নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শব্দকবিতা : শব্দেই দৃশ্য, শব্দেই অনুভূতি [email protected]

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই

দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার ইতিহাস সৃষ্টিকারী সাড়াজাগানো উপন্যাস \'সুন্দরী ব্লগার অপি আক্তার\'-এর ইতিবৃত্ত

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ১:২৩

সুন্দরী ব্লগার অপি আক্তারকে নিয়ে একটা উপন্যাস লিখেছিলাম, যেটি বাংলা একাডেমীর একুশে বইমেলা ২১২১-এ প্রকাশিত হয়েছিল।



পাঠকের জ্ঞাতার্থে ব্লগার অপি আক্তার সম্পর্কে যৎসামান্য উপক্রমণিকা দিতে হচ্ছে। ২১০৯ সালের ২১ জুন তারিখে সামহোয়্যারইন ব্লগে অপি আক্তার নিকনেইম ধারণ করে তিনি রেজিস্ট্রেশন করেন। দীর্ঘ এক যুগেরও অধিককাল সময়ে তিনি একটি মাত্র পোস্ট লিখেছেন, যেটি রেজিস্ট্রেশনের দিনই পাবলিশ করা হয়। খুব ছোট্ট কিন্তু এই ঐতিহাসিক পোস্টটিও সহৃদয় পাঠকের অবগতির জন্য নিম্নে কপি-পেস্ট করা হলো :

সবাইকে শুভেচ্ছা
২১ শে জুন, ২১০৯ রাত ১১:১০

আমি ব্লগে নতুন। কিছু লিখতে পারবো কিনা জানি না। লেখার মতো মাথা নেই। তবে পড়বো। আর লেখার চেষ্টা করবো। সবাইকে আবার শুভেচ্ছা। সবাই ভাল থাকবেন ।

পোস্টটি ২২,৭৯৩ বার পঠিত; তাতে ১১৭টি লাইক পড়েছে এবং ৯৩টি শেয়ার হয়েছে। এ পোস্টে তিনি ১৪১৮টি মন্তব্য পেয়েছেন, এবং ৬২০টি কমেন্টের উত্তর দিয়েছেন। তিনি অন্য ব্লগারদের পোস্টে ৩৩৬টি কমেন্ট করেছেন।

ব্লগার নোমান নমি’র ০৯ ই জানুয়ারি, ২১১৫ রাত ৩:০৩ ঘটিকায় প্রকাশিত ‘আমার ব্লগাব্লগি’ শীর্ষক পোস্টে তিনি সর্বশেষ ৪৯ নম্বর কমেন্টটি করেছিলেন :

৪৯. ০৬ ই এপ্রিল, ২১১৫ দুপুর ১:৪৯
অপি আক্তার বলেছেন: অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা ।
১৫ ই জুলাই, ২১১৫ রাত ১২:৪৩
লেখক নোমান নমি বলেছেন: আমার ব্লগে আপনার মন্তব্য বিশেষ কিছু। আমার ব্লগ জীবনের একটা অর্জন। আফসোস মন্তব্যটা এতদিন পর দেখলাম

২১ জুন ২১০৯ তারিখে রাত ১১:১০-এ অপি আক্তারের পোস্টটি পাবলিশ হওয়ার পর একই তারিখে ১১:১৬-তে প্রথম কমেন্টটি করেছিলেন গায়ক ব্লগার পাপন :

পাপন : আপনিও ভালো থাকবেন।
জবাবে ২৬ মিনিট পর অপি আক্তার নরম করে লিখলেন : আচ্ছা।

৬ নাম্বার কমেন্টে ব্লগার শয়তান হন্তারক বলেছেন: লিখতে লিখতে লেখক, গাইতে গাইতে গায়েন আর মারতে মারতে মার্ডারার।

শয়তান হন্তারকের কমেন্টের জবাবে অপি আক্তার বলেছেন: ভাল লিখেছেন।
লিখতে লিখতে লেখক, গাইতে গাইতে গায়েন আর মারতে মারতে মার্ডারার।
ধন্যবাদ ।


জীবনে তার মতো ভাগ্যবান আর কেউ নাই, যারা ব্লগার অপি আক্তারের পোস্টে কমেন্ট করতে পেরেছেন।
এদের চাইতেও ভাগ্যবান ব্যক্তি হলেন তারা, যারা অপি আক্তারের পোস্টে কমেন্টের রিপ্লাই পেয়েছেন।
কিন্তু, তারাই কেবল বলতে পারেন, তাদের মানব-জন্ম, আই মিন ব্লগিং জীবন সার্থক, যাদের পোস্টে স্বয়ং অপি আক্তার কমেন্ট করেছেন।

--

ডিজিটাল যুগে যা হয়, বই প্রকাশের আগেই ব্লগ, ফেইসবুক, টুইটারসহ ইউটিউবে এর উপর সচিত্র প্রমোশনাল ভিডিও পাবলিশ করা হলো। প্রথম দিকে এগুলোর ভিউসংখ্যা ছিল স্বাভাবিক। এবং এ বই খুব প্রচার পাবে, ভাইরাল হবে সুন্দরী ব্লগার অপি আক্তারের ছবিসহ আমার বইয়ের কভারটি, সে নিয়ে মনের মধ্যে সূক্ষ্ম একটুখানি বাসনা থাকলেও তা কোনোদিন মুখে প্রকাশ করি নি। বইটি যাতে ভাইরাল হয়, তার জন্য আমি অবশ্য একটু কৌশলের আশ্রয় নিয়ে ছিলাম। নিন্দুকেরা এটাকে ‘কৌশল’ না বলে ‘চাতুর্য’ আখ্যা দিতে পারেন, আমার নৈতিকতার প্রতি কটাক্ষ করে।

ফেইসবুকে বা ব্লগে সুন্দরী যুবতীর আকর্ষণীয় প্রোফাইল পিক্শ্চার দেখে কে না আকর্ষিত ও ধাবিত হয়ে থাকে তার দিকে? বইয়ের মলাটেও যদি অপরূপা কোনো যুবতীর খুনি চোখের চাহনিভরা ভুবনমোহিনী অবয়বখানি জুড়ে দেয়া যায়, তাহলে সে বইয়ের কাটতি এমন হবে যে, প্রতিদিনই একটা নতুন সংস্করণ বের করার প্রয়োজন পড়বে।

অপি আক্তার সতিই খুব সুন্দরী। তার প্রোফাইল পিক্শ্চারে সেই যে তিনি ১৮-১৯ বছরে ব্লগে ঢুকেছিলেন, আজও সেই লাবণ্যময় ১৮-১৯শেই পড়ে আছেন। আমি কভার পেইজের জন্য তার এই প্রোফাইল পিক্শ্চারটাই বেছে নিলাম।

কভার পেইজের জন্য বিশেষ কোনো কষ্ট করতে হলো না। বিশিষ্ট চিত্রকর, প্রাবন্ধিক ও গল্পকার, আর্নল্ড শোয়ার্জনেগারের মতো ড্যাশিং হিরো টাইপ ব্লগার ও ব্লগ অ্যাডমিনিস্ট্রের বাস্তবিক_ভালোবাসাকে সবিনয় অনুরোধ করার পর তিনি এটাকে যথাযথ এডিটিঙের পর কভার পেইজ হিসাবে রেডি করে দিলেন।

কভার পেইজ ছাপা হবার পর ঝকঝকে ছবি দেখে আমি বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে গিয়েছিলাম। সাক্ষাৎ অপ্‌সরা। এখন বাজারে ভিউকার্ড পাওয়া যায় কিনা জানি না; কিন্তু কৈশোর ও তারুণ্যে দেশখ্যাত ও বিশ্ববিখ্যাত সুন্দরী সেলিব্রেটিদের অনেক ভিউকার্ড দেখেছি; ওগুলো কিনেছি; পড়ার টেবিলে গ্লাসের নীচে, কখনো বা শৌখিন ফটোফ্রেমে অলিভিয়া, ববিতা, শ্রীদেবী, মাধুরী, জয়াপ্রদা’র ভিউকার্ড থরে থরে সাজিয়ে রেখেছি। বই খুলে পড়ার দিকে না তাকিয়ে তাদের চেহারার দিকে তাকিয়ে থেকেছি; বইয়ের পাতায়ও তাদের চোখ-ঝলসানো রূপ ভেসে থাকতো সারাক্ষণ। সেইদিন কোথায় গেল!! আর কি ফিরে পাব স্বর্ণালি রূপালি সেই দিন!!

