নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জামাত শিবির,ধর্মান্ধ মোল্লা ও একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বিদ্বেষী মুক্ত ব্লগ।আপনার প্রতি আমি কেমন ব্যাবহার করব তা আপনার আচরণের উপর নির্ভর করবে।সত্য মিথ্যা যাচাই না করে অন্যের কথার উপর ভিত্তি করে যদি আমার উপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন,তাহলে আমার বন্ধু হওয়ার দরকার নেই।

মোহাম্মদ গোফরান

♠ঘুমন্ত শহরে, রূপালী রাতে, স্বপ্নের ও নীল চাদর বিছিয়ে, কষ্টের শীতল আবরন জড়িয়ে আমি আছি, আছি, তোমার স্মৃতিতে ভালবাসার সরল বাধন ছিড়ে, চলে গেছ এই হৃদয়টাকে ভেঙ্গে তুমি আমি একই শহরে তবুও একাকী ভিন্ন গ্রহে। মনে পরে সেই নিয়ন জ্বলা রাতে, অনন্ত প্রেম দিয়েছি উজার করে, নিঃসঙ্গ নিশি পথিক পেছনে ফেলে পথ হেটেছি বাধা দুটি হাতে। দূর আধারের ভালবাসায় হারাতে, ছুটে ছিলাম সেই রূপালী রাতে।♠

মোহাম্মদ গোফরান › বিস্তারিত পোস্টঃ

কিরিং কিরিং সাইকেল চলে, ফেরিওয়ালা যায়।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৩৮


ফেসবুকে যারা একটিভ শিরোনামটি তাদের কাছে খুবই কমন ও পরিচিত। আমরা ফেসবুকে কদিন ধরে দেখছি একটা ভিডিও খুবই ভাইরাল। সে ভিডিওতে দেখা গেসে - একজন ট্রেইনার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ট্রেনিং দিচ্ছেন কিভাবে বাচ্চাদের পাঠদান করতে হয়। আরও দেখা গেসে ট্রেইনার অভিনয় করে করে শিখাচ্ছেন শিক্ষকদের - "কিরিং কিরিং সাইকেল চলে, ফেরি ওয়ালা যায় "। বিষয়টিকে খুবই হাস্যকর এবং পাগলামি মনে হলেও আমার মনে হয় আসলে পাঠ দানের এই প্রসেসটা আসলে গ্রহণযোগ্য।

আমাদের দেশের বিম্পি-জামাত সরকার কোন একটা উদ্যোগ নিলেই সেটা যতই ভালো হোক - সমালোচনা করবেই। একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের সুইট একটা ম্যাম বাচ্চাদের যদি নেচে নেচে, গেয়ে গেয়ে অথবা অভিনয় করে করে পড়ান আমরা বলি বিদেশি স্টাইলে পড়ালেখা শিখানো হচ্ছে। অথচ সরকার যখন ইংলিশ মিডিয়াম স্টাইল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু করতে চাইলো যেন প্রাথমিক এর শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে না পড়ে তখন বিম্পি জামাত সমানে ট্রোল করতে লাগলো।

এটা সত্য যে, ভিডিওটাতে যেসব শিক্ষকদের আমরা ট্রেনিং নিতে দেখেছি তারা নেচে নেচে "কিরিং কিরিং সাইকেল চলে, ফেরিওয়ালা যায়।" শিখালে সত্যি পিকুলিয়ার দেখাবে। কারণ তাদের অধিকাংশই বয়ষ্ক এবং এতদিন ধরে তারা পড়িয়ে আসছেন এখন হঠাৎ করে এভাবে ক্লাসের ভেতর নাচ গান করা শুরু করা শিক্ষকদের জন্য খুবই বিব্রতকর। বিশেষ করে বয়স্ক শিক্ষকদের জন্য এটা খুবই বিব্রতকর।

