নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পদহীনদের জন্য শিক্ষাই সম্পদ

চাঁদগাজী

শিক্ষা, টেকনোলোজী, সামাজিক অর্থনীতি ও রাজনীতি জাতিকে এগিয়ে নেবে।

চাঁদগাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ব্যুরোক্রেটরা শেখ হাসিনাকে অবশেষে বেগম জিয়া বানায়ে ছাড়লো?

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৪২



শেখ হাসিনা করোনার মাঝে ৫০০০ কোটী টাকা দিয়ে ২৫০০০ শ্রমিককে এভাবে বরখাস্ত না করে, রাস্তায় না নামিয়ে, এই টাকা দিয়ে, শ্রমিকদিগকে কারখানার ৫০ ভাগ শেয়ার দিয়ে, প্রতিটি কারখানাকে আলাদা ইউনিট হিসেবে চালু করলে, শ্রমিকেরা নিজ দায়িত্ব নিজের কারখানাকে লাভজনক করতো। উনি যেই ভুল করছেন, ইহা উনার বাবার থেকেও বড় ভুল, ইহা বেগম জিয়ার স্তরের ভুল।

২০০২ সালে, বেগম জিয়া ও সাইফুর রহমানের সিদ্ধান্তে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জুটমিল, "আদমজী জুটমিল" বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো; ৬৫ হাজার শ্রমিকের পরিবারের পেটে লাথি মারা হয়েছিলো; বেশীরভাগ শ্রমিকেরা তাদের ভবিষ্যত নিয়ে কিছুই জানতো না; ওরা হাতে নগদ ২/১ লাখ টাকা পেয়ে ভেবেছিলো যে, তারা ধনী বাংগালীতে পরিণত হয়েছে; ২/১ বছর পর, এরা সবাই বস্তিবাসী হয়েছে।

৬৫ হাজার পরিবারের চাকুরী চলে যাওয়া বেশ সহজ করেছিলেন বেগম জিয়া; কিন্তু ৬৫ হাজার পরিবারের জন্য চাকুরী সৃষ্টি যে কি পরিমাণ কঠিন কাজ, সেটা উনি এই জীবনে বুঝতে পারেননি নিশ্চয়; এবং এই জন্যই, কয়েক হাজার কোটী চুরি করে, উনি মাত্র ৩ কোটী টাকার জন্য সহজেই জেলে চলে গেলেন।

৬৫ হাজার পরিবারের মানুষদের চাকুরী সৃষ্টি করা কঠিন, ১৯৫০ সালে ঢাকায় এত বড় জুট মিল করার মতো বাংগালী আসলে ছিলো না; সেই সময় বাংগালীদের জন্য সুযোগও ছিলো না; যাক, সেই সময়, এত বড় জুট মিল করতে পেরেছিলো ভারত থেকে আগত ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াহিদ আদমজী। আমার মতে, সেই লোক সাইফুর রহমানের মত মানুষকে উনার ব্যবসার কেরানী হিসেবে রাখতো না; বেকুব বেগম জিয়া বাজার করার চাকরের মতো বুদ্ধিমান সাইফুর রহমানকে অর্থমন্ত্রী বানায়ে নিজের জন্য লালঘরের রুম রিজার্ভ করেছিলো।

জুটের দেশে, জুটমিল লাভ করতে পারেনি গত ১২ বছরে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন, করোনার জ্বালায় উনার ঘুম ভেংগেছে। এই করোনার মাঝে ২৫ হাজার শ্রমিককে ৫০০০ কোটী নগদ টাকা হাতে দিয়ে কাজ থেকে বিদায় করে দিচ্ছেন; ২৫ হাজার মানুষের চাকুরী উনি সৃষ্টি করতে পারবেন এই সময়ে?

