নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হৃদয় আল

দিন দূরে নয় আমার আত্মা উড়বে সেই দিন উধ্বাকাশে অনেক কিছু জানব সেদিন যা জানিনা এই নিবাসে।

হৃদয় আল

বুদ্ধিমত্তার সত্যিকারের নিদর্শন হল কল্পনা শক্তি জ্ঞান না। Albert Einstein

হৃদয় আল › বিস্তারিত পোস্টঃ

বহিবিশ্বে প্রাণের অস্তিত্ব আছে কি? তারা কি আমাদের একদিন হামলা করবে? যুলকারনাইনের ইতিহাস।

৩১ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৪১

বিজ্ঞানীরা আজ শত শত বিলিয়ন ডলার খরচ করছে পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার জন্য।



বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করে পৃথিবীর বাইরে প্রাণ আছে ও তা যৌক্তিক । অন্য ধর্মের কথা ঠিক জানিনা ইসলাম ধর্মে এই নিয়ে কোন সমস্যা নেই কারন আল্লাহ কোরআনে তাদের কথা আমাদের বলেদিয়েছেন। বিজ্ঞানীরা আজ এও বলছে যে তারা হয়ত একদিন আমাদের কে হানা দিবে{ কোন সাইন্স ফিকশন মুভির কথা বলছি না}



চলুন মত নোটে আসা যাক...



মুসলিমরা বিশ্বাস করে শুধু পৃথিবী নয় বরং আল্লাহ পৃথিবীর মত অনেক গ্রহ সৃষ্টি করেছেন পুরো মহাবিশ্বে।



(Quran 65.12) Allah is the one who created seven heavens and from Earth like them (of corresponding type); [Allah’s] command descends among them (heavens and earths) so that you may know that Allah is capable of anything and that Allah knows everything.



আল্লাহ সপ্তাকাশ{অতিরিক্ত স্থানিক মাত্রা} সৃষ্টি করেছেন এবং পৃথিবীও সেই পরিমাণে, এসবের মধ্যে তাঁর আদেশ অবতীর্ণ হয়, যাতে তোমরা জানতে পার যে, আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং সবকিছু তাঁর গোচরীভূত।







ইসলামে শুধুমাত্র পৃথিবীই একক গ্রহ নয় বরং পৃথিবীর মত বহু গ্রহের অস্তিত্ব আছে এই মহাবিশ্বে।



(Quran 42.29) And from His signs He created the heavens and the Earth; and the land animals that He scattered in BOTH of them (heavens and Earth); And He is capable of gathering them (in one place) if He wishes.







তাঁর এক নিদর্শন নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সৃষ্টি এবং এতদুভয়ের মধ্যে তিনি যেসব জীব-জন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি যখন ইচ্ছা এগুলোকে একত্রিত করতে সক্ষম।







এতএব কোরআনের মতে মহাবিশ্বেও ভূমি প্রানি বা জীবজন্তু আছে আমাদের পৃথিবীর মত{ শুধুমাত্র ফেরেশতারা না}।



আসলে কোরআন বলছে যে কিছু অতিক্ষেত্রিক সৃষ্টিগুলো { extraterrestrial creatures} পৃথিবীতে হানা দিবে!!!



অদ্ভুদ লাগছে তাই না? কীভাবে আমাদের কে হানা দিবে?? ঠিক পৃথিবীর এখানে একটি ওয়ার্মহোল আছে যা পৃথিবীকে অন্য গ্রহের সাথে সংযোগ করে। একদিন ঐ গ্রহের সৃষ্টিগুলো ওয়ার্মহোল ব্যবহার করে পৃথিবীতে হানা দিবে।



আল্লাহ তাঁর ফেরেশতাদের এই মহাবিশ্বের সর্বত্র বিচরণের জন্য একটি পদ্ধতি দিয়েছেন। কোরআন তাদের বলে ''মারেজ' ।



(Quran 70.3)--> তা আসবে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে, যিনি সমুন্নত মর্তবার অধিকারী।



এবং বর্ণনা করে কীভাবে ফেরেশতারা তাদের ব্যবহার করে লম্বা দূরত্ব অতিক্রম করার জন্য। [আমরা জানি যে ওয়ার্মহোল দিয়ে সময় পরিভ্রমণ সম্ভব আর ইহা কোন সাইন্স ফিকশন নয় যা আমরা মুভিতে দেখে থাকি]। আর মুসলিমরা জানে আজ সেই 'মারেজ' হল টা যা বিজ্ঞানীরা আজ তাদের ওয়ার্ম হোল বলে ।





