নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি আমার রাতবন্দিনী। ধূসর স্বপ্নের অমসৃণ সুউচ্চ দেয়াল তুলে তোমাকে আমি বন্দী করেছি আমার প্রিয় কালোর রাজত্বে। ঘুটঘুটে কালোর এই রাজত্বে কোন আলো নেই। তোমার চোখ থেকে বের হওয়া তীব্র আলো, আমার হৃদয়ে প্রতিফলিত হয়ে সৃষ্টি করে এক অপার্থিব জ্যোৎস্না।

জাদিদ

ব্যক্তিগত ব্লগ।

জাদিদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

খাবারের খোঁজেঃ মোহাম্মদপুরের সিংগারা, কাবাব আর বিরিয়ানী।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৩

মোহাম্মদপুরকে অনেকেই মোঘল সাম্রাজ্য বলে ডাকেন। কারন এই এলাকার অনেক রাস্তা ঘাটের নাম মোঘলদের নাম অনুসারে রাখা হয়েছে। আজ থেকে অল্প কয়েক বছর আগেও পুরো মোহাম্মদপুর এলাকা ছিলো বেশ নিরিবিলি, কোলাহলমুক্ত, সবুজ গাছগাছালি পুর্ন। কিন্তু এখন যুগের হাওয়ায় চারিদিকে পরিবর্তন হচ্ছে। পুরানো দৃষ্টিনন্দন সব বাড়ি ভেঙ্গে তৈরী হচ্ছে নতুন ফ্ল্যাটবাড়ি, দোকান পাট, অভিজাত রেস্টুরেন্ট, মার্কেট ইত্যাদি। তবে নতুন অনেক দোকানের পাশাপাশি এখনও পুরানো কিছু ঐতিহ্যবাহী দোকান এখনও গর্বের সাথে টিকে আছে, ব্যবসা করছে সুনামের সাথে। এই দোকানগুলোর অধিকাংশই হয়ত খুব একটা 'হাই ফাই' না, তবে তাদের খাবারের মান ও স্বাদ নিঃসন্দেহে 'হাই ফাই'।

গতকাল ব্লগে জুলভার্ন ভাই, সিংগারা নিয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন। সেখানেও এই সিংগারার কথা বলেছিলাম। তাই আজকেও সেই সিংগারা দিয়ে শুরু করছি। মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের বিপরীতে জাকির হোসেন রোডে ঢুকার মুখে বেশ পুরাতন একটা কাবাবের দোকান আছে। স্থানীয়ভাবে 'মাঞ্জা মামা'র দোকান হিসাবে বেশ পরিচিত। একটা সময় ছিলো, এদের এখানে দুর্দান্ত একটা কলিজার সিংগারা পাওয়া যেত। সেই সময় যখন ঢাকায় ১০ টাকায় তথাকথিত কলিজার সিংগারা পাওয়া যায়, তখন এদের এক পিস কলিজার সিংগারার দাম ছিলো ২০ টাকা। আপনি কামড় দিলে বুঝবেন জিনিসটা আসলে কি দুর্দান্ত। শুধু পেঁয়াজ আর কলিজার পুর দিয়ে সবাই সিংগারা বানায় না। ঢাকার খুব কম স্থানে আপনি এই ধরনের সিংগারা পাবেন। আমি এই দোকানে গেলে খুব মন খারাপ করে দুইটা বা তিনটা সিংগার খাই। কারন এই ধরনের সিংগারা নুন্যতম ৪/৫ টা খেতে না পারলে শান্তি কোথায়?

আমি লাস্ট প্রায় বছর দুয়েক আগে এই সিংগারা খেয়েছি। কারন এটা খেতে হলে বিকেলের মধ্যে যেতে হবে। বিকেলের শেষের দিকে অনেক সময় থাকেও না। তাই সময়ের অভাবে আমার আর সেখানে যাওয়া হচ্ছে না। বাড়ছে দীর্ঘশ্বাস। এই দুঃখের অন্য এক জায়গা থেকে সিংগারা এনে খেলাম। মাঞ্জা মামার সিংগারার ছবি দিতে পারলাম না, অন্য ছবি দিলাম। এর নাম দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো। যদিও ঘোল খেতে খুবই মজা।



এই দোকানের অন্য বেশ কিছু আইটেমও পাওয়া যায়। যেমন চিকেন কারি, বুটের ডাল দিয়ে গরুর মাংস বা কলিজা ভুনা এবং স্পেশাল বিফ কাবাব। এই সব শুধু বিকেল বেলায় পাওয়া যায়। মানুষের ভীড়ে আপনি জায়গা পাবেন না। ফলে অনেক মানুষই পার্সেল নেয়। এদের স্পেশাল বিফ কাবাবও দারুন! অবশ্য যে কোন খাবারের স্বাদ ব্যক্তিগত রুচির উপর নির্ভর করে। যা আমার কাছে অমৃত তা হয়ত আপনার কাছে জঘন্য। আমি শেষবার এই দোকানে গিয়ে খেলাম তন্দুরি চিকেন। ঢাকায় অনেক দোকানেই ভালো তন্দুরি চিকেন বানায়, এদেরটাও বেশ ভালো। তাজা মুরগির মাংস ব্যবহার করার কারনে মাংসটা ড্রাই ছিলো না। একটা লুচি আর টকদই বোরহানী মাখা সালাদ দিয়ে মুখে দিতেই আহ!! অসাধারন অনুভুতি! চারিদিকে চমৎকার স্বাদের মিছিল!