এরপরও আমি বলব শুধু ইংলিশ মিডিয়াম বা কেজি স্কুলের বাচ্চাদের নয়, গরীব মধ্যবিত্তদের সন্তানেরা যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ছে তাদেরও আধুনিক পদ্ধতিতে শিক্ষা গ্রহণ করার অধিকার আছে। তাই সরকারের সিদ্ধান্ত সঠিক।

মাদ্রাসা গুলোর কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। পাঠদানের নামে ছোট ছোট কোমলপ্রাণ শিশুদের মেরে রক্তাক্ত করে ফেলা হয়, শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। রাতের বেলা নির্মম ভাবে বলৎকার করা হয়।

সরকার কিছু একটা উদ্যোগ নিলেই শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে সেটার বিরুদ্ধে অপপ্রচার কিরা হয় ট্রোল করা হয়। এগুলো কি ঠিক? আসুন সরকারের সমালোচনার পাশাপাশি ভালো উদ্যোগ গুলোর প্রশংসাও করি।

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৪০

বিজন রয় বলেছেন: আমি নতুন শিক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে। অনেক কারণ আছে।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৪৫

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: যেহেতু জাতীর জনক কন্যা নতুন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছেন বিম্পি জামাতকে এটার বিরোধিতা করতেই হবে।

২| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৪৭

বিজন রয় বলেছেন: হা হা হা ............. এটার ভিতর আবার বিম্পি জামাতকে আনার দরকার কি? আওয়ালীগের অনেক পাবেন এই শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে তাল মেলাতে পারছে না।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৫৪

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: আপনি আজ অবধি কখনো দেখেছেন বিম্পি জামাতকে সরকারের ভালো উদ্যোগের প্রশংসা করতে?

৩| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৫৬

বিজন রয় বলেছেন: না দেখিনি, এই জন্যই তো ওদেরওকে ভ্যালু দিবেন না।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৫৭

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: ওদের ভ্যালুই তো নেই, কি ভ্যালু দিমু নতুন করে?

৪| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১১:১২

শায়মা বলেছেন: শিক্ষাক্রম পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল তবে একেবারেই নতুন করা সবসময়ই ঝুঁকিপূর্ণ। পুরাতন শিক্ষাক্রম ও অ্যাক্টিভিটি বেইজড ছিল। কিন্তু সামেটিভ অ্যাসেসমেন্ট থাকায় পরীক্ষাটাই প্রধান হয়ে গিয়েছিল। School based assessment চালু হয়েছিল ২০১০ থেকে। কিন্তু সেটা সফল হয়নি। কেন হয়নি সেটা গবেষণা সাপেক্ষ। ২০১২ কারিকুলামেও ধারাবাহিক মূল্যায়নের ব্যবস্থা ছিল।
আমাদের দেশে যে কোনো রকমের কারিকুলাম বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জগুলো পয়েন্ট আকারে বললে এমন:
১. প্রয়োজনীয় মেয়াদের শিক্ষক প্রশিক্ষণ (ওয়ান্স ইন এ লাইফ টাইম তিন দিন পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ দিয়ে কারিগলাম বাস্তবায়ন করা যায় না)
২. পুরাতন ধ্যান ধারণার শিক্ষকদের মাইন্ড সেট পরিবর্তন (বর্তমানে শিক্ষকতা পেশায় যারা আছে তাদের অধিকাংশই মেধার দিক থেকে নিম্নমান)
৩. ছাত্র শিক্ষক অনুপাত (activity বেইজড শ্রেণী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি)
৪. অভিভাবকদের মাইন্ড সেট পরীক্ষা মুখী
৫. প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণের অপ্রতুল সরবরাহ



বাংলাদেশ গভর্মেন্ট কারিকুলাম স্পেশালিস্ট আমাদেরই একজন অনেক পুরান ব্লগার ভাইয়ার বক্তব্য তুলে দিলাম।