মুসলিমরা এও বিশ্বাস করে যে শুধুমাত্র সীমাবদ্ধ ভাবে ফেরেশতারা ওয়ার্মহোল ব্যবহার করে না বরং নবী মুহাম্মাদ[সা] একবার এই ওয়ার্ম হোল ব্যহার করেছিলেন ইস্রা ও মিরাজের মধ্যে{ মিরাজ হল মারেজের সিঙ্গুলার]। (Quran 17.1)--> '' ''পরম পবিত্র ও মহিমাময় সত্তা তিনি, যিনি স্বীয় বান্দাকে রাত্রি বেলায় ভ্রমণ করিয়েছিলেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যান্ত-যার চার দিকে আমি পর্যাপ্ত বরকত দান করেছি যাতে আমি তাঁকে কুদরতের কিছু নিদর্শন দেখিয়ে দেই। নিশ্চয়ই তিনি পরম শ্রবণকারী ও দর্শনশীল।''



অন্য ঘটনায় কোরআন আবার ইয়াজুজ ও মাজুজের বংশের ওয়ার্মহোল ব্যবহারের ঘটনা বর্ণনা করছে।







ওয়ার্মহোল সম্পূর্ণভাবে স্বচ্ছ। এটি এর আকৃতিকে খোদাই করে দিয়েছে যা কিছু বস্তু এর ভিতরে ছিল। এই ঘটনায় এটি পাহাড়ের মধ্যে এতএব এটি এর আকৃতিকে খোদাই করে দিয়েছে। পাহাড়ের একটি খোলক আছে প্রতিটি এই মারেজের সমাপ্তি এই আয়াতে দুইটা খোলক হল এই মিরাজের দুইটি প্রবেশদ্বার।



আল- যুল কারনাইন লোহার ব্লকে উপনীত হয়েছিলো সে মিরাজের দুইটি সমাপ্তিতে তাদের কে সম্না ভাবে বিদীর্ণ করেছিল। সে দুইটা বাঁধ এর মধ্যে লোহা গলিয়েছিল। একটি বাঁধ প্রতিটির সমাপ্তি । এক্ সময় এই মারেজ দুর্গম হয়ে গিয়েছিলো তারা আর পৃথিবীতে হানা দিতে পারে নি । একদিন এই মাধ ভেঙ্গে যাবে ও ইয়াজুজ ও মাজুজের পৃথিবীতে হানা দিবে।



Quran 18.92-99) Then he (Thu Al-Karnein) followed a direction 93 When he reached between the two dams (inside the Me'raj) he found BEYOND them (ma dunihima in Arabic) a clan that cannot understand speech. 94 (The local humans) Said: 'O Thu Al-Karnein! Yagog and Magog are spoiling Earth. Shall we pay you tribute and in return you build between us and them a barrier?' 95 (Thu Al-Karnein) said 'What my Lord endowed me with is better (than your tribute), so supply me with manpower to build between you and them a sediment. 96 Bring me blocks of iron'. When he (Thu Al-Karnein) split the iron equally between the two shells (the two doorways of the Me'raj). He said: 'Blow (on the fire)' until it became ablaze. He said: 'Bring me (the molten iron) to pour it'. 97 So (Yagog and Magog) could no longer access (the shell on their side) nor pierce through (their iron dam). 98 (Thu Al-Karnein) said 'This is a mercy from my Lord: but when the promise of my Lord is due, He will make it into waste; and the promise of my Lord is true.' 99 On that day (when that dam becomes waste) We [Allah] shall leave them (Humans and clan of Yagog & Magog) to flow like waves one into the other; (Then) the trumpet will be blown, and We will gather them together.



'' আবার তিনি এক পথ ধরলেন।অবশেষে যখন তিনি দুই পর্বত{ হবে বাঁধ} প্রচীরের মধ্যস্থলে পৌছলেন, তখন তিনি সেখানে এক জাতিকে পেলেন{বাইরে} {মা দুনিহমাহ যারা মানুষের কথা বুঝে না} , যারা তাঁর কথা একেবারেই বুঝতে পারছিল না।তারা বললঃ হে যুলকারনাইন, ইয়াজুজ ও মাজুজ দেশে অশান্তি সৃষ্টি করেছে। আপনি বললে আমরা আপনার জন্যে কিছু কর ধার্য করব এই শর্তে যে, আপনি আমাদের ও তাদের মধ্যে একটি প্রাচীর নির্মাণ করে দেবেন।তিনি বললেনঃ আমার পালনকর্তা আমাকে যে সামর্থø দিয়েছেন, তাই যথেষ্ট। অতএব, তোমরা আমাকে শ্রম দিয়ে সাহায্য কর। আমি তোমাদের ও তাদের মধ্যে একটি সুদৃঢ় প্রাচীর নির্মাণ করে দেব।তোমরা আমাকে লোহার পাত এনে দাও। অবশেষে যখন পাহাড়ের {বাঁধ} মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান পূর্ণ হয়ে গেল, তখন তিনি বললেনঃ তোমরা হাঁপরে দম দিতে থাক। অবশেষে যখন তা আগুনে পরিণত হল, তখন তিনি বললেনঃ তোমরা গলিত তামা নিয়ে এস, আমি তা এর উপরে ঢেলে দেই।অতঃপর ইয়াজুজ ও মাজুজ তার উপরে আরোহণ করতে পারল না এবং তা ভেদ করতে ও সক্ষম হল না।যুলকারনাইন বললেনঃ এটা আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ। যখন আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুত সময় আসবে, তখন তিনি একে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবেন এবং আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুতি সত্য।আমি সেদিন তাদেরকে দলে দলে তরঙ্গের আকারে ছেড়ে দেব এবং শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে। অতঃপর আমি তাদের সবাইকে একত্রিত করে আনব।''