একবার মোহাম্মদপুর থেকে হেঁটে কলাবাগানের বাসায় ফিরছি। প্রধান উদ্দেশ্য নিজেকে ফিট রাখা, প্রস্থ কমিয়ে উচ্চতা বাড়ানো। কিন্তু সলিমুল্লাহ রোডের মাথায় আসতেই কয়লার আগুনে পোড়া কাবাবের গন্ধ নাকে এসে ভয়াবহ বাড়ি মারল। মন্ত্র জপার মত বার বার মনে মনে আউড়ে নিজেকে বুঝালাম, ওরে!! ওজন বেড়ে যাবে, ডায়েট করতে হবে, ভুলেও এই সব খাসনে বাপ! কিন্তু যতক্ষনে কপালের ঘাম মুছে সম্বিত ফিরে পেলাম, ততক্ষনে দুই প্লেট কাবাব অর্ডার দিয়ে আমি হাফ ছেড়ে বেঁচেছি।

সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম এই 'সেলিম কাবাব ঘর' সেই আগের মতই আছে। তবে অনেক ভীড় বেড়েছে। দোকান ভর্তি মানুষ গম গম করছে। অনেকেই আমার মত লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এখানে এতবার খেয়েছি যে, বাসার খাবার ভেবে কখনও রিভিউ বা এই জাতীয় কিছু লেখার কথা মাথায়ই আসে নাই। তবে, ইদানিং অনেকেই ফুড ভ্লগিং করছেন। তাদের কল্যানে অনেক হাইজিন প্রেমিরা এখানে খেতে এসে প্রায় ভাঙ্গাচুরা একটা দোকান দেখে ভ্লগারদের গুষ্ঠি উদ্ধার করে ওয়েস্টিন অথবা ল্য মেরিডিয়ানে গিয়ে হাফ ছেড়ে বাঁচে। খাবারের টেস্ট সম্পর্কে বলতে গেলে তারা বলবেন, যাহ বাব্বা! হোটেলটার কিচেন কিন্তু দারুন পরিষ্কার। হেব্বি জোস!।

এই দোকানে আপনি আসল কিমাপুরী পাবেন। আমার জানা মতে আমি ঢাকার কোন হোটেলে এই ধরনের কিমা পুরী দেখি নাই। মাংসের কিমা দেয়া পুরী। সাথে ওরা একটা কাবার রোল করে, যেটা আগে ছিলো না, সেটাও খেতে দুর্দান্ত। কিমা পুরীর সাথে কাবাব দিয়ে একটা কম্বিনেশন। চমৎকার স্বাদ। তবে কাবাবে এরা হচ্ছে সেরা! খুবই হালকা মশলা আর স্মোকি ফ্লেভারের জন্য আপনার খেতে দারুন লাগবে। এখানেও লুচি পাবেন। ইতিমধ্যে আমার খাবার তৈরী হয়েছে। পুর্ব পরিচিত এক কর্মচারী আমার খাবার নিয়ে আসলো। তার সাথে দুস্টামি করে জিজ্ঞেস করলাম, ক্যায়া বাত হ্যায় ভাই!! প্যাহেলে তো ইতনা তাকলিফ নেহি হোতা তুমহারে ইহাপে কাবাব খানে কে লিয়ে। ইন দিনো মে ক্যায়া হুয়া জো ইতনা লাম্বা লাইন লাগা দিয়া লোগনে? মাসলা ক্যায়া হ্যায়? ইয়ে ক্যায়সি জাদু?
( কি হলো ভাই? আগে তোমার এখানে কাবার খাওয়ার জন্য এত কষ্ট করতে হতো না। এক কয়দিনে কি এমন হলো যে মানুষ এত লম্বা লাইন দিয়েছে, ঘটনা কি? তুমি কি এমন জাদু করছ?)

বিহারী কর্মচারী আমার চেয়েও চাল্লু! সে আমাকে হাসতে হাসতে বলল, হাম ক্যায়া কারে সাহাব!! এই তো আপকাই কিয়া কারাম হ্যায়! আপনে যো দিলসে হামারি বাত ইতনি পাবান্দি কে সাত লোগকো বোলা! ইসলিয়ে ও খানে চালে আয়ে।
( স্যার আমি কি করব? এই গুলো তো আপনিই করেছেন। আপনি যে মন থেকে আমাদের খাবারের জোর সুনাম করেছেন, সেই কারনে তো মানুষজন চলে আসছে)

যাইহোক, আমি খাবারে মনযোগ দিলাম। গরম শিক কাবাবের সাথে হালকা পুদিনার চাটনি, শশা আর পেঁয়াজের সালাদ মাখিয়ে মুখে দিতেই আরামে চোখ বন্ধ হয় এলো! পরম সুখে চাবাতে চাবাতে ভাবলাম - শালার বাঙালির আবার ডায়েট কিসের?



গত কয়েক বছর ধরে সোশ্যাল মিডিয়াতে বোবার বিরিয়ানী আর কামাল বিরিয়ানী নিয়ে হাজার হাজার রিভিউ পড়েছি! এত রিভিউ পড়ে আমি মহা চিন্তায় পড়ে গেলাম এইটা মোহাম্মদপুরের কোনখানের বিরিয়ানি যেইটা আমি খাই নাই?

মোহাম্মদপুরে অনেক রেস্টুরেন্টের বিরিয়ানী বা তেহারীর স্বাদ কিন্তু ঢাকার অনেক অঞ্চলের চাইতে ভালো। কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুরানো ঢাকার চাইতে মোহাম্মদপুরে ভালো তেহারী পাওয়া যায়। শওকতের তেহারী বা বিরিয়ানীর নাম সবাই শুনছে। মোহাম্মদপুর কাঁচা বাজার বা টাউন হলের সাথেই ওদের দোকান। কিন্তু শওকতের বিরিয়ানীকে বোবার বিরিয়ানী বা কামাল বিরিয়ানী বলার কারন কি?

