| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
megla mon
মাঝে মাঝে কোন একজনকে প্রয়োজন হয়, কেউ একজন যে তোমাকে হাসাবে যখন তোমার মন খারাপ থাকে, কেউ একজন যে তোমাকে বলবে যে তুমি সুন্দর, কেউ একজন যে তোমাকে প্রতিদিন দেখতে চাইবে, কেউ একজন যে তোমাকে প্রতি রাতে ফোন করবে, কেউ একজন যে তোমাকে বলবে সে তোমাকে সত্যিই কতোটা ভালবাসে, মাঝে মাঝে আসলেই কোন একজনকে ভীষণ প্রয়োজন হয়...:(
সচেতন ! ভাইয়াদের প্রতি, যারা মনে করেন নারীর পোষাক ই ধর্ষণের প্র্রধান কারন---কিছু qus ?
১) ২০ মাসের ১টা শিশু ২০ বছর বয়সি যুবকের কাছে কেন ধর্ষণ হয় ভাইয়া বলতে পারেন ?
২)৫ বছরের ১টা মেয়েকে কেন ধর্ষণ করা হয় ? বলতে পারেন ? সে ও কি পোষাকের কারনে !
৩) বোরখা পড়া মাদ্রাসার ছাত্রিদেরও রেহাই দেয়া হয় নাই !
৪) পাকিস্থানের এক কুত্তা কবর থেকে নারীদের লাশ তুলে ধর্ষণ করতো। সে ও কি পোষাকের কারনে ?
সবশেষে--আপন গৃহে বাবার কাছে মেয়ে, ভাইয়ের কাছে বোন কেন ধর্ষিতা হয় বলতে পারেন ?
আমি অশালীন পোশাক সমর্থন করিনা । কিন্তু এটাকে কুসংস্কৃতি বলা যায়, বড়জোর সামাজিক অনাচার । এটা কোন ক্রাইম নয় । কুসংস্কৃতিকে সচেতনতা আর নৈতিক শিক্ষা দিয়ে ডিফেন্ড করতে হবে । ধর্ষন বা ইভটিজিং করে নয় ।নোংরামি পোশাকে না; নোংরামি থাকে মনে। সেটা নারী-পুরুষ মানেনা। ধর্ম-অধর্ম মানেনা।
ইভটিজিং পোশাকের কারনে হয় না; বেশিরভাগ ইভটিজিংএ শিকার হয় মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেনীরা , উচ্চবিত্ত শ্রেনীরাই বেশিরভাগ অশালিন পোশাক পরে এবং তাদেরকে টিজ করার সাহস ইভটিজারদের হয়না।
আমি ধরে নিলাম একটি মেয়ে বাজে পোশাক পরেছে...এবং সে উশৃঙ্গল..এখন আমার প্রশ্ন হলো তাহলে কি আপনি নিজেও উশৃঙ্গল হবেন...আপনি নিজেকে বদ হিসেবে উপস্থিত করবেন..??
প্রবাদ আছে ...কুকুরের কাজ কুকুর করেছে কামড় দিয়েছে পা'য় , তাই বলে কি কুকুরের গায়ে মানুষের কামড়ানো শোভা পায়..???
যারা পোষাকের ব্যাপারটা দেখেন তাদেরকে চিড়িয়াখানার খাচায় আটকানো হোক। সিংহ মানুষ দেখলেই কামড়াবে , এই কারনে মানুষকে খাচায় ভরা হয় নাই। সিংহ কে করা হইসে। তাদের লজিক অনুযায়ী ডাকাতের থাকার কথা বাইরে আর যার বাড়ি ডাকাতি হইসে তারে জেলের ভিতর ঢুকাতে হবে কারন তার এত পয়সা ছিল কেন? এই কারনেই তো ডাকাত ডাকাতি করসে। ধর্ষঙ্কারীদের কে বাইরে রাখতে হবে কারন মেয়ে মানুষ ধর্ষন যোগ্য বলে ধর্ষিত হইসে তাহলে ধর্ষঙ্কারির দোষ হবে কেন?
যারা শুধু পোশাকের উপর দোষ দিতে চায় ধর্মের দোহাই দিয়ে, তাদের বলি, ধর্মে আমাদের পুরুষদের দৃষ্টি সংযত করতে বলা হয়েছে। যা করলে অশ্লীল পোশাক তোর দূরের কথা, পোশাক ছাড়া দেখলেও টিজিং করার কথা না। কারন ধর্ম মানলে তো দৃষ্টি সংযত করেই চলার কথা ছেলেদের
![]()
২|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:০০
megla mon বলেছেন: ধন্যবাদ....