এখানে আরবিতে সাদ্দাইন হোল দুইটি বাঁধ একে ভুল অনুবাদ করা হয়ে বলা হয়েছে দুইটি পাহাড় এমন কি আমাদের বাংলা ভাষায়ও। আর আরবি শব্দ সাদাফাইন হোল দুটি খোলক কেও পাহাড় বলে ভুল অনুবাদিত হয়েছে।



ইয়াজুজ ও মাজুজের জাতির দুটি বাঁধয়ের বাইরে {মাহ দুনিহ মা} তাদের মধ্যে না{ মা বাইনা}



এতএব তারা যদি তাদের বাইরে বা দূরে থাকে তাহলে কীভাবে তারা আতকে থাকেতে পারে ?? তারা একমাত্র আতকে থাকতে পারে যদি তাদের দ্বিতীয় বাঁধটি পৃথিবীতে না হয় ।মারেজের দ্বিতীয় সমাপ্তিটি পৃথিবীতেও হতে পারে বা মহাবিশ্বের যে কোন জায়গায়ও হতে পারে। কিন্তু এই বিশেষ ব্যাপারে একে হতে হবে অন্য গ্রহে , এতএব ইয়াজুজ ও মাজুজ দুইটা বাঁধয়ের বাইরে আটকিয়ে আছে পৃথিবীতে না । একদিন এই বাঁধ ভেঙ্গে যাবে ও ইয়াজুজ ও মাজুজ পৃথিবীতে হানা দিবে ।







ইসলামে প্রান শুধুমাত্র পৃথিবীতে সীমাবদ্ধ নয় আল্লাহ পৃথিবীর মত অনেক গ্রহ সৃষ্টি করেছেন



'' সপ্ত আকাশ ও পৃথিবী এবং এগুলোর মধ্যে যাকিছু আছে সমস্ত কিছু তাঁরই পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। এবং এমন কিছু নেই যা তার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করে না। কিন্তু তাদের পবিত্রতা, মহিমা ঘোষণা তোমরা অনুধাবন করতে পার না। নিশ্চয় তিনি অতি সহনশীল, ক্ষমাপরায়ণ।'[ সুরাহ ইস্রা ; ৪৪]



'' (Quran 16.49-50) And to Allah kneels what's in the heavens and what's on Earth, of land animals and angels, and they act with no arrogance; 50 They fear their Lord above them and they do what they are ordered.



'আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু নভোমন্ডলে আছে এবং যা কিছু ভুমন্ডলে আছে এবং ফেরেশতাগণ; তারা অহংকার করে না।



তারা তাদের উপর পরাক্রমশালী তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে এবং তারা যা আদেশ পায়, তা করে।

এই বংশ বা জাতির { যারা মানুষের ভাষা বুঝত না} পৃথিবীর উপর ব্যাপক ধ্বংসের প্রতিশোধ লত্তয়ার জন্য বসে ছিল।



তারা এসেছিলো দুইটা বাঁধের বাইরে থেকে যা কে মানুষ বলে যুলকারনাইন এর নির্মিত। সে দুইটা লোহার বাঁধ বেধে না নির্মাণ করেছিলো। প্রত্যকে ই একটি মারেজের শেষ। এই মারেজের সমাপ্তি দেখতে দুইটি খোলকের মত।[ ঠিক দেখতে আধুনিক বিজ্ঞান যেভাবে একে ওয়ার্মহোলের দরজা বলছে]







ওয়ার্মহোল সম্পূর্ণভাবে স্বচ্ছ। এটি এর আকৃতিকে খোদাই করে দিয়েছে যা কিছু বস্তু এর ভিতরে ছিল। এই ঘটনায় এটি পাহাড়ের মধ্যে এতএব এটি এর আকৃতিকে খোদাই করে দিয়েছে। পাহাড়ের একটি খোলক আছে প্রতিটি এই মারেজের সমাপ্তি এই আয়াতে দুইটা খোলক হল এই মিরাজের দুইটি প্রবেশদ্বার।