আসলে, এইভাবে জুটমিল বন্ধ করার পেছনে ষড়যন্ত্র আছে, শেখ হাসিনা সেটা বুঝতে পারছেন না; প্রাইভেট জুটমিলগুলো সরকারের পরিচালনায় এইসব জুটমিলকে কমপিটিশনে দেখতে চাচ্ছে না; তাদের কেহ কেহ এগুলো কিনে নিতে চাচ্ছে; তা'ছাড়া অন্যরাও এসব জুটমিল দখল করার জন্য এই পরিস্হিতির সৃষ্টি করেছে; অবশ্যই শেখ হাসিনা সেটা বুঝতে পারছেন না, উনার মগজকে ওরা ঘুরিয়ে দিয়েছে; সর্বোপরি, এইসব কমপ্লেক্স অর্থনীতি ও ফাইন্যান্স উনি বুঝেন বলেও মনে হয় না।

আজকে, শেখ হাসিনা অবশ্যই বেগম জিয়ার স্তরে নেমে এসেছন, উনি কোন কিছু না ভেবে, কোন ফাইন্যান্সিয়েল পথ না খুঁজে, বেগম জিয়ার মতো চোখ বন্ধ করে শ্রমিকদের পেটে লাথি মারছেন। বেগম জিয়ার জেল হয়েছে; উনার হয়তো জেল হবে না, তবে মানুষের ঘৃণার পাত্র হচ্ছেন।

মন্তব্য ৪৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৪০

কৃষিজীবী বলেছেন: পাটকল বন্ধের পরে আমাদের পাট মন্ত্রীর কি অবস্থা হবে?

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৪৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



ওরা পংগোপালের মতো, একটা শেষ করে অন্য এলাকায় যাবে।

২| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৪২

পগলা জগাই বলেছেন: দেশ আর দেশের সাধারণ জনগণ ছাড়া বাকি বেশ কয়েক পক্ষের লাভ আছে। লাভ আছে দেশের বাইরের পক্ষেরও।
আমার হিসাব খুব সহজ। আমার কোনো প্রতিষ্ঠান লস করলে প্রথমেই কেনো লস করলো সেটা খুঁজে বের করবো। তারপর সেই কারণগুলি দূর করবো। কোনো চেষ্টা না করে বছরের পর বছর লস করবো না। অথচো দেশের সবকয়টি পরকারি প্রতিষ্ঠান করছে উলটো, বছরের পর বছর লস করে যাচ্ছে।

ছোট একটা কৌতুল আছে আমার। নবুয়াত শেষে হয়ে যাওয়ার পর ফেরেস্তা জিব্রাইল বেকার বসে আছে। কারো কাছে অহী নিয়ে যেতে হচ্ছে না। কথাটা কি ঠিক!!!
পাট মন্ত্রনালয়ের কি হবে এবার!!!!

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৪৬

চাঁদগাজী বলেছেন:




পাট মন্ত্রনালয়ের লোকেরা মালয়েশিয়া, কানাডায় ছেলেমেয়েদের সাথে যোগ দিবে, কিংবা এসব কারখানা বিক্রয় করে নিজের ভাগ বুঝে নিয়ে অন্য মন্ত্রনালয়ে যাবে।

৩| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৫০

পগলা জগাই বলেছেন: বেচারা জিব্রাইলের তেমন কোনো সুযোগ হয়েছে কিনা কেজানে!!

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:




ইহুদীদের নতুন নবী আসবে, জিব্রাইলের চাকুরী হবে।

৪| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:০০

রাজীব নুর বলেছেন: লোকসান হলেই শ্রমিকের দোষ। ম্যানেজমেন্ট, মন্ত্রনালয়, সচিবালয় ওইখানে সবাই ফেরেশতা থাকেন। অযোগ্য লোক দিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। যখন কোনো প্রতিষ্ঠানের উন্নতি হবে না, তার মানে প্রতিষ্ঠানের লোক গুলো সৎ না, দক্ষ ও পরিশ্রমী না। মুখের কথায় চিড়া ভিজে না। উন্নতির জন্য দরকার সৎ, বুদ্ধিমান, পরিশ্রমী, দক্ষ ও যোগ্য লোকের।

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



শ্রমিকেরা কাজ করে খান, কাজ না করলে পয়সা পান না; শেখ হাসিনা কাজ না করলেও পয়সা পেয়ে থাকেন, সেখানেই সমস্যা।

৫| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:০১

রাজীব নুর বলেছেন: শেখ হাসিনাকে এগুতে দিচ্ছে না তার আত্মীয় স্বজনেরা।
সব ধ্বংস করে দিচ্ছে। তিনি কি তা জানেন না? দেখছেন না?