আরেন্নাহ! আরো উজ্জ্বল দিন যাচ্ছে এখন। অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, এলিজাবেথ টেলর, টাইটানিক সুন্দরী কেট উইন্সলেট, নাতালি পাতালি, আরো কত নাম, অড্রে হেপবার্ন, জেনিফার লোপেজ, শাকিরা, এলিজি – তখন কি আমরা এই সুন্দরীদের দেখেছি? এখন তো গুগুল মামিকে বলামাত্রই মুহূর্তে সামনে এনে হাজির করে সবাইকে। যা চাই, তা পাই। তাতে কোনো ভুল নাই।

বইমেলা শুরুর সপ্তম দিনে, এক ছুটির শুক্রবার বিকেল ৪টায় বইমেলার নজরুল মঞ্চে আমার বিখ্যাত উপন্যাস ‘অপি আক্তার’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হলো। একজন ব্লগারের নামে উপন্যাসটি হওয়ায়, এবং আমি নিজে একজন ব্লগার হওয়ায় স্বভাবতই ব্লগারদেরকে সেখানে সবান্ধব/সবান্ধবী
আমন্ত্রণ জানানো হলো। এ নিয়ে ব্লগে একটা ‘আমন্ত্রণ পোস্ট – ‘অপি আক্তার’ উপন্যাসের মোড়ক উন্মোচন শীর্ষক একটা পোস্ট লেখা হলে ব্লগ অথোরিটি অত্যন্ত সদয় হয়ে সেটি সাড়ে তিন দিনের জন্য স্টিকি করেছিল, যাতে প্রায় শতেক দেড়শ কমেন্ট পড়ে। অনেক ব্লগারই উচ্ছ্বসিত, বইটি কিনতে চান বলে উল্লেখ করলেন। ব্লগের ফেইসবুক গ্রুপে একটা পোস্ট লেখা হলে সেটাতে আরো বেশি সাড়া পাওয়া গিয়েছিল। মোড়ক উন্মোচনের দিন আমাদের দোহারের বিশ্ববিখ্যাত রসগোল্লা ও কালাইয়ের আমিত্তি আনার পরিকল্পনা ছিল আগে থেকেই। ব্লগারদের মধ্যে এত বেশি সাড়া পড়তে দেখে আমি একটু ভড়কে গেলাম – উপস্থিতির সংখ্যা বেশি হয়ে গেলে তো রসগোল্লা আর আমিত্তি কম পড়ে যাবে। কীয়েক্টাবিদিকিচ্ছিরাবস্থায় পড়ে গেলে যাচ্ছেতাইশরমংকটাবস্থার সৃষ্টি হবে। ‘যা থাকে কপালে’ বলে ১০ কেজি রসগোল্লা আর ৮ কেজি আমিত্তি আনিয়েছিলাম- এক্কেবারে ফ্রেশ, আমার এক শ্যালক চুলার পাশে দাঁড়িয়ে থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করেছে। সুদৃশ্য মোড়কে মোড়ানো 'সুন্দরী ব্লগার অপি আক্তার' উপন্যাসের বান্ডিলগুলো একপাশে এক টেবিলের উপর, আরেকপাশে অন্য একটা টেবিলের উপর ১৮ কেজি রসগোল্লা ও আমিত্তির মনোহরী ১৮টি প্যাকেট সাজানো ছিল; এতে পুরো অনুষ্ঠানস্থলটি বেজায় উৎসবমুখর দেখাচ্ছিল।

যথাসময়ে মোড়ক উন্মোচন করা হলো। আমি ব্যক্তিগতভাবে মোবাইল করে ব্লগার খায়রুল আহসান, ড: এম এ আলী, আহমেদ জী এস, ঠাকুর মাহমুদ, কলাবরিষ্ঠা শায়মা হক, জুল ভার্ন, শাহ আজিজ ভাই, ম্যাভেরিক ওরফে মামুন অর রশিদ ভাই, কানাডা-ফেরত সোহানী আপা, নীল আকাশ, সাড়ে চুয়াত্তর, মনিরা সুলতানা আর বইমেলা উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়া থেকে ৩৩ দিনের ছুটিতে আসা ডলি আপা ওরফে মিডলকে আমন্ত্রণ করেছিলাম। আমার ধারণা ছিল, সর্বকালের সেরা এই হাই-প্রোফাইল ব্লগারগণ আমার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে হয়ত আসবেন না। কিন্তু আমার ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে তারা সবাই যথাসময়ের অনেক আগেই মোড়ক উন্মোচন মঞ্চে এসে উপস্থিত হলেন। তাদের উপস্থিতি আমাকে উদ্বেলিত করলো। কিন্তু ব্লগার রাজীব নুর, স্বপ্নবাজ সৌরভ, মরুভূমির জলদস্যু, মডেলহান্টার গোফরান ভাই, অপু তানভীর, মফিজ ভুইয়া, আখেনাটেন, পদ্মপুকুর, কামাল৮০ ভাই, নূর মোহাম্মদ নূরু ভাই, ফাতেমা ছবি আপা, আমার দেশের জুন আপা ও সেলিম আনোয়ার ভাইয়ের উপস্থিতি আমাকে আরো বেশি আনন্দ দিল। দুই ‘শূন্য’, সাবেক নিশাত ও বর্তমান ভার্চুয়াল তাসনিম, সৈয়দ মশিউর রহমান, পুরাতন ও নতুন নকিব, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ভাই আসবেন, এটাও আমার ধারণার অতীত ছিল। তাদের মোবাইল নাম্বার না থাকায় ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারি নি। যোগাযোগ করলেও তারা যে ব্লগ ছেড়ে অফলাইন মঞ্চে আসবেন, সেটাও একটা সুদূরপরাহত সম্ভাবনা ছিল। তাদের দেখে আমি আনন্দে গদগদ হয়ে উঠলাম।

অনন্যসাধারণ এ ঘটনাটি আমাকে বিস্ময়াভিভূত করলো – যখন দেখলাম সুদূর কলকাতা থেকে পদাতিক চৌধুরী ভাই এসে হাস্যোজ্বল মুখে আমার সামনে দাঁড়িয়ে মিটিমিটি হাসছেন- তার দিকে চোখ পড়তেই সামনে এগিয়ে এসে বুকে বুক মিলিয়ে বললেন, কেমন আছেন, সোনাভাই? আনন্দে কিছুক্ষণ আমার মুখে কোনো কথা ফুটলো না।
কিন্তু, আমার জন্য আরো বড়ো বিস্ময় অপেক্ষা করছিল। এক সুপুরুষ, সৌম্য চেহারার সুদর্শন, প্রেমিক বাবনিক, সমস্ত অবয়বে ঝলমলে হাসি ছড়িয়ে সুমধুর ছন্দে চরণ ফেলে এগিয়ে আসছিলেন। আমি যেন উড়ে গিয়ে তার সাথে বুক মেলালাম। আপনি কীভাবে এলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধের আগুন পেরিয়ে? শেরজা তপন ভাই তার লেখার মতোই ঝরঝরে হাসির ঝরনা ছেড়ে দিয়ে বললেন, সোনা ভাই, আপনার বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হবে, আর আমি তাতে শামিল হবো না, তা কি কখনো হতে পারে?



বাস্তবিক_ভালোবাসা ভাইয়াকে বিনীত অনুরোধ করেছিলাম, মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করার জন্য। তিনি তাতে সদয় সম্মতি দিয়েছিলেন। তার সুগ্রন্থিত, সাবলীল, ক্ষুরধার ও টু দ্য পয়েন্ট কমেন্টগুলোর মতোই সুস্পষ্ট, স্বতঃস্ফূর্ত ও সপ্রতিভ বাচনভঙ্গি ও বাগ্মিতায় উপস্থিত অডিয়েন্স সর্বদাই মুগ্ধ ও প্রীত। যে-কোনো অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত করে তোলার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে তার।

তবে, সব মিলিয়ে ২৫-৩০ জন ব্লগার উপস্থিত হলেন। ব্লগারদের বাইরে আমার কয়েকজন শ্যালক-শ্যালিকা, তদীয় স্ত্রী ও স্বামীবর্গ, আমার কয়েকজন বন্ধুবান্ধব উপস্থিত হলো। যত বড়ো জমায়েত হবে বলে ভেবেছিলাম, তত বড়ো হলো না ঠিক, কিন্তু ব্লগারদের ওজন বা শ্রেষ্ঠত্বের কথা চিন্তা করলে বলা যায়, পুরো ব্লগই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন।

মহাসমারোহে, অতি ধুমধাম করে মোড়ক উন্মোচন শেষ হলে বইয়ের বান্ডিল খুলে একে একে সবার হাতে একটা করে বই দিতে লাগলাম। শ’ খানেক বই এনেছি মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে সৌজন্য কপি হিসাবে গিফট করার জন্য। সব ব্লগারের হাতে বই পৌঁছে দেয়ার মহান দায়িত্বটি হাতে তুলে নিলেন মেধাবী ব্লগার আর ইউ আর জনপ্রিয় ব্লগার রাজীব নুর। তারা একে একে ৩৭জন ব্লগার ও ১১ জন অন্যান্য অতিথির মধ্যে বইটি গিফট করলেন।