আল- যুল কারনাইন লোহার ব্লকে উপনীত হয়েছিলো সে মিরাজের দুইটি সমাপ্তিতে তাদের কে সম্না ভাবে বিদীর্ণ করেছিল। সে দুইটা বাঁধ এর মধ্যে লোহা গলিয়েছিল। একটি বাঁধ প্রতিটির সমাপ্তি । এক্ সময় এই মারেজ দুর্গম হয়ে গিয়েছিলো তারা আর পৃথিবীতে হানা দিতে পারে নি । একদিন এই মাধ ভেঙ্গে যাবে ও ইয়াজুজ ও মাজুজের পৃথিবীতে হানা দিবে।



Quran 18.92-99) Then he (Thu Al-Karnein) followed a direction 93 When he reached between the two dams (inside the Me'raj) he found BEYOND them (ma dunihima in Arabic) a clan that cannot understand speech. 94 (The local humans) Said: 'O Thu Al-Karnein! Yagog and Magog are spoiling Earth. Shall we pay you tribute and in return you build between us and them a barrier?' 95 (Thu Al-Karnein) said 'What my Lord endowed me with is better (than your tribute), so supply me with manpower to build between you and them a sediment. 96 Bring me blocks of iron'. When he (Thu Al-Karnein) split the iron equally between the two shells (the two doorways of the Me'raj). He said: 'Blow (on the fire)' until it became ablaze. He said: 'Bring me (the molten iron) to pour it'. 97 So (Yagog and Magog) could no longer access (the shell on their side) nor pierce through (their iron dam). 98 (Thu Al-Karnein) said 'This is a mercy from my Lord: but when the promise of my Lord is due, He will make it into waste; and the promise of my Lord is true.' 99 On that day (when that dam becomes waste) We [Allah] shall leave them (Humans and clan of Yagog & Magog) to flow like waves one into the other; (Then) the trumpet will be blown, and We will gather them together.



'' আবার তিনি এক পথ ধরলেন।অবশেষে যখন তিনি দুই পর্বত{ হবে বাঁধ} প্রচীরের মধ্যস্থলে পৌছলেন, তখন তিনি সেখানে এক জাতিকে পেলেন{বাইরে} {মা দুনিহমাহ যারা মানুষের কথা বুঝে না} , যারা তাঁর কথা একেবারেই বুঝতে পারছিল না।তারা বললঃ হে যুলকারনাইন, ইয়াজুজ ও মাজুজ দেশে অশান্তি সৃষ্টি করেছে। আপনি বললে আমরা আপনার জন্যে কিছু কর ধার্য করব এই শর্তে যে, আপনি আমাদের ও তাদের মধ্যে একটি প্রাচীর নির্মাণ করে দেবেন।তিনি বললেনঃ আমার পালনকর্তা আমাকে যে সামর্থø দিয়েছেন, তাই যথেষ্ট। অতএব, তোমরা আমাকে শ্রম দিয়ে সাহায্য কর। আমি তোমাদের ও তাদের মধ্যে একটি সুদৃঢ় প্রাচীর নির্মাণ করে দেব।তোমরা আমাকে লোহার পাত এনে দাও। অবশেষে যখন পাহাড়ের {বাঁধ} মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান পূর্ণ হয়ে গেল, তখন তিনি বললেনঃ তোমরা হাঁপরে দম দিতে থাক। অবশেষে যখন তা আগুনে পরিণত হল, তখন তিনি বললেনঃ তোমরা গলিত তামা নিয়ে এস, আমি তা এর উপরে ঢেলে দেই।অতঃপর ইয়াজুজ ও মাজুজ তার উপরে আরোহণ করতে পারল না এবং তা ভেদ করতে ও সক্ষম হল না।যুলকারনাইন বললেনঃ এটা আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ। যখন আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুত সময় আসবে, তখন তিনি একে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবেন এবং আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুতি সত্য।আমি সেদিন তাদেরকে দলে দলে তরঙ্গের আকারে ছেড়ে দেব এবং শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে। অতঃপর আমি তাদের সবাইকে একত্রিত করে আনব।''







এখানে আরবিতে সাদ্দাইন হোল দুইটি বাঁধ একে ভুল অনুবাদ করা হয়ে বলা হয়েছে দুইটি পাহাড় এমন কি আমাদের বাংলা ভাষায়ও। আর আরবি শব্দ সাদাফাইন হোল দুটি খোলক কেও পাহাড় বলে ভুল অনুবাদিত হয়েছে।



ইয়াজুজ ও মাজুজের জাতির দুটি বাঁধয়ের বাইরে {মাহ দুনিহ মা} তাদের মধ্যে না{ মা বাইনা}