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:


শেখ হাসিনা যতটুকু পারার কথা নয়, উনি ততটুকুর ভার নিচ্ছেন, সেখানেই সমস্যা; উনা এসব ব্যাপারে বিদেশী এডভাইজার নিতে হবে।

৬| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৩০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

পাট মন্ত্রণালয়ে এখন কি কাজ করবে?
তাদের দিয়ে কি কচুরী পানা মন্ত্র্রনালয়
হবে? কি করে কচুরী পানা খাওয়া যায়
তা নিয়ে গবেষণা করা হবে?

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



ওদের চাকুরী অভাব নেই, চাকুরীর অভাব হলো যাঁরা স্বাধীনতা এনেছিলেন তাঁদের সন্তানদের।

৭| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৪৪

বিজন রয় বলেছেন: আসলে দুই নেত্রীর মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কি?

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



পার্থক্য হলো, বেগম জিয়াকে ক্ষমতায় এনেছিলো মিলিটারী, শেখ হাসিনা মিলিটারীকে কন্ট্রোলে এনেছে।

৮| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৪৬

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: শ্রমিক সংঘটন গুলোর নেতৃত্বে আছে কিছু টাউট বাটপার ।আওয়ামি লীগের নেতারাও তাই।পরিকল্পনা ভালো কিন্ত এই নেতৃত্বে বাস্তবায়ন করা কিছুটা কঠিন কাজ।হট্টমালার দেশে কিছু লোক লোটেপুটে খাক সেই ভালো।

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



বাংলাদেশে শ্রমি সংগঠন করেছিলেন পাকিস্তানী ও বাংলাদেশে আমলে চৌধুরী হারুনুর রশীদ। শেখ সাহেব ক্ষমতা পাবার পর, ক্যা: মনসুর আলী শ্রমমন্ত্রী হয়ে, ওদেরকে পিঠায়ে চাকুরী ছাড়া করে, শ্রমিক লীগ বানায়েছিলো।

৯| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫০

অনল চৌধুরী বলেছেন: পলিথিনের ব্যাগ পরিবেশ ধ্বংসকারী বিবেচিত হওয়ায় সারা পৃথিবীতেই পাটের ব্যবহার বাড়ছে।
সেখানে পাটকল বন্ধ করে লাভ না ক্ষতি হলো ?

বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়ে এগুলি চালু রাখলে দেশেরই ভালো হতো।

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



শেখ হাসিনা অবশেষে বেগম জিয়ার পথ ধরেছেন; বেগম জিয়ার মতো উনারও বদনাম হবে।

১০| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৪

শাহ আজিজ বলেছেন: এই শ্রমিকদের বিষয়টি আমার মাথায় ঘুরছিল ঠিক একই ভাবে যে তাদের অংশীদারি করে কর্মক্ষম রাখা । এরা পুরাতন মেশিন চালাতে জানে তাই নতুন মেশিনে তেমন অসুবিধা হত না । যাদের মিলগুলোর মালিকানা দেওয়া হবে তাদের নতুন শ্রমিক নিয়োগের প্রস্তাবনায় কি ধরনের উল্লেখ থাকবে বলে আমলারা প্রস্তাব করেছেন । সব ধোঁয়াশা অস্পষ্ট । তবে এরা মেশিনারিজ এর নামে ব্যাঙ্ক ঋণ নেবে এবং পূর্বতনদের অনুসরন করবে এটা নিশ্চিত । একটি মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকটকে সামনে রেখে আরও কিছু দক্ষ লোককে পথে বসিয়ে দেয়ার অদ্ভুত আচরন মোটেই সমর্থনযোগ্য নয় ।

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১০:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:


সঠিক, যেই ৫০০০ কোটী উনি দিচ্ছেন, তার অর্ধেক দিয়ে ওদেরকে শেয়ার দিয়ে, সেই টাকাকে "নতুন মুলধন" হিসেবে দিলে; ওরাই ইহাকে চালিয়ে রাখতো।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে, কিছু মানুষ দেশের সরকারের সাথে থেকে দেশের সকল সুযোগ ও সম্পদ দখল করেই চলছে, এরা রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসার নামে ডাকাতী করে চলেছে; এই প্যাটার্ণ ৪৮ বছর চলছে।
ওরাই আবার এই জুটমিলগুলোর দখল নিচ্ছে।

১১| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ৮:২১

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: ক্ষমতায় থাকলে অনেক কিছু চোখে পড়ে না, বিশেষ করে দরিদ্রদের চোখেই পড়ে না! প্রমানিত!

