| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কিছুদিন আগে আমি একটি ভয়েস চ্যাটিং সাইটে যাই। অনেক মানুষের সাথে পরিচত হই। একটা ছেলের সাথে ইমোতে পাঁচদিন আমার কথা হয়। এমন না, তার সাথে আমার প্রেম বা অন্য কিছু। ফ্রেন্ডলি রিলেশন ছিল। আমি তাকে দেখিনি। ওই সাইটে তার যেসব ছবি ছিল সেগুলো সবই পেছন থেকে দেওয়া ছিল। একদিন সে আমাকে বলল, তোমার প্রোফাইলে তোমার ছবি দাও। এরপর সে ওটার স্ক্রিনশট নিয়ে আরেকটা ছেলেকে দেয়। সেই ছেলে আবার আমার ছবি প্রোফাইলে নিয়ে ঘুরতে থাকে। আমি তখন বুঝিনি এটা তার গুটিবাজি। দুইদিন পর দেখি, ওই সাইটেরই একটা ফেইসবুক পেইজ আছে যেটায় আমার পার্মিশন ছাড়াই আমার ছবি দেওয়া হয়। আমি খুবই ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে ওই চ্যাটের সাইটে যাওয়া ছেড়ে দেই। এরপর একদিন ওই ছেলে আমাকে ফোন দিয়ে জানতে চায় আসছি না কেন, ছবির জন্য আসছি না শুনে বলল, ও এই ব্যাপার ছবি সরিয়ে দিচ্ছি। সে ছবি সরিয়ে দিল। কিছুদিন পর সে চ্যাটের ওই সাইটে লোকজন ভরা রুমে ফ্লার্ট করতে লাগল কিন্তু আমি পাত্তা না দেওয়ায় সে আমার ছবিটা ওখানে আবার দিয়ে দেয়। ওখানে খুবই নোংরা কন্টেন্ট আছে আর সাথে অনেক মেয়ের ছবি,গালিগালাজ করে। সে ওই পেইজের এডমিন। সে ছাড়াও আরো কয়েকজন এডমিন আছে ওই পেইজে। এখানে সব শেষ হতে পারত, কিন্তু শেষ হয়নি। সে আমাকে ওই সাইটে গালিগালাজ করে আজেবাজে। খুবই অসহায় বোধ করি। আমি আইনি প্রক্রিয়ায় এই ছেলেকে উচিত শিক্ষা দিতে চাই। সেটা কি সম্ভব? লোকমুখে শুনেছি, সে ওই সাইটের এক মেয়ের সাথে প্রেম করে লাইভ ভিডিও সেক্স চ্যাট করে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এটার কি কোন সমাধান আছে? কি করব? পুলিশ কমপ্লেইন করলে ওখানকার কয়টা মানুষ আসবে জানিনা কিন্তু এই ছেলের উপযুক্ত শাস্তির প্রয়োজন। কেউ কি হেল্প করতে পারবেন? আমার কাছে তার ইনফরমেশন বলতে আছে একটা ফোন নাম্বার আর সে নিজেকে খুবই পাওয়ারফুল ফ্যামিলির ছেলে দাবী করে। বড় মগবাজারে তাদের ফ্যামিলিকে নাকি এক নামে সবাই চেনে। কিন্তু কি বললে চিনবে সেটা সে বলেনি। সে আরো বলে ঢাকা কলেজে পড়ার তার যোগ্যতা ছিল না। কিন্তু ওইখানে তাদের অনেক দোকানপাট আছে, তাই সুপারিশেই সে ভর্তি হতে পেরেছে। এখন বলুন আমি কি করতে পারি? আমার নাহয় একটা ছবিই গেছে ওখানে কিন্তু কত মেয়েকে ব্ল্যাকমেইল করে যে সে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তার কি কিছুই হবেনা?? পুলিশ আমাকে কতটুকু হেল্প করবে?
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৮ রাত ১:৫৪
রাকু হাসান বলেছেন: আপনি ডিজিটাল আইনে ৩২ ধারায় মামলা করতে পারেন ,যদি সুবিচার পান তাহলে --
৩২ ধারায় বলা হয়েছে, ‘‘যদি কোনও ব্যক্তি বে-আইনি প্রবেশের মাধ্যমে কোনও সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা সংবিধিবদ্ধ কোনও সংস্থার কোনও ধরনের অতি গোপনীয় বা গোপনীয় তথ্য-উপাত্ত, কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনও ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে ধারণ, প্রেরণ বা সংরক্ষণ করেন বা করতে সহায়তা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে কম্পিউটার বা ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ৷''
এভাবে কম লোক ই আপনাকে সাহায্য করার সুযোগ পাবে ,অনেকেই দেখবে না ,আপনার পোস্ট ,তাই আমি বলবো ,আপনার পোস্ট গুণি ব্লগারদের দিয়ে পড়ান ,আরও ভাল ভাল পরামর্শ পেতে পারেন ,গুণি ব্লগার তাদের ,লেখা ,পড়ে সুন্দর একটি গঠনমূলক করে ,অনুরোধ করলেন ,পড়ার জন্য ,কমেন্ট এ আপনার লিংকটি দিয়ে দিলেন , এভাবে পরামর্শ পেতে পারেন ,আপনার সমস্যা টি জটিল ,শুভকামনা থাকলো ,,