| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
♦️ আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক , যার মধ্যে ১১ হাজার কোটি টাকা দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে পাচার করা হয়েছে।
কে এই আসিফ মাহমুদ ?
♦️২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পূর্বে বাংলাদেশে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া নামে কোন ছাত্রনেতা ছিলো না।
আসিফের জন্ম ১৯৯৮ সালে। বয়স হিসাব করলে ২৮ বছর।তার পিতার নাম বেলাল হোসেন ।তার পিতা কুমিল্লার আকবপুর আজো পাড়া গাঁয়ের একজন সামান্য স্কুলশিক্ষক। ৫ আগষ্টের পরে আসিফ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হয়ে গেলে আলাদীনের চেরাগ হাতে পেয়ে বসে এই পরিবারটি। স্কুল শিক্ষক থেকে রাতারাতি আসিফের বাবা ঠিকাদার বনে যান। শুরু হয় আসিফ ও তার বাবার ঠিকাদারি বাণিজ্য ।
♦️আসিফ উপদেষ্টা হওয়ার মাত্র ৯ মাসের মাথায় তার এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ১৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ বাংলাদেশের সকল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।লজ্জায় আসিফ মোয়াজ্জেমকে অব্যাহতি দিলেও তার কোন সাজা হয় না। দুর্নীতিবাজ আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া হয়ে যান এনসিপি নামক কিংস পার্টির মুখপাত্র।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৩০
গহীনে রক্তক্ষরণ বলেছেন: এসব নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না । কিন্তু না বলে পারছি না । লেখক যদি এ প্রজন্মের তরুণ হয়ে থাকেন এবং কোন দলের অন্ধভক্ত হয়ে না থাকেন, তাহলে আমার এই লেখা হয়তো আপনার ভালো লাগবে । কিন্তু আপনি যদি বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের স্থায়ী অন্ধ ভক্ত হন, তাহলে আমাকে এড়িয়ে চলতে পারেন । বাংলাদেশের ইতিহাসকে ৫৫ বছর যাবৎ বিভিন্ন শাসক বিকৃত করেছে । কেননা এই ভুখন্ডে আমরা যাদের ঔরষে জন্ম গ্রহণ করে আজকের এই মানুষ ( জাতি, ধর্ম, বর্ণ বির্বিশেষে ), তাদেরকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে তাদের পূর্ব পুরুষদের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম, এই ভুখন্ডটির জন্য তাদের আত্মাহুতি ইত্যাদি সকল ইতিহাস । বিশেষ করে গত ২৫-৩০ বছরের মধ্যে যে প্রজন্ম গড়ে উঠে আজকের রাষ্ট্র ক্ষমতার কেন্দ্র বিন্দু সহ বিভিন্ন ইনষ্টিটিউশনে বড় বড় পদে বসে আছেন, তাদেরকে শেখানো হয়েছে এই জাতির যা কিছু অর্জন তা কেবল ১৯৫২ থেকে শুরু হয়েছে । তার আগে হাতে গোনা কতিপয় পূর্ববংগীয় এলিট পরিবার , রাজনীতিবিদ ছাড়া ব্যাপক জনগোষ্ঠীর কোন নাগরিকের মান, ইজ্জত ছিল না । তাদের পূর্বপুরুষদের তেমন কোন কৃতিত্বই ছিল না । কৃষক, দিন মজুর ছাড়া তারা কোন সম্মানিত মানুষই ছিলেন না । এই এলিট শ্রেণীরাই ঘুরে ফিরে এই রাষ্ট্রকে বিভিন্ন ফরম্যাটে দখল করে রেখেছে এবং সাধারণ নাগরিকদের জানতেই দেয়া হয়নি যে, তারা আসলে কতটা মর্যাদাশীল জাতির অনুজ । এই যে ইতিহাসকে খন্ডিত করে পূর্বের ইতিহাসের কাছে আমাদের ফিরতেই দেয়া হয়নি কোনদিন, এটা নিয়ে তরুণ প্রজন্ম কি আজতক কাউকে প্রশ্ন তুলতে পেরেছেন ? আমার জানা মতে কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে অধিকাংশ তরুণ জানেনই না , জানতেও চান না, তার পূর্বপুরুষরা তার জন্য কি কি করে গিয়েছিলেন ? যে জাতি তাদের নিজেদের পূর্ব পুরুষদের ইতিহাস জানে না, জানতে চায় না, তাদের রেখে যাওয়া আম কাঠাল গাছ থেকে ফল খায়, অথচ তার জন্য কৃতজ্ঞ হয় না, সেই জাতির কপালে এসব উচ্ছিষ্টরা নেতা হয়ে তাদেরকে লাঞ্চিত করবে, এটাই প্রকৃতির শিক্ষা । সার কথা, ইউনুস সরকার গঠিত করেছিল কতিপয় রাষ্ট্রদ্রোহী গাদ্দাররা একজোট হয়ে, যাতে বাংলাদেশ যেন কোনভাবেই কোন মেধাবী তরুণ নেতৃত্বের হাতে যেতে না পারে । যদি তরুণদের স্থান দেয়া হয়ও, তাদেরকে এলিট গোষ্ঠীর তথাকথিত ডিপষ্টেট যাদের দখলে, তারা খুব চুলচেরা হিসেব নিকেষ করে সেইসব তরুণদের ফ্রন্ট লাইনে আনবে, যাদের রয়েছে পেটে ক্ষুধা, রয়েছে লোভ -লালসা সহ আরো নানা রকম চাহিদা , তাদেরকে । সুতরাং কার দোষ খুঁজি আমরা ? নিজেকে আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে প্রশ্ন করেছি কি ? আমি কে ? আমি কি ভালো মানুষ ? আমি কি সৎ ? আমি যদি ভালো মানুষ হই, তাহলে আমার নেতা কি করে অসৎ মানুষ হতে পারে ? জনাব, এই রাষ্ট্রকে যে সব এলিটরা মূলতঃ দখল করে চালাচ্ছে ( সরকার কারা গঠণ করে ,সেটা ফ্যাক্টর নয় ), সেই কতগুলো মানুষরূপী হায়নাদের হাত থেকে উদ্ধার করতে না পারলে কেবল এই তুচ্ছ কিছু উচ্ছিষ্টদের নিয়ে খবরের শিরোনাম আমাদের বড়জোর বিনোদন দিবে । কাজের কাজ কিছুই হবে না । সচেতন তরুণ হয়ে থাকলে সাহস করে সেই সিষ্টেমের বিরুদ্ধে প্রশ্ন ছুঁড়ে মারুন, যারা সর্বদাই এই রাষ্ট্রকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রাখতে চায় । আমাদের মত বৃদ্ধরা কবরে গেলে প্রশ্ন ছুঁড়বার মানুষতো আর খুঁজেও পাবেন না । অতএব আমি বলি, তরুণরা মরবেন না, তাজা থাকুন, প্রশ্ন ছুুঁড়ে মারতে শিখুন । আপনার নিজের অস্তিত্ব রক্ষা এবং আপনারই সন্তানদের স্বার্থে ।