এরপরই রসগোল্লা ও আমিত্তি খাওয়ার পালা। আমার শ্যালক-শ্যালিকার সাথে মাইদুল ভাই যুক্ত হলেন রসগোল্লা আপ্যায়নে। আমি কৈশোর ও তারুণ্যে সহজেই ১০-১২টা আমিত্তি, রসগোল্লা, খেজুর বা বালুশাই খেতে পারতাম। অনেকে হয়ত আশ্চর্য হবেন, কিন্তু আমাদের এলাকায় পাটের মৌসুমে পাট বিক্রি করে রসগোল্লা খাওয়ার একটা চল ছিল, তাতে অনেকের কথাই শুনতাম, মাত্র দুই বা আড়াই সের রসগোল্লা খেয়েছে, এবং পাট বিক্রির প্রায় পুরো টাকাই চলে গেছে রসগোল্লা খেতে। আমাদের সামাদ মাদবর চাচার ছোটো ছেলে আবুল কালাম ১০-১২ বছর বয়সে এক বসায় আড়াই সের রসগোল্লা খেয়ে ফেলতো। আমার ঘনিষ্ঠতম ক্লাসমেট জসীম একবার বাজি ধরে আমাকে আমিত্তি খাওয়ানো শুরু করলো; আমি ১ সের খেতে পারি নি, ২ ছটাক কম ছিল, অর্থাৎ ১৪ ছটাক খেতে পেরেছিলাম। এরপর জসীমকে দেখলে ভয় পেতাম। ও যদি এবার প্ল্যান করে আমাকে আড়াই সের রসগোল্লা খাওয়ানোর অ্যাটেম্পট নেয়, তাইলে আমাকে খাটে করে জয়পাড়া বাজার থেকে বাড়িতে আনতে হবে।

কিন্তু মিষ্টি খাওয়ায় অতিথিদের পারফরমেন্স দেখে আমি অত্যন্ত মর্মাহত ও হতাশ হলাম। অনেকেই মিষ্টি খেলেন না; যারা খেলেন, তাদের কেউ কেউ মাত্র এক টুকরো করে খেলেন, কেউ কেউ আমিত্তির এক অংশ ভেঙে মুখে দিলেন। যিনি মিষ্টির বিরাট খাদক বলে নিজেকে প্রচার করেন, সেই বিখ্যাত জুল ভার্ন ভাই দেড়খানা রসগোল্লা আর আধখানা আমিত্তি খেয়ে মুখে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে বললেন, ‘অসাধারণ! অসাধারণ! সৈয়দ মুজ্‌তবা আলীর রসগোল্লা তো জয়পাড়ার রসগোল্লার কাছে কিছুই না দেখছি। আফসোস, তিনি এই রসগোল্লা খান নাই, খেলে তার গল্পটা আরো বেশি ‘সুস্বাদু’ হতো’।

সবাইকে খাওয়ানোর পরও ১৮ কেজি রসগোল্লা ও আমিত্তি থেকে পুরো ১৬টি প্যাকেটই আস্ত পড়ে রইল আমাদের সামনে। বইয়ের বান্ডিলের চাইতে তিনগুণ উঁচু হয়ে আছে মিষ্টির প্যাকেটের স্তূপ। আগের দিনে যে-কোনো উপলক্ষ পেলেই মানুষকে মিষ্টি মুখ করানো হতো। কিন্তু, আজকাল ডায়াবেটিস ও অন্যান্য কারণে মানুষ এত বেশি সচেতন যে, মিষ্টি মুখ করার তেজ ও আগ্রহ আর আগের মতো নেই। সবাই ঝাল মুখ চান; কেউ কেউ পারেন তো তিনবেলাই না খেয়ে থাকতে চান। আমি মনে মনে প্রিয় কবি সেলিম আনোয়ার ভাইকে খুঁজছিলাম; এই অঢেল মিষ্টি পরিস্থিতির মধ্যে তিনি কিছু মিষ্টি খেয়ে নিলে সারপ্লাসের পরিমাণটা কমতো। আমি গভীর দুঃখভারাক্রান্ত চোখে মিষ্টিগুলোর দিকে তাকিয়ে আছি - হায়, এগুলো কি এতই দুর্ভাগা, কারো উদরে এদের ঠাঁই মিলছে না! আহা! আমার জয়পাড়ার বিশ্ববিখ্যাত রসগোল্লারা না জানি মনে কত বেদনা ও আকুতি নিয়ে প্যাকেটের ভেতর ডুকরে ডুকরে কাঁদছে এখন!

'কী ভাবছেন, সোনাভাই!' ডানদিকে তাকিয়ে দেখি স্বপ্নবাজ সৌরভ।
'মিষ্টি নিয়া ভাবছেন? কোনো সমস্যা নাই। আমরা এগুলো এখনোই ডিসপোজ অফ করছি।' এ তো দেখি মাইন্ডরিডারও বটে! তিনি পাশে ঘুরে সাসুম আর রানা ভাইয়ের সাথে নীচু স্বরে কী যেন আলোচনা করলেন। মুহূর্তের মধ্যে ৭-৮ জনে একটা-দুটা করে প্যাকেট নিয়ে বের হয়ে গেলেন। ঘণ্টাখানেক পরেই ফিরে এসে বললেন, মিষ্টি কোনোদিন বেশি হয় নাকি? বইমেলার প্রত্যেকটা স্টলে মিষ্টি খাওয়াইছি, আর বইয়ের বিজ্ঞাপন দিয়েছি। এক কামে দুই কাম সারা - মিষ্টিও শেষ, বইয়েরও প্রচার হইল। আমি তো অবাক। এ বুদ্ধি নিশ্চয়ই সাসুম ভাইয়ের ছিল!



‘জটিলবাদ! জটিলবাদ!’

জটলার এক কোনা থেকে কে যেন মিষ্টি মধুর স্বরে কথাটা বলে উঠলেন। সবাই একযোগে সেদিকে তাকাতেই জটিল ভাই বলে উঠলেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। তারপর বলা নেই কওয়া নেই, গান গেয়ে উঠলেন – সোনাভাই আপনে আমারে করলেন যে দিওয়ানা …… আমি গানের মাঝখানে ফাঁক পেয়ে বললাম, ইয়ে জটিল ভাই, আমার নাম না নিয়ে গাইলে হয় না? একটু থেমে চোখ পিটপিট করে তাকালেন, আমিও যেভাবে হঠাৎ কোনো নতুন বুদ্ধি মাথায় এলে ভাবে পুলকিত হয়ে উঠি। ‘ইউরেকা’ বলেই তিনি তার লেখা ও আমার সুর করা গানটা গেয়ে উঠলেন… গান শেষে সবাই হাততালি দিতে থাকলো অনেকক্ষণ। আবেগে বেশি জোরে হাততালি দিতে যেয়ে ডলি আপা তার হাতের তালু ফাডাইয়া ফালাইলেন। ঢুকিচেপা তাড়াতাড়ি একটা রুমাল দিয়ে সেই হাত-ফাডার রক্ত বন্ধ করলেন।

অনেক গসিপ হলো এরপর। কেউ কেউ প্রকাশকের স্টলে জড়ো হলেন; কেউ কেউ ছোটো ছোটো দলে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়ালেন। ব্লগারদের একটা মিলনমেলা যেন। এর মাঝে আরো কয়েকজন ব্লগার এসে যোগ দিয়েছেন, বইও নিয়েছেন। প্রামানিক ভাই আর 'কী যে করি ভেবে না পাই' সুর করে কোরাসে ছড়া কাটছিলেন। শাহাদাৎ উদরাজী ভাই নায়িকাদের মতো সুশ্রী ভাবীকে নিয়ে এসেছেন, এবং তিনি নারকেল দিয়ে স্যুপ ও লাউয়ের খাট্টা বানানোর রেসিপি বর্ণনা করছিলেন, কয়েকজন প্রমীলা ব্লগার খুব আগ্রহ নিয়ে সেই রেসিপি শুনছিলেন।

একটা ছেলে টি-শার্ট পরা, মাঝখানে সুন্দরী মেয়ের ছবি আঁকা, ঠোঁটজোড়া পুরো ও চওড়া, ছবিটা কিছুটা অ্যাডাল্ট হলেও দারুণ আর্টিস্টিক। বলুন তো, এ কবির নাম কী? হতে পারেন রূপক বিধৌত সাধু, হতে পারেন বিজন রায়, কিংবা স্প্যানকড। আপনারাই বলুন, তিনি কে! এটুকু ক্লু দিই, তিনি আলমগীর সরকার লিটন, কিংবা ইসিয়াক ভাই নন!

সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে বিদায়ের জন্য আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি। স্টলে দু-তিনজন ব্লগার বসা ছিলেন। বাকিরা যে যার মতো ঘোরাঘুরি শেষ করে চলে গেছেন। আমি গোটা দশেক বইয়ের একটা বান্ডিল হাতে নিয়ে উপস্থিত ব্লগারদের কাছে শেষ শুভেচ্ছা জানাতে হাত বাড়ালাম। ডলি আপা বললেন, ওয়েট ধুলো, ইউ কা’ন্ট গো নাউ, ওয়েট ফর এ হোয়াইল।
হোয়াট! এইডা কোনো কথা অইলো! ওয়েট করবো কার লাইগ্যা? কেন, হোয়াই?
‘এই যে আমরা এসে গেছি সোনাবীজ ভাই।’ ঠাকুর মাহমুদ ভাইয়ের কণ্ঠ। পেছনে তাকিয়ে দেখি খায়রুল আহসান স্যার, ড: আলী ভাই, আহমেদ জী এস ভাইসহ প্রায় সব ব্লগার এসে জড়ো হয়েছেন।
খায়রুল আহসান স্যার বললেন, আমরা প্রত্যেকেই আপনার বইয়ের একটা করে কপি নিয়েছি। কেউ কেউ অবশ্য একাধিক কপিও নিয়েছেন। আমরা আপনার ‘সৌজন্য কপি’ই আনন্দের সাথে গ্রহণ করেছি। তবে, বইয়ের মূল্য নয়, আপনার বইটা ছাপাতে যা খরচ হয়েছে, সেই খরচের ক্ষুদ্র একটা অংশ নিজেদের মধ্যেও ভাগ করে নিচ্ছি। আমি জানি, এটার আদৌ কোনো প্রয়োজন নেই আপনার। কিন্তু আপনি এটা গ্রহণ করলে আমরা খুব সম্মানিত বোধ করবো, এবং আমরা একটা দায়িত্ব পালন করতে পেরেছি মনে করে খুব স্বস্তি বোধ করবো। তারপর তিনি একটা খাম আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, এটা একটা ধরুন প্লিজ। এখানে ১৫ হাজার টাকা আছে।
সত্যি বলছি, আমার এ টাকার কোনো প্রয়োজন নেই। বইগুলো ছাপাতে আমার ৩৫ হাজার টাকা খরচ গেছে। প্রকাশক নিয়মানুযায়ী প্রতি বইয়ের মূল্য ২১০ টাকা করতে চেয়েছিলেন, আমি মোটামুটি জোর করেই এর দাম ধরেছি ১২০ টাকা, যাতে বেশিরভাগ পাঠক বইটি কেনার সুযোগ পান। আমি আরো ৫-৭ হাজার টাকা খরচ করে বিভিন্ন পাঠক বা ব্লগার বা ফেইসবুক ফ্রেন্ডের কাছে সৌজন্যসংখ্যা পাঠাব। বিভিন্ন লাইব্রেরিতে পাঠাব। বই বিক্রি থেকে আমি কোনো রিটার্ন কখনোই আশা করি না। আল্লাহ আমাকে এতটুকু সামর্থ দিয়েছেন। কিন্তু সবার তো এ সামর্থ নেই! নিজের গাঁটের টাকা খরচ করে বই ছাপানোর পর বই বিক্রির রিটার্নের জন্য লেখকরা আকাশ সমান আকাঙ্ক্ষা বক্ষে ধারণ করে অপেক্ষা করতে থাকেন- ঠিক সেই সময়ে ব্লগারদের এরকম সম্মিলিত একটা প্রয়াস ঐ লেখকের বাসনা পূরণে ও মনোবল চাঙ্গা করতে কী পরিমাণ কাজে লাগবে, তা অনুধাবন করে ভক্তিতে এই ব্লগারদের প্রতি আমার মাথা নত হয়ে এলো, এবং আমার চোখ ভিজে যেতে থাকলো। সর্বাসাকুল্যে হয়ত ৫০টার মতো বই গিফট করা হয়েছে, ২০% কমিশন বাদে এগুলোর মূল্য ৫ হাজার টাকার মতো হয়; কিন্তু তারা আমাকে তিনগুণ টাকা বেশি দিচ্ছেন, ১৫ হাজার। নিশ্চয়ই এটা ব্লগারদের সম্মিলিত গোপন এবং মহৎ একটা পরিকল্পনার অংশ। আমার চোখ বেয়ে পানি পড়তে লাগলো ব্লগারদের এই বিরল ভালোবাসা ও আন্তরিকতা দেখে।

চলবে…

শুধু গেস করুন, পরের পর্বে কী হতে পারে!

মন্তব্য ৭০ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৭০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ১:৪৪

ককচক বলেছেন: ব্লগার অপি আক্তারের ইতিবৃত্ত পড়তে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ সকাল ১০:০৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: সুশ্রী ব্লগার অপি আক্তারকে নিয়ে উপন্যাস লিখতে পেরে আমিও নিজেকে ভাগ্যমান মনে করছি। আপনারা পড়ছেন, তাতে আমার আনন্দ অনেক বেশি। ধন্যবাদ ককচক।

ইয়ে, আপনার নামটা উচ্চারণ করতে প্রথম দিকে আমার অনেক কষ্ট হচ্ছিল :) এখন ইজি হয়ে গেছে - কক ---- চক :)

২| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ২:০৭

সাসুম বলেছেন: অপি আক্তার লিজেন্ড আফার সেই বিখ্যত পোস্টে কমেন্ট রাখার সৌভাগ্য হয়েছিল। আমীন

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ সকাল ১০:০৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: তাহলে তো সেইদিন থেকেই আপনি ভাগ্যবানদের খাতায় নাম লিখিয়ে ফেলেছেন। অভিনন্দন সাসুম ভাইকে

৩| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ২:০৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



১৮ কেজি রসগোল্লা ও আমিত্তি সবাইকে খাওয়ানোর পরও পুরো ১৬টি আস্ত প্যাকেট পড়ে রইল আমাদের সামনে। বইয়ের বান্ডিলের চাইতে তিনগুণ উঁচু হয়ে আছে মিষ্টির প্যাকেটের স্তূপ। কবিতার যাদুকর সেলিম আনোয়ার ভাইকে বেশী করে মিষ্টি খাওয়ানো দরকার ছিলো - তাহলে দুঃখের কবিতা ছেড়ে মিষ্টি মিষ্টি কবিতা লিখতেন।

যাইহোক আপনার বইয়ের জন্য শুভ কামনা ও অবশ্যই অবশ্যই মূল্য পরিশোধ বাবদ এক কপি বই।
বাই দ্য ওয়ে - বইয়ের ওজন কতো কিলো?



০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ সকাল ১০:৪৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কবিতার যাদুকর সেলিম আনোয়ার ভাইকে বেশী করে মিষ্টি খাওয়ানো দরকার ছিলো - তাহলে দুঃখের কবিতা ছেড়ে মিষ্টি মিষ্টি কবিতা লিখতেন।

হাহাহাহাহাহা। আগের দিনে যে-কোনো উপলক্ষ পেলেই মানুষকে মিষ্টি মুখ করানো হতো। কিন্তু, আজকাল ডায়াবেটিস ও অন্যান্য কারণে মানুষ এত বেশি সচেতন যে, মিষ্টি মুখ করার তেজ ও আগ্রহ আর আগের মতো নেই। সবাই ঝাল মুখ চান; কেউ কেউ পারেন তো না খেয়ে থাকতে চান :) তো, এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে প্রিয় কবি সেলিম ভাই কিছু মিষ্টি খেয়ে নিলে এত মিষ্টি সারপ্লাস হতো না :(

বইখানির ছাপা-মূল্য একশত বিশ টাকা মাত্র, যার ওজন শূন্য পয়েন্ট ওয়ান ফাইভ কেজি মাত্র :)

কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ প্রিয় ঠাকুর মাহমুদ ভাই।

৪| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ২:১৬

পাঠক০০৭ বলেছেন: সোনাবীজ ভাই, পুরানো দিনের কথা মনে করিয়ে দিলেন। সেই সময় ব্লগের খুব রমরমা দিন ছিলো। এই পোস্টে যারা কমেন্ট করে নি, তারা ব্লগার সার্টিফিকেট পাবে না।

এর পরের পর্বে আমি আমেরিকা হতে কিছু উপহার বগলদাবা করে সোজা এই অনুষ্ঠানে চলে আসব। B-) তব বিমানবন্দরের যে হ্যাসেল হয় শুনলাম, তাতে সময় মত পৌঁছাতে পারব কি জানি না।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৩:২৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এর পরের পর্বে আমি আমেরিকা হতে কিছু উপহার বগলদাবা করে সোজা এই অনুষ্ঠানে চলে আসব। B-) তব বিমানবন্দরের যে হ্যাসেল হয় শুনলাম, তাতে সময় মত পৌঁছাতে পারব কি জানি না।

হাহাহাহা। আপনার উপহার আমাদের অনুষ্ঠানের মান আরো উজ্জ্বল করবে। আপনাকে পরের পর্বে থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হলো।

বিমানবন্দরে তো আজকাল ডিজিটাল ক্লিয়ারেন্স হয় শুনেছি। মাত্র ৮-১০ মিনিট নাকি লাগে। আপনারও কোনো সমস্যা হবে না আশা রাখি। শুধু দেখবেন, গিফটগুলো যেন আমার মনের মতো হয় :)

আপনাকে খানিকটা নস্টালজিক করতে পেরে আনন্দিত। কমেন্টে ভালো লাগা। ধন্যবাদ নিন। এবং শুভেচ্ছা।

৫| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ২:২৫

সাসুম বলেছেন: বাই দা রাস্তাঃ আপ্নারা আবার সবাই আমাদের কক্সবাজার এর পরিবেশ বন্ধুরে ভুইলা যাইয়েন না, সোনাবীজ ভাই নেক্সট পর্বে পরিবেশ বন্ধু কে নিয়ে আসিয়েন প্লিজ।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৩:২৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: পরিবেশ বন্ধু ওরফে মাসুদ রানা ভাই এসব অনুষ্ঠানে অ্যাটেন্ড করার ব্যাপারে খুব উৎসাহী ছিলেন। তার সবান্ধবী উপস্থিতি খুব আনন্দদায়ক হবে। তার জন্য শুভকামনা। আপনার জন্যও।

৬| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ২:২৮

মেহেদি_হাসান. বলেছেন: বাহ্ দারুন লেগেছে, এরকম একটা মিলনমেলা হলে সামু ব্লগারদের জন্য ইতিহাস হয়ে থাকবে। কিন্তু এরকম হবে কখনো?