এতএব তারা যদি তাদের বাইরে বা দূরে থাকে তাহলে কীভাবে তারা আতকে থাকেতে পারে ?? তারা একমাত্র আতকে থাকতে পারে যদি তাদের দ্বিতীয় বাঁধটি পৃথিবীতে না হয় ।মারেজের দ্বিতীয় সমাপ্তিটি পৃথিবীতেও হতে পারে বা মহাবিশ্বের যে কোন জায়গায়ও হতে পারে। কিন্তু এই বিশেষ ব্যাপারে একে হতে হবে অন্য গ্রহে , এতএব ইয়াজুজ ও মাজুজ দুইটা বাঁধয়ের বাইরে আটকিয়ে আছে পৃথিবীতে না । একদিন এই বাঁধ ভেঙ্গে যাবে ও ইয়াজুজ ও মাজুজ পৃথিবীতে হানা দিবে ।







ইসলামে প্রান শুধুমাত্র পৃথিবীতে সীমাবদ্ধ নয় আল্লাহ পৃথিবীর মত অনেক গ্রহ সৃষ্টি করেছেন



'' সপ্ত আকাশ ও পৃথিবী এবং এগুলোর মধ্যে যাকিছু আছে সমস্ত কিছু তাঁরই পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। এবং এমন কিছু নেই যা তার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করে না। কিন্তু তাদের পবিত্রতা, মহিমা ঘোষণা তোমরা অনুধাবন করতে পার না। নিশ্চয় তিনি অতি সহনশীল, ক্ষমাপরায়ণ।'[ সুরাহ ইস্রা ; ৪৪]



'' (Quran 16.49-50) And to Allah kneels what's in the heavens and what's on Earth, of land animals and angels, and they act with no arrogance; 50 They fear their Lord above them and they do what they are ordered.



'আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু নভোমন্ডলে আছে এবং যা কিছু ভুমন্ডলে আছে এবং ফেরেশতাগণ; তারা অহংকার করে না।



তারা তাদের উপর পরাক্রমশালী তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে এবং তারা যা আদেশ পায়, তা করে।

পৃথিবীর মধ্যেই একটি ওয়ার্মহোল আছে যা পৃথিবীকে অন্য গ্রহের সাথে সংযোগ করে যাতে প্রান আছে।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৫১

পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: অবশ্যই সেদিন আর দূরে নয়
প্রস্তুত থাকুন

২| ৩১ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৫৪

রামিজের ডিপফ্রিজ বলেছেন: বেশি বাড়াবাড়ি করাটা বোধহয় ভাল নয় ; কিন্তু আধুনিক স্ট্রিং থিওরি বলছে আমাদের দুনিয়া টেন ডাইমেনশনাল; তিনটে স্পেশিয়াল ডাইমেনশন আমরা অনুভব করতে পারি ( লম্বা, চওড়া, গভীরতা); বাকি ছটা স্পেশিয়াল ডাইমেনশন আমরা সাধারণত দেখতে পাই না। এছাড়া সময় একটা ডাইমেনশন যেটার প্রকৃতি আমরা পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারি নি। তাহলে মোট হল সাতটা ডাইমেনশন, উল্লিখিত সাত জন্নত কি এগুলোরই প্রতীক ? তাহলে জন্নত লাভ করা মানে কি এই ডাইমেনশনগুলো সম্পর্কে জানতে পারা ?


ব্লগে কোন জ্ঞানী মানুষ থাকলে একটু জবাব দেবেন?

৩১ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৫৯

হৃদয় আল বলেছেন: আমার একটি ব্লগ আছে। সাত আসমান হল আরোপিত মহাবিশ্ব বা মাল্টি ভারস এই নিয়ে --> Click This Link

পড়ে নিবেন

৩| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:০৭

দূর্গমগিরি বলেছেন: লেখা চমৎকার বশ্লেষণ ধর্মী , মন্তব্য গুলোর অপেক্ষায় রইলাম

৪| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:১৯

গ্রামের মানুষ বলেছেন:
দেখা যাক কি হয়

৫| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:২৫

আজরাঈল আমি বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে ভাল লাগল। অত্যন্ত সুন্দর। তবে একটু সাহায্য করুন প্লিজ। আমি কয়েকটা প্রশ্ন দিচ্ছি আপনি যদি জানেন তবে সাহায্য করবেন প্লিজ-
১. যুলকারনাইন নাকি আলেকজান্ডার দি গ্রেট ছিলেন?
২. আরো যদি সাতটা গ্রহ থাকে তাহলে সেখানে কে ধর্ম প্রচার করেছেন।
৩. আমি মানুষ ও জ্বীন জাতিকে শুধু আমার এবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি এই আয়াত দ্বারা তো আবার বোঝা যায় যে আল্লাহ বুদ্ধি সম্পন্ন আর কোন জাতি সৃষ্টি করেন নি।
৪. এমন কোন হাদিস কি আছে যাতে হুযুর পাক সঃ এ বিষয়ে কিছু বলেছেন?

