| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোঃ ফরিদুল ইসলাম
জন্ম- ১৯৮৭ খ্রিঃ চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলাধীন ২নং বাকিলা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের লোধপাড়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। পিতার নাম মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মাতার নাম ফাতেমা বেগম।
হায় নারী
আজ কি সং সেজেছিস তুই ফ্যাশনের নামে?
নিজেকে বিকিয়েছিস আধুনিকতার দামে
মাথা থেকে পা পর্যন্ত
নিজেকে বদলে ফেলতে ছিল না তোর
চেষ্টার কোন অন্ত।
দূর থেকে যায় না বোঝা হেঁটে যাচ্ছে কে
কে বলে দেবে পেছন থেকে এটা ছেলে না মেয়ে
অথচ আজ কত সাধ করে
বেলি মালা গেঁথে এনেছিল প্রেমিক যে তোর
পরাবে বলে খোঁপায়
সামনে এসে হোঁচট খেল একি?
না পেল বেণী না পেল খোঁপা,
বয়কাট করে আসা চুল
দেখল তোর মাথায়।
হায় নারী
পুস্পের রেনু মাখার কথা ছিল তোর ঠোঁটে
লিপিষ্টিকের লাল কালো রেখা সেথা কিছু জোটে
ঢেকে রাখার কথা ছিল স্তনদুটি শাড়ির আঁচলেতে
আজ অর্ধেক খুলে রাখিস, অর্ধেক বাধিস কভু কাঁচুলিতে
কোমরের দোলায় দুলিয়ে দিস পৃথিবী যেন
হায়, নাভী বের করা আজ এ ফ্যাশন কেন?
কাপড়ের টুকরো দুটি হলেই চলে যায় তোর
পারলে নেংটা ঘুরিস, থাকুক সামনে আপন কিবা পর
একটিতে বাধা থাকে কোনমতে বুক
আরেকটি ঢেকে রাখে জঙ্ঘার মুখ
উরুদুটি যেন কলাগাছ, বের হয়ে থাকে
দেখুক না লোকে তাতে কিবা আসে
হায় নারী
দেহের পসরা আজ দিয়েছিস খুলে
চোখের পর্দাটুকুও আজ গিয়েছিস ভুলে।
হায় মানবী
প্রলুব্ধ নগ্নতায় মেলে ধরেছিস আজ নিজেই নিজেকে
আকর্ষণ করতে মানব কিছুকে
কামনার মায়াজালে
লাজ লজ্জা হায়া শরম সব বিসর্জন দিয়ে
নগ্নতাকে পুঁজি করে খুলে ধরেছিস নিজেকে
শরীর দেখাতে
দিয়েছিস তাদের ভোগের আমন্ত্রন
ঈশ্বর কি বা ছাই ফিরিয়ে দেবে এই কামনার নিমন্ত্রন
লোভ লালসার হা করা পশুরা ঘুরছে তাই তোকে কেন্দ্র করে
কামনার কালো জিহ্বা বের করে দিয়ে
চারিধার ধরে
তোকে ঘিরে, আজ তোকেই ঘিরে
স্বল্প বসনে দিয়েছিস নিজেই তাদের ভোগের অধিকার
হোক না ধর্ষনের নামে শারীরিক অনাচার
বোধ বুদ্ধিহীন হয়ে গেছে আজ মানব সকল
পুরুষ মাত্রেই যে দাস, বাসনা কামনার
শুধু তোরই জন্য হায় নারী
আজ তোর নগ্নতার জন্য।
২|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৮:২৫
Akasher tara বলেছেন: ফিতনাতুন নিসা,পর্ব —০১
পৃথিবীতে একজন পুরুষের জন্য সবচেয়ে বড় ফিতনা এবং পরিক্ষার জায়গা হলো নারী।নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম নিজেও নারীদের ফিতনা থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাইতেন,এবং বলেছেন,"আমি নারীদের ফিতনার চেয়ে বড় কোনো ফিতনা উম্মতের জন্য রেখে যাচ্ছিনা।"
অর্থাৎ নবীজির (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের)তিরোধানের পর পৃথিবীতে নারীদের ফিতনার থেকে বড় কোনো ফিতনা নেই।এই ফিতনা থেকে যেই পুরুষ বেঁচে গেলো সে বড়ই সৌভাগ্যবান।সঠিক সময়ে বিয়ে না করলে কেউ এই ফিতনা থেকে বাচতে পারেনা,এবং বাঁচা সহজও না।
কুদৃষ্টি
নারীদের ফিতনার একটি বড় শাখা হলো কুদৃষ্টি।কুদৃষ্টি শয়তানের বিষাক্ত তীর।দৃষ্টি থেকেই যাবতীয় অনিষ্টের সূচনা হয়,এবং দৃষ্টির হেফাজতের দ্বারা অন্তর পবিত্র হয়।অপাত্রে দৃষ্টি নিক্ষেপের দ্বারা অন্তর নোংরা হয়ে থাকে।এবং নোংরা অন্তরে আল্লাহর নূর অথবা মারিফাতের আলো প্রবেশ করতে পারেনা।
এক আরিফ বলেন,যে ব্যাক্তি দৃষ্টির হেফাজত করবে, আল্লাহ তাকে বিশেষ বেলায়েতের নূর দান করবেন (যা সকলের ভাগ্যে জুটেনা।)
উক্ত আরিফের কথাটা প্রত্যেক সালিকের জন্য গভীর অর্থপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ।
কুদৃষ্টি থেকে বাঁচার উপায়
কুদৃষ্টি থেকে বাঁচা খুব সহজ ব্যাপার নয়,আবার অসম্ভব ব্যাপারও নয়।একটু হিম্মত এবং সাহস করলেই এই গুনাহ থেকে বাঁচা যায়।
উপায় —০১
কুদৃষ্টির ক্ষতি এবং কুদৃষ্টি না দেওয়ার উপকার চিন্তা করবে।