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১০:১৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


এখনকার রাষ্ট্র অনেক কমপ্লেক্স, অনেকের মগজে ঢুকে না; তারপরও তারা বড় পদ ধরে রাখতে সক্ষম।

১২| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১০:২৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: চাঁদগাজী,



এককথায় এতো চমৎকার করে বলা একটি কর্মসংস্থান আর শিল্পকে টিকিয়ে রাখার রাস্তা আর দ্বিতীয়টি নেই।

"শেখ হাসিনা করোনার মাঝে ৫০০০ কোটী টাকা দিয়ে ২৫০০০ শ্রমিককে এভাবে বরখাস্ত না করে, রাস্তায় না নামিয়ে, এই টাকা দিয়ে, শ্রমিকদিগকে কারখানার ৫০ ভাগ শেয়ার দিয়ে, প্রতিটি কারখানাকে আলাদা ইউনিট হিসেবে চালু করলে, শ্রমিকেরা নিজ দায়িত্ব নিজের কারখানাকে লাভজনক করতো। "

এই সহজ ও দূরদর্শী পরিকল্পনা কেন যে আমাদের নেতা-নেত্রীদের মাথায় আসেনা !!!!!!!!!!!!!

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


এই ব্যাপারটা আপনার কাছে, আমার কাছে সহজ লাগছে; কারন, আমরা নিরপেক্ষভাবে ভাবছি; শেখ হাসিনা এসব ভাবার স্তরে আছেন কিনা বলা মুশকিল।

১৩| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১০:২৮

শাহ আজিজ বলেছেন: ২০১৯ সালে চীনারা এসেছিল প্রস্তাব নিয়ে কারখানা চালানোর । তারা ৫ গুন বেশি উৎপাদনের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল । কিন্তু তাদের জাতভাই বামরা কোন মদত করেনি । একটি সিলেটী অনলাইন পত্রিকা থেকে কালই জানলাম। চীনেদের পাট ছিল না । ৯২ সাল থেকে দক্ষিনাঞ্চলে তারা পাট উতপাদন করে এখন পৃথিবীতে তৃতীয় বৃহত্তম পাট উৎপাদনকারী দেশ । ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখব ব্লগে ।

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৩৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশে বাম তো ছিলো না কোনদিন, মেনন, পেনন, ইত্যাদিরা চোর-ডাকাত।

এসব নিয়ে লিখুন; জাতিতে প্রতিদিন মানুষ বাড়ছে, মানুষের বুদ্ধি প্রতিদিন কমে আসছে। করোনার পর, ইহা যাযাবরের দেশ হবে।

১৪| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৩০

শাহ আজিজ বলেছেন: Click This Link

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৩৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


"সাহেব বাজারের" পুরোতা দেখায়নি কোন কারণে।

১৫| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৪৩

শাহ আজিজ বলেছেন: চেক করলাম , ব্লক

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৪৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


আচ্ছা

১৬| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৪৭

শাহ আজিজ বলেছেন: সাহেব-বাজার ডেস্ক: অবৈধ আয়ের সুযোগ না থাকায় পাটকল ও পাটশিল্পের উন্নয়নে চীনের দেওয়া লাভজনক প্রস্তাব আমলারা গ্রহণ করেননি বলে দাবি করেছেন দেশের প্রবীণ শ্রমিকনেতা বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের (টিইউসি) সভাপতি শহিদুল্লাহ চৌধুরী।

গত রোববার (২৯ জুন) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের ২৪ হাজার ৮৮৬ জন শ্রমিককে গোল্ডেন হ্যান্ডশেক দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ দাবি করেন।

