নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
থিম্পু ভুটানের রাজধানী । হোটেলে এসে পৌঁছেই গোসল করে দুপুরের খাবার সাবার করে ফেললাম । Hotel Shangrila যে হোটেলটায় উঠেছি তার নাম । ছোট পরিপাটী আহামরি কিছু না । অধিকাংশ অতিথি ভারতীয় । কয়জন বাংলাদেশী ও আছেন । আন্তরিক অভ্যর্থনা আর সাথে, চাইলে পাইবেন টাইপের সেবা । যাই হোক বিশ্রাম নিয়েই বেড়িয়ে গেলাম শহর দেখতে । সন্ধ্যে হয়ে আসছে শহরের মার্কেট গুলো ও ফাঁকা । আসলে কম জনবহুল দেশ তাই শহর আমাদের মত কোলাহল পূর্ণ নয় । কিছুক্ষণের মধ্যে আমরা সবাই এই শহরের প্রেমে পরে গেলাম। প্রথমেই যে জিনিসটা ভালো লাগলো তা হল, রাস্তায় কোন ট্র্যাফিক নেই । মানুষ জনের চেহারায় উদ্বিগ্নের চাপ নেই । এটা হয়ত এই দুনিয়ায় শুধু বাংলাদেশের মানুষই বুঝতে পারবে । বিশেষ করে আমরা যারা ঢাকায় থাকি। ঘর থেকে বের হলেই আতংক গ্রস্থ থাকি । কোথায় কখন কি ঘটে ! সারাটাদিন উদ্ধিগ্ন থাকতে থাকতে একটা ছাপ বাহিরে চলাফেরা করা মনুষদের চেহারায় দেখা যায় ।
আমাদের ড্রাইভারকে দেখলাম একই এলাকায় তিনবার চক্কর কাটলো জিজ্ঞেস করতেই বলল, পার্কিং এর জায়গা পাচ্ছিনা । খেয়াল করে দেখলাম পার্কিং এর জায়গার বাহিরেও অনেক জায়গা আছে কিন্তু সে কিংবা কেউই সেখানে পার্ক করছে না । এমন কি তা করার কথা ভাবছেও না । অবাক হলাম । আমাদের চেয়ে অনুন্নত (!) দেশই বলা চলে । কিন্তু নিয়ম মানায় আমরা এদের কাছাকাছি ও না । এলোপাতারি রাস্তা পার হয়েছি অনেকবার রাস্তায় গাড়ী কম তাই এইক্ষেত্রে আমরা পটু । রাস্তা পার হওয়ার সময় লক্ষ্য করলাম যে গাড়ী যেখানে আছে ব্রেক করে দাড়িয়ে যাচ্ছে যদিও চলাচল করলেও আমরা ঠিকঠাক রাস্তা পার হতে পারতাম । যখন খেয়াল করলাম রাস্তা ফাঁকা থাকলেও তারা জেব্রা ক্রসিং ছাড়া রাস্তা পার হয়না, লজ্জায় একেবারে একটুখানি হয়ে গেলাম । দেশটার মানুষদের প্রতি সম্মান বেড়ে গেল ।
Changangkha Lhakhang
মন্দিরটি ১২শ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত থিম্পুর সবচেয়ে পুরনো মন্দির গুলোর একটি ।
অনেকটা দুর্গের মত দেখতে মন্দিরটি থিম্পু শহরের একপাশে একটি পাহাড়ের উপরে অবস্থিত তাই এখান থেকে শহরটা দেখা যায় স্পষ্টভাবে ।
এখানে এসে অপূর্ব এই শহরের ছবি নিতে কেউ ভুলে না ।
বিকেলে অবসরে ।
নবজাতকদের তাদের বাবা-মা’রা এখানে নিয়ে আসেন আশীর্বাদ প্রাপ্তির আশায়। এখানকার ধর্মগুরুরা শিশুদের নাম ও রেখে দেন ।
টাকিন ভুটানের জাতীয় প্রাণী ।
শহরের চিড়িয়াখানার দর্শনারথীদের সবচেয়ে পপুলার প্রাণী । কথিত আছে, Drukpa Kunley ও Devine Madman দুই ঋষিপুরুষ তাদের ইন্দ্রজালিক জাদুমন্ত্র দিয়ে একটি পবিত্র পশু পৃথিবীতে আনেন যার সামনের অংশ দেখতে ছাগল এবং পেছনের অংশ অনেকটা গাভীর মত । এটাই টাকিন ।
দুচলা পাস ।
থিম্পু থেকে পুনাখা যেতে পরবে এই দুচলা পাস । সমুদ্র থেকে প্রায় ৩১০০ মিটার উপরে অবস্থিত । Gangkar Puensum, ভুটান সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এই দুচলা পাস থেকে দেখা যায় ।
আবহাওয়া ভালো থাকলে এখান থেকে হিমালয়ের কয়েকটি উচ্চতম শৃঙ্গ স্পষ্ট দেখা যায় ।
