নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি বিপ্লবী ধারায় লিখতে পছন্দ করি। এটাই আমার প্যাশন।

গিলগামেশের দরবার

সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র গবেষক (দক্ষীন চীন সাগর)

গিলগামেশের দরবার › বিস্তারিত পোস্টঃ

সেভ সুন্দরবন, সেভ বায়োডাইভার্সিটি

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১২:১০


ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশনের বর্তমান কর্ণধার, গুরুদ্বীপ সিং তার ভারতমাতার বুকে গতি আনার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করেই চলেছেন। NTPC এর ওয়েব সাইট বলছে, এ পর্যন্ত তারা একক ভাবে সমগ্র ভারতে ১৮ টা কোল পাওয়ার প্লান্ট, ৭ টা গ্যাস পাওয়ার প্লান্ট ও জয়েন্ট ভেঞ্চারে আরো ৭ টা প্লান্টের মাধ্যমে ৪৭১৭৮ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ সাপ্লাই দিয়েছে এবং এখনো দিচ্ছে। তাদের ৭ টা প্রজেক্ট আন্ডার কন্সট্রাকশনে আছে, যার উৎপাদন ক্ষমতাও প্রায় ২৪৩৯ মেগা ওয়াট। সবচেয়ে অবিশ্বাস্য বাপার হলো, NTPC এর সোলার ফটোভোল্টাটিক পাওয়ার প্লান্ট ও আছে। যাদের মধ্যে কিছু এখন চালু আছে, আর কিছু চালু হবার অপেক্ষায় আছে। মোটামুটি ২০১৭ সালের ভিতর NTPC এর সোলার প্লান্ট থেকেই নরেন্দ্র মোদীর সরকার পাবে আরো ১০০০ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ।

আমাদের দেশের রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবার পর NTPC এর কোল পাওয়ার প্লান্ট হবে, ১৯ টা। বিশাল কর্মযজ্ঞ এই পাওয়ার ব্যবসায়। সমগ্র ভারত জুড়ে ব্যবসার পাশাপাশি এখন মাল্টিন্যাশনাল হবার ধান্দা।

হ্যা। রামপাল পাওয়ার প্লান্ট এই NTPC কোম্পানিই করছে, আমাদের দেশে। আসলে ব্যবসা যেখানে, কোম্পানি ও সেখানে।

এই মহাকর্মযজ্ঞের শুরুটা কিন্তু ভারতেই হয়েছিল। টি এম সি'র মমতা দিদি যখন, রতন টাটার সিঙুরে দেখা টাটা ন্যানোর ভাঙা স্বপ্নের মত, NTPC কে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্থানের ব্যাপারে প্রত্যাখ্যান করে, সেখান থেকেই শুরু। বেচারি NTPC মমতা দিদির কাছে বোল্ড আউট হয়ে, এদিক সেদিক প্লান্টের জায়গার খোজ করতে থাকে। সে সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক রথী মহারথীরা বিদ্যুৎ চাই! বিদ্যুৎ চাই! বলে দেশে গলা ফাটাচ্ছিলেন। যে করেই হোক, কুইক রেন্টাল দিয়ে উৎপাদন ও ঘাটতি পূরন করতে হবে।

NTPC ও আমাদের দেশের সরকারের চাওয়া একেবারে সোনায় সোহাগা হলো। খাপে খাপ মিলেও গেল। কিছু বামপন্থী সংগঠন একটু লম্ফ জম্ফ করেছিল। তবে বিষয়টা সেসময় দাড়ালো " পুরানো পাগলে ভাত পায় না, নতুন পাগলের আমদানি " র মত। এরই দেখাদেখি তৎকালীন সরকারের প্রধান বিরোধী দল, রামপালকে নিয়ে একটা রাজনৈতিক ইস্যু করে। সেসময় তারা আন্দোলন নাকি, কি যে করেছিল আমার মেমরিতে আসছে না। কিছু পরিবেশবাদী সংস্থাও এই রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরোধিতা করেছিল।

