| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জাহিদুল ইসলাম শিমুল
ভাই আমি ঘোরতর আস্তিক । ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী । সবচেয়ে নিকৃষ্ট লেভেলের মুসলমান ! ভয়াবহ রকম ভাগ্যে বিশ্বাসী এক জন মানুষ ! মহান আল্লাহ্ তায়ালা পবিত্র গ্রন্থ আল কোরানে বলেছেন, “ আমি তোমাদের ভাগ্যকে তোমাদের গলায় হাড়ের মত ঝুলিয়ে দিয়েছি । “ আমি ভাই ভাগ্যে বিশ্বাস করি । এই পৃথিবীতে আমি যা কিছু পেয়েছি তার বেশির ভাগই পেয়েছি ভাগ্যে জোরে ! হুম সত্যি ভাগ্যের জোরে কোন রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী ? উঃ না ভাই ওইসব……. টাইম নাই ! আমি ভাই মুসলমান । একজন নিকৃষ্ট লেভেলের মুসলমান হিসাবেও গণতন্ত্রের উপর আমার আস্থা নাই , জীবনে কোন দিন ভোট দেয়ার ইচ্ছাও নাই ! না রে ভাই আমি জামাত শিবির না ! যেই দল ম্যাডামের শাড়ির তলায় আশ্রয় নিয়া ব্যাঙ এর ছাতার মত বড় হয় আর মুখে মুখে ইসলাম কপচায় তাদের ……….. টাইম আমার নাই !
১। নাম কি ?
উঃ জাহিদুল ইসলাম শিমুল
২। নামের অর্থ কি ?
উঃ জাহিদুল ইসলাম এর অর্থ “যে ইসলামের জন্য জিহাদ করে।“ না রে ভাই আমি মৌলবাদী বা উগ্রপন্থী না ! না আমার বাপ মাও না ! তবে কেন যে বাপ মায় এই নাম রাখল তা নিজেও জানি না ! আর “শিমুল” হইল ফুলের নাম ।
৩। নামের ইতিহাস বলেন ? দুনিয়াতে এৎ নাম থাকতে এই নাম ক্যালা ?
উঃ আমার জন্ম ১৯৯৪ সালের ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২ রা ফাল্গুন , রোজ সোমবার । জন্মাইছিলাম নানু বাড়িতে টাঙ্গাইলে । আমার জন্মের ১০ দিন পর আমার আব্বাজান আমাকে দেখতে যায় । তখন যোগাযোগ ব্যবস্থার এৎ উন্নতি হয় নাই যে একটা ফোন দিলেই খবর পৌঁছাইয়া যায় । আমার নানাজান আমার জন্মের খবর পাইয়া ঢাকা রওনা হলেন আমার আব্বাকে খবরটা দেয়ার জন্য । আব্বা খবর পেলেন কিন্ত হাতে এত টাকা নাই যে সবাইকে মিষ্টি বিলাইয়া খাওয়াবেন । তাই তার ১০ দিন লাগল টাঙ্গাইল পৌছাতে । হুম, মিষ্টি আর প্রথম সন্তানের জন্য কিছু কেনাকাটার টাকা জমাইতেই দেরী হয়ে গেল ।
যাক সে কথা, রাস্তায় আসার সময় আমার বাপ লক্ষ্য করলেন আশে পাশের সব শিমুল গাছে এত শিমুল ফুল ফুটছে যে আকাশটাকেও লাল রঙের মনে হচ্ছে । তাই তিনি মন স্থির করলেন ছেলের নাম রাখবেন শিমুল !
জাহিদুল ইসলাম নামটার পেছনে অবশ্য অন্য কারণ, আমি যখন মার পেটে ছিলাম মা নাকি স্বপ্নে অনেক আওলিয়াদের দেখতেন, জোব্বা পড়া পীর সাহেবদের দেখতেন । মার ধারণা ছিল আমিও ওইরকম কোন বুজুর্গ হব, তাই নাম রাখলেন “জাহিদুল ইসলাম” !
কিন্ত, আজ মনে হয় মা স্বপ্নে ভূল দেখছিল !
৪। আপনে কি আস্তিক না নাস্তিক ?
উঃ ভাই আমি ঘোরতর আস্তিক । ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী । সবচেয়ে নিকৃষ্ট লেভেলের মুসলমান !
ভয়াবহ রকম ভাগ্যে বিশ্বাসী এক জন মানুষ !
