নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্য তথ্য জানতে ও জানাতে চাই

মোঃ ফরিদুল ইসলাম

জন্ম- ১৯৮৭ খ্রিঃ চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলাধীন ২নং বাকিলা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের লোধপাড়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। পিতার নাম মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মাতার নাম ফাতেমা বেগম।

মোঃ ফরিদুল ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

কি ভয়ংকর হিসাব!!!

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩০

*ভয়ংকর হিসাব*
আপনি ঘুমাচ্ছেন,
কিন্তু আমলের ফেরেশতা আপনার আমলনামায় গুনাহ লিখে যাচ্ছে।
আপনি নামাজ পড়ছেন, আমল করছেন,
তাও ফেরেশতা আপনার আমলনামায় গুনাহ লিখে যাচ্ছে।
আপনি খাচ্ছেন, পড়াশোনা করছেন কিংবা চুপচাপ বসে আছেন,
তবুও আপনার আমলনামায় গুনাহ লিখা হচ্ছে।
কিন্তু কেন???
অপরাধটা কি???
কারণ আপনি এখন কিছু না করলেও অনেকগুলো নন-মাহররমের চোখ আপনার ফেসবুকে আপলোড দেওয়া ছবি দেখে যাচ্ছে।
আপনার TikTok, Likee তে আপলোড করা ভিডিও দেখে যাচ্ছে।
যখনই কেউ একজন আপনার ছবি-ভিডিও দেখছে, আমলের ফেরেশতা আপনার আমলনামায় গুনাহ লিখে দিচ্ছেন।
আপনি যদি মারাও যান তবুও আমলের ফেরেশতা আপনার আমলনামায় গুনাহ লিখেই যাবেন।
সহজ কথায় ছবি-ভিডিওগুলো আপনার জন্য গুনাহে জারিয়া হিসেবে কাজ করছে।
আবার আপনি হয়তো কোন গান কিংবা মুভির লিংক শেয়ার করেছেন,
আপনার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে যতজন সেটা শুনেছে কিংবা দেখেছে সমপরিমাণ গুনাহ আপনার একাউন্টেও জমা হয়ে গেছে।
প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মানুষকে নেক কাজের দাওয়াত দেবে সে ওই লোকদের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে; যারা তার দাওয়াত পেয়ে নেক কাজ করবে অথচ তাদের সাওয়াবের সামান্যও হ্রাস পাবে না।
অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি মানুষকে গুনাহের কাজের দাওয়াত দেবে সে ওই লোকদের সমপরিমাণ গুনাহ পাবে, যারা তার দাওয়াত পেয়ে গুনাহের কাজ করবে। অথচ তাদের গুনাহ হ্রাস পাবে না।’
(মুসলিম, হাদিস : ৬৯৮০)
লাখ লাখ মানুষকে জাহান্নামি বানাচ্ছে- Facebook, Tikতok, Likee তে যারা সস্তা সেলিব্রিটি হওয়ার আশায় নেচে-গেয়ে ভিডিও আপলোড করেন, তাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই ...
আপনি মারাও গেলেও কিন্তু ইন্টারনেটে আপনার ভিডিওগুলো থেকে যাবে। তখন যত মানুষ এই ভিডিওগুলো দেখবে কবরে আপনাদের আযাব ততই বাড়তে থাকবে!
সুতরাং এখনই ভেবে দেখুন, হারাম ভিডিও কি আরো বানাবেন?
নাকি আযাব হতে বাঁচতে সব হারাম ভিডিও ডিলিট করে দিবেন?
যে কোনো মূহুর্তে মালাকুল মউত (আজরাইল আঃ) আপনার সামনে হাজির হয়ে যাবে।
তখন কিন্তু খুব বেশি দেরি হয়ে যাবে...
অন্য দিকে কেউ হয়তো এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে অন্যদের দ্বীনের দাওয়াত দিচ্ছে, শিক্ষামূলক পোস্ট দিচ্ছে, কুরআন-হাদীসের কথা শেয়ার করছে কিংবা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আমল শেয়ার করছে। তাদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একদম উল্টো হতে থাকবে।
যতজনই তাদের মাধ্যমে কোনভাবে উপকৃত হচ্ছে কিংবা নতুন কিছু শিখে আমল করছে, অটোমেটিকেলি তাদের একাউন্টেও সমপরিমাণ নেকি সাওয়াব জমা হয়ে যাচ্ছে। কি সুন্দর হিসাব সুবহানাল্লাহ!
মৃত্যুর পরও তাদের এসব কাজ তাদের জন্য সদকায়ে জারিয়া হিসেবে কাজ করবে, তাদের কবর হবে শান্তিময়। ইনশা'আল্লাহ।
আচ্ছা আমরা কি চাইব এমন কিছু দুনিয়াতে করে যেতে, যা কিনা মৃত্যুর পর কবরে আমাদের কষ্ট-আযাব প্রতিনিয়ত বাড়িয়ে দিবে?
নাকি আমরা এমন কিছু রেখে যেতে চাইব, যা প্রতিনিয়ত আমাদের নেকির পাল্লা ভারি করে দিয়ে আমাদের কবরটাকে শান্তিময় করতে থাকবে?
সিদ্ধান্তটা কিন্তু নিজের।
আল্লাহ তাআলা সবাইকে বোঝার তাওফিক দান করুন। আমিন‌!!!

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: @ফরিদুল ইসলাম ভাই,চমৎকার একটি পোস্ট লিখেছেন

২| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪৬

সূচরিতা সেন বলেছেন: অনেক সুন্দর একটা লেখা।

৩| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৩১

শ্রাবণধারা বলেছেন: ফেসবুকের লেখা ফেসবুকেই শেয়ার করলে বেশি সওয়াব হবে। সেটা নিজের নামে ব্লগে চালিয়ে দিলে লেখা চুরির দায়ে ইহকাল এবং পরকাল দুইকালেই শাস্তি হওয়ার সম্ভবনা থাকে!

৪| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: হুম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.