সবকিছু উপেক্ষা করে সরকারের জ্বালানী উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহি চৌধুরীর মধ্যস্থতায় ২০১০ সালের আগস্টে PDB ও NTPC এর মধ্যে MoU সাক্ষরিত হয়। তারপর ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি PDB চূড়ান্ত ভাবে NTPC এর সাথে প্লান্টের জন্য চুক্তি করে। সর্বশেষ ১২ জুলাই ২০১৬ তারিখে ১.৪৯ বিলিয়ন ডলারের অর্থ চুক্তি সাক্ষরিত হয়। সেখানে শেয়ারের কথা উল্লেখ আছে ৫০-৫০। যা পূর্বে ছিল, ৩০-৭০। প্রজেক্ট ফিনান্সার ইন্ডিয়ান এক্সিম ব্যাংক। সমাপ্তি হবে, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে।

এবার আসি সীমানার অপর প্রান্তে। রামপালে যে ১৮৩৪ একর জায়গা একোয়ার করা হয়েছে, বছর দুয়েক আগে আমি একবার গিয়েছিলাম সেখানে। জায়গাটা সুন্দরবনের একেবারে কাছেই। চুক্তিতে বলা হচ্ছে, ভারত থেকে পশুর নদী দিয়ে আনা কয়লা দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।

ধরুন, ঐ ব্যস্ত চ্যানেলে একটা কয়লাবাহী জাহাজ ডুবে গেল, কিংবা আনলোডিং করার সময় কয়েক টন কয়লা নদীতে পড়ল। অথবা দিনে যদি একটা করে কয়লাবাহী জাহাজ আসে তবে চার বছরে ১৪৬০ টা কয়লা বাহী জাহাজ যাওয়া আসা করবে। সেখানে কয়েকটা দুর্ঘটনার আশা আমি করতেই পারি।

তারপর, যারা সায়েন্স পড়েছেন, তারা ভাল বুঝবেন ব্যাপারটা। ইটের ভাটার আশেপাশের কয়েক স্কোয়ার কিলোমিটার জমি কিন্তু অনাবাদী হয়ে পড়ে এবং সারা জীবনের জন্যই অনাবাদী হয়ে যায়। এর পিছনের সায়েন্স হলো, ইন্টারনাল হিট রেডিয়েশন। আর রামপালে কয়লার ডাস্ট তো থাকছেই। তারপর আছে, কয়লা পোড়া ধোয়া, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকির কারন। রামপালেই ঘটতে চলেছে, এরকম অনেক কিছু। আসলে বলতে গেলে আরো অনেক কিছুই বলা যায় এই ব্যাপারে।

আমার এত ফাটছে কেন জানেন? আমার গ্রামের বাড়ি, সুন্দরবনের সাতক্ষীরা অংশ থেকে ৩০-৪০ কিলোমিটারের ভিতরে পড়ে। যদি সুন্দরবনের কোন ক্ষতি হয়, তবে বায়োশীল্ড হিসাবে ঝড়গুলো ঠেকানোর আর কেউ থাকছে না। হয়তো একদিন বাড়িতে ফিরে দেখব, আমারই কোন নিকট আত্নীয় ঝড়ের সময় গাছ চাপা পড়ে মরে আছে। তার জানাজার ব্যবস্থা আমারই করা লাগছে।



এই রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে দেখি কিছু পরিবেশবাদী, ফরেস্ট ও ফিসারীজ রিলেটেড স্বেচ্ছাসেবীরাই কথা বলছে। আর সবাই কোথায়? সুন্দরবন তো তাদের একার না। সুন্দরবন তো সবার।

যারা কথা বলছে, তারা হয়তো আমাদের মত খারাপ কিছুরই আশংকা করছে। আমি নিজে ফিসারীজের ছাত্র ছিলাম। আমি জানি, সুন্দরবন বাংলাদেশের জন্য কি রকম এক আশির্বাদ হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে। যাদের এই বন নাই তারা জানে, তাদের কি ধরনের উপকারী বন্ধু নাই।

গত শতক অর্থাৎ ১৯০০ সালের পর থেকে দুটো বিশ্বযুদ্ধ ও তৃতীয় বিশ্বের গৃহযুদ্ধের কারনে, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অর্থলোভী ক্ষমতাশালীদের দ্বারা এই শতকে ম্যানগ্রোভের পরিমান এক-পঞ্চমাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। আবার তা আছেও হাতে গোনা কয়েকটা দেশে, যেমন, বাংলাদেশ, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ব্রাজিল ও থাইল্যান্ডে। এগুলোর ভিতরে সুন্দরবন একক ভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বড়।