মহান আল্লাহ্ তায়ালা পবিত্র গ্রন্থ আল কোরানে বলেছেন, “ আমি তোমাদের ভাগ্যকে তোমাদের গলায় হাড়ের মত ঝুলিয়ে দিয়েছি । “
আমি ভাই ভাগ্যে বিশ্বাস করি । এই পৃথিবীতে আমি যা কিছু পেয়েছি তার বেশির ভাগই পেয়েছি ভাগ্যে জোরে ! হুম সত্যি ভাগ্যের জোরে !
৫। কোন রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী ?
উঃ না ভাই ওইসব……. টাইম নাই !
আমি ভাই মুসলমান । একজন নিকৃষ্ট লেভেলের মুসলমান হিসাবেও গণতন্ত্রের উপর আমার আস্থা নাই , জীবনে কোন দিন ভোট দেয়ার ইচ্ছাও নাই !
না রে ভাই আমি জামাত শিবির না ! যেই দল ম্যাডামের শাড়ির তলায় আশ্রয় নিয়া ব্যাঙ এর ছাতার মত বড় হয় আর মুখে মুখে ইসলাম কপচায় তাদের ……….. টাইম আমার নাই !
৬। লেখা পড়া কিছু করছেন ?
উঃ চেষ্টা করতেছি, কিন্ত পারব বইলা মনে হয় না !
৭। লেখা পড়া সংক্রান্ত অতীত ইতিহাস সম্পর্কে বলেন ?
উঃ খুব ছোট বেলায় আম্মা জোর কইরা কেজি স্কুলে ভর্তি করাইয়া দিছিল । স্কুলের নাম সেন্ট মেরিজ, ফার্মগেটে গীর্জার পাশেই ছিল স্কুলটা । ১ বছর সেখানে পইড়া চইলা আসলাম তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে । ১ম শ্রেণী থেকে ৬স্ট শ্রেণী পর্যন্ত সেখানে পড়ে চলে আসলাম ধানমন্ডি গভঃ বয়েজে, সেখানেও এক মজার ইতিহাস, আমার মা’র খুব ইচ্ছা আমি যেন ধানমন্ডি বয়েজে চান্স পাই । কিন্ত আমার কোন ইচ্ছা নাই । আমি আমার ল্যাংটা কালের বন্ধুদের ছাইড়া কোন ক্রমেই ধানমন্ডি বয়েজে পরিক্ষা দিতে যামু না । পড়ালেখা তো করিই না, অ্যাডমিট কার্ডটা নিয়া লুকাইয়া ফেললাম ফ্রীজের ভেতর !
আম্মা অ্যাডমিড কার্ড খুইজা না পাইয়া সেই রকম ডলা লাগাইল, ডলার চোটে ফ্রীজ থিকা অ্যাডমিট কার্ড বাইর হইল, সেই সাথে তেজগাঁও বয়েজের রেজাল্ট পাবলিশ হল, সম্মিলিত মেধায় 4th হইলাম শুইনা মনে হইল না লজ্জায় মাথা কাঁটা গেল । সব সময়ের ফার্স্ট বয় যদি 4th হয় তাইলে কেমনে কি ??
ধানমন্ডি বয়েজে চান্স পাওয়া লাগবেই, কিন্ত সময় তো শেষ । কিছু তো পড়ি নাই চান্স কেমনে পাবো !
আল্লাহর উপর ভরসা কইরা পরিক্ষা দিলাম, ক্লাস সেভেনে মোট ৩৫ জন নিছিল, আমি ছিলাম সেই অভাগা ৩৫তম !!
আমি মনে করি আমি জীবনে অনেক ভাল ভাগ্য নিয়ে জন্মাইছি ।
< শুধু এই ঘটনা না জীবনের অনেক ক্ষেত্রে জাস্ট ভাগ্যের জোরে আমি বেচে গেছি ! >
যাই হোক সময় গেল SSC পাশ করলাম !
