নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

...

চিকন আলি

“First they came for the communists, and I did not speak out— because I was not a communist; Then they came for the socialists, and I did not speak out— because I was not a socialist; Then they came for the trade unionists, and I did not speak out— because I was not a trade unionist; Then they came for the Jews, and I did not speak out— because I was not a Jew; Then they came for me— and there was no one left to speak out for me.” ― Martin Niemöller

চিকন আলি › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাঙালি জাতির উদ্ভব

২৭ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩২

বাঙালি জাতির নৃতাত্বিক পরিচয় বেশ জটিল.। এই জটিলতার মূল দিক হল রক্ত সাঙ্কর্যের আধিক্য, অর্থাৎ বিভিন্ন জাতির মিশ্রনের ফসল আজকের এই বাঙালি জাতি। অতি উর্বর প্রান্তর হবার কারনে পৃথিবীর উষ্ণ প্রান্তর হতে মানুষ এই অঞ্চলে বসবাসকারি জাতিকে বিজিত করে বসতি গড়ে তোলে। এই ইতিহাস হাজার বছরের.।



আর্যদের আগমনের পূর্বে এই অঞ্চলে যারা ছিল অনার্য বা দ্রাবিড় জাতি, এরা মেসোপটেমিয়া হতে বঙ্গদেশে অধিবাসী হয় ।



১৩শতকে রচিত 'বৃহদ্ধর্মপুরাণে' বাঙালি জাতিকে ৩৬ ভাগে দেখানো হয়েছে। আধুনিককালে নৃতাত্বিক রিজলি, রাম প্রসাদ চন্দ্র, বিরাজশঙ্কর গুহ বাঙালি জাতির নাক-কান-চোখ-ঠোট পর্যবেক্ষন করে বাঙালি জাতির শ্রেনী বিভাগ করেন।



তাদের মতে বাঙালি জাতিতে নেগ্রিটো, আদি অষ্ট্রেলীয়(ভেড্ডিড) ও মঙ্গোলীয় জাতির মিশ্রনের আধিক্য রয়েছে। যা শতকরা হিসাবে, ৬০ভাগ অষ্ট্রেলীয়(ভেড্ডিড), ২০ভাগ মঙ্গোলীয়, ১৫ভাগ নেগ্রিটো আর বাকি ৫ভাগে নানান জাতির মিশ্রন ঘটেছে।





নিষাদ, কোল, ভিন্ডা, মুন্ডা, সাঁওতাল, শবর, মাল, পুলিঙ্গ এরা স্বল্প সংকর আদি অষ্ট্রেলীয়(ভেড্ডিড)। আর কিরাত, রাজবংশী, নাগা, মেচ, কুকি , চাকমা, আরকানী এরা সংকর মঙ্গোলীয়। মালব, শক, কুলিব,গৌড়, হূনন, কুলিক, লাট, এরা আরব, ইরানি , হাবসি, গ্রীক, তুর্কি আফগান, পর্তুগীজ, ওলান্দাজ এদের মিশ্রন।



বৈদিক যুগের শেষে বাংলাদেশে আর্যদের আগমন ঘটে। এদের শাসন ছিল খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ হতে খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০সাল পর্যন্ত। খ্রিষ্টয় ৮ম শতকে আরবরা ইসলামের প্রচার ও ব্যবসা বানিজ্যের কাজে এদেশে আসে। হাবসিরা যারা নেগ্রিটো রক্তবাহী তরাও এসময় আসে।





এভাবে দেড় হাজার বছর অনুশীলন, গ্রহন, বর্জন ও রুপান্তরকরনের মাধ্যমে বাঙালির জনজীবন গড়ে উঠে। এবং চারিএক বৈশিষ্ট্যও পায় ভিন্নতা।

তাই বাঙালি জাতিই পৃথিবীতে অধিক সংকারায়িত জাতি।



বাঙালি জাতি প্রসঙ্গে তাই ড. নীহাররঞ্জন রায় বলেছেন " দৈনন্দিন জীবনে যৌথ অনাচার, নির্লজ্জ কাম পরায়নতা, মেরুদন্ঢীন ব্যাক্তিত্ব, বিশ্বাসঘাতকতা, রুচিতারল্য এবং

অলংকারের বিস্তার।"


















মন্তব্য ৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫১

বিপ্লব কান্তি বলেছেন: হুম ....

২৭ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৬

চিকন আলি বলেছেন: হুমমম...

২| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০২

পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন: সম্ভবত কথাডা নীহাররঞ্জন কয় নাই, কইসে নীরদ সি চৌধুরী।

এইসব ব্রিটিশ শিক্ষার গর্ভস্রাবের বাইপ্রোডাক্ট নীরদ সি চৌধুরীদের বকবক শোননের টাইম নাইক্কা। ব্রিটিশগো পা চাটতেই তাগো একজীবন পার হইয়া গেছে।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৯

চিকন আলি বলেছেন: পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন: সম্ভবত কথাডা নীহাররঞ্জন কয় নাই, কইসে নীরদ সি চৌধুরী।


সম্ভবত কেন....? মানে আপনে জানেন না.........।

কনফারম হলে সোর্স দেন, খুশি হমু।
ভুলতো মানুষেরই হয়..... :D :D

৩| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২১

নেটপোকা বলেছেন: কন কী আপনে, বাঙ্গালি জাতির জন্ম হয়েছে তো ১৯৭১ সালে! জন্ম দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর সেজন্যই তাঁকে বাঙ্গালি জাতির জনক বলা হয়।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৬

চিকন আলি বলেছেন: শেখ মুজিবুর রহমান, হাচিনার জনক.....। ওনারা , যারা শেখ মুজিবুরকে বাঙ্গালি জাতির জনক বলে তারা বাঙ্গালি আসল কিনা দেখতে হবে....।

৪| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১১

ছোটমির্জা বলেছেন: এভাবে দেড় হাজার বছর অনুশীলন, গ্রহন, বর্জন ও রুপান্তরকরনের মাধ্যমে বাঙালির জনজীবন গড়ে উঠে। এবং চারিএক বৈশিষ্ট্যও পায় ভিন্নতা।
তাই বাঙালি জাতিই পৃথিবীতে অধিক সংকারায়িত জাতি।
.....................ভালা পোস্ট।
জানা হল।
তয় শেষের কথাডা মান্তে কস্ট হয়।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৫

চিকন আলি বলেছেন: এটা আমি বলি নাই...।

কষ্ট তো আমারও হয় ভাই। :( :( :(

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.