ফোন দিলাম ক্যাম্পের বাজারের আবুল ফয়সল ভাইকে। খুবই ভদ্র এবং অমায়িক লোক। রাজনৈতিক মার প্যাচের কারনে জেনেভা ক্যাম্পে আটকে পড়ে জীবনটাই অন্যরকম হলো। উনার চাচা মুরশাদ জানে আলম বেশ নাম করা বাবুর্চি ছিলেন। উনাদের কাছ থেকে অনেকে কাবাব চাপ বানানো শিখেছেন। বর্তমানের অনেক জনপ্রিয় চাপ আর কাবাব হাউজ উনাদের পরিচিত কারিগর দিয়েই গড়ে উঠেছে। মুস্তাকিম চাপ প্রসঙ্গ যখন আসল তখন বলে রাখা ভালো যে, একটা সময় মুসলিম, মুস্তাকিমের চাপ ছিলো পুরো ঢাকায় বিখ্যাত। তাদের স্যুপটাও ছিলো দারুন মজার। কিন্তু এখন কাউকে শাস্তি দিতে চাইলে ঔ মুস্তাকিমের চাপ খাওয়াতে হবে। ধরেন ব্লগে কেউ ওভার কনফিডেন্ট নিয়ে মাল্টি চালানোর পরও ধরা খেলো, বা কেউ আজাইরা গুটিবাজি করল। তাকে শাস্তি দেয়ার জন্য বর্তমানের মুস্তাকিমের চাপ খাওয়াতে হবে। একদম সিধা হয়ে যাবে।

যাইহোক, ফয়সল ভাইকে ফোন দিয়ে বললাম, ভাইজান, ইয়ে বোবা বিরিয়ানী ক্যায়া হ্যায়? ইসকি নাম তো প্যাহেলে কাভি নেহি শুনা? ক্যাম্পমে কাহা হে ইয়ে? ঔর এক বিরিয়ানি দু কান ভি হ্যায়। ইন দিনো মে বহুৎ নাম ফেল রাহা হ্যায় - কামাল বিরিয়ানী। ক্যায়া ইয়ে সাচ মুক কামাল বিরিয়ানী ও শ্রেফ নামই কামাল হ্যায়?

( ভাই, এই বোবার বিরিয়ানী টা কি? এর নাম তো আগে কখনও শুনি নাই। ক্যাম্পের ভেতর কোথায় এটা? আরেকটা দোকান আছে, বর্তমানে খুব নাম করেছে- কামাল বিরিয়ানী। তা দোকানটার নাম কি কামাল বিরিয়ানী নাকি আসলেই স্বাদের কারনে কামাল বিরিয়ানী হয়েছে)

ফয়সল ভাই আমার কথা শুনে কিছুক্ষন হাসলেন। তারপর বললেন, ভাইজান! আপ বহুত মজাকিয়ে আদমি হো। জালদি ইয়া আযাইয়ে। ম্যা আপকো খিলাউঙ্গা। ( ভাইজান, আপনি খুবই মজা করেন। জলদি চলে আসেন। আমি আপনাকে খাওয়াবো)

যাইহোক, ক্যাম্পারেরবাজারে গেলাম। গিয়ে ফয়সল ভাই যে দোকানে নিয়ে গেলেন, সেই দোকানে আমরা বহু বার খাইছি। এই দোকানের এক কর্মচারী কথা বলতে পারেন না। সেই কারনে এটা বোবার বিরিয়ানী নামে বিখ্যাত হইছে। আসল নাম হচ্ছে ফয়জালে মদিনা। এই দোকানে আমরা ২০ টাকা দিয়ে খাওয়া শুরু করছিলাম। সেটা এখন পঞ্চাশ টাকা। তখন পকেটে টাকা কম থাকলেই আমরা এই বিরিয়ানী মেরে আসতাম। এই দোকান যেখানে অবস্থিত সেখান থেকে আরো কিছুটা ভেতরে গেলে আরেকটা বিরিয়ানীর দোকান ছিলো, সেটারই নাম হচ্ছে কামাল বিরিয়ানী। ঐখানে আগে দুই একবার খাওয়া হইছে। কিন্তু বর্তমান ফুড ব্লগারদের কারনে তার রমরম অবস্থা!!

যাইহোক, একবার আমার স্ত্রীর খুব মন খারাপ। সম্ভবত কোন একটা ম্যাচে ব্রাজিল ২ গোল খেয়েছে। স্ত্রীর দুঃখ দেখে আমি ঠিক মত আনন্দ করতে পারছি না। এই অবস্থায় স্ত্রী আমাকে বললেন, আর ভান করতে হবে না। আমাকে বোবার বিরিয়ানী খাওয়াও। আমি হাসতে হাসতে সাথে সাথে রাজি হলাম।




তবে যেতে যেতে কিছুটা রাত হয়ে যাওয়াতে বোবার বিরিয়ানী প্রায় শেষের দিকে ছিলো। সেখানে না খেয়ে গেলাম কামাল বিরিয়ানীতে। সেখানে দেখি পার্সেলের জন্য বিশাল লাইন। কিছুক্ষন পর বসার সুযোগ পেলাম। খাওয়ার পর বুঝলাম, বোবা আর কামালের পার্থক্য হলো মাংসের মশলায়। তাও যারা নিয়মিত খায় তারা ধরতে পারবে, নইলে ধরা টাফ। বোবার মশলা হালকা আর কামালের বিরিয়ানীর মসলা একটু ভারী। 'বেশি টানা যায় না'- এটাই পার্থক্য।

