| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমাদের দেশে হবে সেই
ছেলে কবে কথায় না বড়
হয়ে কাজে বড় হবে।এই
কথাটি নিতান্তই একটি অযৌক্তিক
কথা.....সেই ছেলেটি অবশ্যই আমাদের
দেশে আছে কিন্তু তাকে সুযোগ
দেয়া হচ্ছে না।সুযোগ তারাই
পাচ্ছে যাদের রাজনৈতিক পাওয়ার
আছে কিন্তু মেধা নেই
আছে দুর্নীতি করার অঢেল শক্তমজবুদ
মনোবল। এই দেশ কিভাবে সামনের
দিকে এগিয়ে যাবে..
যে দেশে প্রতি বছর
শিক্ষাক্ষেত্রে পাশের হার
বাড়ছে কিন্তু
তারা পরবর্তী স্টেপে এগিয়ে
যেতে পারছে না কারণ কি... কারণ
একটাই পর্যাপ্ত ভার্সিটির অভাব।
এদিকে কারো লক্ষ্য নেই... শুধুমাত্র
তাদের লক্ষ্য একটাই তাহল এট
এনি কোস্ট শিক্ষার হার কিন্তু
বাড়াতেই
হবে....পরবর্তীতে তারা যা ইচ্ছা তা
করুক।
কন্সার্টের
নামে বিদেশী শিল্পীদের
কোটি কোটি টাকা দিতে আমরা
রাজি আছি কিন্তু পর্যাপ্ত
ভার্সিটি কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
করতে আমরা নারাজ.....এই নারাজ
হওয়ার কারণটা কি?
দেশ যখন কোন ইভেন্ট হোস্ট করবে তখন
আমাদের মনে পড়ে ড্রেইন
থেকে দুর্গন্ধ আসছে এবং রাস্তাঘাট
মেরামত করে সাজাতে হবে.....
আগে কি নেতারা এবং সিটি
কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট
দায়িত্বপপ্রাপ্তরা ঘুমিয়ে থাকেন।
এই কাজগুলাকে আমি খারাপ
বলছি না... এগুলো থেকেও হাজার
হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করেন
আমরা নির্বাচিত ফুলের মত পবিত্র
নেতারা।একমাস কিংবা দুইমাসের
জন্য এই ক্ষণস্থায়ী কাজ
করে কোটি কোটি ব্যয় করার কোন
মানে হয় না....কাজ
করালে ভালো করে করান
না হলে এই ক্ষণস্থায়ী কাজ
কিংবা সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে কি লাভ।
যখন যেকোন ধরনের নির্বাচন
আসে তখন একটা শ্লোগান
সবচেয়ে বেশি শুনা যায় আর তাহল
'বল্টু ভাইয়ের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র।
যদি সব নেতাদের চরিত্র ফুলের মত
পবিত্র হয়
তাহলে দুর্নীতিটা কে করে বল্টু ভাই
নাকি আমজনতা। এইসব বল্টু ভাইদের
ভোট দিয়ে আমরাই নির্বাচিত
করি কিন্তু পরবর্তীতে যখন বল্টু
ভাইরা দুর্নীতিতে ধরা খান তখন
আমরা বল্টু ভাইদের
যা ইচ্ছা তা গালাগালি করি....
দোষটা কিন্তু আমাদের কারণ আমরাই
বল্টু ভাইদের বারবার আমাদের পকেট
ফাঁকা কিংবা দেশের পকেট
ফাঁকা করার সুযোগ দেই।
যাইহোক,ফালতু জিনিস একটু
বেশি বলে ফেললাম
©somewhere in net ltd.