কথা ১০০% সত্য-

কিরিং কিরিং সাইকেল চলার ভিডিওটা দেখে মনে হয়েছে আমাদের দেশের মানুষের প্রফেশন নিয়ে শেখানো হচ্ছিলো-

আমরা আমাদের স্কুলে যখন প্রফেশন শেখাই তখন তরকারী ওয়ালা, পুলিশ ডক্টর বৈমানিক সবাইকেই ইনভাইট করি এক এক দিন গেস্ট স্পিকার হিসাবে।

নাচা গানা এসব তো দুধ ভাত। আমাদের স্কুলে বা এই সব টপিকে যখন শিখানো হয় আমরা তাদেরকে শপিংএ নিয়ে যাই অথবা কোনো নার্সারী বা হটিকালচারে।

আমরা কালচারাল প্রোগ্রামে বাংলাদেশের নানা মানুষের পেশা নিয়ে কাজ করি । যেমন আমি গত বছর করেছিলাম কৃষক মাঝি জেলে ইত্যাদি নানান পেশার মানুষদের নিয়ে প্রেজেন্টেশন। এই ধরনের শিক্ষার নানা উপায় আছে।

ছোট বাচ্চাদেরকে নানা প্রফেশনের লোকজন তাদের গল্প শোনায় ধারণা দেয়। তারা ছবি আঁকে
কিছুটা বড় হবার পরে তারা এসব নিয়ে প্যারাগ্রাফ লেখে।
আরও বড় হবার পরে ওপেন এন্ডেড কোয়েশচেন থাকে । বাচ্চারা নিজেরাই ভাবে , সেটা নিয়ে লিখে ও প্রেজেনটেশন দেয়।
সোজা কথা কিরিং কিরিং সাইকেলের ভিডিও শিক্ষা পদ্ধতি খুবই আনন্দদায়ক ও ফলপ্রশু। সোজা কথা ঐ টিচারের উপর আমার শ্রদ্ধা বেড়েছে। এই বয়সে এসেও নতুন ধারার সাথে খাপ খাওয়াতে উনি যে চেষ্টাটা করেছেন তা প্রশংসনীয়।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১১:২৬

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: আপু কিরিং কিরিং ভিডিওটাই তো ফেক। হামা ভাইয়ার মন্তব্যে দেয়া লিংকে গিয়ে দেখুন।

৫| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১১:১৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: এই ভিডিওটা বাংলাদেশের না। আসামের। তাও বছর খানেক আগের। https://www.youtube.com/watch?v=ks8AUYWhFc0

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১১:২৪

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: থ্যাংকস ভাইয়া। আসলে বিম্পি জামাত পন্থি বাশের কেল্লা মার্কা পেজের এডমিনরা এত জঘন্য মিথ্যাচার ও গুজব ছড়াবে কল্পনাও করিনি।শুধু মাত্র সরকারের প্রতি প্রতিহিংসা থেকে ওরা এসব গুজব ছড়ায়।

৬| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১১:৪৬

শায়মা বলেছেন: ফেক শুনেছি।

কিন্তু ফেক হৌক আর যাইহোক এই পদ্ধতিতে পড়ানোটা এক্সসেলেন্ট ছিলো!

কাজেই ফেইক হলেও সেটা ফলো করলে বরং ভালোই হবে।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ৯:০৬

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: রাইট।

৭| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ ভোর ৪:৪৯

কামাল১৮ বলেছেন: নতুন কিছুকে সমাজের পিছিয়ে পড়া (চিন্তায়) মানুষ জন প্রথমে গ্রহন করতে চাইবে না।পরে আরো নতুন কিছু আসলে তখন আবার এটা ছাড়তে চাইবে না।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ৯:০৬

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: রাইট।

৮| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সকাল ৮:৫৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:



নতুন কিছু সহজে কেউ গ্রহণ করতে চায় না।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ৯:০৬

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: হ্যাঁ।

৯| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সকাল ৯:৩৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আমার মনে হয় নতুন শিক্ষাক্রম আস্তে আস্তে সহনীয় ও গ্রহণযোগ্যতা পাবে। কিন্তু বয়স্ক শিক্ষদের একটু সমস্যা হবে।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ৯:০৭

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: আপনার অনুমান সঠিক।

১০| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১২:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি স্কুল কলেজ থেকে যে শিক্ষা পেয়েছেন তা সঠিক ছিলো? আপনি সন্তুষ্ট?