বাসায় ফেরার পথে একটা মিষ্টি পান মুখে দিয়ে বাসায় রওনা দিলাম। আগের দিন হলে মোহাম্মদপুর থেকে রাত এগারটায় রিকশা করে কলাবাগান আসার কথা কেউ চিন্তাও করতাম না - ঠ্যাক অবধারিত। এখনও চামে সুযোগ পেলে ঘটনা ঘটে যায়। কিন্তু এখন অবস্থার পরিবর্তন ঘটছে আগের চাইতে অনেক। তাছাড়া এত সুন্দর বাতাস ছিলো, যে রিকশা ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারছিলাম না। রিকশায় উঠে মোটামুটি একটা দুরত্ব আসার পর স্ত্রী বললো, তার ঠান্ডা পানীয় খেতে মন চাইছে।
আমি বললাম, গোল তো দুইটা খাইছে। কিন্তু ইয়ে মানে মানে ডাবল আপ বলে তো কোন ড্রিংক্স নাই, সেভেন আপ চলবে?
তারপর উদাস গলায় বললাম - আসলে অতীত চাইলেও তো ভুলা যায় না।
স্ত্রী বললেন - হারজেন্টি.....।
সাথে সাথে প্রসঙ্গ পালটে বললাম - চলো ফান্টা খাই!!

মন্তব্য ৫৩ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৫৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৩

নতুন বলেছেন: ভাই এইটা কিন্তু নির্যাতন বলা চলে।

অফিসে বইসা খিদা পেটে এই পোস্ট পড়লে খিদা আরো বাইরে যদি কেউ মারা যায় তার দায়ীত্ব কে নেবে? :((

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৫

জাদিদ বলেছেন: হা হা , আমি শতভাগ দায়িত্ব নিতে রাজি আছি। কিন্তু নাই টেলিফোন, নাইরে পিওন, নাইরে টেলিগ্রাম গান গাওয়া ছাড়া কোন উপায় আছে? দেশে আসলে আমি খাওয়াবো! এটাই ফাইনাল কথা রইল। B-)

২| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: চরম ক্ষুধা লাগছে!! এর জন্য দায়ী কে??? X(

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৬

জাদিদ বলেছেন: যে দায়ী, তারে কেউ পিডা!!!! B-))

৩| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



বাংগালীরা অকালে অসুস্হ হয় এসব খাবার থেকে

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:০১

জাদিদ বলেছেন: এটা মিথ্যা বলেন নাই। তবে এটাই আমাদের ঐতিহ্য, এটাই আমাদের কালচার। পরিমিত বোধ আর কিছুটা ব্যায়াম করলে, এই সব খাবার খেয়ে কেউ অসুস্থ হয় না।

৪| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৪

শাহ আজিজ বলেছেন: মাস্ক নাই ।



ফাইন = কাবাব :`>

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:০৩

জাদিদ বলেছেন: ভাইয়া এখানে যে ছবি দিলাম, সেটা বেশ আগের। তখন করোনা প্রকোপ ছিলো না।
তবে মজার ব্যপার হইল, লাস্ট যখন ক্যাম্পের বাজারে গেসিলাম, তখন ক্যাম্পের লোকজন বলে - করোনা ভাই এই ক্যাম্পে নাই। করোনা বাংলাদেশে আছে।

৫| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৮

অপু তানভীর বলেছেন: আমার বাড়ির পাশে আইসা খাইয়া গেলেন একবার কইলেনও না!! /:)

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:০৪

জাদিদ বলেছেন: :( আমার তো জানা ছিলো না। নেক্সট টাইম গেলে অবশ্যই কমু নে। তবে তোমার ভাবী সহ যে ছবি দেখছ, সেটা আগের ছবি।
তোমার বাসা কি ক্যাম্পের ঐ দিকে?

৬| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:০১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমি এখন অফিসে। সামনে বসা এক কলীগের সাথে কথা বলতে বলতে আপনের পোষ্টে চোখ বুলাইতেছিলাম। মনে হইতেছিল, ওরে কাবাব বানায়ে খায়া ফালাই!! আমার চাহনী দেইখা সে ডরাইছে। কয়, তুমি মনে হয় জরুরী কিছু দেখতাছো। আমি পরে আইসা কথা কমুনে!!! B-)

সেলিম কাবাব ঘরের কাবাব আমার অলটাইম ফেভারেট। লালা ঝড়ানের একটা ইমো যোগ কইরেন। কথা ঠিকমতোন কইতে পারতাছি না!!! :(

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:০৭

জাদিদ বলেছেন: হা হা হা। আমি হাসতেছি আছি। সরি ভাইয়া আপনাদের কষ্ট দিলাম। সেলিম কাবাব আপনার প্রিয় মানে হচ্ছে আপনি ভোজন রসিক লোক, স্বাদ চেনেন।

৭| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:১০

হাবিব বলেছেন: হায় হায়, আমার আসতে লেট হইয়া গেলো! খাবার দাবার কি শেষ কানি কিছু আছে আমার জন্য.........

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:০৯

জাদিদ বলেছেন: দোকানে গেলে অবশ্যই খানা পাবেন। যে কোন দিন, যে কোন সময়। গাইড লাগলে বলবেন - বান্দা হাজির।

৮| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:১৪

জ্যাকেল বলেছেন: ক্যলকাটায় শ্যামবাজার স্ট্রিটে কয়েক বছর আগে খেয়েছিলাম। আপনার পোস্টে সেখানকার পুরানা দোকানে যেন খানিকটা ভাচুয়ায়ল ভ্রমন করে ফেল্লাম। মোহম্মদপুরে এখন যাওয়া ত সম্ভব না।
-
ওঃ তোএখন সিংগাড়া কে খাওয়াবে আমাকে?