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৩:২৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এরকম নয়, এর চাইতেও আনন্দঘন অনেক মিলনমেলা হয়েছে অতীতে, বিশেষ করে ব্লগের প্রতিষ্ঠাদিবস উপলক্ষে, সচরাচর ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে, যেখানে আমন্ত্রিত দেশবরণ্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত থাকতেন। করোনার কারণে গত কয়েক বছর হয় নি। আগামীতে হবে আশা করি।

ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য।

৭| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ২:৩১

মেহেদি_হাসান. বলেছেন: আমি রসগোল্লা পছন্দ করি বইয়ের উপরে যে স্তুপ করা রসগোল্লা আর আমিত্তির প্যাকেট আছে ওগুলো আমি এসে গিলবো!

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৩:৩১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হাহাহাহাহাহা। "ওগুলো আমি এসে গিলবো!" কথাটায় খুব মজা পেয়েছি :) আমিও মিষ্টি খুব পছন্দ করি, কিন্তু বাঁধ সেধেছে ডায়াবেটিস। তবুও মাঝে মাঝে বেপরোয়া হয়ে যাই :)

ধন্যবাদ আবার আসার জন্য।

৮| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ২:৪২

পাঠক০০৭ বলেছেন: @সাসুমঃ পরিবেশ ভন্ডু কই??

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৩:৩৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমিও জানতে চাই, প্রিয় পরিবেশ বন্ধু ভাই কোথায়? হয়ত চাকরির কারণে অনেক ব্যস্ত, কিংবা লগিন পাসওয়ার্ড হারিয়ে ফেলেছেন। কে জানে, হয়ত ব্লগিঙেই তিনি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। তবু আশা রাখি, তিনি আবার ব্লগে ফিরবেন।

৯| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ ভোর ৪:০৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনি রসগোল্লা আর আমিত্তির হিসাবে গোঁজামিল দিয়েছেন। ১০ কেজি রসগোল্লা আর ৯ কেজি আমিত্তির অর্ডার দিয়েছেন। আপনার শ্যালক আবার সেটা পাহারা দিয়েছে। তার মধ্যে ১৮ কেজি সাবার করেছে ব্লগাররা। বাকি ১ কেজি থাকার কথা। কিন্তু আপনি হিসাব দিচ্ছেন ১৬ টা আস্ত প্যাকেট রয়ে গেছে। ১৬ প্যাকেটের ওজন ১ কেজি হতে পারে না। আবার বইয়ের স্তুপের চেয়ে ৩ গুণ পরিমান মিষ্টির প্যাকেটের কথা বলছেন।

মিষ্টির গল্পটা বিশ্বাস হচ্ছে না। সব ব্লগার যদি বলে খেয়েছি তবেই সত্যি বলে মেনে নেয়া যেতে পারে। আমার তো মন পড়ছে কিছু বাতাসা খেয়েছিলাম। :) নাকি যারা বই কিনেছে তাদের মিষ্টি আর বাকিদের বাতাসা খাইয়েছেন। :)

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৩:৫৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ৯ কেজি আমিত্তি, ওটা টাইপিং মিশটেখ ছেলো :) ওটা আসলে ৮ কেজি আমিত্তি ছিল। প্রতি প্যাকেটে ১ কেজি করে মিষ্টি ছিল। মোট ১৮ প্যাকেটে ১৮ কেজি। মিষ্টি খাদকের সংখ্যা এতই কম ছিল যে, মাত্র দুই কেজি মিষ্টি শেষ করা সম্ভব হয়েছিল, ফলে ১৮ থেকে ২ মাইনাস হওয়ার পর ১৬টা আস্ত প্যাকেট থেকে যায় মিষ্টিভর্তি :) এই হলো হিসাব :)

তবে, আপনার গণিতজ্ঞ মন এখানেও অংকের গোজামিল খুঁজবে, এটা যদি ঘূণাক্ষরেও টের পাইতাম, তাহলে টাইপিং মিশটেখ না হওয়ার জন্য আরো সতর্ক থাকতুম :)

আপনি যেটাকে বাতাসা বলছেন, ওটা আসলে আমিত্তির ভাঙা টুকরা ছিল। আপনি নিজেও মিষ্টি খাওয়ার ব্যাপারে খুব সতর্ক, যাতে অতি মিষ্টিতে চর্বি জমে শরীর মোটা না হয়ে যায় :)

১০| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ সকাল ৮:৩৫

আল-ইকরাম বলেছেন: এরকম একটি প্রীতিময় অনুষ্ঠানে ব্লগারদের একত্রিত করার জন্য আপনার প্রয়াসকে কৃতজ্ঞতা জানাই। এরকম মিলন মেলাতে অনেক নামী-দামী, গুণীজনদের খুব কাছ থেকে দেখা যায়, তাদেরকে জানা যায়। আমার ভীষণ আফসোস হচ্ছে যে, আমি এ মহতী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারি নাই। আশাকরি ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই উপস্থিত থাকবো। আমার ব্লগে আসার আমন্ত্রণ রইল। শুভ কামনা নিরন্তর।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:০৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
এরকম একটি প্রীতিময় অনুষ্ঠানে ব্লগারদের একত্রিত করার জন্য আপনার প্রয়াসকে কৃতজ্ঞতা জানাই। ধন্যবাদ আপনাকে।

আমার ভীষণ আফসোস হচ্ছে যে, আমি এ মহতী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারি নাই। নেভার মাইন্ড, ভবিষ্যতে অনেক সুযোগ পাবেন।

আমার ব্লগে আসার আমন্ত্রণ রইল। যাব আপনার ব্লগে, যাব না কেন?

গল্পের প্রথম পর্ব পড়ার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

১১| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ সকাল ৮:৪০

শেরজা তপন বলেছেন: একটা ছেলে টি-শার্ট পরা, মাঝখানে সুন্দরী মেয়ের ছবি আঁকা, ঠোঁটজোড়া পুরো ও চওড়া, ছবিটা কিছুটা অ্যাডাল্ট হলেও দারুণ আর্টিস্টি -স্প্যানডক ছাড়া কে আর :)
কিন্তু গাজী সাহেব কই?
আর লেডি ইবনে বতুতা নেই কি? হায় হায় কি হইল
মফিজ ভুইয়া এসেছিলেন তবে- :) ভুম আসেনি?

২১২১ দেখেই বুঝেছিলাম' ডাল মে কুছ কালা হ্যায়'। আপনি অঃ)'কে নিয়ে মধুর একখানা সপ্ন দেখছেন খলিল ভাই :)

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:১৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
একটা ছেলে টি-শার্ট পরা, মাঝখানে সুন্দরী মেয়ের ছবি আঁকা, ঠোঁটজোড়া পুরো ও চওড়া, ছবিটা কিছুটা অ্যাডাল্ট হলেও দারুণ আর্টিস্টিক -স্প্যানকড ছাড়া কে আর :) তার মানে, তার পোস্টের ছবি ও কন্টেন্ট সম্পর্কে সবারই একটা ভালো ধারণা আছে :)

জি শেরজা তপন ভাই, আপনার ধারণাই ঠিক - মফিজ ভুইয়া এসেছিলেন, তবে ভুয়া মফিজ ভুয়া আশ্বাস দিয়াও আসেন নাই :(

লেডি বতুতা আমার দেশী আপু, তিনি তো এসেছিলেন। আপনার সাথে দেখা হয় নাই? বলেন কী? :)

হ্যাঁ, স্বপ্নটা তো অবশ্যই মধুর।

অনেক ধন্যবাদ শেরজা তপন ভাই পোস্ট পড়ার জন্য।

১২| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ সকাল ৯:৪০

জুল ভার্ন বলেছেন: পড়ে ভালো লাগলো।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:১৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রিয় জুল ভার্ন ভাই। শুভেচ্ছা।

১৩| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ সকাল ৯:৪৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
কোন দায়িত্ব পাই নাই। শুধু খাড়ায় খাড়ায় দেখার জন্য এই অনুষ্ঠানে যাবো না। হেলিকপ্টারে করে নিয়ে গেলেও না।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:১৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কোনো দায়িত্ব পান নাই? কী বলেন, আপনি তো অনেক বড়ো একটা দায়িত্ব পালন করেছেন। সাসুম ভাই আর রানা ভাই কী একটা বুদ্ধি দিল আপনারে, আর আপনি সব মিষ্টি স্টলে স্টলে বিলাইয়া দিলেন, আর বইয়েরও বিজ্ঞাপন দিলেন!!

