নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পদহীনদের জন্য শিক্ষাই সম্পদ

চাঁদগাজী

শিক্ষা, টেকনোলোজী, সামাজিক অর্থনীতি ও রাজনীতি জাতিকে এগিয়ে নেবে।

চাঁদগাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

রোহিংগাদের নিয়ে বাংগালীদের অভিজ্ঞতা, বার্মার সুমতি?

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৫




রোহিংগাদের নিয়ে বাংগালীদের যেটুকু অভিজ্ঞতা হয়েছে, তা'থেকে সহজে বুঝা সম্ভব, কেন রাখাইনরা তাদেরকে আরাকানে দেখতে চাহে না; রোহিংগা নারী, ছেলেমেয়ে ও শিশুদের জন্য সহানুভুতি রলো । আসলে, ওদের বর্তমান জাতীয় আচরণ থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, ওরা শুধুমাত্র পাকিস্তানে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। পাকিস্তান বা বার্মা ব্যতিত, যেকোন জাতির জন্য তারা বোঝা হবে, এবং যেকোন জাতি তাদের উপস্হিতিতে শংকিত হবে। ওদের চরম দুর্দিনে ওরা বাংলাদেশে এসে যেই ধরণের আচরণ করছে, তাদের ভবিষ্যত খুবই অন্ধকার।

বার্মার এক মন্ত্রী, টিন্ট সুয়ী জাতিসংগে খুবই সুন্দর বক্তব্য রেখেছেন, তারা রোহিংগাদের ফেরত নেবে বলেছে, এই ব্যাপারে তারা বাংলাদেশের সাথে কাজ করবে; তারা রোহিংগাদের এক ধরণের 'জাতীয় পরিচয়পত্র' দেয়ার কথা বলেছে, যেটা রোহিংগাদের সেই দেশে বসবাসের অধিকার দেবে, তারপর সময়ের সাথে তারা নাগরিকত্ব পাবে; যারা নাগরিত্ব পাবে না, তারা এই ধরণের পরিচয় পত্র বহন করে বার্মায় বসবাস করতে পারবে।

রোহিংগারা কিন্তু কোন ধরণের অধিকার আদায় করার জন্য, বা তাদের নাগরিকত্ব আদায়ের পক্ষে প্রতিবাদ হিসেবে বাংলাদেশে পালায়ে আসেনি; তারা পালিয়ে এসেছে "গণহত্যা" থেকে প্রাণ বাঁচাতে। ২০১৭ সালের গণহত্যা নিয়ে বার্মা সরকার তেমন কিছু বলেনি, তবে রোহিংগাদের মাঝে জংগী লোকজন আছে, সেই কথা বলেছে; মন্ত্রী এদের পালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কথা বেশী বাড়ায়নি, আরসা'র কথা তোলেনি; মনে হয়, তারা আরসা আক্রমণের পর, রোহিংগাদের উপর ভয়ংকর হত্যাকান্ড চালানোর কারণে, এই ব্যাপারে বেশী কথা বলতে চাহেনি।

বার্মার মন্ত্রী বলেছে যে, রোহিংগা সমস্যায়, তারা বাংলাদেশ ব্যতিত তৃতীয় কোন দেশের হস্তক্ষেপ চাহে না। বার্মার এই সমস্যা আছে, তারা যদিও চীনাদের পেটের ভেতরে চলে গেছে, কিন্তু ওরা কারো আদেশ নির্দেশ মানে না। বাংলাদেশের জন্য রোহিংগা সমস্যা এত বেশী বড় যে, বাংলাদেশ একা ইহাকে হ্যান্ডলিং করতে পারছে না সঠিকভাবে।

বার্মা যে ভাষায় জাতিসংঘে কথা বলেছে, এবং তারা যদি নিজেদের কথার উপর স্হির থাকে, তাতে মনে হয়, রোহিংগা সমস্যার সমাধান হবে, কিন্তু সময়ের দরকার, বাংলাদেশের জন্য ধৈর্যের ব্যাপার; অবশ্য, এর বাহিরে বাংলাদেশের জন্য খুব বেশী অপশানও নেই।