< রেজাল্ট শুনা লাগব ?? GPA-5 পাইছিলাম খুশি হইচেন? এইবার শুনেন গুল্ডেন পাই নাই, অ্যাঁয় হায় মুখ কালা করলেন ক্যান ? খালি English এ পাই নাই গুরু
>
যাই হোক পাশ করার পর কলেজে ভর্তি নিয়া হুড়াহুড়ি, নিজেকে খুব মেধাবী ছাত্র মনে করতাম তখন । ভাবছিলাম নটর ডেমে হইয়া যাব
তাই, আর বেশি কলেজ থিকা ফর্ম টর্ম তুলতে মন চায় না। আদমজী কলেজের ফর্ম তোলার লাস্ট দিন , মা জোর কইরা ঘুম থিকা ডাইকা তুইলা ফর্ম কিনতে পাঠাইল । ( নিতান্ত অনিচ্ছা সত্যেও
আমি তো তখন নিজেকে ভাল ছাত্র মনে করি!! )
নটডেমের রেজাল্ট দিল নিজের নাম খানা হারিকেন দিয়াও খুইজা পাইলাম না । না, ডি আর এম সি তেও নাম নাই, নাহ ডি সি তেও নাই, না ডি সি সি তেও নাই, রাইফেলস পাবলিকেও নাই !
নাম আছে খালি আদমজীতে তাও লাস্টের আগের সিরিয়ালে !
জীবনে দ্বিতীয়বারের মত আমার ভাগ্যের পরিচয় পেলাম । মা এর ঠ্যালায় যদি না সেদিন ফর্ম তুলতে যাইতাম তাইলে কি হইত ??
( হুম! আমি নিজেকে অনেক বেশি ভাগ্যবান মনে করি, আর মা’র কথা নাই বললাম J ! মা অনেক কিছুই বুঝে যা আমি বুঝি না ! গায়ে পায়ে অনেক বড় হইছি কিন্ত বুদ্ধিতে মা’র সমান কোন দিন হইতে পারব না ! )
শেষ হইল আদমজী কলেজের অধ্যায় !
( ও আইচ্ছা রেজাল্ট শুনবেন ?? কেন সবাই যা পায় আমিও পাইলাম পাইপ সরি GPA 5 ! কি জিগান গুল্ডেন নাকি ?? ওই মিয়া মাথায় কি গ্যাস্ট্রিক আছেনি আপনার ? আমি পাইমু গুল্ডেন ! ৩ বিষয়ে ছুইটা কোন মতে জি পি এ ফাইভ ! হুম, এইখানেও আমার ভাগ্য ! বাপ মারে কেও রেজাল্ট জিগাইলে তারা বলত জি পি এ ফাইভ ! গুল্ডেন না ? এই প্রশ্নের উত্তরে তারা বলতেন না ! ঐপাশ থেকে তারা বলত না ঠিক আছে HSC তে গোল্ডেন পাওয়া একটু কঠিন
বাপ মারে বেইজ্জতি থিকা বাচাইছে আমার ভাগ্য !
স্বীকার করতে আপত্তি নাই আমি যে পড়ালেখা করছি তাতে পাশ ছাড়া অন্য কিছু আশা করা দুরূহ ব্যপার ! )
এইচ এস সি খতম কইরা ভর্তি হইলাম বাশ বাগানে দুঃখিত উদ্ভাসে !
খুব ভাল, ৯০০০ টাকা জলে ফালাইলাম আর কি !
মনে আছে ধানমন্ডি বয়েজের ভর্তি পরিক্ষার আগের কথা , তখন যেমন পড়ালেখা করি নাই তেমনি ভার্সিটি ভর্তি পরিক্ষার আগেও কিছু পড়ি নাই। অবস্থা বেগতিক দেইখা দিদার ভাইয়ের সাথে কন্টাক কইরা ২ জন ঢাকা ভার্সিটির ২ জন বড় ভাইয়ের কাছে পড়া শুরু করলাম ঢাবির ভর্তি পরিক্ষার মাত্র ১ মাস আগে ।
( ও আচ্ছা দিদার ভাই হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজির স্টুডেন্ট ! পৃথিবীতে যত দিন বাঁচব দিদার ভাইয়ের নাম আমি কোন দিন ভুলব না ! মানুষ বটে !! )
ঢাবির পরিক্ষা শেষ, জাহাঙ্গিরনগর শেষ !