‘গোল্ডেন হ্যান্ডশেক’ হচ্ছে স্থায়ী কোনো শ্রমিককে মজুরি কমিশন অনুযায়ী সব পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া।

শ্রমিকনেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ২০১৯ সালে সরকারের আমন্ত্রণে চীনের ডেলিগেটরা আমাদের পাটকলগুলো পরিদর্শন করে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তারা বলেছিলেন, তোমরা যদি পাটকলের পুরনো যন্ত্রগুলো ফেলে দাও, তাহলে আমরা আধুনিক যন্ত্র দিয়ে সাজিয়ে দেব।

এর ফলে উৎপাদন তিনগুণ বেশি হবে। উৎপাদন বাড়লে এটা বাজারজাতকরণের জন্য বাংলাদেশকে চিন্তা করতে হবে না। মোট উৎপাদনের ৬০ ভাগ আমরা চীনের বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করে দেব। বাকি ৪০ ভাগ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করা যাবে।

তিনি বলেন, উৎপাদন বাড়লে পটশিল্পও ধারাবাহিকভাবে আরও উন্নত হওয়ার দিকেই যেত। কিন্তু দেশের আমলারা এই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি। কারণ ওই প্রক্রিয়ার মধ্যে আমলাদের উপরি ইনকামের কোনো পথ ছিল না। রাজি হলে চীনারাই সব করে দিত। তাই দেশের পাটশিল্পের উন্নয়নে চীনের এই প্রস্তাব তাদের পছন্দ হয়নি।

পাটকলগুলো বন্ধ হলে তার প্রভাব কী হতে পারে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, করোনা মহামারির কারণে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিপর্যস্ত। সে কারণে দেশের অনেক শিল্পকারখানা বন্ধ হতে পারে। এটা কোনো মালিকের দোষ না, পরিস্থিতিগত কারণে এটা হবে। দেশীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে এখনই মানুষের ক্রয় ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে গেছে। ক্রয় ক্ষমতা কমার কারণে চাহিদাও কমে গেছে।

সুতরাং আমাদের দেশের রপ্তানি যা ছিল, তা হাজার চেষ্টা করলেও থাকবে না। তাই উৎপাদন করলেও ক্রেতার অভাবে বিক্রি হবে না। দেশের বিভিন্ন শিল্প থেকে প্রায় ২০ থেকে ৩০ লাখ লোক বেকার হয়ে পড়বে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার নিজেই যখন শ্রমিক ছাঁটাই করবে, তখন সরকার কি কোনো মালিককে বলতে পারবে যে তোমরা মিল ফ্যাক্টরি বন্ধ করোনা? মালিককে এ কথা বলার নৈতিক অধিকার কি তখন সরকারের থাকবে? সরকার যখন ছাঁটাই করবে তখন বেসরকারি মালিকদেরও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের হিড়িক লেগে যাবে।

তিনি বলেন, আমাদের ১ কোটি ২০ লাখ শিল্প শ্রমিক আছে। কোনো কারণে যদি শ্রমিক অসন্তোষ বা ক্ষোভ দেখা দেয়, তাহলে তা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। শ্রমিক ছাঁটাই সরকারের জন্য মারাত্মক একটা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। দেশের শিল্প বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের অর্থনীতি বলতে আর কিছু থাকে না। আমাদের রপ্তানি ও রেমিট্যান্স কমে যাবে। এর সাথে আমাদের জাতীয় শিল্পও যদি অচল হয়, তাহলে দেশ যেভাবে এগিয়ে ছিল, আবারও পিছিয়ে যাবে।

প্রবীণ শ্রমিকনেতা সরকারের সিদ্ধান্তে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সরকারের এই অপরিপক্ক এবং দায়িত্বহীন সিদ্ধান্ত দুঃখজনক। পাটকল শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের সিদ্ধান্ত অবাস্তব এবং অনুপোযুক্ত। এই সিদ্ধান্ত মারাত্মকভাবে দেশের বর্তমান সংকটকে আরও বাড়িয়ে দেবে। এই কর্মসূচির ফলে দেশ এবং সরকার কারও কোনো উপকার হবে না ক্ষতি ছাড়া।