মন্তব্য ৩৩ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৩৩) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩৩

Sujon Mahmud বলেছেন: বার্মাদের কথার সাথে কাজের কোনো মিল নেই।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমাদের রাজনীতিবিদদের ও সরকারেরও একই সমস্যা আছে; ফলে, আমাদের জাতি শংকায়

২| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৪৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




রোহিঙ্গা নিয়ে বার্মার সাথেই কথা বলতে হবে বাংলাদেশের। বার্মা চীন উত্তর কোরিয়া এরা বিশ্বের কোনো দেশকে পরোয়া করে চলার দেশ না। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সেমিনার সভা বৈঠক জাতিসংঘ ইত্যাদিতে সময় না দিয়ে বার্মার সাথে সুসম্পর্ক করুক এর সমাধান হবে। আর পাকিস্তান বর্ডার খোলে বসে নেই যে রোহিঙ্গা উপদ্রব তারা সাদরে গ্রহণ করবে।

অনতিবিলম্বে বাংলাদেশ সরকারের উচিত বিজিবি চেক পোষ্ট করে সাধারণ বাংলাদেশী জনগণ হতে রোহিঙ্গাদের পৃথক করা। বাংলাদেশী জনগণ যেনো রোহিঙ্গাদের সাথে কথা পর্যন্ত না বলতে পারে। বাংলাদেশে উগ্র রাজনৈতিক সুযোগ সন্ধানী মৌলবাদ সংঘটন আছে বিশেষ করে বিএনপি জামাত শিবির তারা রোহিঙ্গাদের ব্যাবহার করতে চাইবে।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমাদের সরকার মানুষের মনোভাব নিয়ে কাজ করে না, ওদের নিজস্ব পদ্ধতি আছে, সেজন্যই মানুষ রোহিংগাদের ব্যাপারে শংকিত!
রোহিংগারা লাখ টাকা খরচ করে পাসপোর্ট কেন করে?

৩| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০২

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: রোহিঙ্গা বার্মিজ দুটোই অসভ্য জাতি।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


রোহিংগারা বার্মার মানুষ, মুসলিম মগের বাচ্চা! বার্মার ভুমি ও সম্পদের অভাব নেই, ওরা রোহিংগাদের নিয়ে চলতে পারবে; বাংলাদেশে মানুষ ক্রমেই খারাপ হচ্ছে, রোহিংগারা থাকলে উহা ত্বরান্বিত হবে।

৪| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: রোহিংগারা লাখ টাকা খরচ করে পাসপোর্ট কেন করে? - বাংলাদেশের দালাল চক্র (দাল্লা) তাদের প্ররোচিত করে। রোহিঙ্গাদের সাথে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ, দাল্লা, বিএনপি, জামাত বৈঠক করতে দিলে আরো হবে। তাই রোহিঙ্গা শিবির হওয়া উচিত রেস্ট্রিকটেড জোন।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



পাসপোর্ট করে রোহিংগারা কোথায় যাওয়ার চেষ্টা করছে?

৫| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:২৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: সৌদি আরব, মালয়েশিয়া - এই দুই দেশে অল্প টাকায় যাওয়া যায় এবং অবৈধ থাকা যায়। এবং অবৈধ থেকে আয় রোজগারও খারাপ না। তাছাড়া সবচেয়ে বড় ব্যাপার তারা অবৈধও ঠিক না। তারা UNHCR REFUGEE CARD ধারী REFUGEE একবার সেদেশে প্রবেশ করতে পারলে UNHCR REFUGEE CARD থাকায় UNHCR তাদের সহযোগিতা করে। সৌদি আরবে মক্কাহ নগরীতে রোহিঙ্গাদের আড্ডাখানা আছে।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪০

চাঁদগাজী বলেছেন:



বাংলাদেশ থেকে এখন ওরা পাকিস্তান ও সৌদী যাচ্ছে; মালয়েশিয়া রোহিংগাদের ধরে জেলে রাখছে। মালয়েশিয়া যারা যায়, ওরা ট্রলার কিনে চট্টগ্রাম থেকে রওয়ানা দেয়।