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ৯:০৭

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: না।

১১| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:০২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:

নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে যা যানা যাচ্ছে
ক্লাস 3 এর আগে কোনো পরীক্ষাই নেই!
ক্লাস টেনের আগে কোনো পাবলিক পরীক্ষা নেই।

এসএসসি -তে মাত্র ৫ বিষয়ের পরীক্ষা। বাংলা, ইংলিশ, ম্যাথ, সায়েন্স ও সোশ্যাল সায়েন্স। কোনো পত্র নেই। মাত্র ৫ দিনেই পরীক্ষা শেষ।
সায়েন্স, আর্টস, কমার্স গ্রুপিং হবে ইন্টারমিডিয়েটে।
হাইস্কুল লেভেলে বিষয় থাকবে ১০ টি: কিন্তু এস এস সি তে পরীক্ষা হবে ৫ টি

ইন্টারমিডিয়েটে সাবজেক্ট ৬টা। প্রত্যেকটার পত্র ৩ টা করে।
ফার্স্ট ইয়ারে সবগুলোর প্রথম পত্রের পাবলিক এক্সাম। সেকেন্ড ইয়ারে সেকেন্ড ও থার্ড পার্টের। তারপর ২ এক্সাম মিলিয়ে চূড়ান্ত এইচএসসির রেজাল্ট।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ৯:০৮

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: ধন্যবাদ বিস্তারিত জানানোর জন্য এই সুদর সিস্টেম সম্পর্কে।

১২| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৫০

জহিরুল ইসলাম সেতু বলেছেন: সহমত গোফরান ভাই।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের রুটিনমাফিক পাঠ্যক্রম হালনাগাদ ও আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ারই একটা অংশ এবারের নতুন পাঠ্যক্রম। এই পাঠ্যক্রমে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। যুগান্তকারী এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানাই।
প্রণয়ন ও প্রয়োগের সমন্বয়হীনতা প্রকটভাবে প্রভাব ফেলবে শিক্ষার্থীদের উপর। যা মোটেও অভিপ্রেত নয়। শিক্ষামন্ত্রণালয়ের গাফিলতির কারণেই এমন সুন্দর পাঠ্যক্রমের সুফল থেকে বঞ্চিত হবে শিক্ষার্থীগণ, যার প্রভাব পড়বে গোটা জাতির উপর।
বিরোধিতা করার উদ্দেশ্য নিয়ে বিরোধিতা কখনো ভাল কোনো ফল বয়ে আনে না। বিম্পি/জামাত/আম্লীগ না, দেশটা সকলের। আমরা আমাদের পরের প্রজন্মকে অনেক আধুনিক ও মানবিক চেতনায় সমৃদ্ধ মানুষ হিসেবে দেখতে চাই, গড়ে তুলতে চাই। ভাল-মন্দের নিরপেক্ষ সমালোচনাই এগিয়ে নিতে পারে সুষ্ঠু-সুন্দর পরিবেশে।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ৯:০৯

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য। অনেকদিন পর আপনাকে ব্লগে দেখে ভালো লাগলো।

১৩| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:১৫

চিটাগং এক্সপ্রেস বলেছেন: আওয়ামীলীগে অনেক মুসলিমলীগের ঔরসজাত সন্তান রয়েছে। এরা অনেক সময় বিএনপি-রাজাকারদের সুরে কথা বলে

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ৯:১০

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: হ্যাঁ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.