![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তন্দ্রাকুমারী একটি কাল্পনিক চরিত্র যার সন্ধানে আছি নিশিদিন!!
ভূমিকা
যৌনতা মানব জীবনের এক মৌলিক ও প্রাকৃতিক অভিজ্ঞতা। অথচ এটাকে ঘিরে যতটা রহস্য, ভয়, অপরাধবোধ ও ভ্রান্তি তৈরি হয়েছে—তা আমাদের সুস্থ যৌন জীবনকে বারবার ব্যাহত করে। বাস্তবে যৌনতার স্থায়িত্ব খুব অল্প সময়ের, গড়ে কয়েক মিনিট মাত্র। কিন্তু সেই কয়েক মিনিটের অভিজ্ঞতাই নির্ধারণ করে একজন মানুষ শারীরিক ও মানসিকভাবে কতটা তৃপ্ত ও পরিপূর্ণ হবে।
যৌন সমস্যার মূল কারণ
আমাদের সমাজে যৌনতা নিয়ে যে সব প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয়, সেগুলো নানা কারণে তৈরি হয়—
রক্ষণশীলতা ও অতিরিক্ত লজ্জা
যৌনতা সম্পর্কে ভুল ধারণা ও অযৌক্তিক প্রত্যাশা
নির্দিষ্ট আচরণকে পাপ বা মন্দ মনে করা
প্রথম অভিজ্ঞতার ব্যর্থতা
শারীরিক ব্যথা বা ক্ষত
যৌনশিক্ষার অভাব
ভয়, অস্থিরতা বা মানসিক চাপ
আর্থিক, সামাজিক বা পারিবারিক জটিলতা
এসব বাধা কাটাতে হলে সবচেয়ে আগে দরকার সচেতনতা এবং নিজেকে বোঝার চেষ্টা।
আত্মজিজ্ঞাসা: নিজেকে জানার সাতটি প্রশ্ন
একজন মানুষের যৌনজীবন কতটা স্বাস্থ্যকর, তা বোঝার জন্য কিছু প্রশ্ন নিজেকেই করতে হয়:
১. আমি কি আমার বর্তমান যৌন জীবন নিয়ে তৃপ্ত নই? যদি না হই, কেন?
২. আমি কি কখনো স্বার্থপরতার কারণে কৃত্রিম যৌন অনুভূতি সৃষ্টির চেষ্টা করেছি?
৩. আমার ভালোবাসা ও যৌনতার মধ্যে কি কোনো দ্বন্দ্ব আছে?
৪. আমি কি নিষিদ্ধ উপায়ে যৌনতার খোঁজ করি, নাকি বাস্তব যৌনতাকে এড়িয়ে চলি?
৫. আমি কি নিঃসঙ্গতা দূর করতে যৌনতাকে ব্যবহার করতে চাই?
৬. আমাকে লজ্জা বা অপরাধবোধে ফেলে এমন যৌনতাকে কি আমি প্রশ্রয় দিই? কেন?
৭. আমার সম্পর্কগুলোতে যৌনতা কি একমাত্র লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়?
৮. এমন কোনো যৌন চর্চা কি আমার মধ্যে আছে যা আমাকে বা অন্য কাউকে কষ্ট দেয়?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে পাওয়া মানে নিজের ভেতরে যৌনতার বাস্তবতা অনুধাবন করা।
যৌন স্বাস্থ্য কী?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, যৌন স্বাস্থ্য হলো শারীরিক, মানসিক, আবেগিক ও সামাজিক কল্যাণের সমন্বিত অবস্থা। এটি কেবল রোগ বা অক্ষমতার অনুপস্থিতি নয়। প্রকৃত যৌন স্বাস্থ্য মানুষকে—
ভালোবাসার প্রকাশ ঘটাতে,
আনন্দ ও তৃপ্তি পেতে,
এবং তার ব্যক্তিত্বকে সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে।
নারী ও পুরুষ যৌনতার পার্থক্য
যৌন আনন্দ সাধারণত তিনটি ধাপে ঘটে: উত্থানপর্ব → চরম পুলক → শিথিলায়ন।
পুরুষের ক্ষেত্রে: গড়ে ৩–৩.৫ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়।
নারীর ক্ষেত্রে: গড়ে ৯–১২ মিনিট লাগে পূর্ণ তৃপ্তিতে পৌঁছাতে।
ফলে, ফোরপ্লে ছাড়া কোনো নারীই সম্পূর্ণ যৌন আনন্দ পায় না। পুরুষ যত বেশি সময় নিয়ে উত্থানপর্বকে দীর্ঘায়িত করবে, তত বেশি গভীর হবে উভয়ের আনন্দ এবং শিথিলায়নও হবে মধুরতর।
পর্নোগ্রাফির ভ্রান্তি
আজকের অনেক তরুণ-তরুণী যৌনজীবনের ধারণা নেয় পর্নোগ্রাফি দেখে। কিন্তু পর্নো মূলত যৌনতার একটি অংশ—শুধুমাত্র চরম পুলকের ওপর জোর দেয়। বাস্তব যৌনজীবন হলো সম্পর্ক, আবেগ, ধৈর্য আর পারস্পরিক বোঝাপড়ার সমন্বয়। তাই পর্নোর সঙ্গে বাস্তব জীবন মিলিয়ে দেখলে মানুষ বিভ্রান্ত হয় এবং যৌনজীবন ভাসাভাসা থেকে যায়।
উপসংহার
যৌনতা কোনো লজ্জার বিষয় নয়, বরং এটি ভালোবাসার পূর্ণাঙ্গ প্রকাশ। কিন্তু এটি যেন কেবল তৃপ্তির খোঁজে সীমাবদ্ধ না হয়ে যায়। সঠিক যৌন শিক্ষা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ধৈর্য ও আত্মজিজ্ঞাসার মধ্য দিয়েই সম্ভব একটি সুস্থ, আনন্দময় ও সৃজনশীল যৌন জীবন গড়ে তোলা।
৩১ শে আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ১২:১৯
অতন্দ্র সাখাওয়াত বলেছেন: বেশিরভাগ মানুষই যৌন জীবনের সুখী নয়। আমার মতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে প্রাইভেসি একেবারেই থাকা যাবে না।
২| ৩১ শে আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ১২:২০
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমাদের দেশের নারীরা নিজেদেরকে একটি যৌন পণ্য মনে করেন।
এই পন্য কেউ দেখে ফেলবে বলে কালো কাপড়ে ঢেকে রাখে।
হুজুররাও ওয়াজ ফরমান- বান্দীরা, তোমার হচ্ছ কলা।
তাই খোসার ভিতরে থাকো।
ছুলা কলা কেউ খাবে না।
নারীরা বুঝে না তারাও মানুষ।
৩১ শে আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ১:২৭
অতন্দ্র সাখাওয়াত বলেছেন: বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ইসলাম আমাদের এই শিক্ষা দেয় নি কখনো। এটা বর্তমান যুগের মোল্লাদের আবিষ্কার।
৩| ৩১ শে আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ১২:৪১
নতুন বলেছেন: বেশিরভাগ পরকিয়ার কারনও এটাই।
যদি স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ভালো থাকে তবে স্বামী বাইরের নারীর দিতে কমই তাকায়।
৩১ শে আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ১:২৮
অতন্দ্র সাখাওয়াত বলেছেন: এটাই বাস্তব
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে আগস্ট, ২০২৫ সকাল ১১:৪০
নতুন বলেছেন: দেশের মানুষের প্রাইভেসি কম।
বেশিরভাগ কাপলই কিছু দিন পরে ভাই বোনের মতন জীবন জাপন করে।