পাশেই একজন গাইড কয়জন বিদেশী পর্যটকদের তথ্য দিচ্ছিল এখানকার কয়টা শৃঙ্গ এখনো ভার্জিন । ভার্জিন! শৃঙ্গ ও ভার্জিন হয় ? ক্যামতে ? তাদের কথায়ই বুঝলাম ওই শৃঙ্গগুলোতে এখনো কেউ উঠেনি, জয় করা হয়নি । হুম, মানুষের পা পড়া মাত্রই এঠি ভার্জিনত্ব হারাবে ।
যাই হোক, ভুটানের সৈন্য যারা ভারত থেকে আসমিয়া বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ডিসেম্বর ২০০৩ সালে যুদ্ধে নিহতদের সম্মানে একটি স্মারক হিসেবে নির্মিত হয়েছিল । এখানে মোট ১০৮ টি স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে ।
এর একটি স্তম্ভ
আরও কিছু ছবি-
স্তম্ভের একাংশে অঙ্কিত বুদ্ধের ছবি ।
পাশেই অবস্থিত একটি সুন্দর মন্দির (সম্ভবত)
পুনাখার পথে
এই পথ পুরোটাই পাহাড়ময়। পাহাড় কেটে কেটে রাস্তা বানানো হয়েছে ।
মাঝে মাঝে পাহাড়ের এতো উপরে উঠে যেতে হয় যে, নিচে তাকালে রক্ত হিম হয়ে যায় । শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় । বড় বড় পাইন গাছে অপূর্ব সব পাখি আর বানরের দেখা মিলে ।
প্রায়ই পাহাড় ধসে চলাচল বন্ধ থাকে ।
ব্যাপক সংস্কার চলছে রাস্তাগুলোতে। দেশের রাজা / সরকার চাচ্ছেন চীন-> ভুটান>ভারত->বাংলাদেশ একটা সংযোগ রাস্তা হোক ।
পাহাড়ি ছোট ছোট ঝর্ণা মুগ্ধ করবে যে কাউকে।
চাষ যোগ্য সমতল ভূমির অভাব এদেশে ।
তাই পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে ধান চাষ চলে এখানে।
দেখা যাবে আপেলের বাগানও । পেয়ারা, আপেল, পরসিমন, বিশাল আকারের মরিচের পসরা চোখে পরবে অনেক ।
মাঝে মাঝে লোকালয় । সুন্দর সব বাড়ী ঘর । দেয়ালে চিত্রাঙ্কন ।
একটা দেয়ালে আবারো দেখলাম কেমন জানি একটা চিত্র । নংরা চিন্তায় পেয়ে বসল আবার । ভালো করে খেয়াল করতে পারিনি গাড়ীতে থাকার কারনে । ভুল দেখেছি নিশ্চয়ই।
পুনাখা জং
এই ছবিটা নেট থেকে নেয়া ।
এটি ভুটানের প্রাচীন রাজধানী । ১৯৫৫ সালে বর্তমান থিম্পুতে রাজধানী স্থানাতর হওয়ার আগে এটি ই সে দেশের রাজধানী ও প্রাশাসনিক দপ্তর ছিল । পুনাখা জং এর অর্থ পরম সুখময় প্রাসাদ । পুছ্যা নদীর তীরে অবস্থিত এই প্রাসাদ । কাঠের তৈরি প্রাসাদটি দেখার মত ।
স্রোতময় নদীতে রাফটিং এর সুবিধা আছে ।
এদ্ভাঞ্চারের সুযোগ নিইনি ।
ঘুরে বেড়িয়েছি ফটো তুলেছি । দূর থেকে দেখলে মনে হবে পাহাড় ঘেঁষা নদীর তীরে প্রাসাদটা যেন, মনভালো থাকা সদ্য প্রেমে পড়া এক শিল্পীর তুলিতে আঁকা একটা ছবি ।
এই ছবিটাও নেট থেকে নেয়া ।
চলবে।
ঝকঝকে ছবি আর চকচকে ভুটান । (ফাখানি গফর ব্লগ)
২০ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৩
হাসান রাজু বলেছেন: ভালো লাগা জানবেন । সত্যি, কবে যে সভ্য হব আমরা ? একদিন হব হয়তো । নিজেরা নিজে থেকে শুরু করি, অন্যরা সভ্য হতে শুরু করলে আমিও শুরু করব এমন না ভেবে সভ্য হওয়ার প্রস্তুতি এখন থেকেই, নিজেই শুরু করি । মনে হয় এটাই ভালো ।
যাচ্ছেন ? যান । খুব ভালো লাগবে নিশ্চয়তা দিচ্ছি। এসে অবশ্যই শেয়ার করবেন । শুভ কামনা রইলো ।
২| ২০ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৫:১৩
মোস্তফা সোহেল বলেছেন: সত্যি অসাধারন সুন্দর। আহা যদি যেতে পারতাম।
২০ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৫
হাসান রাজু বলেছেন: ধন্যবাদ জানবেন । আসলেই সুন্দর দেশ। ছবিতে বুঝা যাবেনা ।
