![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তন্দ্রাকুমারী একটি কাল্পনিক চরিত্র যার সন্ধানে আছি নিশিদিন!!
ধুলায় আচ্ছাদিত এক দেশ,
যেখানে চাঁদের আলো ঝরে
ধুলি ধূসরিত বটের পাতায়।
তখন সবুজ কচি পাতার ভেতর
নীল সুখ নেমে আসে তার বুকের গহীনে,
পুকুরপাড়ে দাঁড়িয়ে থাকে একাকী বটগাছ।
শীতে বটপাতা শুকিয়ে হলুদ হয়ে ঝরে পড়ে,
পাতা ঝরার শব্দে কেঁপে ওঠে পুকুর।
পুরানো পুকুর, কিনারে একটি ব্যাঙ,
পাতার ঝরে পড়া দেখে লাফিয়ে পড়ে জলে—
তখন জলের গভীরে ভেসে আসে শব্দ।
চাঁদের আলো ছুঁয়ে যায় তোমার দেহ,
তাতেও কী জন্ম নেয় না শব্দ?
নীরব, গম্ভীর, চিরন্তন শব্দ।
ছোটবেলায় আমি কুয়ার মুখে গিয়ে
চিৎকার করে ডাকতাম তোমাকে—
শব্দের প্রতিধ্বনির ছড়িয়ে পড়ত চারপাশে।
তারপর গোপনে তাকিয়ে দেখতাম,
কেউ শুনলো কিনা, কেউ কিছু বলল কিনা।
তোমার কণ্ঠস্বর আমার হৃদয়ে গান হয়ে বাজত,
তোমার কথা আর আমার কথার গোপন মিলন ঘটত।
তারপর আসে এক মুহূর্তের নীরবতা,
একটি দীর্ঘশ্বাসের শব্দ, যাতে পেরিয়ে যেত
কয়েক কোটি মানব জনম।
আমি যখন বলি ভবিষ্যৎ,
সেই মুহূর্তেই তা হয় অতীত।
আমি যখন বলি নীরবতা,
নীরবতা তখনই ভেঙে যায়।
আমি যখন বলি শূন্যতা,
সেখানে জন্ম নেয় পূর্ণতা।
আমার শব্দ বারবার
আমার সঙ্গেই প্রতারণা করে।
তবু কেন আমি শব্দ দিয়ে
তোমাকে বোঝাতে চাই—
আমি যে তোমাকে কতটা ভালোবাসি!
©somewhere in net ltd.