নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি ঘুরতে ভালোবাসি। আমি খুব নেট পাগল। আমি নবম শ্রেণী থেকে অনার্স পযর্ন্ত নানী বাড়িতে ছিলাম।

নাহল তরকারি

আমি ধার্মিক। আমি সব কিছু ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী বিচার বিশ্রেশণ করি। আমি সামাজিক রীতিনীতি, সমাজিক কু সংস্কার, আবেগ দিয়ে কোন কিছু বিচার করি না।

নাহল তরকারি › বিস্তারিত পোস্টঃ

গ্রামেই বাড়ি বানিয়ে থাকাটা সুখের

২২ শে জুন, ২০২৪ রাত ৮:২৪



শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১, ১৫ জিলহজ ১৪৪৫ হিজরি।

গ্রামের বুকে বাড়ি বানানো মানে প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হওয়া। সবুজ শ্যামলিমায় ঘেরা এই প্রকৃতির কোলে বসবাস আমাদের মনে এনে দেয় অসীম প্রশান্তি। ছবিতে দেখা যায়, এক প্রশান্তির চিত্র—শস্যখেতের বিস্তীর্ণ প্রান্তর, নীল আকাশের নিচে বিদ্যুৎ লাইনের সরল পথচলা, আর এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকা তালগাছ। আধুনিক সুবিধার সমাহার গ্রামকেও ছুঁয়ে গেছে—বিদ্যুৎ, ব্রডব্যান্ড লাইন, উন্নত হাসপাতাল, এবং ভালো মানের স্কুল। এই সবকিছু মিলিয়ে গ্রামের জীবন এখন আর আগের মতো পিছিয়ে নেই।

এখানে থাকা মানে শুধু প্রকৃতির সঙ্গে মিশে থাকা নয়, বরং আধুনিক জীবনের সুবিধাগুলোও উপভোগ করা। ছবিতে যা দেখা যায়, তা শুধু দৃশ্যমান সৌন্দর্য নয়, বরং আমাদের মনে এক ধরণের শান্তির বার্তা নিয়ে আসে। শহরের কোলাহল থেকে দূরে, এই গ্রাম্য পরিবেশে জীবন যাপন সত্যিই সুখের।

শহরের ব্যস্ততা, দূষণ, আর চাপ থেকে দূরে থাকতে গ্রামই হয়ে উঠতে পারে আমাদের নতুন ঠিকানা। উন্নত প্রযুক্তির সংস্পর্শে থাকা এবং পরিবেশের সান্নিধ্যে গ্রামীণ জীবনযাপন সত্যিই এক অপার সুখের আধার।






অকৃত্রিম প্রকৃতির মাঝে একটি পথ, যেটি মানুষকে দূরবর্তী স্থানের দিকে নিয়ে যায়। ছবি থেকে বোঝা যায়, দিনের আলো ক্রমেই ম্লান হচ্ছে, কিন্তু প্রকৃতির সৌন্দর্য এখনও অপরূপ। রাস্তার পাশে ঝোপঝাড় ও খেজুর গাছ সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে রয়েছে। মনে হয়, এ পথটি অনেক কাহিনী আর স্মৃতি ধারণ করে রেখেছে। এখানে প্রান্তরের নীরবতা আর প্রকৃতির নিবিড়তা মিলে মিশে এক অপূর্ব পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে জুন, ২০২৪ রাত ৯:৫৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: নাহল তরকারি,




গ্রাম ছাড়া ঐ রাঙামাটির পথ
আমার মন ভুলায় রে...............

২৩ শে জুন, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৫৬

নাহল তরকারি বলেছেন: কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ।

২| ২৩ শে জুন, ২০২৪ রাত ১:৩৮

মামুinসামু বলেছেন: গ্রামে থাকা অবশ্যই ভাল। কিন্তু শহরের মানুষ যেভাবে গ্রামের লোকজনকে আপন করে নেয়, গ্রামের মানুষ সেটা করে না। এমনকি গ্রামের মানুষ যদি নিজ গ্রাম ছেড়ে অন্য গ্রামে Settle হতে যায়, তখন তারাও এটা বুঝতে পারে।

২৩ শে জুন, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৫৭

নাহল তরকারি বলেছেন: আপনার বর্ননা অনুযায়ী আমাদের গজারিয়া উপজেলার ভাটেরচর গ্রামের মানুষের সাথে মিল আছে। সেই গ্রামের মানুষ আগে এমন ছিলো না। এখন এমন হইছে।

৩| ২৩ শে জুন, ২০২৪ সকাল ৭:০৩

হাসান জামাল গোলাপ বলেছেন: গ্রামে থাকতে খুবই ভালো লাগে, কিন্ত কয়দিনই বা থাকা যায় দায়িত্ব ফেলে!

২৩ শে জুন, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৫৭

নাহল তরকারি বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

৪| ২৩ শে জুন, ২০২৪ রাত ৮:৪০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: গ্রামে স্বস্তির পরিবেশ পেলে ভালোই লাগে।

২৪ শে জুন, ২০২৪ সকাল ১০:১২

নাহল তরকারি বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫| ২৪ শে জুন, ২০২৪ সকাল ১১:২২

আহলান বলেছেন: ঠিক ... গ্রামেই প্রকৃত সুখ !

২৪ শে জুন, ২০২৪ রাত ৮:৪১

নাহল তরকারি বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬| ২৪ শে জুন, ২০২৪ দুপুর ১২:০৯

শাহ আজিজ বলেছেন: আমরা যারা শহরে বসবাসে অভ্যস্ত তারা গ্রামে কয়েকদিন বেড়াতে যেতে পারি কিন্তু স্থায়ী হতে না। এমন কিছু প্রয়োজনে আমাদের শহরে দৌড়াতে হবে । পূর্বাচলকে ঘিঞ্জি নগরে পরিনত না করাই ভাল হবে । দুইতালার বেশি বাড়ি বানানো যাবেনা । বানিজ্যিক কারনে ঢাকা আসতে হবে । চওড়া রাস্তা হয়েছে এবং মেট্রো রেল গঠনের পথে ।

২৪ শে জুন, ২০২৪ রাত ৮:৪১

নাহল তরকারি বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.