নারে ভাই চান্স পাই নাই L
মাওলানা ভাসানিতে পরিক্ষা দিতে গেলাম আমি আর সিয়াম নামের এক বন্ধু । বাস থেকে নামার পরই MBSTU এর এক বড় ভাইয়ের সাথে দেখা । ভাই নিজেই আমাদের বলল ভার্সিটিতে উনারা থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন পরীক্ষার্থীদের জন্য । বড় ভাইয়ের দাওয়াত গ্রহন করলাম, অনেক আদর যত্ন করলেন উনারা । সত্যি বড় ভাইদের আতিথেয়তা আমাকে মুগ্ধ করল । তবে রাতে যেখানে ঘুমালাম সেখানে যে পরিমাণ মশার কামড় খাইছি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না । কোন রকমে রাত পার করে পরিক্ষা দিয়েই ঢাকায় রওনা দিলাম, ২-৩ দিন পরেই সাস্টে ভর্তি পরিক্ষা , বন্ধু সিয়ামের এক আত্মীয়ের বাসায় থাকব, তাই পর দিনই রওনা দিতে হবে, টিকেট কাটা শেষ । পর দিন সকালে ঘুম ভাঙল, ব্যাগ রেডি করাই ছিল। তবে বাপ বলল তোর আর সাস্টে যাওয়ার দরকার নাই, চান্স তো পাবিই না খামোখা কষ্ট কইরা লাভ নাই। এদিকে সিয়াম আর সিয়ামের মা মিরপুর থেকে রওনা হয়ে গেছে আমাকে বের হইতে বলতেছে । আম্মু ফোন ধইরা বলল আমাকে আব্বু পরিক্ষা দিতে যাইতে দিব না ![]()
এদিকে আমার মাথায় কুবুদ্ধি খেলতাছে, পরিক্ষা আবার কি ? সিলেটে ঘুরতে যামু , বন্ধুর আত্মীয়ের বাসায় থাকমু, পুরাই ফাও ট্রিপ ! কে মিস করতে চায় ??
বাসায় চিল্লা পাল্লা কইরা আম্মুর থেকে টাকা নিয়া বাইর হইলাম। সিলেট আসার পর শুনলাম মাওলানা ভাসানীতে চান্স হইছে ! ওমা ! সাস্টে পরিক্ষা দিয়া আসলাম !
পরিক্ষার হলে এক মজার কাহিনী বাপের নামের জায়গায় মার নাম আর মার নামের জায়গায় বাপের নাম লেইখা ফালাইলাম ! বিরাট ক্যাচাল স্যার আগেই কইয়া রাখছে কেউ কোন ভুল করলে তা শুধরানোর কোন উপায় নাই, যাই হোক আমি তো খুশিই ! সিলেট ঘুরতে আইছিলাম হইচে পরিক্ষার আবার কি দরকার ! বলছি না আমি অনেক ভাগ্যবান ! আমার রুমে অনেকেই পরিক্ষা দিতে আসে নাই, তাদের ১ টা খাতা অনেক্ষন বাদে আমাকে দেয়া হল ! উক্ত খাতায় আমি পরিক্ষা দিলাম !
তার পরদিন রওনা হলাম ঢাকার উদ্দেশে , বাস যখন ঢাকার কাছাকাছি খবর পাইলাম রেজাল্ট দিছে, ল্যাপটপ বাইর কইরা অনিচ্ছা সত্যেও নিজের রোলখানা দিলাম
< যে পুলা ঢাবির ডাইল ভাত( সাস্টের তুলনায় ) প্রশ্নে ৬-৭ হাজার হয় সে আবার সাস্টের রেজাল্ট চেক করে, লজ্জা সরম বইলাও ত একটা ব্যপার আছে তাই না ?? ![]()
ওমা ! ৪৭৭ ! ইহা কি ? বার কয়েক রিফ্রেশ দিলাম, আবার দিলাম, আবার দিলাম এবং আবার দিলাম !
নাহ !! উহা ৪৭৭ ই দেখাইতে লাগল !
অবশেষে শাবিপ্রবিই হল আমার শিক্ষা জীবনের শেষ ঠিকানা !
জীবাশ্ম জ্বালানি ও খনিকৌশল প্রকৌশল হল আমার বিষয় !
ইংরেজিতে Petroleum & Mining Engineering !
৮। ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে কিছু বলেন ?
উঃ আমি একটা লওয়ার মিডেল ক্লাস ফ্যামিলির ছেলে । মা , বাবা, আমি আর ছোট বোন এই হল পরিবার ! মা বাবা দুই দিক থিকাই পরিবারের বড় ছেলে । বংশের প্রথম হবু ইঞ্জিনিয়ার । বড় ছেলে হিসেবে নিজেকে যথেষ্ট দায়িত্তবান মনে করি । উপযুক্ত সিদ্ধান্তও নিতে পারি বলে করি । প্রয়োজনে মুডও মারতে পারি, ঝারি দিয়া মানুষরে কান্দাইয়াও ফেলতে পারি ।
বংশের বড় ছেলে হিসেবে নিজেকে মাঝে মাঝে খুব ক্ষমতাবান মনে হয়, কাজিনরা কেমন করে যেন তাকায় । আমার কথা শুনতে ভাল না লাগলেও হাসি হাসি মুখ নিয়ে কথা হজম করে । আমি ব্যপারটা বুইঝাও না বুঝার ভান কইরা উপদেশ দিতে থাকি । খালি আমার ছোট বোনটাই আমারে ধইরা ধইরা মারে । আমার নাকের ঠিক ডান দিকে একটা খামচির দাগ আছে, ওইটা আমার বোনই দিছিল !
