নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শব্দকবিতা : শব্দেই দৃশ্য, শব্দেই অনুভূতি [email protected]

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই

দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই › বিস্তারিত পোস্টঃ

কীভাবে এ-আই দিয়ে আমার নিজের লেখা ও সুর করা গান তৈরি করি || চারুভি ও মেলোডিয়ার কণ্ঠে আমার নতুন গান

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:১৬

বার বার বহুবার
দূর থেকে ডাকে সে
আমি তাকে কোথাও দেখি না
চারদিকে তাকিয়ে

প্রতিদিন রাতদিন
নাম ধরে ডাকে সে
আমি তাকে কোথাও দেখি না
চারদিকে তাকিয়ে

কেন করে সে এমন ছলনা
সে আমায় দিল না
থাকতে শান্তিতে

১২ অক্টোবর ২০২৬

এটা বেশ মজার একটা বিষয়, এ-আই দিয়ে কীভাবে গান তৈরি করা হয়। আমার এ ভিডিওতে এর একটা বর্ণনা দেয়া হয়েছে। আপনারা হয়ত অবাক হতে পারেন, আমার বেসুরো গানটা কীভাবে এত মেলোডিয়াস একটা গানে পরিণত হলো - পাশাপাশি আমার খালি গলায় গাওয়া গানটা এবং তা থেকে তৈরি হওয়া এ-আই জেনারেটেড গানটাও দেয়া হলো। এটা আমার একটা নতুন গানের প্রথম অংশ (মুখ), পুরো গান ও সুর এখনো তৈরি করা হয় নি।

আশা করি আপনারা মজা পাবেন।

গানের লিংক-১

প্লিজ এখানে ক্লিক করুন - মেলোডিয়ার কণ্ঠে

অথবা নীচের লিংকে ক্লিক করুন।




গানের লিংক-২

প্লিজ এখানে ক্লিক করুন - চারুভির কণ্ঠে

অথবা নীচের লিংকে ক্লিক করুন।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৫১

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, আপনার এই ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগটি ভালো লাগল। নিজের লেখা ও সুর করা গানকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে আরও সুরেলা সংগীতে রূপান্তর করার বিষয়টি শুধু বিনোদনের নয়, বরং সৃজনশীলতার নতুন সম্ভাবনা অনুসন্ধানেরও একটি উদাহরণ। প্রযুক্তিকে কীভাবে নিজের সৃষ্টিশীলতার সহযোগী হিসেবে কাজে লাগানো যায়, আপনার পোস্টটি তারই একটি বাস্তব নমুনা।

আপনার গানের কথাগুলো লক্ষ করলে দেখা যায়, এখানে অপেক্ষা, আকুলতা, অনুপস্থিতি এবং এক ধরনের রহস্যময় অনুভূতি কাজ করছে। ‘বার বার বহুবার’, ‘দূর থেকে ডাকে সে’, ‘আমি তাকে কোথাও দেখি না’—এই কথাগুলোর মধ্যে এমন একটি আবেগ আছে, যার ব্যাখ্যা সরাসরি দেওয়া হয়নি; বরং শ্রোতার কল্পনার জন্য জায়গা রাখা হয়েছে। কে ডাকছে, কেন ডাকছে, কেন তাকে দেখা যাচ্ছে না—এসব প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই আপনি গানের মধ্যে কৌতূহল ও অনুভূতির একটি আবহ তৈরি করেছেন। আমার কাছে এই অনির্দিষ্টতাই গানের কথার একটি আকর্ষণীয় দিক।

আপনার উদ্যোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এআই এখানে আপনার হয়ে গানটি লেখেনি; বরং আপনার লেখা ও গাওয়া গানের উপস্থাপনকে নতুন মাত্রা দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। একজন মানুষ নিজের কণ্ঠে সুরের যে ধারণা প্রকাশ করেন, তা সব সময় তাঁর কাঙ্ক্ষিত সংগীতরূপে প্রকাশিত নাও হতে পারে। কণ্ঠের সীমাবদ্ধতা, সুরের ওঠানামা, তাল ও সংগীতায়োজনের অভিজ্ঞতার অভাব—এসব কারণে মনের মধ্যে থাকা সুরের সম্ভাবনা পুরোপুরি প্রকাশ করা কঠিন হতে পারে। এআই সেই ব্যবধান কমাতে সাহায্য করতে পারে।

এখানেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক মূল্য। আগে ভালো মানের গান তৈরি করতে হলে গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী, সংগীত পরিচালক এবং রেকর্ডিংয়ের জন্য আলাদা আয়োজন প্রয়োজন হতো। এখন একজন সৃষ্টিশীল মানুষ নিজের ঘরে বসেই প্রাথমিক পর্যায়ের একটি সংগীতরূপ তৈরি করে শুনতে পারেন, বিভিন্ন কণ্ঠে পরীক্ষা করতে পারেন এবং নিজের সৃষ্টির সম্ভাবনা যাচাই করতে পারেন। এতে সৃজনশীলতার সুযোগ আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