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:৫০

জাদিদ বলেছেন: সেখানেও তো বেশ খাবার দাবার আছে। ভাজা পোড়া!!
সিংগারা খাওয়াতে পারছি না দেখে খুবই দুঃখিত। ভাবছি শুধু খাবার পার্সেল করার একটা সার্ভিস চালু করব। দেশ বিদেশে খাবার পাঠাবো। আইডিয়াটা কেমন হয় বলুন তো??

৯| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৫৬

আমারে স্যার ডাকবা বলেছেন: ফুড ভ্লগিং আর ফুড রিভিউ এখন ফালতু একটা ব্যাপার হয়ে গেছে। খাবারের স্বাদ-গন্ধ না বুঝেও খালি ইউথুবার হওয়ার জন্য অনেকে ফুড ভ্লগিং করে। আর ফুড রিভিউ একটা বিজনেসে রুপ নিয়েছে।

আপনার লেখা ভালো লাগলো, সুপার এডিটেড ছবি আর জ্যুসি-ক্রিমি-ক্রিস্পি এই শব্দগুলো না থাকায় এইটাকে ফুড রিভিউ বলতে পারলাম না। ক্যাম্পের বাজারে গিয়ে একদিন টেস্ট করে দেখতে হবে.... পরিবেশ কেমন? নিরাপদ?

ব্রাজিল সমর্থক ভাবী আর আপনার ভেতর কোল্ড ওয়্যারে মজা পেলাম।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:৫৪

জাদিদ বলেছেন: আসলে ভালো ফুড ব্লগার হওয়াটা বেশ কঠিন - আমার বিবেচনায়। অনেক ফুড ব্লগারের রেকমেন্ডশনে খেতে গিয়ে বহুবার ধরা খেয়েছি। ইহা নিশ্চিতভাবে ফুড রিভিউ নয়, খাবারের সন্ধান বলতে পারেন - হা হা। ক্যাম্পের বাজারে অবশ্যই যেতে পারেন, আমার কাছে অনিরাপদ মনে হয় নি। অন্তত খাবার দাবারের ক্ষেত্রে আমি কোন ঝামেলা দেখি না। অবশ্যই খেয়ে দেখতে পারেন। এছাড়া সেখানে আরো অনেক ধরনের খাবার পাওয়া যায়, ক্যাম্পে ট্যুর করলে ভালোই লাগবে।

১০| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:০০

শাহ আজিজ বলেছেন: জাকির হোসেন রোডের অইখানেই দহি বড়া খুব ভাল বানায় । একসময় বাজারের পিছনেই থাকতাম তাই ঐ এলাকার কোন খাদ্য বাদ নাই । আমার মেজ ভাবী যে দহি বড়া বানায় তা বাংলাদেশে কেউ বানায় না । খুলনা গেলে খাই চেটে পুটে । সলিমুল্লাহ রোডে হালিমএর দোকান আছে , ওদের হালিম অদ্বিতীয় । আমাদের লেটেসট মিরপুরে কিছু স্পট আছে যাদের খাবারও অসাধারন । করোনা সময়ে অনলাইনে বেশ খেয়েছি । কিছু খাবার খুবই ভাল । এইমাত্র পরাটা আর বিফ কাবাব খেলাম , পরাটাটা অসাধারন ।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১:০৫

জাদিদ বলেছেন: দহি বড়া জিনিসটা আমি চিনতাম না। ইহা প্রথম খেয়েছিলাম আমি নেভাল চিফের বাসায়। তৎকালীন নেভাল চিফের স্ত্রী ছিলেন আমার শিক্ষিকা। তাঁর গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার আগ্রহ ছিলো। আমি তাঁকে এবং আরো একজন অফিসারকে গ্রাফিক্স শিখিয়েছিলাম। সেখানে বাসার বাবুর্চি বা ম্যাডাম হয়ত নিজেই দহি বড়া বানিয়েছিলেন। খাওয়ার পর মনে হয়েছিলো - এই প্রচন্ড অখাদ্য একজন মানুষ কিভাবে খাবে। পরে বিয়ের পর আমার শশুর বাড়িতে এসে আবারও যখন এই জিনিস খেতে দিলো আমি প্রায় আঁতকে উঠেছিলাম। খুব ভয়ে ভয়ে ছোট্ট এককামড় মুখে দিয়ে দেখি - জিনিসটা তো খেতে ভালো। সেই থেকে আমি খাই। ভালো করে বানালে খেতে ভালোই লাগে।

হ্যাঁ, সলিমুল্লাহ রোডের হালিম সেরা। যার খালিম খেতাম তিনি আগে ফুটপাতে বসে বিক্রি করতেন। এখন উনার দোকান হয়েছে। খাবার খুবই টেস্টি। মিরপুরের খাবার নিয়ে ইনশাল্লাহ সামনে আরেকদিন লিখব।

১১| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:০৩

কামাল১৮ বলেছেন: কিছু ভোজন রশিক আছে,কোথায় মজার মজার খাবার পাওয়া যায় সব তাদের নখ দর্পনে।আমার স্বাদ গ্রহনে সমস্যা আছে তাই সব সিঙ্গার বা বিরানি আমার কাছে এক রকমই লাগে।কেবল ঝাল আর মিষ্টির স্বাদ আলাদা এটাই বুঝতে পারি।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১:০৭

জাদিদ বলেছেন: খুবই দুঃখজনক!! আপনার এই সমস্যাটির কথা জেনে দুঃখ প্রকাশ করছি। এর কি কোন চিকিৎসা আছে?