আর অবশ্যই যাবেন। ইচ্ছেটাকে আরেকটু গতিশীল করুন । শুভ কামনা রইলো।
৩| ২০ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৫:২২
সঞ্জয় নিপু বলেছেন: ছবি গুলো অনেক সুন্দর আর জায়গার সৌন্দর্য তো সারা পৃথিবীরই জানা।
পোস্টে ভাল লাগা রইল।
২০ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৭
হাসান রাজু বলেছেন: আসলেই তাই । সুন্দর দেশ, সুন্দর মানুষের মন । ভুটান সব সুন্দরের দেশ ।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ ।
৪| ২০ শে মার্চ, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০১
চাঁদগাজী বলেছেন:
দারিদ্রতা চোখে পড়লো?
২০ শে মার্চ, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৪
হাসান রাজু বলেছেন: দেশটা অনেক সুন্দর । মানুষগুলো সুন্দর । সুন্দর করে চিন্তা করার মত একজন রাজা ও আছেন । তাই ভুটান সুন্দর ।
অশেষ ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।
৫| ২০ শে মার্চ, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১০
সমুদ্রচারী বলেছেন: ভালো লাগলো ছবিগুলো।ট্রাফিক নিয়ে একই অভিজ্ঞতা হয়েছিল আমার কোরিয়ায়।রাত এগারোাটায় ফাকা রাস্তায় সিগন্যালে গাড়ি থেমে আছে দেখে বেশ অবাক হয়েছিলাম
২০ শে মার্চ, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৯
হাসান রাজু বলেছেন: হা হা .......। সত্যি নিয়ম ভেঙ্গে আমরা নিজেদের বাহাদুর ভাবি । আর নিয়ম মেনে তারা আদায় করে সম্মান ।
অশেষ ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য । ভালো থাকবেন ।
৬| ২০ শে মার্চ, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৫
মাঝিবাড়ি বলেছেন: কত লাগবে টোটাল?
২০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:২৮
হাসান রাজু বলেছেন: প্যাকেজে গিয়েছিলাম তাই প্রায় ৪০ হাজারের মত খরছ হয়েছে। সড়ক পথে যেতে পারলে খরছ অনেকটাই কমানো যেতো।
ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা জানবেন।
৭| ২০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:২৯
জুন বলেছেন: চলুক হাসান রাজু ।
আমরা এই নিঝুম নিশ্চুপ দো চুলা রিসোর্টে এক রাত কাটিয়ে পুনাখা ওয়াংডি পার হয়ে যাবার কথা ছিল পবজিখা । থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল এক ফার্ম হাউসে। কিন্ত পাহাড়ে ঘুর ঘুর পথ আমাকে অসুস্থ করে তুলেছিল ওয়াংডি যাবার পরই । ফিরে এসেছিলাম।
খুব চেনা পরিচিত জায়গাগুলোর ঝক ঝকে ছবি দেখে খুব ভালোলাগলো । দুষন মুক্ত আকাশ বাতাস বলেই সেখানে তোলা ছবিগুলো ঝকঝকে হয় বলে আমার ধারনা । তবে আপনার ছবি তোলার হাত ভালো তা স্বীকার করতেই হবে ।
সাথে থাকলাম ।
+
২০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১১:১১
হাসান রাজু বলেছেন: হাজার মাইল দূরের দোচুলার যে পথে আপনি হেঁটেছিলেন আমিও গিয়েছিলাম সেখানে । এমন সংযোগে যে কি ভালো লাগে তা অনুভব করতে পারছি । খারাপ লাগলো, অসুস্থ হয়ে গিয়েছেন। পরিকল্পনা মতো ঘুরতে পারেননি ।
ভুটানকে চকচকে দেখেছি কিন্তু কারন জানিনা বা জানতে চেষ্টা করিনি । কিন্তু বিশ্বাস করুন আপনার মন্তব্য পড়ে মনে হচ্ছে দূষণ মুক্ত আকাশ বাতাস ই এর কারন । সত্যিই বলেছেন বিশুদ্ধ প্রকৃতিই এর সৌন্দর্যের রহস্য ।