আপনি সাহায্য করলে উপকৃত থাকতাম কারন প্রশ্নগুলো অনেক দিন ধরে মনে ঘুর পাক খাচ্ছে।

৬| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৩২

পত্রনবিস বলেছেন: ভালো লাগলো এই সম্বন্ধে আরও কোঁথায় জানা যায় বলন তো

৭| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:৪০

রিয়াদ হাকিম বলেছেন: জুলকারনাইন, ইয়াজুজ মাজুজ কে কোথায় আটকে রেখেছে - এই প্রশ্ন আমার মধ্যেও এসেছিল, কিন্তু তার ব্যাখ্যা যে একদিন এইভাবে দেখতে পাবো - তা কস্মিঙ্কালেও ভাবিনি।

আপনার লিখা আয়াতের যে বিবরন পেলামঃ

আবার তিনি এক পথ ধরলেন।অবশেষে যখন তিনি দুই পর্বত{ হবে বাঁধ} প্রচীরের মধ্যস্থলে পৌছলেন, তখন তিনি সেখানে এক জাতিকে পেলেন{বাইরে} {মা দুনিহমাহ যারা মানুষের কথা বুঝে না} , যারা তাঁর কথা একেবারেই বুঝতে পারছিল না।তারা বললঃ হে যুলকারনাইন, ইয়াজুজ ও মাজুজ দেশে অশান্তি সৃষ্টি করেছে। আপনি বললে আমরা আপনার জন্যে কিছু কর ধার্য করব এই শর্তে যে, আপনি আমাদের ও তাদের মধ্যে একটি প্রাচীর নির্মাণ করে দেবেন।তিনি বললেনঃ আমার পালনকর্তা আমাকে যে সামর্থø দিয়েছেন, তাই যথেষ্ট। অতএব, তোমরা আমাকে শ্রম দিয়ে সাহায্য কর। আমি তোমাদের ও তাদের মধ্যে একটি সুদৃঢ় প্রাচীর নির্মাণ করে দেব।তোমরা আমাকে লোহার পাত এনে দাও। অবশেষে যখন পাহাড়ের {বাঁধ} মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান পূর্ণ হয়ে গেল, তখন তিনি বললেনঃ তোমরা হাঁপরে দম দিতে থাক। অবশেষে যখন তা আগুনে পরিণত হল, তখন তিনি বললেনঃ তোমরা গলিত তামা নিয়ে এস, আমি তা এর উপরে ঢেলে দেই।অতঃপর ইয়াজুজ ও মাজুজ তার উপরে আরোহণ করতে পারল না এবং তা ভেদ করতে ও সক্ষম হল না।যুলকারনাইন বললেনঃ এটা আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ। যখন আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুত সময় আসবে, তখন তিনি একে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবেন এবং আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুতি সত্য।আমি সেদিন তাদেরকে দলে দলে তরঙ্গের আকারে ছেড়ে দেব এবং শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে। অতঃপর আমি তাদের সবাইকে একত্রিত করে আনব।

এই আয়াতে কিছু শব্দের ভুল অনুবাদের কথা বলে কিভাবে কিভাবে যেনো "দুইটি বাঁধ", "দুটি খোলক" থেকে ওয়ার্মহোল এ চলে আসলেন।

ও কে। নো প্রবলেম।

কিন্তু ভাইজান আমাকে একটু জানাবেন কি যে আজ থেকে ১৪০০ বছর পূর্বে সাহাবিরা যখন নবিজির কাছে এই আয়াতগুলো শুনেছিলেন, বা তাবেঈরা যখন সাহাবিদের কাছে এই আয়াতগুলো শুনেছিলেন - তখন তারা আসলে নবিজির/সাহাবিদের কাছে এই আয়াতগুলোর কি ব্যাখ্যা জানতে পেরেছিলেন এবং তারা নিজেরা কি ব্যাখ্যা প্রচার করেছিলেন?

আপনি বলেছেনঃ

এখানে আরবিতে সাদ্দাইন হোল দুইটি বাঁধ একে ভুল অনুবাদ করা হয়ে বলা হয়েছে দুইটি পাহাড় এমন কি আমাদের বাংলা ভাষায়ও। আর আরবি শব্দ সাদাফাইন হোল দুটি খোলক কেও পাহাড় বলে ভুল অনুবাদিত হয়েছে।

যে দুটো ভুলের কথা এখানে আপনি বললেন, এই ভুলগুলো কখন এবং কে প্রথম আইডেন্টিফাই করেছেন?