আমি ব্যক্তিগতভাবে খেতে পছন্দ করি। তাই বিভিন্ন খাবারের দোকান আমি খুঁজে খুঁজে মনে রাখি।

১২| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৫৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় জাদিদ ভাই,

দুটি প্রশ্ন করবো।
মোহাম্মদপুরের এই দোকানের মালিক ব্লগার জাদিদ কিনা। আর তা না হলে নিশ্চয়ই ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হবেন। কর্মচারীর কথাতেই পরিষ্কার।উনিই দোকানের সুনাম বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছেন। সেক্ষেত্রে আমরা আপনাকে এতো ভালোবাসি যখন তাহলে একদিন সবাই মিলে একটু বোবা হতে চাই।বোবার বিরিয়ানি খেলে বোবা হবে নাকি না খেলে বোবা হওয়া যায়?

দ্বিতীয়তঃ- আপনার ডায়েট কন্ট্রোলের পদ্ধতি শুনে দুঃখ পেলাম।আমরা এমনিতেই এমন খাই যে থালার উপর দিয়ে ঘোড়া লাফিয়ে গেলে আটকে যায়। সেখানে আপনাদের দুজনের বিরিয়ানির পরিমাণ দেখে হতাশ হলাম। এখন বুঝতে পারছি ‌কেন আপনার শরীরটা এতোটা শীর্ণকায় হয়ে গেছে।খেতে বসে আমার যে গোটা পাঁচেক বিরিয়ানি লাগে। এরকম এক দু প্লেট খেলে বাসায় ফিরে আমাকে আবার ভাত খেতে হয়। যাইহোক আপনি ফিগার মেন্টেন অব্যাহত রাখুন। তবে একটা আসন্ন ব্লগ ডেতে এমন হালকা পাকের খাবার সকলের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে আপনি মেনু হিসেবে রাখতেই পারেন।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১:১২

জাদিদ বলেছেন: আহা পদাতিক ভাই! আপনি প্রচন্ড সহজ সরল। এই দুটো দোকানের বয়স সম্ভবত আমার বয়সের চেয়েও বেশি। আমি আসলে এই দোকানে প্রচুর খেয়েছি। অনেককে নিয়ে ও খাইয়েছি। সেই কারনে ও এমনটা বলে আর কি।

আপনারা আসলে আমি বোবার বিরিয়ানী খাওয়াতে রাজি আছি। মজার ব্যাপার হলো, গত ব্লগ ডের অনুষ্ঠানে এই মোহাম্মদ পুরের এক বাবুর্চিই খানা রান্না করেছিলো। আমাদের নীল সাধু ভাই ঠিক করে দিয়েছিলেন।

ভাই, ডায়েটের ব্যাপারে তো বললামই - বাঙালির আবার ডায়েট কিসের?

১৩| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:০৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: ভোজন রসিকদের জন্য আপনার এ পোস্টটা "প্রিয়" তে তুলে রাখার মত পোস্ট। আমিও নামগুলো টুকে রাখলাম। মোহাম্মদপুর তো সচরাচর যাওয়া হয় না, তবে এর পরে যখনই যাই, অন্ততঃ দুই একটা আইটেম পরখ করে আসতে হবে।

আপনাদের দু'জনের কাছে খাদ্য যেমন উপাদেয় ছিল, পাঠক হিসেবে আমাদের কাছে আপনাদের দু'জনার মাঝে হাল্কা খুনসুটিটাও তেমনি উপভোগ্য হয়েছে।

ভূয়া ভাললাগার পর পোস্টে আসল ভাললাগা রেখে গেলাম! + +

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১:১৪

জাদিদ বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্যের জন্য। ক্যাম্পের বাজারের ভেতরে না যেতে পারলেও সেলিম কাবাব আশা করি খেতে সমস্যা হবে না। সেলিম কাবাব থেকে একটু দক্ষিন দিকে আগালেই দারুন একটা স্যুপ আর হালিমের দোকান আছে। মুন্না মামার হালিম। খুবই বিখ্যাত। অবশ্যই ট্রাই করবেন।

আপনার পছন্দ হয়েছে জেনে আনন্দিত। শুভেচ্ছা জানবেন।

১৪| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: ছোটবেলা থেকেই আমার ইচ্ছা পুরো বাংলাদেশের জনপ্রিয় খাবার গুলো খেয়ে দেখা। তাই যখন যেখানে যাই সেই জায়গায় খাবার গুলো খেতে ভুলি না। আমি ঢাকায় কোথায় কোনো খাবার পাওয়া যায় এবং খেতে ভালো হয় তা জানি।

রমজান মাসে বংশালের আল রাজ্জাক হোটেলে দুধের সেমাই বানায়। সেটা খেয়ে দেখবেন, অবশ্যই ভালো লাগবে।
মিরপুর বেনারসি পল্লীতে গেলে খেয়াল করে দেখবেন 'সালমান বিরানী ঘর' নামে একটা ছোট দোকান আছে, ওদের খাবার খুবই ভালো।
আমাদের বাসার কাছে বেলী রোড। একটু সামনে গেলেই ভিকারুন নেশা স্কুল। সেখানে বিকেলে থেকে রাত পর্যন্ত গরুর ভাঁজা পোড়া পাওয়া যায়। লুচি দিয়ে খেতে ভালৈ লাগে।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১:২১