১৪| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ সকাল ১০:৪০

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
বিশাল বড় লেখা, প্রথম টুকু শুধু পড়লাম, তাই সবটা বুঝে উঠতে পারি নাই।
আপনার উপন্যাসের জন্য শুভকামনা রইলো, ২১২১ সালের অপেক্ষায়।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৫:৪৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: :)

প্রথমটুকু পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় জলদস্যু ভাই। আমার লেখাগুলো সচরাচর দীর্ঘই হয়ে থাকে। মাঝখানে কয়েক বছর ব্যস্ত থাকায় অনিচ্ছায় ছোটো সাইজের পোস্ট পাবলিশ করতে হয়েছে। এখন আল্লাহ চাহে তো অঢেল সময় থাকবে হাতে। বড়ো পোস্ট আর কাহাকে বলে, দেখবেন। প্রিয় কবি সেলিমা আনোয়ার ভাই সেই পোস্ট দেখে আবার ফেইন্ট না হয়ে যান, সেটাও একটা বড়ো চিন্তা বটে :)

আপনি অপেক্ষায় থাকবেন, সেটা আমার অনুপ্রেরণা।

১৫| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ সকাল ১০:৪৮

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
আপনি ভুল করেছেন।
আমাকে একটু সাধাসাধি করলেই মিষ্টির প্যাকেট অর্ধেক খালি হয়ে যেতো।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৫:৪৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আজকাল কাউকে মিষ্টি সাধাসাধি করাটা মাঝে মধ্যে কটু বিব্রতকর হয়ে যায়। এজন্যই আপনাকে দ্বিতীয়বার সাধা হয় নাই। তবে, আপনার ব্যাপারটা মাথায় থাকলো। এরপর পেট ভরে গলা অব্দি মিষ্টি না আসা পর্যন্ত আপনাকে মিষ্টি পরিবেশন করা হবেক। কথা দিলুম।

১৬| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ সকাল ১১:১৫

পদ্মপুকুর বলেছেন: বাহ, আমি এখনও ব্লগে আছি দেখছি!!!! থ্যাঙ্কু, থ্যাঙ্কু।

অপি আক্তারের ঐতিহাসিক সেই পোস্টে প্রায় ৩ বছর পর ঠ্যাং দিয়ে আমার ব্লগজীবন সার্থক করার সুযোগ আমারও হয়েছিলো। আহ, কি শান্তি! এখন সে মহান ব্লগারকে নিয়ে লেখা আপনার বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে থাকতে পেরেও জীবনটা ডাবল সার্থক হলো....

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৫:৫০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: :)

আপনি আগেও ছিলেন, এখনো আছেন, আগামীতে থাকবেন। সুশ্রী ব্লগার অপি আক্তারের জীবনালেখ্যধর্মী আমার স্বরচিত উপন্যাসটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আপনাকে পেয়ে আমি যারপরনাই ধরনের আনন্দিত হয়েছিলুম। তারপর এ মুহূর্তে আপনার উপস্থিতিও আমাকে প্রভূত আনন্দ দিল।

অপি আপার পোস্টে কমেন্ট করতে পেরে আমারও জীবন সার্থক।

অনেকদিন পর আপনাকে ব্লগে দেখে ভালো লাগলো। শুভেচ্ছা আপনার জন্য।

১৭| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ সকাল ১১:৪৩

কালো যাদুকর বলেছেন: আমি বিমানের টিকেট পাই নাই , এই জন্য এই মহতী অনুষ্ঠানটা মিস হয়েছিল। আফসোস।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৫:৫৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আশা করি আগামীবার অবশ্যই আপনি থাকবেন। প্রয়োজনে তিন বছর আগেই টিকিট বুকিং দিয়া রাখবেন :)

১৮| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ সকাল ১১:৪৫

আরোগ্য বলেছেন: এই জনপ্রিয় আপামনির পোস্ট ভ্রমন করার সৌভাগ্য আমারও হয়েছিল, কমেন্ট আছে কিনা মনে পড়ছে না।
বালুশাই এর ব্যবস্থা থাকলে আমিও সমাবেশে শামিল হতাম। :P

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:১১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: অপি আপার সন্ধান পেয়েছিলাম আমি তুমি ও আমরা ভাইয়ের পোস্ট থেকেই, যার লিংক আপনি নীচে দিয়েছেন :) অপি আপাশিরোমণি যখন ব্লগে ঢোকেন, ঐ কালে আমিও ছিলাম। কিন্তু দেখুন, কী দুর্ভাগ্য আমার, তখন আমি তার সন্ধান পাই নি, কেউ আমারে জানায়ও নি :( অথচ, আপনি কত ভাগ্যবান, যথাসময়েই ভ্রমণ করে এসেছিলেন।

বালুশাই তো আজকাল সব জায়গায় পাওয়া যায় না, আমাদের জয়পাড়া, দোহার ছাড়া। চমচম বা খেজুরের সমগোত্রীয় এরা। তবে, ডোন'ট ওয়রি, বালুশাই থাকবেক :)

বহুদিন পর আপনাকে দেখে ভালো লেগেছে। ওয়েলকাম ব্যাক।

১৯| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:১০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সোনা ভাই আসুন আগে বুকে জড়িয়ে ধরি। আপনি জিনিয়াস । দারুণ উপভোগ্য হয়েছে লেখাটা। তবে অস্বীকার করবো না এগারো কেজি লাল জিলাপি ও আধমন রসোগোল্লায় নিজের ভাগের সম্ভাবনা নেই দেখে মুষড়ে পড়েছিলাম।পরে পরিবারের তিন সদস্যের সমান ভাগ আদায় করে দারুণ খুশি।আহা! কি টেস্ট! দোহারের মিষ্টির স্বাদ অতুলনীয়। :)

অপি আপু ভালো থাকুন। ভালো থাকুন সোনাবীজ সপরিবারে।

শুভেচ্ছা আপনাকে।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ৯:০৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
সোনা ভাই আসুন আগে বুকে জড়িয়ে ধরি।
আমি তো এখনো কোলাকুলি ছাড়ি নাই :) মনে হচ্ছে ঈদের আনন্দে মশগুল আছি, আপনাকে পেয়ে।

তবে অস্বীকার করবো না এগারো কেজি লাল জিলাপি ও আধমন রসোগোল্লায় নিজের ভাগের সম্ভাবনা নেই দেখে মুষড়ে পড়েছিলা। আরে মিয়া, এই ভয় তো আমারও ছিল শুরুতে, হয়ত মণকে মণ রসগোল্লার দরকার পড়বে। কিন্তু অন গ্রাউন্ডে বাংলার ব্লগারগণ ১০ কেজি মিষ্টিও সাবাড় করতে পারলেন না, তারা আজকাল মিষ্টিকে এত ভয় পান :)

অপি আপু ভালো থাকুন।
যদি আরেকবার অপি আপা ব্লগে এসে দেখা দিতেন, জীবনটা ধন্য হইয়া যাইত ব্লগারদের। কিন্তু সেই ভাগ্য কি আর কারো হবে ইহজনমে? :)

দারুণ উপভোগ্য হয়েছে লেখাটা। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ প্রিয় পদাতিক ভাই। শুভেচ্ছা নিয়েন।

২০| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:১৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আবার একটু আসতে হয়েছে। আপনার মিষ্টির পরিমাণ মিসপ্রিন্ট হয়ে গেছে বলে আমি ঠিক করে দিয়েছি।সাচু ভাই অবশ্য একটা হিসেব দিয়েছেন। কিন্তু তার পরেও যে আপনি আবার মিষ্টি আনালেন সে খোঁজ সাচু ভাই রাখেন না :)

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ৯:০৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হাহাহাহাহাহা। পঁচাত্তর ভাই একজন অলরাউন্ডার ট্যালেন্টেড ব্লগার। তার সামনে কোনো গোঁজামিল টেকে না :) এমনকি টাইপিং মিশটেখটা পর্যন্ত তিনি ধরে ফেলেছেন।

তবে, আপনি যে আসল জিনিসটা ধরতে পেরেছেন, পঁচাত্তর ভাই ঐ প্যারাটা আবার পড়লে তার ভুল হয়ত কিছুটা ভাঙবে :)

২১| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:২৯

মিরোরডডল বলেছেন:




ধুলোর মজাদার পোষ্টটি পড়েছি । দুই শূন্য কি জানে তারা কারা :)

ধুলোকে আগেও বলেছি বিচ্ছিরি ডলি নামে না ডাকতে ।
আমার একটা সুন্দর নাম থাকতে এই পচা নামে ডাকবে না ।
ধুলোর গলা টিপে দিবো এই নামে ডাকলে । X((

যাইহোক, এখানে এই পোষ্টের বিস্তারিত মন্তব্য দেয়া হল ।



০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ৯:২২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ডলি একটা বিচ্ছিরি নাম? আমার ভাগ্নির নাম ডলি। আমার ভাগ্নি ডলি-পলি দুই বোন খুবই নম্র, ভদ্র, বুদ্ধিমতী, মায়াবী এবং সুইট। আমাদের ক্লাসমেট ডলির মতো সুন্দরী মেয়ে আমি আজও দেখি নি কোথাও। ওর জন্য কে না পাগল ছিল, একমাত্র আমি ছাড়া? :) বছর দুই-তিন আগে সে স-স্বামী আমাদের বাসায় বেড়াতে এসেছিল। তার অবয়ব এখন আরো সৌম্য ও মাধুর্যমণ্ডিত, অথচ তার নাতি-নাতনিরা ফুটবল খেলবে কিছুদিন পর :) ডলি নামটা আমার কাছেই না শুধু, সবার কাছেই প্রিয়, একমাত্র ডলি আপা ওরফে মিডল ছাড়া :( :( :) :)