বিগত চার বছর ধইরা ইন এ রেলেশনশিপ ! যার সাথে রিলেশন সে মেয়ে হিসেবে ভাল । Understanding Level ভাল । আশা করি কয়েক বছরের মধ্যেই বিয়ে থা করে ফেলব
শুভ কাজে দেরী করার মানে হয় না !
এইটুকুই………………..
৯। শৈশব কৈশোর সম্পর্কে বলেন ?
উঃ শৈশব কাটে ঢাকার তেজকুনিপাড়ায়, আজ অবধি সেখানেই আছি । এই এলাকাটাকে মন দিয়ে ভালবাসি। অভাব অনটনের মধ্যে বড় হইছি, জীবনে Struggle করা শিখছি ! বাপ মা কে দেখে শিখছি কিভাবে বিপদে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হয় , বাপের কাছ থেকে মুড মারা শিখছি, মা’র কাছ থেকে ঝারি মারা শিখছি ! শত অভাবের মাঝেও মুখে কিভাবে হাসি ধরে রাখতে হয় সেটা শিখছি মা বাবা দুজনের কাছ থেকেই ।
বাড়াবাড়ি রকমের দুষ্ট ছিলাম ছোট বেলায় ! আম্মা বলে আমি নাকি পেটের ভেতর থিকাই জ্বালাই !
কি জানি আমি জানি না !
কৈশোর সম্পর্কে কিছু বলার নাই ! প্রেম দিয়াই কৈশোরের শুরু……………
আজো প্রেম করি সেই একি মানুষের সাথে ![]()
নাহ! বোর ফীল করি না !
১০। নিজেরে আপনে কি ভাবেন ?
উঃ এক কথায় মানুষ ভাবি !
১১। সেলিব্রেটি ভাবেন না ? ভাব সাব দেইখা তো তাই মনে হয় ?
উঃ হুম সেলিব্রেটিই ভাবি । ঠিক ধরচেন ! শাহরুখ খান পৃথিবীতে একটাই আছে, জাহিদুল ইসলাম শিমুলও পৃথিবীতে একটা ! আমার মত ব্রেইন, আমার মত চেহারা সুরতের একটা পোলা পারলে আইনা দেখান । পারবেন না !
১২। নিজেরে কি খুব বুদ্ধিমান ভাবেন ?
উঃ অবশ্যই ভাবি ! কিন্ত বুঝাই না ! যেমন ধরেন কিছুদিন আগে আমার ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক হইল, আমি প্রথমে বুঝলাম না কে এই কাজটা করছে। ক্লু নিয়া সামনে আগাইলাম, তাকে হাতে নাতে ধরলাম কিন্ত মুখে আমি কিছুই বললাম না ! কারণ আমি মনে করি ছোট খাট বিষয় নিয়ে বন্ধুর সাথে ক্যাচালের কি দরকার ??
পৃথিবীতে বন্ধুই সব চেয়ে বড় শত্রু! আশল বন্ধু হল বাপ মা !
বন্ধু হইল নকশা আর সার্কাস ! এগুলারে বন্ধুত্ত বলে না !
তবে কিছু বন্ধু আছে যারা সত্যিকারই বন্ধু !
১৩। নিজের সম্পর্কে কিছু বলেন ?
উঃ
মানুষ হিসেবে নিজেকে ভাল মনে করি ।
মানুষ হিসেবে অন্য মানুষকে খুব সহজেই বিশ্বাস করি । এটা আমার দুর্বল দিকগুলার একটা
মা বাবা বোন আর হবু বউকে প্রানের চেয়ে বেশি ভালবাসি ।
নিজেকে খুব ভাগ্যবান মানুষ মনে করি
নিজের সব কিছুকে , সব চিন্তা আল্লাহর কাছে দিয়ে দেই, আমি বিশ্বাস করি একটা গাছের পাতাও যখন আল্লাহর ইশারা ছাড়া নরতে পারে না সেইখানে আমি কে যে নিজের ভাগ্যকে বা ভবিষ্যৎকে নিয়ন্ত্রন করব ? বর্তমান টাই আমার কাছে আশল । আমি চিন্তা করে কি করব যেখানে স্বয়ং ঈশ্বর আমার ভাগ্যকে আমার গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছেন ?