আর ছবি? সে তো আপনাদের সুন্দর করে দেখার গুণ ।
খুব খুব ভালো থাকবেন । সুস্থ থাকবেন । ধন্যবাদ ।
৮| ২০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৩৫
ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: ছবি দেখে মুগ্ধ হলাম।
২০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১১:১২
হাসান রাজু বলেছেন: আপার মন্তব্য পড়ে আপ্লুত হলাম । খুব ভালো লাগলো । সুস্থ থাকবেন । অশেষ ধন্যবাদ ।
৯| ২০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১০:১৯
মাহাদী হাসান প্রেত বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। এমন চমৎকার সব তথ্য আর ছবির জন্য।
২০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১১:১৫
হাসান রাজু বলেছেন: আপনাদের এই ভালো লাগা আমাকে আনন্দ দেয় । লিখতে গেলে কি লিখব খুজে পাই না তারপর ও লিখার উৎসাহ পাই । অনেক অশেষ শুভেচ্ছা রইলো । ভালো থাকবেন ।
১০| ২০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১১:৩৫
সুমন কর বলেছেন: চমৎকার সব ছবি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। এবং টাকিনের কাহিনী জেনে মজা পেলাম।
২১ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:০১
হাসান রাজু বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ। আসলে টাকিনের গল্পটা ভুটানের একটা প্রচলিত মিথ। অনেকের মতে এটি গরু ও বন্য ছাগলের শংকর। তবে বিপন্ন প্রায় একটা প্রাণি।
ভালো থাকবেন।
১১| ২১ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:২৮
সচেতনহ্যাপী বলেছেন: ঝকঝকে ছবি এবং সুন্দর বর্ননায় লেখাটা আপনার ছবির মতই ঝকঝকে।। খুব ভাল লাগলো।।
২১ শে মার্চ, ২০১৭ সকাল ১০:৪২
হাসান রাজু বলেছেন: ধন্যবাদ । আপনার ভালো লেগেছে এটাই সব । ভালো ও সুস্থতা কামনা করছি । আবারো ধন্যবাদ ।
১২| ২১ শে মার্চ, ২০১৭ সকাল ৭:৪৮
নায়না নাসরিন বলেছেন: চকচকে ঝকঝকে ছবি দেখে হিংসা ভাইয়া ভালোলাগা জানিয়ে গেলাম।
২১ শে মার্চ, ২০১৭ সকাল ১০:৪৫
হাসান রাজু বলেছেন: হিংসায় ভালোলাগা মিশে থাকলে হিংসা ই ভালো । খুব ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য । সুস্থ থাকবেন । শুভেচ্ছা জানবেন ।
১৩| ২১ শে মার্চ, ২০১৭ সকাল ১০:৫৪
আমিই মিসির আলী বলেছেন: চমৎকার লাগলো।
তবে এসব দেখে আপসোস লাগে শুধু।
২১ শে মার্চ, ২০১৭ দুপুর ১:৫২
হাসান রাজু বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে । কিন্তু আপসোস কেন? ভালো থাকবেন ।
১৪| ২১ শে মার্চ, ২০১৭ সকাল ১১:০৬
ফারিয়া আলম বলেছেন: ছবি দেখে মুগ্ধ হলাম আর বর্ননাও অসাধারন। চমৎকার লাগলো।
২১ শে মার্চ, ২০১৭ দুপুর ১:৫৮
হাসান রাজু বলেছেন: আপনাকে মুগ্ধ করতে পারায় ভালো লাগছে । ভালো থাকবেন । অশেষ ধন্যবাদ পোস্টটা এতো আন্তরিকভাবে পড়ার জন্য ।
১৫| ২১ শে মার্চ, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৪
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: একটা দেয়ালে যে নোংরা চিত্র দেখেছেন ওটা ভুটানে বাস্তব, ওটা অনেক বাড়ি-ঘরের দেয়ালেই ওরা একে রেখেছে, কেন জানিনা। তবে আমার দেখা সব থেকে সুন্দর দেশ ভুটান।
২১ শে মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:০৭
হাসান রাজু বলেছেন: ভালো আছেন ভাই?