০১ লা এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:২৪

হৃদয় আল বলেছেন: আপনার কথা গুলো যুক্তিযুক্ত পূর্ণ। //
এখানে আরবিতে সাদ্দাইন হোল দুইটি বাঁধ একে ভুল অনুবাদ করা হয়ে বলা হয়েছে দুইটি পাহাড় এমন কি আমাদের বাংলা ভাষায়ও। আর আরবি শব্দ সাদাফাইন হোল দুটি খোলক কেও পাহাড় বলে ভুল অনুবাদিত হয়েছে।// আপনি মূল আরবি ভার্সনে একে পাবেন বাঁধ হিসাবে সেখানে পাহাড় কথাটি লিখা নাই।। নিজেই চেক করেন--> Click This Link ও মূল আরবি ডিকশনারিতে Click This Link

আর একটি প্রশ্ন ছিল আপনার///
কিন্তু ভাইজান আমাকে একটু জানাবেন কি যে আজ থেকে ১৪০০ বছর পূর্বে সাহাবিরা যখন নবিজির কাছে এই আয়াতগুলো শুনেছিলেন, বা তাবেঈরা যখন সাহাবিদের কাছে এই আয়াতগুলো শুনেছিলেন - তখন তারা আসলে নবিজির/সাহাবিদের কাছে এই আয়াতগুলোর কি ব্যাখ্যা জানতে পেরেছিলেন এবং তারা নিজেরা কি ব্যাখ্যা প্রচার করেছিলেন?// ভাই সহজ উত্তর হল আমি কোন আলেম না।। তা আমি কি করে জানবো। তাঁরা তো আর পাহাড় শুনে নি তাঁরা শুনেছে বাঁধ । আর কোরআন বলছে যে তাঁদের পাওয়া গিয়েছিল দুইটি বাঁধের বাইরে{ মাহ দুনিহ মা}.। হয়ত বা সাহাবারা নবীজী[সা] এর কোন ব্যাখ্যা পেয়েছিলেন।। ধন্যবাদ

৮| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:৫৯

রিয়াদ হাকিম বলেছেন: কোন একটি ব্লগে পরেছিলামঃ

বাড়ীর কাছে আরশী নগর , সেথায় পড়শী বসত করে, আমি একদিন ও না, চিনিলাম তারে। - লালন

লালনের কোন ভক্ত যদি এটাকে এইভাবে ব্যাখ্যা করে যে আরশী নগর মানে কাচের নগর অর্থাৎ প্রতি নগর। সেখানে মানুষ জন বাস করে কিন্তু আমরা তা দেখতে পাই না। তার মানে সেটা একটা প্যারালাল ইউনিভার্স বা সমান্তরাল বিশ্ব বা প্রতি বিশ্ব। যা বিজ্ঞানীরা তাদের নানারকম তত্ত্বে বলার চেষ্টা করছেন, যা কিনা লালন ফকির অনেক আগেই জেনে গেছেন - মেনে নিতেন?

০১ লা এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১১:০৬

হৃদয় আল বলেছেন: কু যুক্তি যারে বলে। গুড এসাপশন-
লালনের কোন ভক্ত যদি এটাকে এইভাবে ব্যাখ্যা করে যে আরশী নগর মানে কাচের নগর অর্থাৎ প্রতি নগর।// মহাবিশ্বতত্ত্ব বিদ রা ডার্ক ম্যাটার সম্পর্কে জ্ঞাত হয়েছে। এই ডার্ক ম্যাটার গ্যলাক্সি গুলোতে জুড়িয়ে আছে অথচ তাঁদের সংঘর্ষ হীন। সহজ কথা; আমরা ডার্ক ম্যাটার দেখতে পাই না ও তাঁদের মধ্যে সংঘর্ষ ও কিন্তু আমরা তাদেরত গ্রাভিটি সনাক্ত করতে পারি,। স্ট্রিং তত্ত্ব মতে ডার্ক ম্যাটার অন্য ডাইমেনশনে আরপিত।এই তত্ত্ব বলে দশটা স্থানিক মাত্রার কথা।। সময়+ x,y,z (4 dimensions, our observable universe)। কোরআনের মতে সাত টা আরোপিত আসমান/ মহাবিশ্ব আছে। আমাদের আসমান + ছয়টা আরোপিত আসমান ।আমরা নিম্ন তম আসমানে বাস করছি ও ফেরেশতারা সপ্তম আসমানে আর জিন্ উভয়ের মধ্যে একটি.। আর এটা ও জানাই যে কোরআনে এ আরোপিত অতিরিক্ত স্থানিক মাত্রাই আধুনিক ফিজিক্সের অতিরিক্ত স্থানিক মাত্রা।। এখনামার প্রশ্ন হল; আপনার লালন কি বলে গিয়েছিলেন সেই আরোপিত মহাবিশ্ব, স্থানিক মাত্রা, তাঁদের কি গ্রাভিটি আছে নাকিই নেই। তাঁদের কি মাত্রা আছে নাকি নেই।। তাঁরা কোথায়??? ইত্যাদি??।। //খানে মানুষ জন বাস করে কিন্তু আমরা তা দেখতে পাই না। তার মানে সেটা একটা প্যারালাল ইউনিভার্স বা সমান্তরাল বিশ্ব বা প্রতি বিশ্ব।// এটা ছিল টার দর্শনের ব্যাপার.। কোরআনে হুবুক মানে কোন কিছু বুনে বা জুড়ে থাকা। আসলে সাত আসমান{ মাল্টিভারস} আর সমান্তরাল মহাবিশ্ব জুড়ে আছে বা বুনে আছে যা কোরআন আর বিজ্ঞান বলছে। কোরআন বলছে যে আমরা হয়ত একদিন সেই সব মাত্রায় ভ্রমণ করবে.।। এখন কোরআন এর উধাহরন দিয়ে বিশ্বাস করা যায় বহুবিশ্ব সমান্তরাল।। কিন্তু আপনার লালন শাহ এর কিছু উদাহরণ বা প্রিডিক্ট দেখাবেন কি? বিজ্ঞান কোন দর্শন না ভাই.।।