দুই শূন্য - শূন্য সারমর্ম আর ঋণাত্মক শূন্য - তারা নিজেরাও হয়ত এ ক্লু-টা মিস করে যাবেন :)

ধুলোর গলা টিপলে ধুলোর কিছু হবে না, সামান্য সুড়সুড়ি লাগবে হয়ত :) ধুলোর গলাটা বেশ শক্ত :)

ডুলি বুবুর রম্যটা অসাধারণ হয়েছে :) চারদিকে সাড়া পড়ে গেছে। সত্যিই, ডুলি বুবুর লেখার হাত খুব সাবলীল। তার জন্য দোয়া রইল, আমিও দাঁড়িয়ে রইলুম কদমবুচি দেয়ার জন্য :)

ওহ, এ পোস্টের প্রেক্ষিতে দারুণ রম্যটির জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ রইল ডুলি বুবুর প্রতি।

২২| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:৫৩

ককচক বলেছেন: আপা যদি এখন একবার সামুতে উঁকিঝুকি দিতেন তাহলে নিশ্চয়ই আনন্দিত হতেন। এনিওয়ে লিজেন্ড আপার জন্য দোয়া।

আপনার উপন্যাসের পরবর্তী পর্বের অপেক্ষা থাকলো

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ৯:২৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: প্রিয় পপি আপা বা অপি আপা যদি আরেকবার ব্লগে আসতেন, ব্লগে সুনামি বয়ে যেত। ব্লগ ছেড়ে চলে যাওয়া সকল ব্লগার দৌড়ে ছুটে আসতেন ব্লগে। প্রিয় আপার পোস্টে যেয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়তেন সবাই। এমনটা হওয়ারও সম্ভাবনা ছিল, উপর্যুপরি কমেন্ট, লাইক, শেয়ারের ফলে পুরো ব্লগ হ্যাং হয়ে যেত, কারো কারো পিসিই হয়ত ফেটে চুরমার হয়ে যেত।

অপি আপা আরেকবার ফিরে আসবেন ব্লগে, এই আশা ব্যক্তি করি। তিনি ফিরে এলে তাকে নিয়ে আমি ১০-১০টা গান রচনা করিব

২৩| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:৫৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এই পোষ্টটা বহু আগে দেখেছিলাম। দেখে আমার ''বুক ফাটে তো মুখ ফাটে না'' অবস্থা। আমার যদিও বলার বহুকিছুই ছিল, কিন্তু ব্লগের আবাল-বৃদ্ধ (বনিতা বাদে) যেভাবে ঝাপিয়ে পড়েছিল তখন, আর কিছু বলার সাহস করে উঠতে পারি নাই। ওই আনন্দমেলায় কোথাকার কোন ভুয়ার বেইল না থাকারই কথা!! :(

ব্লগের ইতিহাসে কিংবদন্তি ব্লগার বলে কিছু যদি সত্যিই থাকে, তবে সে হলো এই অপি করিম.........থুক্কু......অপি আক্তার।

ডলি নামটা খুব পরিচিত পরিচিত লাগে। এক ডলিকে চিনতাম, পুরা নাম ডলি পার্টন। আমার খুব বড় ফ্যান ছিল!!! =p~

ইয়ে.........সব ব্লগারকেই চিনলাম; কিন্তু মফিজ ভুইয়াকে চিনলাম না। ভুইয়া সাবের ব্লগবাড়ির লিঙ্কটা পারলে দিয়েন। আমার নিকের সাথে যেহেতু মিল আছে, একটু পরিচিত হই!!! :-B

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ১০:৪৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: অপি আপা আমার বছর খানেক আমি ব্লগিং ডিপার্টমেন্টে এলেও তার এই কিংবদন্তি পোস্টটির খবর আমি জানতে পারি অনেক অনেকদিন পর আমি তুমি আমরা ভাইয়ের পরিসংখ্যান ব্যুরো অফিস থেকে। পোস্ট দেখেই আমার মুখ ও বুক উভয়ই ফেটে খান খান হয়ে কীয়েক্টাদুর্বিষহাবস্থায় পড়ে যাই। নিজেকে সামলে নিতে না পেরে এই পোস্টখানা রচনার ব্রত নিই।

ব্লগের ইতিহাসে কিংবদন্তি ব্লগার বলে কিছু যদি সত্যিই থাকে, তবে সে হলো এই অপি করিম.........থুক্কু......অপি আক্তার।
তা আর বলতে :)

ডলি পার্টন নামটা অবশ্য আমি এই জীবনে আজই প্রথম শুনলাম। গুগুল মামি জানালেন, ১৯৪৬ সালে জন্ম নেয়া ডলি, ১৯৮১ সালে জন্ম নেয়া ব্লগার মফিজ ভুইয়ার একজন অতি বড়ো ফ্যান। তিনি নিয়মিত সামহোয়্যারইন ব্লগ পড়ে থাকেন এবং মফিজ ভুইয়া সাহেবের কোনো পোস্ট বা কমেন্ট তিনি মিস করেন না। বাংলায় ব্লগ পড়ার জন্য তিনি সুদূর বাংলাদেশে গিয়ে পণ্ডিত সোনামিঞার কাছে বাংলা শিখে এসেছেন। তিনি এখন মফিজ ভুইয়ার প্রেমে পড়ার আশঙ্কায় আছেন বলে বিশ্বস্ত রয়টার সূত্রে জানা গেছে।



জনাব মফিজ ভুইয়া একজন বিশিষ্ট জমিদার ব্লগার। তার ঠিকানা এখানে : মফিজ ভুইয়া সাহেবের জমিদারশালা

২৪| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:৫৯

রানার ব্লগ বলেছেন: আফসোস কমেন্ট করার জন্য ওনার ব্লগ আমি খুজে পাচ্ছি না !!!

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ১০:৪৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: বলেন কী, এখনো পান নাই? :) অপি আক্তার লিখে ব্লগে সার্চ দিয়ে দেখেন :)

২৫| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৫:০৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ব্লগে আজকে আমার এর আগের কমেন্ট ছিলো সোনাবীজ দারুন রম্য লিখেন। আপনার রম্য পাঠের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতাম একটা সময় । আপনার এ পোস্টও চমৎকার। আমি মিষ্টি খেতে পারি খুব। তবে শরীরে স্থ্ূলতা নিয়ন্ত্রণে তা পরিহার করা চেষ্টা করছি। যাকে কেন্দ্র করে পোস্ট তার বিখ্যাত পোস্টাটিতে আমার কমেন্ট আছে। আপনার পোস্টের সফলতা কামনা করি ।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ১০:৫১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: :)

প্রিয় কবি সেলিম আনোয়ার ভাই, আপনার কমেন্টে প্লাস++++
আমি মুগ্ধ, অভিভূত ও বিবাহিত হয়ে যাই যখনই আপনি কোনো দীর্ঘ পোস্ট পড়েন :) এ পোস্টটাও আপনি পড়েছেন বলে আমার আনন্দের সীমা নাই। My joys know no bounds. আমার রম্য লেখা বা পোস্টের ব্যাপারে যা বললেন, তাতে আমি খুবই আনন্দিত।

তবে নেক্সট টাইম দেখা হলে আপনাকে কিন্তু গুনে গুনে ৩টা রসগোল্লা খেতে হবে :)

শুভেচ্ছা রইল।

২৬| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৫:১৬

আরোগ্য বলেছেন: আপামনির আরেকটু খোঁজ খবর নিয়া দেখলাম। উনি তো মাইনাসের আমলে ছিলেন। সেই পরিসংখ্যানটাও বের করলাম। আহা মাইনাস তো প্লাসকে বোল্ড আউট করেছে। ২২২ খান মাইনাস =p~ । এই পরিশ্রমের জন্য একখান বালুশাই পেতে পারি । :P

পোস্টের ৬ নং সিরিয়াল দেখুন।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ১১:০৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: বুঝলেন না? হিংসা, হিংসা, হিংসা। তার রূপ-লাবণ্য, পোস্টে পাঠসংখ্যা, কমেন্ট শেয়ারের সংখ্যা দেখে অনেকেই হিংসিত হয়ে মাইনাস বাটনে প্রেস করেছিলেন। এই মাইনাস থেকেও বোঝা যায়, তিনি কতটা জনপ্রিয় ও লাভলি ব্লগার ছিলেন, যার ফলে ব্লগারদের বিরাট একটা হিংসায় জ্বলে পুড়ে অঙ্গার, শেষে ছাই হয়ে যান, যার প্রমাণ মেলে এই বিপুল সংখ্যক মাইনাস থেকে।

আপনার জন্য শুধু বালুশাই না, আমিত্তিও দেয়া হলো। অবশ্য, এটা বালুশাই না, এটার নাম খেজুর। দেখতে খেজুরের মতো। বালুশাই আকারে গোল।

নয়ন ভরে খান।





২৭| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৫:৫০

জ্যাকেল বলেছেন: Click This Link

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ১১:০৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ধন্যবাদ মিস্টার জ্যাকেল। শুভেচ্ছা নিন সারাদিন।

২৮| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:২৮

আখেনাটেন বলেছেন: বাহ....বিরাট ঘটনা.....কিংবদন্তির ব্লগারের জীবনালেখ্য নিয়ে রচিত উপন্যাসের কাটতি ভালোই হওয়ার কথা। :D

তবে আমিত্তি জিনিসটার নাম শুনলেও দেখেছি কী?