হাদিসে পাকের এই বানী মনে করবে যেখানে বলা হয়েছে, "যে ব্যাক্তি আল্লাহর ভয়ে দৃষ্টিকে নামিয়ে নিবে,সে এমন ইমান লাভ করবে যার পরিতৃপ্তি বা স্বাদ সে অন্তরে লাভ করবে।"(মুস্তাদরাক আল হাকিম)
অপরদিকে কুদৃষ্টি দিলে এই মহা নেয়ামত থেকে বঞ্চিত হতে হবে,বিপরিতে কিছু ক্ষতি এবং গুনাহ আমলনামায় জমা হবে।এবং আজাব গজবের উপযোগী হতে হবে।
উপায় —০২
চিন্তা করবে এখানে দৃষ্টি দিলে কামনার আগুন অবশ্যই জ্বলে উঠতে পারে,অথচ তাকে আমি পাবোনা, হুদাই জ্বলে পুরে অন্তর ক্ষতির মধ্যে পড়ার আশংকা রয়েছে,তাছাড়া আল্লাহর অসন্তুুষ্টিও এর মধ্যে নিহিত রয়েছে,সামান্য একটু হিম্মত করলেই আমি এই অসন্তোষ থেকে বেঁচে যেতে পারি,এতে আমার তেমন কোনো ক্ষতি হবেনা কিন্তু বড় ধরনের লাভ হবে।সুতরাং এখানে আমি দৃষ্টি দিবোনা।
এমন অনেক মুর্খ আছে,যারা মেয়েদের দিকে তাকায় এবং বলে আমাদের মন পবিত্র থাকে,এদের ব্যপারটা কেমন?
তারা মূলত সালিক নয়,অথবা নামাজি নয়।হতে পারে মেয়েেদের দিকে তাকাকে তাকাতে তাদের অনুভূতি লোপ পেয়েছে,এবং কামনা জাগ্রত হয়না।সাধারনত সালিক এবং নামাজিদের পেছনে শয়তান হানা দেয়,এবং এদের কামনা অত্যাধিক প্রবল এবং শক্তিশালী থাকে।
তাহলে উক্ত মুর্খদের কথা একেবারে ফেলে দেওয়া যায়না।তারা আংশিক সত্য বলেছে।তারা মূলত মেয়েদের দিকে তাকানোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে কিছু মনে করেনা।তারা মনে করেনা যে এতে আমাদের শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
প্রিয় পাঠক আমার আলোচনা থেকে এটা ভাববেননা যে তাদের জন্য মেয়েদের দিকে তাকানো জায়েজ।কামনা জাগ্রত হোক বা না হোক সর্বাবস্তাই একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের জন্য পরনারীর দিকে দৃষ্টি দেওয়া হারাম এবং নাজায়েজ।কুরআন মাজিদে যেহেতু কোনো শর্ত দেওয়া হয়নি।অর্থাৎ এটা বলা হয়নি যে আপনার কামনা জাগ্রত না হলে তাকাতে পারবেন।
আল্লাহ তায়ালার থেকে নফস সম্পর্কে জ্ঞানী অন্য কেউ হতে পারেনা।তিনিই নারীদেরকে পরপুরুষের সাথে কোমল কন্ঠে কথা বলতে নিষেদ করেছেন।
নফস সম্পর্কে জ্ঞানী আরিফ যারা তারা জানে নফস কতবেশি শক্তিশালী এবং বেপরোয়া।একে যদি লাগামহীন ছেড়ে দেওয়া হয়,তাহলে এই নফস রুহ অথবা কল্বের যে পরিমান ক্ষতি করবে,একটি ক্ষুদার্থ বাঘকে বকরিপালের মধ্যে ছেড়ে দিলে উক্ত বাঘ সেই পরিমান ক্ষতি করতে পারবেনা।সুতরাং নফসকে লাগাম পরানো প্রত্যেক বুদ্ধিমানের ই মৌলিক কাজ।
সাবধান! এই নফস এবং শয়তান মানুষকে জাহান্নামে না নেওয়া পর্যন্ত পিছু ছাড়ে না।
৩|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৮:৩৪
বাজ ৩ বলেছেন: সুন্দর কবিতা
৪|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:০০
রাজীব নুর বলেছেন: কবিতা পাঠ করলাম।
৫|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:২৫
নিমো বলেছেন: তা ভাইজান, অন্যর কলাগাছে বদ নজর না দিয়ে, নিজের কলাটা বরং সামলে রাখুন। কাজে দিবে।
৬|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:৫১
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।
৭|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:৫৯
বাজ ৩ বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।
৮|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:৩৩
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: কিছু মানুষের চুলকানি এখানেই দেখেছেন। ইসলামের বিধি নিষেধ মানেই চুলকানি। আল্লাহ হিদায়াত দান করুন। পর্দা নাই বা করল, কিন্তু শালীনভাবেও চলাফেরা করে না ঢাকার কুলাঙ্গার কিছু মেয়ে, অসভ্য এগুলা
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৬:২৬
কলাবাগান১ বলেছেন: আপনাদের মননে, চিন্তায় সারাক্ষন নারীর উরু, নাভী..শরীর নিয়ে অনুররন তাই সবাইকে গড় পড়তায় একই ভাবে উপস্হাপন করেন...আপনার বনর্না মতে রাস্তায় কয়টা নারীকে দেখা যায় এমন অর্ধ নগ্ন অবস্হায়? ৯৯.৯% এর বেশী বোরকা, হিজাব, শালীন পোশাক পড়েই চলাফেরা করতে দেখি....বরাহশাবক লোক জনে দেশ ভর্তি