৯| ২২ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ২:৩৮

দিশাহীন দৃষ্টি বলেছেন: ভাই আমার একটু দ্বিমত বা দ্বিধা আছে । আপনি কোরআনের যেসব আয়াত এর রেফারেন্স দিয়েছেন তাতে আকাশ বলা হয়েছে সপ্ত আকাশ , তার মানে এখানে আকশের সংখ্যা নির্দিষ্ট ভাবে বলে দেয়া হয়েছে কিন্তু পৃথিবী এই শব্দটির আগে কোন সংখ্যা বলা হয়নি আবার আপনি যে আয়াতের ইংরেজী অনুবাদ দিয়েছেন সেখানেও THE Heavens (plural) ও The Earth(singular) , তো এটা বলা যায় , পৃথিবী একটাই ; আবার সুরা ত্বালাক এর ১২ নং আয়াত এর কথা বললেন -

اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ وَمِنَ الْأَرْضِ مِثْلَهُنَّ يَتَنَزَّلُ الْأَمْرُ بَيْنَهُنَّ لِتَعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ وَأَنَّ اللَّهَ قَدْ أَحَاطَ بِكُلِّ شَيْءٍ عِلْمًا
এখানে مِثْلَهُنَّ শব্দের অর্থ হচ্ছে - তাদের মত ...যা একটি বহু বচন শব্দ , এই আয়াত এ- سَبْعَ سَمَاوَاتٍ অর্থ সপ্ত আকাশ এবং -الْأَرْضِ অর্থ পৃথিবী ...এখন কথা হচ্ছে "তাদের মত " এই বহুবচন শব্দটি কার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ??? এখানে পৃথিবীর চেয়ে সপ্ত আকাশ তাদের মত অর্থাৎ একে অপরের মত - বলাটা কি ভুল কিংবা অগ্রহনযোগ্য ??

আর যদি مِثْلَهُنَّ শব্দার্থ ধরে নেই সেই পরিমানে কিংবা পৃথিবী সেই পরিমানে তাহলে বলা যায় সৌরজগতে আল্লাহ পাক পৃথিবীর মত আরো অনেক গ্রহ সৃষ্টি করেছেন । এই কথাটা আল্লাহ আরও অনেক সুরায় স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন যা নিয়ে কোন যুক্তি তর্ক করার কোন সুযোগই নেই । কিন্তু আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনে সুরা আর রাহমান এর ১০ নং আয়াতে সুস্পষ্টভাবে বলেছেন

وَالْأَرْضَ وَضَعَهَا لِلْأَنَامِ- যার অর্থ --তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করেছেন সৃষ্টজীবের জন্যে।

জীব অর্থাৎ যার জীবন আছে । আর মহান আল্লাহ পাক এই আয়াতের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন যে তাঁর সৃষ্ট জীবের জন্য তিনি এই পৃথিবীকে স্থাপন বা সৃষ্টি করেছেন । আরো স্পষ্ট ভাবে তার পরে ১৩ নং আয়াতে তিনি বলেছেন
فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ অর্থাৎ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

এখানে উভয় বলতে মানুষ এবং জ্বীন জাতির কথা বলা হয়েছে যা এই আয়াত এর পরের দুই আয়াত পড়লেই বুঝবেন ।
তো আপনি এরপর ও কীভাবে দাবি করেন পৃথিবীর বাইরে প্রাণ আছে ?
আপনি বলেছেন--""" ইসলামে প্রান শুধুমাত্র পৃথিবীতে সীমাবদ্ধ নয় আল্লাহ পৃথিবীর মত অনেক গ্রহ সৃষ্টি করেছেন ।"""
আপনার এই বাক্যের দ্বিতীয় অংশটি একদম ঠিক আছে কিন্তু মনে হয় না প্রথম কথাটি ঠিক ।
যদি আপনার বিশ্লেষনে আরো কোন প্রমান থেকে থাকে আশা করি তা দেখাবেন । কারন আমরা এই যুক্তি তর্কের মাধ্যমেই আমাদের কুরআন কে আর ভালভাবে বুঝতে ও এ থেকে শিক্ষা গ্রহন করতে পারব ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.