*আমি একটা জিনিস ভাবছি......কিংবদন্তি ব্লগার যদি একশ বছর পিছে মানে এখন এসে আপনার এই পোস্টে একটি মন্তব্য করে...তবে সেটা আরেকটা ঐতিহাসিক ও বিধ্বংসী ঘটনা হত? B:-)

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ১১:১৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কাটতিও যাতে কিংবদন্তিতুল্য হয়, সেজন্য যা কিছু করা দরকার, তা করা হবেক, যদিও অপি আক্তার নামেই অঢেল কাটতি হয়ে যাবে বলে বিশ্বাস :)

আমিত্তি জিনিসটা দেখুন উপরে ২৬ নাম্বার কমেন্টের নীচে ছবিটায়; জিলিপির মতো যে জিনিসটা দেখতে, ওটা আমিত্তি। আমিত্তি বানানো হয় কালাই দিয়ে। ময়দা দিয়েও হয়, কিন্তু কালাইয়ের আমিত্তির স্বাদ অতুলনীয়। ফুটন্ত তেলে আমিত্তির উপাদান একটা নল দিয়ে পেঁচিয়ে ছাড়া হয়। আমিত্তি হলো জিলিপির অভিজাত ও সুস্বাদু ভার্সন। জিলাপির জন্ম আমিত্তি থেকে কয়েক জেনারেশন পরে হওয়ার কথা, যদিও আমার ভুলও হতে পারে এ ধারণা। এই যে আমিত্তি


*আমি একটা জিনিস ভাবছি......কিংবদন্তি ব্লগার যদি একশ বছর পিছে মানে এখন এসে আপনার এই পোস্টে একটি মন্তব্য করে...তবে সেটা আরেকটা ঐতিহাসিক ও বিধ্বংসী ঘটনা হত? B:-) শুধু কি তাই, পুরো ব্লগে মুহূর্তে এক লক্ষাধিক ব্লগার লগিন আমার এই পোস্টে কমেন্ট করে আপাকে শুভেচ্ছা জানাবেন। আমার ব্লগ হ্যাং হইয়া পিসি মিসি ফাইট্ট্যাও যাইতে পারে :)

২৯| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ৯:০৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
গত বছির ঈই ছোট্ট পোষ্টে এত্ত এত্ত মন্তব্য দেখে
২৭ জুন ২০২১ সালে আমি
মন্তব্য করে ছিলাম

"আমি কি কিছু মন্তব্য নিয়ে যাবো ?"

কিন্তু অদ্যাবিধি আমি কোন উত্তর
পাইনি, সম্ভবত সুন্দরীরা একটু
উন্নাসিক হয়!

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ১১:৫৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কিন্তু অদ্যাবিধি আমি কোন উত্তর
পাইনি, সম্ভবত সুন্দরীরা একটু
উন্নাসিক হয়!
:)



২৩ শে আগস্ট ২০১৪ তারিখে রাত ১১:০৮ ঘটিকায় ১৩৮৭ নাম্বার কমেন্টে আরজু পনি আপুর 'আপনাকে ব্লগে দেখে ভালো লাগলো' কমেন্টের প্রত্যুত্তরে অপি আপা ০৬ ই এপ্রিল ২০১৫ তারিখে দুপুর ১:৪৩ ঘটিকায় সর্বশেষ উত্তর দিয়েছিলেন : ধন্যবাদ আপ্পি

সম্ভবত সুন্দরীরা একটু উন্নাসিক হয়! তা আর বলতে :) তবে, এখানে উন্নাসিকতা বিষয়ক কোনো ইগোটিগো নাই, কেইস অন্য কিছু হওয়াই স্বাভাবিক :)

ধন্যবাদ নূরু ভাই।

৩০| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ৯:০৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: যাকে নিয়ে লিখেছেন এটা তো সর্বকালের সেরা সুপার ডুপার হিট বই হওয়ার কথা। বাজারে এর চাহিদা শীর্ষে থাকার কথা ।অল্প কয়েক দিনেই দ্বিতীয় তৃতীয় চতুর্থ সংস্করণ শেষ। অনেকে অগ্রিম অর্ডার করেও বইটি পাচ্ছিনা দেখে সে কি আফসোস আর অনেক ব্লগার এসে আপনাকে চেপে ধরেছে যে করেই হোক একটি কপি দেওয়ার জন্য পরের পূর্বে নিশ্চয়ই এ ধরনের কিছু থাকবে।

০৫ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ১২:০০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হেহেহেহেহেহেহে। আপনিও তো ডলি আপার মতোই পরের সিকোয়েলটা সাজিয়ে ফেলেছেন :) ভাল লাগলো যে, ডলি আপা আর আপনার সিকোয়েলে বিস্তর পার্থক্য, যা আপনাদের মৌলিকত্ব প্রকাশ করে।

যেখা যাক, পরের পর্বে কী আছে।

ধন্যবাদ মাইদুল ভাই।

৩১| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ রাত ১১:৪৪

কোনেরোসা বলেছেন: ইহা একটি লুচ টাইপের পোষ্ট

০৫ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ১২:০৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আপনি সেই ওয়ান অ্যান্ড অনলি মোস্ট মডার্ন কিংবদন্তিতুল্য একমাত্র ব্লু টুথ বয় ব্লগার, যিনি এটি আবিষ্কারে সমর্থ হলেন - ইহা একটি লুচ টাইপের পোস্ট :) একডালি শুভেচ্ছা আর একঝাঁকা অভিনন্দন আপনার জন্য :)

ধন্যবাদ পোস্ট পড়ার জন্য।

৩২| ০৫ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ১২:১১

কোনেরোসা বলেছেন: ধন্যবাদ

০৫ ই আগস্ট, ২০২২ সকাল ১০:৪৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও। 'লুচ' বিষয়টা কী?

৩৩| ০৮ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ৯:০৬

জটিল ভাই বলেছেন:
এতসব ব্লগনক্ষত্রের ভীড়ে নিজের উপস্থিতিটা নিজের কাছেই লজ্জার আর হাইস্যকর লাগছে। তবে আমার উপস্থিতিটা বিশেষ কিছুজনের মাঝে যে বিশেষ বিরক্তির সৃষ্টি করছে সেটা ভেবে আবার আনন্দও পাচ্ছি =p~
আন্তরিক জটিলবাদ প্রিয় সোনাভাই :)
তবে ওসব গেস/মেস আমায় দিয়ে হবে না। আমায় দিয়ে শুধু একসন হবে একসন :P

১২ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:২৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ জটিল ভাই পোস্টটি পড়ার জন্য। শুভেচ্ছা রইল।

৩৪| ২৪ শে আগস্ট, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৪১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: লিজেন্ড অপি আক্তার কে নিয়ে আপনার সাড়াজাগানো বই এর প্রকাশনা উৎসবে আমন্ত্রণ পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করছি। বালুসাই যদি থাকত তাহলে এক এক প্যাকেট আমি নিজেই মেরে দিতাম ভাই।

আপনার কল্পনার জয় হোক, আমাদের ব্লগার মিলন মেলা সংগঠিত হোক।

৩১ শে আগস্ট, ২০২২ রাত ১:১৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: দেরিতে হলেও মোড়ক অনুষ্ঠানে চরণধূলি দিয়েছেন- এজন্য আনন্দিত।

ইয়ে, গত পরশু ছোটোভাই আমাদের দোহারের বিশ্ববিখ্যাত খেঁজুর নিয়ে এসেছে। ডায়াবেটিসের কারণে মিষ্টি খাওয়া বাদ দিয়েছি। কিন্তু ২ পিস খাওয়ার লোভ সামলাতে পারলাম না। কিন্তু ওটার কাফফারা দিয়েছি ৮ কিলোমিটিয়ার হেঁটে (এমনিতে ৫ কিলো হাঁটি) :) তাইলে বোঝেন কত কষ্টে আছে আইজুদ্দিন :)


খেঁজুর আর আমিত্তি পাশাপাশি। দেখতে অনেকটা চমচমের মতোই। কিন্তু, স্বাদে ভিন্ন। আকৃতিতে খেজুরের মতো বলে খেজুর বলে। এটা অবশ্য ৬ বছরের পুরোনো ছবি :)



৩৫| ৩০ শে আগস্ট, ২০২২ সকাল ৮:১০

সোহানী বলেছেন: হায় হায় ... এতো বড় প্রকাশনা অনুষ্ঠান আর আমাকে কেউ খোঁজই দিলো না....................................... :((

৩১ শে আগস্ট, ২০২২ রাত ১:১৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: যাক, শেষ পর্যন্ত একা একাই খোঁজ পেয়ে যে এসেছেন, তাতে খুব খুশি হলুম আপু। ধন্যবাদ আসার জন্য। শুভেচ্ছা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.