| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হৃদয় আল
বুদ্ধিমত্তার সত্যিকারের নিদর্শন হল কল্পনা শক্তি জ্ঞান না। Albert Einstein
বিজ্ঞানীরা প্রমান করেছে যে পানি বা সাগর পৃথিবী পৃষ্ঠ কে 71% ঠেকে রেখেছে আর 29% ভুমি।
সারপ্রাইজের বিষয় হল কোরআনে সাগর শব্দটি 33 বার ও ভুমি শব্দটি 13 বার এসেছে। পানি আর ভূমি মিলে হয় 33 + 13 = 46 এই সংখ্যাটা ভূমি ও সাগরকে একত্র করে। সাগর শব্দটির পুনরাবৃত্তি অনুপাত[Ratio] হল 33 ÷ 46 = 71%[একশ দিয়ে গুন দিবেন যেহেতু পারসেন্টিস]
আর ইহাই আমাদের পৃথিবীতে সাগরের পরিমাণ । এবং ভূমি শব্দ টির অনুপাত হল 13 ÷ 46 = 29% যা ভূমির পরিমাণ।
আল্লাহ ব্যতিত যদি এগুলো অন্য কার কাছ থেকে আসতো তাহলে সে মহাবিজ্ঞানি কিভাবে সংখ্যা গুলো জানলো। ??
http://en.wikipedia.org/wiki/Earth
[The Earth's terrain varies greatly from place to place. About 70.8%[13] of the surface is covered by water, with much of the continental shelf below sea level. This equates to 361.132 million km2 (139.43 million sq mi).[99] The submerged surface has mountainous features, including a globe-spanning mid-ocean ridge system, as well as undersea volcanoes,[69] oceanic trenches, submarine canyons, oceanic plateaus and abyssal plains. The remaining 29.2% (148.94 million km2, or 57.51 million sq mi) not covered by water consists of mountains, deserts, plains, plateaus, and other geomorphologies.]
২|
০৫ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:৪৪
অবাক েরাবট বলেছেন: একটা কথা বলবেন কি?
এটা কি রাশেদ খলিফার থিওরী ?
নাকি
আপনি নিজে গবেষনা করে বের করেছেন?
যদি রাশেদ খলিফার থিউরী হয় তবে জেনে রাখুন ঃ
রাশেদ খলিফা নিজেকে একপর্যায়ে নবী দাবি করেছিলেন (নাউযুবিল্লাহ)।
রাশেদ খলিফা এই সমস্ত থিওরী মেলানোর জন্য অনেক ক্ষেত্রে অনেক শব্দ পরিবর্তন / পরিবর্ধন করেছেন(নাউযুবিল্লাহ)।
(আমি জানিনা এটা রাশেদ খলিফার থিউরী কিনা - আল্লাহ মাফকরুন)
পবিত্র ক্বোরআনকে বুঝতে হলে আমাদের অনেক পড়াশুনা করতে হবে ।
পবিত্র ক্বোরআন কোন সুনিদ্দিষ্ট থিওরী বা সংখ্যা তত্ব মেলানোর জন্য নাজিল হয়নি। তবে যদি মিলে যায় সেটাকে যেমন অস্বীকার করা যাবেনা , ঠিক তেমনি যদি না মিলে তবুও পবিত্র ক্বোরআনকে বিশ্বাস করতে হবে । পবিত্র ক্বোরআনের প্রতিটি অক্ষর,শব্দ,বাক্য মহান আল্লাহ তায়লার দান এই দুনিয়ার মাখলুকাতের জন্য । মহান আল্লাহ তায়লা নিজে পবিত্র ক্বোরআনের রক্ষক ।প্র্যাক্টিসিং মুসলিম হিসেবে সেটা প্রত্যেক মুসলমানের বিশ্বাস করা উচিৎ ।
আমার কোন লেখায় যদি আপনি বা কোন পাঠক দুঃখ পেয়ে থাকেন তবে আল্লাহর ওয়াস্তে ক্ষমা করে দিবেন এবং আমার এই মন্তব্যটি মুছে দিবেন।
০৫ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:৫৯
হৃদয় আল বলেছেন: না ভাই এটা কোন রাসেদ খলীফার তত্ত্ব নয় এমন কি আমার নিজ গবেষণা নয়.। কোরআনে যতবার শব্দগুলো আসছে তত সংখ্যা তা খালি উল্লেখ করলাম।ধ্যনবাদ
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৪৩
সারাহেপি বলেছেন: Subahanallah