সুন্দরবনে কি পরিমান যে জীববৈচিত্র আছে, তা আপনি হয়তো কল্পনাও করতে পারবেন না। তার কাজগুলোও কিন্তু মারাত্মক। ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেও, আপনি এ রকম বায়োফিল্টার ও বায়োশীল্ড দ্বিতীয়টা তৈরী করতে পারবেন না।

রামপাল সমস্যার একটা সমাধান আমার কাছে আছে। চুক্তি যেহেতু হয়ে গেছে, সেহেতু কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে বাংলাদেশে। নইলে বিদেশীদের কাছে আমার দেশের ভাবমূর্তী খারাপ হতে পারে। বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে তবে সুন্দরবনের কাছাকাছি কোথাও না। সেটা যশোর, নড়াইল, মাগুরা কিংবা অন্য কোন জেলায় হতে পারে, তবে খুলনা বা সাতক্ষীরাতে নয়। কয়লা ভারত থেকেই আসুক, এবং নদী পথেই আসুক। এই জেলা সংশ্লিষ্ট নদী গুলো ড্রেজ করা যেতে পারে, নইলে সড়ক পথ তো আছেই। টাটা ন্যানো ১৮০০ কিলোমিটার দূরে তাদের ফাক্টরি স্থানান্তর করেছিল ২-৫ বছর ধরে। NTPC কে তা না পারার কোন কারন দেখি না, কারন উৎপাদনের কাজ এখনো শুরুই হয় নি।

রামপাল ও সুন্দরবন নিয়ে পরিবেশ, মৎস বা বন বিভাগের শিক্ষক বা ছাত্র অথবা প্রাক্তন ছাত্রদের কে নিয়ে সরকারের সাথে ডিবেটের আহবান জানাচ্ছি। যদি এই বিভাগ গুলো ডিবেটে সরকারের সাথে হেরে যায় তবে আমরা দেশবাসী সহ সকল ছাত্ররা রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র মেনে নেব। সরকার চাইলে আমরা প্রস্তুত আছি।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যারা গেছেন,তারা হয়তো জানেন সেখানে দিনের বেলায় শিয়াল দেখা যায়। প্রায় সবারই প্রতিদিনের ঘুম ভাঙে পাখির ডাকে। সেখানে এমনকিছু বিলুপ্ত প্রায় প্রাণী আছে, যা সচারচার দেখা যায় না। সেখান কার গত ৫ জুন তারিখের একটা ঘটনা আমার মনে খুব রেখাপাত করেছিল। ক্যাম্পাসের ভিতরেই একটা গুই সাপ রেললাইন পার হতে গিয়ে, ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যায়। দিনটা ছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস। এতদিন তিব্বতের বৌদ্ধ ভিক্ষুদের স্বাধীনতার জন্য আত্নহুতি দিতে দেখেছি। আমার মনে হলো, এই গুই সাপ টা পরিবেশের এই বিরুপ অবস্থার জন্য প্রতিবাদ করতে গিয়ে আত্নহুতি দিয়েছে। মৌন প্রতিবাদ আর কি।

চরম বুদ্ধিমান মানুষের বিরুদ্ধে যখন কিছুতেই পেরে উঠা যাচ্ছে না, তখন অবলা প্রাণীদের প্রতিবাদের ভাষা আর কি ই বা হতে পারে?

শেষ করি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিসারীজ ফ্যাকাল্টির, একুয়াকালচার বিভাগের ড. মোঃ আব্দুস সালাম স্যারের কথা দিয়ে।

স্যার ক্লাসে সুন্দরবনের বায়োডাইভার্সিটি ও প্রিসারভেশন নিয়ে একপ্রকার যুদ্ধ ঘোষনা করার কথা বলতেন। বলতেন," যে সকল জীবেরা কথা বলতে পারে না, বলতে পারে না তাদের দুঃখের কথা। তোমরাই তাদের হয়ে কথা বলবা"।

স্যার টার্মটা ব্যবহার করেছিলেন, "Speak for them, Who can't Speak"

১৯৭১ সালের ২ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মেজর খালেদ মোশাররফ বলেছিলেন একটা কথা "লেট দেম কাম, দে উইল লুজ... ! "। আমরা বাঙালী, মার খেয়েও বলেছি, " মাটি আমার"।

মাটি আমারই, অন্য কেউ তা জোর করে ব্যবহার করতে পারবে না। চেষ্টা করলেই, "দে উইল লুস"।

আসুন ড. সালাম স্যারের ভাষাতেই সুন্দরবনের হয়ে কথা বলি। কথা বলি অবলা, অবোঝা প্রাণী ও উদ্ভিদের হয়ে।

Let Speak for them, who can't Speak.