এসবি/ইটি

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১১:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:


যারা শ্রমিকদের বাদ দিয়ে জুটমিলগুলোকে বন্ধ করছে, তাদের প্ল্যান আছে, তারা কোন একভাবে এগুলোকে দখল করবে। হয়তো, চীনাদের নিয়ে আসবে; তবে , অন্য মালিকানার অধীনে।

এই মিলগুলো বন্ধ করে, শুধু যায়গাটা দখল করলে, এদের টাকা রাখার যায়গা হবে না। ভয়ংকর কিছু একটা ষড়যন্ত্র আছে পেছনে।

১৭| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১২:৫৯

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: মগজ খাটিয়ে সমাধান করার মানসিকতা কোনো কালে বাঙালীর ছিল না। ক্ষমতায় থাকলে তো প্রশ্নই আসে না।

০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


এরা সমান্তবাদের সময়ের মানুষজন আধুনিক দেশের ক্ষমতায় বসে আছেন।

১৮| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ২:৩৩

সাফকাত আজিজ বলেছেন: যে দেশে পাটের জিনম আবিস্কারের মাধ্যমে পরিবেশ বান্ধব পলিথিন উৎপাদিত হয়, এক সময়কার পৃথিবীর সর্ববৃহদ পাটকল ছিল সেই দেশেও যদি এই অবস্থা হয় তবে সত্যি চিন্তার বিষয়...

০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৩:১৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



চিন্তার বিষয়, প্রাইম মিনিষ্টার কি মানুষের দায়িত্ব নিয়েছেন, নাকি ঠগীদের নেত্রী হয়ে গেছেন?

১৯| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ ভোর ৪:০৬

আমি সাজিদ বলেছেন: আপনার পাঁচ নাম্বার কমেন্টের রিপ্লাই, নূরুলহক সাহেবের আট নাম্বার কমেন্ট এবং শাহ আজিজ সাহেবের ষোল নাম্বার কমেন্টেই সব ধারনা পরিষ্কার হয়ে যায় এক কথায়।

০৫ ই জুলাই, ২০২০ ভোর ৬:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



সাধারণ মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে দেয়ার আগে মাথা ঘামানোর দরকার ছিল; দুষ্ট ধনীরা সবই দখল করে নিয়েছে, বাকীদের জন্য কিছুই রাখতে রাজী নয় এরা

২০| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১০:২১

সত্যপীরবাবা বলেছেন: @লেখক,
ব্যুরোক্রেটরা শেখ হাসিনাকে অবশেষে বেগম জিয়া বানায়ে ছাড়লো?
আপনাও কি ব্লগার হাসান কালবৈশাখীর মত "'আপাকে ভুল বোঝানো হয়েছে" দলের? ব্যুরোক্রেটরা বুঝালো আর উনিও বোতলে ডুডু খাওয়া নান্না মুন্না তিনমাসের শিশুর মত বুঝলেন? স্বীদ্ধান্ত যা নেয়ার তিনিই নেন, ব্যুরোক্রেটদের বুদ্ধির ধার ধারেন না।

০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



দল, প্রশাসন, ব্যুরোক্রেটরা আজকাল বড়বড় সিদ্ধান্ত "আপা"র উপর ছেড়ে দেয়; কিন্তু বাংলাদেশের ব্যুরোক্রটরা ঘুরায়ে ফিরায়ে দেশকে নিজেদের হাতে রাখে; আপার উপর সিদ্ধান্ত ছেড়ে দেয়ার আগে খিচুড়ি তৈরি করে, যা আপা খেয়ে বসে থাকেন।

২১| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:১০

রাজীব নুর বলেছেন: শেখ হাসিনা বা খালেদা জিয়া এবং রাজনীতিবিদরা আসলে একই রকম। যদিও তাদের দল ভিন্ন ভিন্ন।