জাদিদ বলেছেন: বাহ! তাহলে তো খুব ভালো। লিখে ফেলুন আপনার পছন্দের খাবারের জায়গাগুলোর নাম। সালমান বিরিয়ানি মানে সরিষার তেলের তেহারী সম্পর্কে ইতিবাচক অনেকেই বলেছেন। আর বেইলি রোডের যে কাবাবের দোকান আছে, সিদ্দেশ্বরী স্কুলের সামনে, সেটাও ভালো। তবে সবচেয়ে ভালো লাগে হক হোটেলের কাবাব আর রুটি। বেশ চমৎকার।

১৫| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৩৩

অপু তানভীর বলেছেন: না ঠিক ক্যাম্পের কাছে না । ওখানে আমার এক স্টুডেন্টের বাসা । আমার বাসা থেকে মিনিট পনের লাগে ।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:২৬

জাদিদ বলেছেন: ওহ! ঠিক আছে। নেক্সট টাইম গেলে জানাবো।

১৬| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৪২

ঢুকিচেপা বলেছেন: এবার ব্লগ ডে’র খাবার কি ঐখান থেকেই আসবে ?

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:২৭

জাদিদ বলেছেন: হা হা হা। দেখা যাক!!

১৭| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৫৭

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ‌এই মাত্র দাওয়াত খেয়ে এসে এসব দেখতে ইচ্ছে করে!!!!

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:২৯

জাদিদ বলেছেন: দাওয়াতে কি খেলেন??

১৮| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ২:৪৩

*আলবার্ট আইনস্টাইন* বলেছেন: এই মহামারীতে বাইরের পরিবেশ ও খাবারের ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিৎ। ইনফরমেটিভ পোস্ট।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৩০

জাদিদ বলেছেন: ধন্যবাদ সঠিক বলেছেন। তবে সব ছবিগুলো সাম্প্রতিক সময়ে তোলা নয়।

১৯| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ ভোর ৫:২৯

নেওয়াজ আলি বলেছেন: মোঃপুর নভোদা হাসপাতালের সাথেই থাকি।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৩১

জাদিদ বলেছেন: ওহ! ওকে। দেখা হবে ভাই।

২০| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ ভোর ৬:২২

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: আপনি যে একজন পাঁড় ভোজনরসিক তাতে কোনো সন্দেহ নেই ! =p~
দেশে গেলে আপনার পোস্টে দেয়া রসনালয়গুলোতে অবশ্যই ঢুঁ মারতে হবে। তখন আপনার কাছ থেকে ম্যাপ চেয়ে নিবো।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৩২

জাদিদ বলেছেন: হা হা হা। অবশ্যই। দেশে আসলে গাইড ও ম্যাপ দুটোই ফ্রি!!

২১| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৭:৫৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: বিদেশে বসে বাঙ্গালী সবচেয়ে বেশি মিস করে এইসব বিখ্যাত জায়গাসমুহের খাবার। প্রচন্ড হিংসা, যন্ত্রনা ও অনুতাপের সাথে এই জাতীয় পোস্ট সহ্য করা লাগে :|

অটঃ উর্দু বাতচিত কি লিয়ে ব্লগ এডমিনকো না পাকিস্তান পাঠায়ে দেয় সেই চিন্তায় আছি =p~

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৪৪

জাদিদ বলেছেন: জী। আসলে এটা কষ্টের অনুভুতি। এবার তো করোনাকালীন সময়ে ঘরে বসে বিদেশের অনুভুতি পেয়েছি।

অটঃ জানাব, মুঝে ইয়াকিন হ্যায় ইতনা বাড়া বিয়াকুফ আভি ইয়াপে নেহি আয়া। হা হা আমি শ্রেফ এটাকে ভাষা হিসাবেই দেখছি। আর জাদিদ একটি ব্যক্তিগত ব্লগ একাউন্ট। এটার সাথে ব্লগ টিমের কোন সম্পর্ক নেই। বার বার বলা স্বত্তেও যারা এই ব্যাপারটি মানতে পারেন না বা চাইছেন না - তারা খাঁটি সরিষার তেল মাখিয়ে মুড়ি খাক।

২২| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৫৩

নীল আকাশ বলেছেন: এইবার ঢাকায় আসি। আপনাকে মোহাম্মাদপুরে নিয়ে যাবো। হাতে টাইম নিয়ে যাবো। দেখি কত জায়গা আপনি আমাকে নিয়ে পারেন। হোস্ট আমি।
বিহারী পট্টীতে একসময় কলেজে থাকতে কলিজা সিঙ্গারা খেতে যেতাম। সেই স্বাদ আমি আজো পাইনি কোথাও।
নমানুশ ছাপা শেষ হলেও নিতে আসবো। দেখা হবে তখন । আগেই বলে রাখবো।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৩৪

জাদিদ বলেছেন: ঢাকায় এসে আপনি আমাকে খাওয়াবেন এ হবে না। আপনার দাওয়াত- আমি হোস্ট, এটা ফাইনাল। শুধু আসার আগে আপনি জানাবেন। আমি কোন কাজ রাখব না। ইনশাল্লাহ! ন মানুষের প্রথম কপিটা আমিই কিনব! আশা কই প্রিন্টিং ভালো হবে, দেখে হতাশ হতে হবে না।

২৩| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:১৭

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: জাদিদ ভাই, এই সব মোটেই ঠিক না !!! এসব একরকম নির্যাতন :P গরীবের জন্য।এত ভালো ভালো খাবার এবং তার ছবি < সব আপনি চেখে-খেয়ে হাপিশ করছেন আর আমরা শুধু চেয়ে চেয়ে দেখছি - তা কি ভাল বলেন?

