![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তন্দ্রাকুমারী একটি কাল্পনিক চরিত্র যার সন্ধানে আছি নিশিদিন!!
গলায় আটকে থাকা কিছু কথা
নীরব কাঁটার মতো রক্ত ঝরায়,
প্রতিটি নিশ্বাসে জেগে ওঠে ব্যথা—
তবু শব্দেরা মুখ ফিরিয়ে থাকে,
বরফ হয়ে যায় অভিমানের ঘ্রাণে,
অন্তরের গোপন দরজাগুলো
ধুলোয় ঢাকা, আলোহীন।
চাঁদের আলোয় কাঁদে সেই কথা,
তারা জানে, আলো বোঝে না ব্যথা।
আকাশে ছড়িয়ে পড়ে অন্ধকারের শ্বাস,
তারারাও মুখ ফিরিয়ে নেয়—
তবু আমি খুঁজি ছায়ার ছায়া,
একাকীত্বের দীর্ঘশ্বাসে
জেগে ওঠে এক অসমাপ্ত কবিতা।
আমি শুনি সেই নীরবতা—
যেখানে শব্দ নেই, শুধু স্পন্দন,
আমি আর একাকীত্ব একা
ভাসি, ডুবে যাই, আবার জেগে উঠি
যন্ত্রণার জলরঙে আঁকা
এক চিত্রপটের ভিতর।
আমি কি শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মরে যাব
কারণ আমি দেবতাকে দিইনি তাঁর প্রাপ্য?
আমার ছোট্ট পায়ে পড়ে তাঁর ছায়া,
যার অভিশাপে নিভে গেছে পৃথিবীর আলো।
জ্ঞানীরা জানে—
মৃত্যু আর অন্ধকারই শেষ আশীর্বাদ।
আমার অপরাধবোধ কাঁপে সাগরের মতো,
হে দেবতা, তুমি আমাকে অভিশাপ দাও—
আমি আশীর্বাদ করি তাদের
যাদের তুমি আশীর্বাদ করেছো।
শ্রেষ্ঠ মানুষেরা ধ্বংস হয়ে গেছে,
তাঁরা পদচিহ্ন রেখে যায়নি,
মুছে দিয়ে গেছে সব আলো,
যাতে জাতি ডুবে যায় অন্ধকারে।
রাতের শহরে ঘুরে বেড়ায় ক্ষুধা, রোগ, ব্যর্থতা,
নগ্ন ধোঁয়া উড়ে যায় রাস্তায় রাস্তায়—
সেসব উগ্র দেবতাদের জয় হোক।
আকাশে বৃত্তাকারে উড়ে যায় কাক,
রক্তের জোয়ারে ডুবে যায় জন্মভূমি,
লাশের গন্ধে ভারী হয়ে ওঠে আকাশ,
মানবদেহে ঝুলে থাকে পশুর মুখ—
সভ্যতার মুখোশ খুলে গেলে যা দেখা যায়।
©somewhere in net ltd.