নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি ঘুরতে ভালোবাসি। আমি খুব নেট পাগল। আমি নবম শ্রেণী থেকে অনার্স পযর্ন্ত নানী বাড়িতে ছিলাম।

নাহল তরকারি

আমি ধার্মিক। আমি সব কিছু ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী বিচার বিশ্রেশণ করি। আমি সামাজিক রীতিনীতি, সমাজিক কু সংস্কার, আবেগ দিয়ে কোন কিছু বিচার করি না।

নাহল তরকারি › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইলেকট্রনিক ডিবাইসে বাংলা অক্ষরে মনের ভাব প্রকাশ করাটা আনন্দদায়ক বিষয়।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বিকাল ৪:৩৮



১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারির ইতিহাস আমরা সবাই জানি। বিশেষ করে ২০১৩ সাল পযর্ন্ত যারা এসএসসি পাশ করেছি তারা সবাই জানি। রফিক, জব্বার, শফিউর, সালাম, বরকত এদের কে ভাষা শহীদ বলা হয় এটা হয়তো অনেকে জানেন না। যারা বিসিএস পিপারেশন নিচ্ছেন তারা হয়তো জানেন। বর্তমানে যারা এসএসসি পাশ করেন তারা জানেন না।

২০০৭ সালের আগে আমরা যারা মোবাইল চালিয়েছি তারা এসএমএস এর সময় ইংরেজি অক্ষরে এসএমএস পাঠাতেন। ২০০৭ সালে নকিয়া মোবাইল বাজারে কিছু মোবাইল ছাড়ে, যেখানে বাংলা অক্ষরে এসএমএস পাঠানো যেতো। আমি, মাসুদ ও রাফসানের মোবাইলে বাংলা অক্ষর সাপোর্ট করতো। যার কারনে আমরা তখন একে অপর কে এসএমএস পাঠাতাম। সে সময় আমরা অনেকগুলো এসএমএস কিনে নিতাম। সে সময় ইন্টারনেট ও ম্যাসেজ্ঞার ছিলো না। তাই আমরা এসএমএস কিনে, এসএমএস পাঠাতাম। স্বাভাবিক ভাবে এসএমএস পাঠাতে ২ টাকা ৩০ পয়সা লাগতো। ২৩ টাকায় ১০০ এসএমএস এমন প্যাকেজ সে সময় জনপ্রিয় ছিলো। আর নকিয় ১৬০০ মডেল এর মোবাইলে বাংলা অক্ষর আয়ত্ব করিতে ২ দিন সময় লাগে।

২০১১ সালে এসএসসি পরীক্ষার সেলামী দিয়ে নকিয়া ৫১৩০ কিনি। সে সময় বাংলাদেশে ২জি ইন্টারনেট চলতো। ফেসবুক মাত্র জনপ্রিয় হচ্ছে। আমাদের এসএসসি ২০১১ বেইসের সেসময় এ দশ বারো জন ফেসবুক চালাতাম। শুধু আমি আর কয়েকজন বন্ধু বাংলা অক্ষরে ফেসবুকে পোস্ট দিতাম। বাংলা অক্ষরে ফেসবুকে এসএমএস দিতাম।

২০১৪ সালে আমি এক কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হই। আমি আগেই কম্পিউটার জানতাম। প্রধান লক্ষ্য ছিলো দ্রুত কিভাবে বাংলা টাইপ করা যায়। প্রথম প্রথম অক্ষর খোজা লাগতো। এখন অক্ষর খোজা লাগে না। হাতের আঙ্গুল অটোমেটিক নিদিষ্ট “কী” এর উপর প্রেস করে। আমি কখনো ইংরেজি অক্ষরে বাংলা শব্দ লেখি না। “আমি ভাত খেয়েছিলাম।” কে ইংরেজিতে “I ate rice.” লিখি। আমি ওদের মত “ami bhat khaychilam” লিখি না। “ami bhat khaychilam” এমন শব্দ উচ্চারনে দাত ভেঙ্গে যায়।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:১১

রাজীব নুর বলেছেন: একসময় আমি কম্পিউটার নিয়ে বসতাম।
কিন্তু বাংলা লিখতে পারতাম না। খুব দুঃখ হতো।
একদিন আমি শিখে যাই বাংলা লেখা। কি যে আনন্দ নিজের মনের কথা লিখতে পারছি!

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৫২

নাহল তরকারি বলেছেন: ধন্যবাদ।

২| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:১২

সোনাগাজী বলেছেন:



উর্দু যদি রাষ্ট্রভাষা হয়েই যেতো, আপনি কি বাংলা শিখতেন?

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৫৪

নাহল তরকারি বলেছেন: সবাই তো মাতৃভাষা শিখে। আমার মা এর ভাষা বাংলা। আমিও বাংলা ভাষাই শিখতাম।

৩| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:৩২

সাইফুলসাইফসাই বলেছেন: সুন্দর বলেছেন

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৫৫

নাহল তরকারি বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সকাল ৯:৪৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:


আমাদের মাধব এর একটা কম্পিউটার ছিল। এটা ১৯৯৮ সালের কথা।
আমি ওর ওখানে প্রায়ই যেতাম। দেখে দেখে আমি কম্পিউটার চালানো শিখে যাই।
মাধবের পিসিটা আমার জন্য অনেক বড় কিছু ছিল। তবে কম্পিউটার এক বিশাল কাজের মেশিন। এটা শিখে শেষ করা যাবে।

মাধব মারা গেছে বেশ কয়েক বছর আগে। মাধবকে খুব মিস করি।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:২৩

নাহল তরকারি বলেছেন: ধন্যবাদ। কমেন্ট করার জন্য।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.