| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের একজন বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, অফিসে যারা কাজ করেন ইমেইল তাদের গিনিপিগ বানাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগের গণ্ডিকে ছোটো করে ফেলে পরীক্ষাগারে আবদ্ধ ইঁদুরের মতোই এক অবস্থার সৃষ্টি করছে ইমেইল। খবর টেলিগ্রাফ অনলাইনের।
সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ সাময়িকীর সাবেক নির্বাহী সম্পাদক নিকোলাস কার তার ‘দ্য শ্যালোজ : হোয়াট দ্য ইন্টারনাল ইজ ডুয়িং টু আওয়ার ব্রেইন’ বইতে ইমেইলের এই কুপ্রভাবের কথা জানিয়েছেন।
মি. কার মন্তব্য করেছেন, কম্পিউটার এবং স্মার্টফোন স্ক্রিনে ক্রমাগত তথ্যের স্তর বেড়ে গেলে মস্তিষ্কে ‘বোটলনেক’ অবস্থার সৃষ্টি হয়। এর ফলে গভীর কোনো চিন্তা আর মাথায় আসে না। প্রযুক্তির প্রতি আসক্তি এবং সহজলভ্য তথ্য পাবার ফলে সৃষ্টিশীল চিন্তার বিকাশ ঘটে না।
নিকোলাস ক্যার-এর বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ইমেইল আমাদের নতুন তথ্য খোঁজার প্রাকৃতিক মানবিক আচরণকে নষ্ট করে দেয়। ফলে আমরা ইনবক্সের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ি।
যুক্তরাজ্যের অফিসগুলোর সাম্প্রতিক জরিপ-এর ফলও বলছে- সেখানে যারা কাজ করেন তারা এক ঘন্টায় ৩০ বার ইনবক্স চেক করেন।
ক্যার আরো জানিয়েছেন, প্রযুক্তির বিভিন্ন গ্যাজেট আমাদের উচ্চ-প্রযুক্তির ই-গিনিপিগ বানিয়ে ফেলেছে, যেখানে আমরা মানবিক বিকার ছাড়াই বুদ্ধিবৃত্তিক টিকে থাকার জন্য ইনবক্সের দিকে চেয়ে থাকে। এমন ডিজিটাল বার্তা আমাদের অনিশ্চয়তাও বাড়িয়ে দিচ্ছে। সবসময়ই আমাদের মনে হয় যে, ইনবক্সে নিশ্চয়ই গুরুত্বপূর্ণ কিছু এসে জমা হচ্ছে। আর এমন চিন্তার ফলেই আমাদের সৃষ্টিশীল চিন্তা ব্যাহত হচ্ছে।![]()
![]()
![]()
..![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:১৬
মুহাম্মাদ খান বলেছেন: একটু ভেবে বলুন তো ...(Don't mind)
আপনার বা আমার-ই বা ক'টা মেইল সক্রিয় এখন
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৩৮
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: এটা নির্ভর করে মানসিকতার উপর। মানুষ অনেক আগে থেকেই স্বাদীনভাবে চিন্তা ছেড়ে ধর্মগ্রন্থের পাতা খুলে খুলে তথ্য খুঁজত। এতে ইমেইল কে দোষ দিয়ে লাভ নাই।
এই গবেষণার সাথে উইকিলিক্স এর সম্পর্ক নাই তো?