৬| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: মালয়েশিয়ার রোহিঙ্গারা জাতিসংঘের কার্ড নিয়ে বেশ ভালো অবস্থানে আছে । এখানে যে দুটি প্রদেশের কট্টর শরিয়া আইন চালু আছে সেখানে রোহিঙ্গারা বেশ আরামেই আছে। কিছু দিন আগে রোহিঙ্গারা এক জন বাংলাদেশিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



প্রথমেই যারা গেছে, তারা সরকারের অনেক সাহায্য পেয়েছিলো; এখন সরকার ওদেরকে খেয়ালে রাখছে

৭| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: চাঁদগাজী ভাই, মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন মালয়েশিয়ান নিউজ প্রেজেন্টস। পাকিস্তান ও কোলকাতা সম্পর্কে আমার কোনো আগ্রহ নেই দুটিই নরাধমের মাটি।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


কয়েক হাজার পরিবারের লোকজন করাচীতে আছে; বাংলাদেশ এসব পরিবারকে সাহায্য করলে, এরা করাচী চলে যেতে পারবে।

৮| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৮

মোঃ সাকিবুল ইসলাম বলেছেন: আজকে জাতিসংঘে রোহিঙ্গা ইস্যু ভোটাভোটি তে ফিলিপিন আর চায়না এর বিপক্ষে ভোট দিসে। রোহিঙ্গাদের উপর যে মানবাধিকার লঙ্ঘন হইসে এইটাই মানছে না। আমি আশাবাদী না। আমাদের কূটনৈতিক ব্যর্থতা হচ্ছে এই ভোটের ফলাফল।
https://news.abs-cbn.com/overseas/09/28/19/philippines-votes-against-un-resolution-on-rohingya-crisis?fbclid=IwAR1pDFcfU6wqZJkD1UJHy4OZTaTKfxczMrhMHQ3B07cDnTtfV2JGIFJRBi8

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:


দেশের কুটনীতিতে কাজ করছে তারা, যারা বিসিএস পাশ করছে; সুপার বাংগালী তো এখনো পাওয়া যাচ্ছে না। বার্মা যখন নেবে বলছে, সেটাকে পুঁজি করে তাদের সাথে কাজ করতে হবে আমাদের সরকারকে।

৯| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: একটি বিতর্কিত মন্তব্য করছি - কোলকাতা ও পাকিস্তান আজনবি (ফরেনার) মেয়েদের মিস ইউজ কাজে প্ররোচিত করে।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:



ওগুলো ওদের জাতীয় বৈশিষ্ঠের মাঝে পড়ে; রোহিংগারা, বার্মিজরা, থাই ও ফিলিপাইনে পারিবারিক আয় হিসেবে ধরা হয় এগুলোকে।

১০| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১২

রাজীব নুর বলেছেন: কোনো রোহিংগারাই আমাদের দেশে শখ করে নেই। বাধ্য হয়েই ওরা আছে। আমাদের দেশে কোনো মধু নেই। দরিদ্র একটা দেশ। এই দেশে আমাদের নিজেদের দরিদ্র মানূষে রভাব নেই। ওরা খুবই মানবেতর জীবন যাপন করছে। সীমাহীন কষ্টে আছে। ওরা নিজেরা জানমালের নিরাপত্তা পেলেও ওরা চলে যাবে।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



ওরা সুযোগ পেলে, বার্মা ও ভারত ব্যতিত যেকোন দেশেই চলে যাবে।

১১| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১৪

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: ওস্তাদ শুনলাম পিয়াজ ১২০টাকা কেজি। :)

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


ক্যাভিয়ারের পাউন্ড হাজার ডলার; খেতে যে হবে, এমন কোন কথা নেই। পেঁয়াজ ঔষধ নয় যে, না খেলে চলে না। সর্বোপরি উহার চাষ করা সম্ভব।