ক্লিয়ার কাট কথা বলতে পছন্দ করি
নিজেকে একজন বিতার্কিক হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি ।
নিজেকে যুক্তিবাদী মানুষ হিসেবে মনে করি । যুক্তিকে সম্মান করি । তবে, কিছু মানুষের সাথে কখনোই যুক্তি দিয়ে কথা বলতে ভাল লাগে না
পৃথিবীতে ২ মানুষের কাছে আমার যুক্তিগুলা ২ পয়সার দামও পায় না, তারা হল আমার মা আর আমার বউ ! ![]()
সব সময় টেনশন ফ্রী থাকি !! তাই, শরীরে প্রচুর চর্বি থাকলেও হার্টের অবস্থা ভাল ।
কারণে আকারনে হাসি ! কারণ ছাড়াই হাসি, কারণ থাকলেও হাসি !
প্রচুর গালাগালি করি < আমি জানি আমার কিছু কাছের বন্ধুরাও এই কারণে আমার প্রতি ক্ষিপ্ত, কিন্ত কিছু করার নাই, গালি না দিলে ভাত হজম হয় না যে…………. >
আমার ব্যক্তিগত ব্যপারে অন্যকারো নাক গলানো এক দম পছন্দ করি না, অনধিকার চর্চা আমার অপছন্দ আর সেটা যদি বাইরের কোন মানুষ হয় তাহলে তো মাথায় রক্ত উঠে যায় ।
মানুষের কাছ থেকে উপদেশ নিতে পছন্দ করি কিন্ত শেষমেশ সিদ্ধান্তটা আমি নিজেই নেই ।
অল্পতে রেগে যাই, আবার রাগও পরে যায় খুব সহজে
উচ্চাকাঙ্ক্ষা বলে কোন কিছু আমার জীবনে নাই ! ২ বেলা ডাল ভাত, সাথে আমার মা বোন বউয়ের একটা মিষ্টি হাসি আমার পেট ভরানোর জন্য যথেষ্ট ।
১৪। ভবিষ্যৎ ইচ্ছা কি ?
উঃ বললাম না যে আমি আমার কোন ইচ্ছা নাই, আমার ইচ্ছায় কিছু হবে না, সব হবে আল্লাহর ইচ্ছায় । ইঞ্জিনিয়ারিংটা যদি কোনমতে পাশ করতে পারি তাহলেই একটা ব্যবসায় ঢুকার ইচ্ছা । মহানবী বলে গিয়েছেন ব্যবসা হল হালাল উপার্জনের সব চেয়ে ভাল উপায় । আমি সেই উপায়টাই বেছে নিতে চাই ! আশা করি সৃস্টিকর্তার কাছ থেকে অবশ্যই সাহায্য পাব !
আপাতত ব্যবসার পুঁজি জমানোতে ব্যস্ত আছি ! কিসের ব্যবসা করব সেটাও জানি না , তবে ব্যবসা করব সেটাই আশল । কিসের ব্যবসা করব সেটাও আল্লাহ্ উপর ছেড়ে দিয়েছি !
সেটা চাল, ডাল, আলু , পটলও হতে পারে! আরে ভাই, গরিবের রক্ত চোষা বা ঘুষের টাকা খেয়ে কোটি টাকার খাটে শোয়া যায় কিন্ত শান্তির গুম ঘুমানো যায় না !
অনেকেই প্রশ্ন করে, তুই যেহেতু ব্যবসাই করবি তাহলে এত কষ্ট করে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তাছছ কেন ?
হুম, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তেছি বাপ মার ইচ্ছায় ! তারা চান আমি যেন ইঞ্জিনিয়ার হই আমি হব । যারা আমাকে এত কষ্ট করে জন্ম দিল , লালন পালন করল তাদের এই একটা ইচ্ছা আমি রাখব না ? এত বড় বেইমান আমি না !
১৫। জাতির উদ্দেশ্যে কিছু বলুন ?
উঃ কিছু বলার নাই ! যে যার মত চলুক ।
©somewhere in net ltd.