দেয়ালের চিত্র নোংরা ছিল না । অনভ্যস্ততার কারনে আমার মন নোংরাভাবে চিন্তা করেছিল । অন্য কোন পোস্টে এ নিয়ে কিছু লিখব চিন্তা করছি ।
আর আপনি বলেছেন সব থেকে সুন্দর দেশ ভুটান । তার মানে আসলেই ভুটান খুব সুন্দর একটা দেশ ।
অশেষ ধন্যবাদ । সুস্থ থাকবেন। ভালো থাকবেন ।
১৬| ২১ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৪:১৮
মনিরা সুলতানা বলেছেন: চমৎকার সব ছবি আর লেখা !
শুভ কামনা
২১ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৫:৩১
হাসান রাজু বলেছেন: জেনে ভালো লাগলো । আপনার সুস্থতা কামনা করছি । ভালো থাকবেন । ধন্যবাদ ।
১৭| ২১ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৫
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: আমি অব্য আর কয়টা দেশই দেখেছি? ভালো লেগেছে খুব তাই বললাম ওটা এলটা চমৎকার দেশ। সেই সাথে এই দেশের মানুষগুলোও খুবই ভালো।
২১ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৯
হাসান রাজু বলেছেন: সেজন্যই আপনার সার্টিফিকেট কে এতো দাম দেই । আপনার দেখার দৃষ্টি আলাদা । যে ব্যাক্তি ঘুরেঘুরে দেশ আর মানুষ দেখে, সে যে দেশকে সুন্দর আর যে জাতিকে ভালোর সার্টিফিকেট দিবে তার উপর কোন কথা হয় না (জানি সরাসরি প্রশংসা করে ফেললাম । মহৎ লজ্জা পাবেন । কিন্তু সিরিয়াসলি বলছি।)।
আমরা ও দেখেছি, সভ্য আর ভালো একটা জাতি মনে হয়েছে। অন্যান্য সভ্য দেশের মত ট্রেনিং প্রাপ্ত সভ্য না একেবারে নিখাদ, নির্ভেজাল সভ্য । কি বলেন ?
সুস্থ ও ভালো থাকবেন । ধন্যবাদ ।
১৮| ২১ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:১১
গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ছবি, বর্ণনা দু;টোই চমৎকার।।
২১ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১১:২৬
হাসান রাজু বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য ভালো লাগলো। সুস্থ থাকবেন।
১৯| ২১ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১০:২০
শাশ্বত স্বপন বলেছেন: বড় ইচ্ছা..! কবে যে যাব। আরেকবার গেলে জানাবেন
২১ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১১:৩১
হাসান রাজু বলেছেন: বারবার যাওয়ার মত একটা দেশ। জানিনা আর যাবো কি না। দোয়া করি আপনার ইচ্ছে পূরন হোক।
ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ।
২০| ২৫ শে মে, ২০১৭ সকাল ৮:২৫
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: ভুটান অসম্ভব সুন্দর একটা নির্জন নির্ভেজাল দেশ.......পোষ্টে ভালোলাগা।
২৭ শে মে, ২০১৭ রাত ৯:৫২
হাসান রাজু বলেছেন: আবারো জানলাম আপনি ভুটানে মুগ্ধ । যেমনটা আমিও । খুব ভালো থাকবেন ।
২১| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:০৬
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন:
পুনাখা দেখিনি আমি।
দোচালা পাস-এ সত্যিই খুব এনজয় করেছি।
আপনার ঝরঝরে বর্ণনা আর ঝকঝকে ছবি সত্যিই উপভোগ্য!!
অনেক অনেক শুভেচ্ছা!!
১৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:২১
হাসান রাজু বলেছেন: পুনাখায় যান নি । ঠিক আছে, বেশি কিছু মনে হয় মিস করেন নি ।
আপনার মন্তব্য খুব ভালো লাগলো । অশেষ ধন্যবাদ । ভালো থাকবেন ।
©somewhere in net ltd.
১| ২০ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৪:৫১
ডি মুন বলেছেন: ++++
ছবি দেখে মুগ্ধ হলাম।
আর ওদের নিয়ম মেনে পথ চলার কথা জেনে আমারও লজ্জা লাগল। আমরা এখনো নিজেদের সভ্য করতে পারলাম না।
ভূটান যাওয়ার ইচ্ছা আছে এ বছরের শেষ দিকে। আপনার পোস্ট সে ইচ্ছাটাকে আরো বাড়িয়ে দিল।
ধন্যবাদ