোহিঙ্গা তাদের রোগ মহামারী ছড়াতে পারবে তারা আন্দোলোন করতে পারবে না। রোহিঙ্গা আন্দোলোন করলে শুধু চট্টগ্রামের মানুষই ১৩ লক্ষ রোহিঙ্গাকে বঙ্গোপসাগরের ডুবিয়ে দেবে। বাংলাদেশ শক্ত দেশ। আপনারা বাংলাদেশকে দুর্বল ভাববেন না।

সবাই ভালো থাকুন। রোগ মহামারী থেকে সাবধান থাকুন।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৪৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


রোহিংগাদের গায়ে যদি হাত তুলতে হয়, এটা হবে ভয়ংকর এক পরিস্হিতি

৩২| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
রোগ মহামারী থেকে সাবধান থাকুন।
ভাল একটি সতর্ক সংকেত দিয়েছেন , সাবধান না হলে তারাই প্রথমে আক্রান্ত হবে । তাই মনে হয় তাদের জন্য যথাযথ ভাবে একটি
কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন,যেন তারা এখানে সেখানে ছড়িয়ে না পড়তে পারে । আক্রান্ত রোগী সনাক্তের জন্য এখনই কড়াকড়ি ব্যবস্থা না নিলে তা ভয়াবহ আকার ধারন করতে পারে ।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


নিজের জাতির অবসঝান ও প্রতিবেশীদের বিষয়ে, নাগরিকের সঠিক ধারণা থাাকা খুবই দরকারী।

৩৩| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আপাতত আশ্রয় দিন, খাদ্য দিন, চিকিৎসার সুযোগ দিন- তাদেরকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিবেন না।
তাঁরা ছন্নছাড়া, পরিবারহীন। তাঁদের সংখ্যা এখন শতক থেকে কয়েক হাজারে পৌঁছেছে।

.............................................................................................................................
মানবতা দেখানো ভুল তা বলা যাবে না তবে তাদের বর্তমান কার্যক্রমও গ্রহনযোগ্য নয় ।
রোহিঙ্গা সশস্ত্র সংগ্রাম করবে বার্মা বাহিনীর বিপক্ষে ? নাকি
আরাকান রাজ্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ???
আর আরাকান রাজ্যর সীমানা হিসাব করা হয় কক্সবাজারসহ চট্টগ্রামের পাহাড়ী অন্চল ???

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


আরাকানের নতুন নাম রাখাইন, উহার বর্তমান সীমানা সীমানা নির্ধারিত আছে; রোহিংগারা নীচু মানের মানুষজন, ওদেরকে মানুষ করা কষ্টকর হবে, সেইজন্য রাখাইনরা ওদের চাহে না।

৩৪| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: শিরোনামটা চমৎকার। পোস্টের আলোচনাও ভাল হয়েছে। তবে মন্তব্যের আলোচনাগুলোকে অনেকাংশে prejudiced মনে হয়েছে।
সবার উপরে মানবতা। ২০ নং মন্তব্যে এবং ২০ ও ২১ নং প্রতিমন্তব্যে আমার এ বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটেছে দেখে প্রীত হ'লাম।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমি ২০ ও ২১ নং মন্তব্য ও উত্তরঘউলও আবার দেখলাম; জাতি সমস্যায় পড়ছে, সমাধানও হবে, সেটা মানবিক হতে হবে।

আগের পোষ্টগুলো পড়ে, সেগুলো থেকে আমাদের ভাবনাচিন্তাকে বুঝার প্রচেষ্টার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

৩৫| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: যুদ্ধ করতে সাহস, ধৈয্য, বুদ্ধিমত্তা, বিশাল মন ও মানবতার দরকার হয় - শেষের দুটো গুণবাচক শব্দ আপনার এ প্রথম প্রতিমন্তব্যটিকে একটি অনন্য মাত্রা যুগিয়েছে। ধন্যবাদ, এমন ধারণা পোষণ করার জন্য।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


যুদ্ধ মানে অপর পক্ষকে হত্যা করা নয়, নিজেদের অধিকার প্রতিষ্টা করার জন্য প্রয়োজনীয় বল প্রয়োগ করা; যুদ্ধে সম্ভব মতো সবার প্রাণ রক্ষা করাই প্রফেশানেল সৈনিকের দায়িত্ব।

আমি জানি, আপনি সময় পেলে কিছু কিছু ব্যাপারে লেখকদের মনোভাব বুঝার চেষ্টা করেন; আপনাকে ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.