আপনি জানেন ফালু এখন হাজী সাহেব সেজেছেন? দাড়ি রেখে জুব্বা পড়ে।

০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৩৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশে একটা শ্রেণী তৈরি হয়েছে, যাদের কোন দলীয় পরিচয় দরকার হয় না; এরা ক্ষমতাসীনদের কাছাকাছি থেকে সব সম্পদ ও সুযোগ নিজেদের কন্ট্রোলে রাখে।

২২| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:৪৫

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আদমজীতে ৬৫ হাজার শ্রমিক ছিল না। নেটের তথ্য অনুযায়ী ২৫০০০-এর মত ছিল। যাই হোক, আদমজী বন্ধ করে ভুল কিছু করেনি সরকার। কারণ, ওখানে এখন ইপিজেড হয়েছে এবং অনেক প্রতিষ্ঠান সেখানে ভাল ব্যবসা করছে। অনেকের কর্মসংস্থান হয়েছে। শ্রমিকদের চাকুরি চলে যাওয়ার ঘটনা যে কোন প্রতিষ্ঠানেই হতে পারে। এক প্রতিষ্ঠানে মৃত্যু পর্যন্ত থাকতে হবে এমন কোন কথা নেই...
লোকসানী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করাই ভাল। তবে কথা হচ্ছে, আদমজী বন্ধ করাতে যেই আওয়ামী লীগ, মিডিয়া, বুদ্ধিজীবি গং বিএনপি'র এত সমালোচনা করল, তাদের আমলে ২৫ টা কারখানা বন্ধ করার পরও তেমন উচ্চবাচ্য নেই। এখানেই দলকানা বুদ্ধিজীবি, মিডিয়া, রাজনীতিবিদদের আসল পরিচয় প্রকাশ পেল...

০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৪২

চাঁদগাজী বলেছেন:


২৬ জুট মিল বন্ধ করেছে আওয়ামী লীগ, কেহ টু শব্দও করেনি, এতে বুঝা যাচ্ছে যে, আওয়ামী লীগ আর আওয়ামী লীগ নেই। আদমজীতে ইপিজেড হওয়ার ফলে, যেই কলকারখানাগুলো হয়েছে, সেগুলো কি রাষ্ট্রীয় মালিকানায় হয়েছে? রাষৎ্রীয় মালিকানা যখন প্রাইভেটের হাতে গেছে, ওসব প্রাইভেট কারা? কোন সাধারণ মানউষ সেখানে চান্স পেয়েছে?

২৩| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:৩৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

শাহ আজিজ ভাইয়ের প্রত্যাবর্তনে দারুন
খুশী হয়েছি। আশা করি এখন থেকে তিনি
নিয়মিত থাকবেন আমাদের সাথে।

০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৪৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


ভালো

২৪| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৩২

মেঘশুভ্রনীল বলেছেন: যে কোন ধরনের ম্যানেজমেন্টে মনিটরিং ও ইভালুয়েশন জিনিষটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে কাজে চেক এন্ড ব্যালান্স থাকে। কোন অংশটা বা কোন কর্মী দক্ষ বা দুর্বল সেটা সহজেই বের করে ফেলা যায়। দুঃখজনক হলেও সত্যি বাংলাদেশে এরকম ব্যবস্থা কার্যত নেই বললেই চলে।

দুপুরে রান্না কি হবে সেই সিদ্ধান্ত প্রতিদিন-ই যদি একজন সিইও নেন, তাহলে বুঝতে হবে হয় তার কোন কাজ নেই অথবা অন্যরা অথর্ব। কোম্পানিতে অথর্ব লোক জায়গা দিলে লসও হবে, সিইও'র দক্ষতার দুর্নামও হবে।

০৬ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৩:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশ সরকারের যারা চাকুরী করে, তারা কোন কিছুর দায়িত্ব নেয় না, বা বুঝে না; এমনিতে এদের কমনসেন্স খুবই কম। দেশের অর্থনীতি ও মানুষের চাকুরীর সাথে জড়িত একটা শিল্পে কি করে ৪৪ বছর লোকসান হয়, এবং সেখানে বিশাল ম্যানেজমেনট টিম ছিলো! আসলে, শেখ হাসিনা ওখানে ইডিয়ট ও ডাকাতদের লংগরখানা খুলে বসেছিলেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.