নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হৃদয় আল

দিন দূরে নয় আমার আত্মা উড়বে সেই দিন উধ্বাকাশে অনেক কিছু জানব সেদিন যা জানিনা এই নিবাসে।

হৃদয় আল

বুদ্ধিমত্তার সত্যিকারের নিদর্শন হল কল্পনা শক্তি জ্ঞান না। Albert Einstein

হৃদয় আল › বিস্তারিত পোস্টঃ

::THE BIG CRUNCH::( মহা সংকোচন); কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

২১ শে জুন, ২০১৩ রাত ৯:৪৭



'' মহাবিশ্বের পতন ও বিগ ক্রাঞ্জ;

যেহেতু আমাদের মহাবিশ্বের একটা শুরু ছিল এর একটা পতন ও আছে। বিজ্ঞানী এখন গবেষণা করছে কীভাবে?



আমাদের মহাবিশ্বও ধ্বংস হবে। তারা তিনটা সম্ভবনাকে ধরে নিয়েছেন বিগ রিপ, বিগ ক্রাঞ্জ ও বিগ চিল।



তবে তারা চূড়ান্তভাবে ধরে নিয়েছে বিগ ক্রাঞ্জ এর দিয়ে মহাবিশ্বের পতন হবে।

আর আল্লাহ পাক তা কোরআনে ১৪০০ বছর পূর্বেই ঘোষণা করে দিয়েছেন



''সেদিন আমি আকাশকে গুটিয়ে নেব, যেমন গুটানো হয় লিখিত কাগজপত্র। যেভাবে আমি প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম, সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করব। আমার ওয়াদা নিশ্চিত, আমাকে তা পূর্ণ করতেই হবে।

(কোরআন 21: 104)''



''তারা আল্লাহকে যথার্থরূপে বোঝেনি। কেয়ামতের দিন গোটা পৃথিবী থাকবে তাঁর হাতের মুঠোতে এবং আসমান সমূহ ভাঁজ করা অবস্থায় থাকবে তাঁর ডান হাতে। তিনি পবিত্র। আর এরা যাকে শরীক করে, তা থেকে তিনি অনেক উর্ধ্বে।''



(কোরআন 39: 67)



চলুন আমরা এবার জানি কীভাবে এই তত্ত্বটি কাজ করে' এই তত্ত্ব মতে মহাবিশ্ব একদিন তাঁর সম্প্রসারণ বন্ধ করে দিবে তারপর যেহেতু গ্রাভিটি সকল বস্তুকে টেনে নিবে সেহেতু মহাবিশ্ব সংকুচিত হওয়া শুরু করবে। অভ্যন্তরীণ পতন হওয়া পর্যন্ত

এটি রুপ নিবে অতি- উতপ্ত, অতি- ঘনত্ব সিঙ্গুলারিটিতে[১]



মহাবিশ্বতত্ত্ববিদ ডার্ক এনার্জি অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন। এই রহস্যজনক বিকর্ষণ বল গ্যাভিটির বিপরীত হয়ে কাজ করে । সেহেতু

দূরত্ব বৃদ্ধি পায় আকর্ষণীয় মহাকর্ষীয় বল কমে যায় কিন্তু এই রহস্যজনক বিকর্ষণবল বৃদ্ধি পেতে থাকে। এই বিকর্ষণ বল গ্যালাক্সি গুলো কে ধাক্কা দিচ্ছে। ফলে মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে।



বিজ্ঞানীরা আজো জানে না ডার্ক এনার্জি আসলে বা কি। শুধু তারা জানে এটাই পুরো মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ বৃদ্ধির হারের কারন।



এখানে আল্লাহ শপথ করেছেন বিগ ক্রাঞ্জ ঘটাবেন মহাবিশ্ব কে একটি বইয়ের মত করে ঘুঁটিয়ে গ্রাভিটি দ্বারা নয়।



মহাবিশ্ব তত্ত্ববিদ আন্দ্রি লিন্দ্রে ও তাঁর পদার্থবিদ স্ত্রী রিনাতা কাললোস 2002 সালে সাজেস্ট করেছিল ও বলেছিল যে যে ডার্ক এনার্জি নেগেটিভ ও আকর্ষণীয় হয়ে যাবে। আমরা যা দেখি এবং সব কিছু যা আছে দূরবর্তী দূরত্বে, আমরা যা দেখি না তা পতন হয়ে যাবে এবং একটি বিন্দুর মত হয়ে যাবে যা একটি প্রোটনের চেয়েও বড় নয়।



স্থানীয়ভাবে আমরা যেন ব্ল্যাক হোলের পাশেই ছিলাম।



আমরা আবিষ্কার করেছি যে ডার্ক এনার্জি সেরা প্রচেষ্টা দিয়ে ব্যখ্যা করতে গিয়ে এটা ভবিষ্যৎ বানী করে যে তা কার্যক্রমে নেগেটিভ হয়ে যাবে , যা ভারসাম্যহীন মহাবিশ্ব তৈরি করবে অতপর তার পতন ঘটবে।



[Schwartz, ' Cosmic 'big crunch' could trigger an early demise of our universe ", Stanford Report, September 25, 2002]



নোটস; [১] ; [ স্থানের এমন একটি এলাকা আছে যেখানে বস্তুর ঘনত্ব, স্থান-কালের বক্রতা অসীম হয়ে যায়। স্থান ও কাল বলতে সেখানে কিছু থাকে না। এখানে আনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব আর কাজ করে না। সেখানে ''ল অফ ফিজিক্স বলে কিছুই নেই। ও সেখানে স্থান কাল হয়ে যায় সমান আপেক্ষিক তত্ত্ব মতে বিগ ব্যাং শুরু হয়েছে একটি সিঙ্গুলারিটি থেকে। আর ব্ল্যাক হলে কেন্দ্রে একটি সিঙ্গুলারিটি আছে।]

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে জুন, ২০১৩ রাত ১০:১৫

scorpio6541 বলেছেন: ভাই ভাল লিখেছেন। এই ব্যপারে আরও জানতে চাই। লিখার সাথে রেফারেন্স গুলা দিয়ে দিবেন। তাহলে লিখা আরও সমৃদ্ধ হবে।

২| ২১ শে জুন, ২০১৩ রাত ১০:৩৪

শহুরে আগন্তুক বলেছেন: কেবল উদ্ধৃতি না দিয়ে আরেকটু ব্যাখ্যা করলে বেশী ভালো হতো :(

৩| ২১ শে জুন, ২০১৩ রাত ১০:৩৬

হৃদয় আল বলেছেন: ইনশাল্লাহ। আগামীতে আর ভুল হবে না

৪| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৫৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:

তারকা রবিশশি খেলনা তব
হে উদাসী
পড়িয়া আছে রাঙা পায়ের কাছে
রাশি রাশি..

..
মহা অসীমেরে কি করে ধারনা করবে সসীম- যদিনা সেই অসীমের রংয়ে রঙিন হয়!

তাই যাহা কিছূ ধারনা, কল্পনা তাহা সত্য থেকে বহুদূর....:)

তবুও এই অন্তহীন চেষ্টাই মানুষকে জানার পথে এগিয়ে নিয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.