| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ত্রী হত্যার অভিযোগে বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের স্টাফ রিপোর্টার জাহাঙ্গীর সুমনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার সকালে তাকে মিরপুর এলাকা থেকে আটক করে গতকাল আদালতে পাঠানো হয়। নিহত সানজিদা আক্তার (২৯) জাহাঙ্গীর সুমনের দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে পুলিশ বলছে, সাংবাদিক সুমনকে ৫৪ ধারায় আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নিহতের বাবা মো. শাহজাহান জানান, তার মেয়ে সানজিদা আক্তার ৬৪০, নম্বর দক্ষিণখানে তার স্বামী সুমনকে নিয়ে থাকত। সানজিদা আশকোনা এলাকায় ব্র্যাকের স্কুলের ইন্সট্রাক্টর হিসাবে চাকরি করত। গত দু’দিন ধরে সুমন বাসায় না যাওয়ায় শনিবার রাতে মিরপুরে ৯৬/১, মধ্য পাইকপাড়ায় স্বামীর খোঁজে যায়। ওই বাসার তিনতলায় সুমন তার প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে থাকে। রাত সাড়ে ১২টায় সানজিদা ওই বাসার নিচতলায় গেলে সুমন খবর পেয়ে নিচে নেমে আসে। তখন সুমনকে সঙ্গে করে সানজিদা দক্ষিণখানের বাসায় যেতে চাইলে তাদের মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে প্রথম স্ত্রীও ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে। তখন সুমন ও তার প্রথম স্ত্রী তিনতলা থেকে কেরোসিন এনে সানজিদার শরীরে ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। সানজিদার সারা শরীরে আগুন ধরে গেলে সে চিত্কার করতে থাকে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হলে পরদিন রোববার দুপুরে সে মারা যায়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেয়ার পরও জাহাঙ্গীর সুমনকে আটক করতে পুলিশ গড়িমসি করে। একপর্যায়ে তাকে আটক করলেও বিষয়টি গোপনে রেখে গতকাল তাকে ৫৪ ধারায় আটক দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
এদিকে এ ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার এসআই সানোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি পারিবারিক। তবে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মেয়েটি মারা গেছে তা সঠিক। সুমন পুলিশকে জানিয়েছে, তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী সানজিদাকে নিয়ে রাতেই দক্ষিণখানের বাসায় যাওয়ার জন্য তিনতলায় ওঠার পরই নিচে অবস্থান করা স্ত্রী নিজের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থান পুড়ে গেলে সুমন তাকে হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য নিয়ে যায়। সুমন পুলিশকে আরও বলেছে, তার প্রথম স্ত্রী বা সে নিজে সানজিদার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়নি। এসআই সানোয়ার বলেন, যেহেতু ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষদর্শী নেই, তাই ৫৪ ধারায় আটক করা হয়েছে সুমনকে। থানায় মামলা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। নিহত সানজিদার গ্রামের বাড়ি যশোর জেলার বিয়ামগ্রামে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।
২|
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৪৮
প্যাপিলন বলেছেন: স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী আটক হতে পারে, সাংবাদিকতো কোন আলাদা জীব না, এটা একটা পেশা, এটা দিয়ে পেট চালায়, তাহলে খামাখা কেন বির্তকিত করছেন সাংবাদিক পেশাটি
৩|
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৫৭
ডরোথী সুমী বলেছেন: কোন পেশাই কোন ব্যক্তিকে খুব একটা পরিবর্তিত করতে পারেনা। কিন্তু ভুল করলে তার শাস্তি হতেই হবে।
৪|
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৩১
সাদা রং- বলেছেন: কিছু সাংবাদিক এত বেয়াদপ, তাদের কাছে সাধারণ মানুষ যেন কিছুই না।
৫|
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:২৪
কাজলরেখা-০১ বলেছেন: eta thick kichu kichu sanbadik ace jara khub i joghonno . kintu tara somaje matha ucu kore cole. eder name kichu bolleo kew bissas korena .ami ekjon k jani amr mon cay oi salar hat pa venge dei trpr sarajibn moja bujhuk. ami koekta paper kotha blechi ora kew i news chapte cy na.
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৪৪
সাউন্ডবক্স বলেছেন: কি াজোব!! কি আজব!!! হেয় তো দেখি আও*লিগের চেয়ে ও খারাপ!!!