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হোক।

সুন্দরবনের জীবন গুলো বেঁচে থাক।

বিঃদ্রঃ লেখাটা অনেক আগেই লিখেছিলাম। সামুতে নতুন বলে পূর্বের লেখাটা শেয়ার করা।

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:১৩

নিশ্চুপ উৎস বলেছেন: "Speak for them, Who can't Speak" সুন্দরবনকে বাচাঁতেই হবে

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:৫০

গিলগামেশের দরবার বলেছেন: Let’s speak for them, who can’t speak.

২| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৫

রক্তিম দিগন্ত বলেছেন: বাকৃবিতে পরিবেশটা সত্যিকার অর্থেই অন্যরকম। ওখানে থাকলে মন এম্নিতেই ভাল হয়ে যায়। সম্পূর্ণ একটা আলাদা জগৎ মনে হয় ওখানটাকে।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:০৮

গিলগামেশের দরবার বলেছেন: জ্বী ভাই। আসলেই অন্য রকমের। আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সময়টুকু আমি কাটিয়েছি ওখানে।

৩| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:৪০

এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: আপনি লিখেছেন, মোটামুটি ২০১৭ সালের ভিতর NTPC এর সোলার প্লান্ট থেকেই নরেন্দ্র মোদীর সরকার পাবে আরো ১০০০ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ। ওদের ওয়েবসাইটে পাচ্ছি বর্তমানে ৯টি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হচ্ছে ৩৬০ মেগাওয়াট-http://www.somewhereinblog.net/blog/hemelbau/30157325
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় ২টি কেন্দ্রে হবে ২৫০+২৬০=৫১০ মেগাওয়াট
http://www.ntpc.co.in/en/about-us/future-capacity-additions

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:২৬

গিলগামেশের দরবার বলেছেন: লেখাটা যে অনেক আগেই লেখা সেটা লেখার নীচে বলে দিয়েছি। আমি যে সময় ডাটা গুলো অ্যাকোয়ার করেছিলাম সে সময় ntpc এর ওয়েব সাইটে এই ডাটাই দেখাচ্ছিল। ওদের ওয়েব সাইটের অনেক উন্নতি হয়েছে। আগে এইরকম ছিল না। আমাদের সাথে কাজ শুরু করার পর টাকার গরমে সাইটের চেহারাই পালটে ফেলেছে।

লিংক গুলার জন্য ধন্যবাদ ভাই।

৪| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:৪০

এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: Click This Link

৫| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:৪১

এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: Click This Link

৬| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:৫০

এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: গতকালের অনলাইন পত্রিকায় দেখলাম মমতা টাটাকে পশ্চিম বঙ্গে থুড়ি বাংলায় বিনিয়োগের আহবান জানিয়েছেন। সেজন্য তাদেরকে সরকারি টাকায় জমি কিনে দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:২২

গিলগামেশের দরবার বলেছেন: বেশ্যাকে তবু বিশ্বাস করা চলে রাজনীতিকের ধমনী শিরায় সুবিধাবাদের পাপ। যেই সিংগুরের টাটা ন্যানোর প্রজেক্ট মমতা দি কে ক্ষমতায় আনলো সেই টাটাকেই সে আবার ডেকে নিয়ে আসছে। আমি রাজনীতিবীদ কে বিশ্বাস করি না

৭| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:০০

এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: Click This Link

৮| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ভোর ৫:২৭

সাদিক তাজিন বলেছেন: রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হোক।
সুন্দরবনের জীবন গুলো বেঁচে থাক।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:০৪

গিলগামেশের দরবার বলেছেন: বন্ধ হোক। বেঁচে থাক!

৯| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:৫৩

শেয়াল বলেছেন: কপাল মোগো :-<

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:০৪

গিলগামেশের দরবার বলেছেন: খুবই খারাপ মোগো কপাল!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.