নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি বিপ্লবী ধারায় লিখতে পছন্দ করি। এটাই আমার প্যাশন।

গিলগামেশের দরবার

সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র গবেষক (দক্ষীন চীন সাগর)

গিলগামেশের দরবার › বিস্তারিত পোস্টঃ

কাশ্মিরের সেনা বেসে হামলা ও স্বাধীনতা

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৮


ব্রিটিশরা যখন ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে টালবাহানা করেছিল কেমন লেগেছিল ডিয়ার ভারত মাতা? মহাত্না গান্ধী খালি পায়ে হেঁটেছিলেন, অসহযোগের ডাক দিয়েছিলেন। রবি ঠাকুর নাইট পর্যন্ত ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কান্না কাটি, হল্লা হাটি, গোপন বিপ্লবী দল খুলেছিলেন কেউ কেউ। আমাদের সুভাস বোস তো পুরো এক আর্মিই গড়ে তুলেছিলেন। আরো কতো কি? অনেক আবেগ, অনেক রক্ত, অনেক জীবন, অনেক বুক ফাটা কান্না সাক্ষী হয়েছিল ভারত মাতার স্বাধীনতা।

তবে কাশ্মীরের বেলায় এত লুকোচুরি কেন? টালবাহানা কেন?

ধান্দাবাজি তো কম হলো না। এবার খ্যান্ত দেন ডিয়ার ভারত মাতা। আমি অত্যান্ত শ্রদ্ধার সাথে ও বিনয়ের সাথে চাচ্ছি। বিপ্লবীরা কিন্ত আমার মত কর্ডিয়াল না। তাদের ভাষাটা কিন্তু বন্দুকের। প্রমান চান?



রবিবার অর্থাৎ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বেশ সকাল সকালই ইন্ডিয়ান অধুষ্যিত কাশ্মিরে সেনা বেসে অতর্কিত হামলা করেছে কিছু বিপ্লবী। বুরহান ওয়ানী জঙ্গি নাকি দেশ প্রেমিক ছিল এবার বুঝতে পারছে ইন্ডিয়ান আর্মি। মিথ্যা প্রোপাগান্ডা দিয়ে কাশ্মীরকে দমায়া রাখতে পারবেন না। বিপ্লবীকে জঙ্গি বলে বিপ্লবকে থামাতে যত চেষ্টা করাই হোক না কেন মরা বিপ্লবীর জীবনের শোধ একদিন না একদিন তার সতীর্থরা নিয়েই ছাড়বে।

আজকের হামলায় ১৭ জন আর্মি নিহত হয়েছে আহত হয়েছে আরো ত্রিশজন অপরদিকে ৪ জন বিপ্লবী মারা গেছে। শ্রীনগর- মুজাফারাবাদের হাইওয়ের পাশে থাকা ক্যাম্পে হামলা করে বিপ্লবীরা। বেশির ভাগ সেনার মৃত্যু হয়েছে গ্রেনেড চার্জ করার কারনে। পরে ইন্ডিয়ান আর্মির প্রশিক্ষিত কমান্ডোরা ৪ বিপ্লবীকে হত্যা করে।

যাই হোক এবার আসা যাক স্টেটের বর্তমান পরিস্থিতিতে। স্টেট মিনিস্ট্রি জানাচ্ছে এযাবৎ কালের সবচেয়ে বড় হামলাটা করেছে কাশ্মিরী বিপ্লবীরা। ডিফেন্স মিনিস্টার মনোহার পরিকার ও আর্মি চিফ দালবির সিং সাথে সাথেই কাশ্মিরে গেছেন সেনাদের মনোবল দেয়ার জন্য। চারিদিকে হুলুস্থুল পড়ে গেছে কাশ্মিরের এই ঘটনাকে টেক ওভার করতে।

জুলাই থেকে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতে ৮০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে প্রায় ১২০০০ কাশ্মিরী সিভিলিয়ান। এবারের ঈদুল আযহার নামাজ পর্যন্ত কাশ্মিরের জনগন পড়তে পারেনি কারফিউ জারি থাকার কারনে।

আর কত অত্যাচার, শোষন, কত নিপিড়ন, কত হত্যা করা হবে? কত ইজ্জত দিতে হবে কাশ্মিরে?

ব্রিটিশরা গেছিল ১৯০ বছর পর। তবে সেটা অনেক সম্মানের সাথে। কেউ আঙ্গুল তুলে কথা পর্যন্ত বলেনি। তবে ভারতের ক্ষেত্রে কাশ্মির প্রশ্নে ব্যাপারটা কান ডলাই মনে হয় শেষ সমাধান।

বিপ্লবের জয় হোক, কাশ্মির স্বাধীন হোক।

ইনকিলাব জিন্দাবাদ!

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:১৯

হাসান ইমরান বলেছেন: স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে.....?

২| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:০৩

অগ্নি সারথি বলেছেন: Victory is coming! Free Kashmir

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.