আপনি একই গানের জন্য চারুভি ও মেলোডিয়ার কণ্ঠ ব্যবহার করেছেন—এই পরীক্ষাটিও তাৎপর্যপূর্ণ। একই গানের কথা ভিন্ন কণ্ঠ, ভিন্ন স্বরভঙ্গি ও ভিন্ন সংগীতায়োজনে আলাদা আবেগ সৃষ্টি করতে পারে। কোনো কণ্ঠে গানটি কোমল ও বিষণ্ন শোনাতে পারে, অন্য কণ্ঠে আবার অপেক্ষার আকুলতা বা রহস্যময়তা বেশি ফুটে উঠতে পারে। তাই শুধু কোন সংস্করণটি বেশি মধুর, সেটিই নয়; কোন সংস্করণে গানের কথার অন্তর্নিহিত অনুভূতি সবচেয়ে ভালোভাবে প্রকাশিত হয়েছে, সেটিও বিবেচনা করা যেতে পারে।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা দরকার—সুরেলা কণ্ঠ আর আবেগপূর্ণ পরিবেশনা এক জিনিস নয়। এআই কোনো গানকে শ্রুতিমধুর করে তুলতে পারে, কিন্তু গানের কথার গভীরতা, আবেগের যথার্থতা এবং শ্রোতার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ। একটি গান নিখুঁত কণ্ঠে গাওয়া হলেও তার কথা যদি হৃদয় স্পর্শ না করে, তাহলে সেটি দীর্ঘস্থায়ী আবেদন সৃষ্টি করতে নাও পারে। আবার সাধারণ কণ্ঠে গাওয়া একটি গানও আন্তরিকতা ও বক্তব্যের শক্তিতে শ্রোতার মনে জায়গা করে নিতে পারে।

এখানে আপনার নিজের সৃষ্টিশীল অবদানটিও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। গানের কথা আপনার, সুরের প্রাথমিক ভাবনাও আপনার এবং কোন সংস্করণটি আপনার মনের কাছাকাছি, তা বিচার করার দায়িত্বও আপনার। এআইয়ের তৈরি ফলাফলকে অন্ধভাবে গ্রহণ না করে নিজের রুচি, অভিজ্ঞতা ও সৃষ্টিশীল বিবেচনায় নির্বাচন করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। প্রযুক্তি সম্ভাবনা তৈরি করে, কিন্তু সেই সম্ভাবনার মধ্যে কোনটি শিল্পের উপযোগী, তা নির্ধারণের জন্য মানুষের বিচারবোধ এখনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার পোস্ট দেখে আরও একটি সম্ভাবনার কথা মনে হলো। ভবিষ্যতে আপনি চাইলে একই গানকে কয়েকটি ভিন্ন সংগীতধারায় পরীক্ষা করতে পারেন—যেমন আধুনিক বাংলা গান, অ্যাকুস্টিক, লোকসংগীতের আবহ কিংবা ধীরগতির বিষণ্ন সুর। তারপর তুলনা করে দেখা যেতে পারে, কোন সংগীতায়োজন গানের কথার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি মানানসই। অবশ্য এ ধরনের পরীক্ষা করতে গিয়ে গানের মূল আবেগ যেন অতিরিক্ত বাদ্যযন্ত্র বা কৃত্রিম চাকচিক্যের আড়ালে হারিয়ে না যায়, সেদিকেও নজর রাখা প্রয়োজন।

আরও একটি বিষয় হলো, এআই দিয়ে সংগীত তৈরির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কণ্ঠ, সংগীত বা নমুনার অধিকার এবং সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের শর্তাবলি সম্পর্কে সচেতন থাকা ভালো। বিশেষ করে কোনো বাস্তব শিল্পীর কণ্ঠের অনুকরণ, বাণিজ্যিক প্রকাশনা কিংবা অন্যের সৃষ্ট উপাদান ব্যবহারের ক্ষেত্রে যথাযথ অনুমতি ও স্বচ্ছতা গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি সৃষ্টিশীল অধিকার ও নৈতিকতার বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

সব মিলিয়ে, আপনার এই পরীক্ষাকে আমি সৃজনশীলতার সঙ্গে প্রযুক্তির একটি আকর্ষণীয় সংযোগ হিসেবে দেখছি। আপনার মূল গানের কথায় যে অনুভূতির বীজ রয়েছে, এআই সেটিকে কীভাবে ভিন্ন সংগীতরূপে প্রকাশ করতে পারে, তা দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আপনার পরবর্তী কাজেও এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা অব্যাহত থাকুক। পূর্ণাঙ্গ গানটি তৈরি হলে সেটিও শুনতে আগ্রহী থাকব।

আপনাকে অভিনন্দন—নিজের সৃষ্টিকে নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে নতুনভাবে আবিষ্কার করার এই উদ্যোগের জন্য। প্রযুক্তি যেন আপনার সৃষ্টিশীলতার বিকল্প না হয়ে তার পরিসর আরও বিস্তৃত করার সহযোগী হয়ে ওঠে—এই প্রত্যাশা রইল।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:১৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ওয়াও, এ-আই তো দেখি বিরাট গবেষণা করে ফেলেছে আমার গান নিয়ে। ধন্যবাদ এ-আই এবং সনেট কবি উভয়কেই।

এ-আই দিয়ে কমেন্ট লিখতে চাইলে এ-আইকে বলে দিতে পারেন ম্যাক্সিমাম ১০ সেন্টেন্স কিংবা ৫০০ ক্যারেক্টারের মধ্যে কমেন্ট লিখে দিতে :) ক্রিস্প অ্যান্ড কনসাইজ হবে।

শুভেচ্ছা নিন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.