কিছু দিয়ে-থুয়ে খেতে হয় ভাইজান।আর কাউকে খাওয়ানোতে অশেষ সওয়াব ও হাসিল হয় ।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:০৭

জাদিদ বলেছেন: আহা! আমার বাসায় আয়োজন হলেই না আপনাদের জন্য অবশ্যই রেখে দিতাম বা দাওয়াত দিতাম। এইগুলো তো বাইরের দোকানের খাবার। কখনও এই দিকে আসলে জানাবেন, আমিই অবশ্যই ট্রিট দিবো।

২৪| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:৩০

জ্যাকেল বলেছেন: এই সমস্যা কি শুধু আমার কম্পুটারে?

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:৩৫

জাদিদ বলেছেন: না, এটা মাঝে মাঝে আমারও হয়।

২৫| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:৩৫

জ্যাকেল বলেছেন: যা বলছিলাম যে আইডিয়াটা চ্রম বাট এইটা বাস্তবায়ন করতে গেলে রকেট/সুপাসনিক এয়ারপ্লেন দরকার আছে।খেয়াল করি সেইটাও রাখবেন।

২৬| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:৫৫

পুলক ঢালী বলেছেন: হা হা হা আপনার বর্ণনার গুণে খাবারের গন্ধ এসে নাকে ঝাঁপটা মারল, পরিচ্ছন্ন রম্য ব্লগিং এর একটি উদাহরণও বটে, পারলে নিয়মিত লিখুন জাদিদ ভাই :D
খেয়েছি বেশীক্ষণ হয়নি কিন্তু তবুও ক্ষুধা লেগে গেল মুশকিল হল গ্রীনহ্যরাল্ড ছাড়া আর কিছু চিনিনা, ওদেরকে বলেন লোকেশন গুগল ম্যাপে দিয়ে দিতে তাতে ওদের ব্যবসা বাড়বে আর গাইড হিসাবে আপনার বার বার খাওয়ার যন্ত্রণাও কমবে !!!! ;) :D =p~ =p~ =p~

২৭| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৪৩

সোহানী বলেছেন: আচ্ছা মাইনাস বাটনের জোর দাবী জানাচ্ছি....... X( .। এর কুনু মানে হয়। এমনিতেই বছরের পর বছর অভুক্ত, তার উপ্রে যদি ছবিসহ পোস্টাও তয় কই যাই X((

যা যা ঠিকানা দিলা তার সবগুলা না হইলেও কয়েকটাতে গেছি। তবে তুমি কলাবাগানের কাদেরর চাপ মনে হয় বলতে ভুলে গেছো। ইউনিতে পড়া আমরা গরীব দুক্ষীদের কাদের চাপ ছিল বিলাশিতা। মোহাম্মদপুরের চাইতে মিরপুর ছিল আমার এরিয়া। আমার বাহিনী নিয়ে বিহারী দোকানের বিভিন্ন চাপ আর লুচি ছিল প্রধান খাদ্য। আহ্ সেই সব দিন।

তবে কানাডায় যদি টাকার দিকে না তাকাও তাহলে বেশ কিছু ইন্ডিয়ান বাঙ্গালি রেস্টুরেন্ট আছে। অতটা ফাটাফাটি না হলেও খারাপ না। আমরা ছুটির দিনে ব্রেকফাস্টটা করি বিভিন্ন দোকানে। বেশ ভালো সার্ভ করে। দাড়াও একটা পোস্ট দিতে হবে নেক্সট।

২৮| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:১৫

এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: আমার বাসা থেকে বের হয়ে দুই বাড়ি পার হলে সলিমুল্লাহ রোড। রোডে উঠে বাম দিকে ৩০/৪০ গজ পরে সেলিমেরে কাবাব। খাইতে খাইতে মুখস্ত। বোবা আর কামালের বিরানী কত দূরে সেটা আপনি সহজেই আন্দাজ করতে পারেন। আমার দুই ছেলে নানা বাহানায় মায়ের রান্না করা খাবারের বিরোধিতা করে বোবা বা কামালের বিরানী খাবার জন্য। বাড়ির এত কাছে আসলেন টেরই পাইলাম না। মাঞ্জা মামার কথা না-ই কইলাম। টাউন হলের জান্নাত হোটেল আর টাউন হলের সামান্য পশ্চিমের নাদিম এর বিরানীও কম যায় না। টাউন হলের ইকবাল ক্যাটারিং ভালোই ব্যবসা চালাচ্ছে। চার/পাঁচ শ' জন দাওয়াত দিয়া ইকবালরে দায়িত্ব দিয়া নাকে সরিষার তেল দিয়া ঘুমাইতে পারেন। (সংবিধিবদ্ধ সতর্কিকরণ-দাম কিন্তু ভালোই নেবে) মোস্তাকিম এখন কেন যেন আর টানে না। পুরান ঢাকার পর মুঘল খাবারের জন্য মোহাম্মদপুর অতুলনীয়। এখন আবার ব্র্যন্ডের শাখাও আছে মোহাম্মদপুরে- হাজী, নান্না, কুটুমবাড়ী। তাজমহল রোড, নূরজাহান রোডে প্রতি তিন পা গেলে একটা করে রেস্টুরেন্ট। সলিমুল্লাহও পাল্লা দিচ্ছে আজকাল। মোহাম্মদপুরে স্বাগত জানাই।

২৯| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:১৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: কামালের বিরিয়ানি খেয়েছি। খুব ভালো লেগেছে। মোহাম্মদপুরে আরো কয়েকবার যেতে হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.