১২| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:১৪

কবি হাফেজ আহমেদ বলেছেন: বার্মার কথা কাজে আজ অবধি মিল পাওয়া যায়নি। ওরা রোহিঙ্গাদের নেবে নেবে বলে বিলম্বিত করাটাও একটি বড় ধরনের ষড়যন্ত্র বলে মনে হচ্ছে। এই বিষয়ে মায়ানমারের উপর আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ আরও বৃদ্ধি করে ওদেরকে বাধ্য করতে হবে। আমরা এমনিতেই জনসংখ্যার বিস্ফোরণেে জর্জরিত তার উপর মায়ানমার এবং ইন্ডিয়ার যৌথ ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। আমাদের কোনো একটি প্রতিবেশী দেশও আমাদের বন্ধু নয়। সবাই সুযোগ মতো চোবল দেওয়ার অপেক্ষায় আছে।

০১ লা অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৬:৪৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমাদের সাথে কারো বন্ধুত্ব থাকার মতো অবস্হা আমাদের নেই। বার্মার কথায় আস্হা রাখা মুশকিল; তবুও চেষ্টা করতে হবে।

১৩| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:১৩

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: মায়ানমার জাতিসংঘে যাই বলুক, রোহিঙ্গাদের নিতে চাইছে না আদতে...

০১ লা অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



জাতি সংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভেতরের ২/৪ লাখও গণহত্যার আশংকায় আছে।

১৪| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
জাতিসংঘে মিষ্টি কথা বললেও মগের গোষ্টী সহজে রোহিংগাদের ফিরিয়ে নেবে না।

০১ লা অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


সম্ভাবনা আছে।

১৫| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৩৭

পুলক ঢালী বলেছেন: বার্মিজ মন্ত্রীর পিছনে চীন আছে । চীন, চাইছেনা আমেরিকা ইউরোপ এখানে নাক গলাক। বাংলাদেশ মায়ানমারের তুলনায় সামরিক শক্তিতে দুর্বল। কুটনৈতিক বুদ্ধিতে চীনের ধারেকাছেও নেই । বাংলাদেশ যোগ্যতার ব্যাপারে চীন মায়ানমার এ্যালায়েন্সের ধারে কাছেও নেই । মায়ানমার সেই সুযোগটা নিচ্ছে। বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান প্রথমদিকে ছিলো। কিন্তু চীনের প্ররোচনায় বার্মার সাথে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করে বিষয়টি ঝুলিয়ে দিয়েছে। বিশ্ব মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এখন মায়ানমারকে বিশ্বাস করে ওদের নিয়মে খেলতে গেলে হার অবশ্যম্ভাবী। অতএব তাদের দেখানো পথে না হেটে বাংলাদেশকে কোন শক্তিশালী দেশকে বন্ধু হিসাবে কাছে পেতেই হবে। এজন্য কূটনৈতিক দক্ষতা এবং যোগাযোগের বিকল্প নেই। বাংলাদেশ প্রথম রাতেই বিড়াল মারতে ব্যর্থ হয়েছে।
ওদেরকে বিশ্বাস করে এগিয়ে যাওয়ার যে পরামর্শ আপনি দিচ্ছেন সেটা সঠিক নয় বলেই মনে হচ্ছে।
ভাল থাকুন গাজী ভাই।

০১ লা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:১৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


বার্মার সাথে চীন থাকাতে বাংলাদেশ ভয়ংকর খারাপ অবস্হানে আছে। চীনকে চাপ দেয়ার ক্ষমতা এখন কারো আছে কিনা?

১৬| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন:
ওরা সুযোগ পেলে, বার্মা ও ভারত ব্যতিত যেকোন দেশেই চলে যাবে।

ওদেরকে এই সুযোগ দেওয়া উচিত।

০১ লা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



এতে অর্ধেক চলে যেতো; যেসব পরিবারে পুরুষ নেই, তাদেরকে আলাদা করে এখনই সঠিভাবে লালন পালন করার দরকার।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশের বেকুব পুলিশ ওদের বিদেশ যাওয়াকে কেন ঠেকাচ্চছ, বুঝা মুশকিল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.