৩|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:০৪
গ্রাম্যবালিকা বলেছেন: ধর্ষকের ফাঁসি দেয়া হোক।
নো আদার অপশন।
দুই একটা ফাঁসি কার্যকর হলেই ধর্ষকদের সাপোর্টে যে শয়তানগুলা কথা বলে সবগুলাই সোজা হয়ে যেত।
৪|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১৫
megla mon বলেছেন: একমত ...ফাঁসি দেয়া হোক।
( নো আদার অপশন।
৫|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৩২
সুস্মিতা শ্যামা বলেছেন: খুবই একটা সময়োপযোগী একটা লেখা। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ইস্যুগুলো তুলে আনার জন্য।
৬|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৩৫
megla mon বলেছেন: আপনাকে ও অনেক ধন্যবাদ ...
৭|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৩৬
খেক খেক বলেছেন: একমত
৮|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৩৮
megla mon বলেছেন: ধন্যবাদ ...
৯|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৪১
নাজিয়া জামান বলেছেন: ফেইসবুকে প্রায় সময় একটা পোস্ট আসে একটা মেয়ের ছবি তাতে ক্যাপশান এরকম যে “ ওই মাইয়া ওড়না গলায় না দিয়া বুকে দে কামে দিব “আবার অনেকে হিজাব পড়া বিভিন্ন মেয়ের ছবি দেয়, যেখানে বলা হচ্ছে যে যদি হিজাব পড়া হয় তবে ইভ টিজিং আর হবে না এবং ইভ টিজিং এর জন্য মেয়েদের প্রত্যক্ষ ভাবে দায়ী করা হচ্ছে ।
এই সব ক্ষেত্রে আমি সবিনয়ে বলতে চাই এই পর্যন্ত যত মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে তারা সবাই যে উত্তেজক পোশাক পড়া ছিল তা কিন্তু নয় । যেমন আদালত পাড়ায় তানিয়া নামের একটা ৪ বছরের মেয়ে রেপড হয়েছিল । তাকে দেখলে কোন উম্মাদগ্রস্থ অথবা বিকারগ্রস্থ পুরুষ উত্তেজিত হবেন সেটা প্রশ্নবিদ্ধ ব্যাপার এবং যেসব মেয়ে রেপড হয় তারা বেশীর ভাগই স্কুল পড়ুয়া বাচ্চা মেয়ে যারা খুব সাধারন স্কুল ড্রেস পড়ে স্কুলে যায় এবং কিছু বিকারগ্রস্থ পুরুষ আছে যারা মেয়েটিকে রেপ করে ।
বেশ কিছুদিন আগে পেপারে এ একটা বাচ্চা মেয়ের কথা এসেছিল যে মাত্র মাত্র ক্লাস ফোর অথবা ফাইভে পড়তো এবং বখাটেদের ভয়ে সামনের পুকুরে ঝাঁপ দেয়। মেয়েটি কি পুকুরে পড়ে মারা গিয়েছিল ? আমার মনে নেই । আজ যখন এই লেখা লিখছি এর মধ্যেই আর একটি ভয়াবহ লজ্জার একটা খবর দেখলাম । ক্লাস টেন এ পড়ুয়া একটা মেয়েকে নামকরা একটা স্কুলের কয়েকটি ছেলে মিলে গণ ধর্ষণ করেছে । কি ভয়াবহ লজ্জা আর বিপদের কথা । ছেলেগুলোর চেহারা দেখছিলাম । কি নিরীহ আর নির্দোষ চেহারা । বলার মত কি থাকে জানিনা ।
আর একটি কথা আমি সবিনয়ে মনে করিয়ে দিতে চাই যে যেসব মেয়েদের সংক্ষিপ্ত পোশাক নিয়ে মন্তব্য করা হয় তারা এই দেশের গুটিকয় মিডিয়ার অথবা উচ্চবিত্ত সমাজের অংশ মাত্র । তারা এই দেশের সমাজের নারীর প্রতিনিধিত্ব করে না । হালিমা, সালিমা, রিনা নামক সাধারণ মেয়েরাই এদেশের মেয়েদের প্রতিনিধিত্ব করে যাদের আসলে বিলাসী হওয়ার মত যথেষ্ট কাপড় চোপড় থাকে না । একটি অথবা দুটি শাড়ী অথবা জামা কাপড় দিয়ে তাদের কোনোরকমে দিন চলে যায়।আমরা যখন এমবিএ পড়ি তখন হিউম্যান রিসোর্স এর একজন স্যার একদিন ক্লাস এ বলেছিলেন, দেখ বাংলাদেশের মেয়েরা অনেক রক্ষণশীল, অনেক শালীন আর ভদ্র ড্রেস পড়ে তাছাড়া এখানকার মানুষ খুব ধার্মিক। কিন্তু একটা মেয়ে কি রাত একটা বাজে একাকী ঘর থেকে বের হতে পারবে? মোটেই নয় । কিন্তু ইউরোপ আমেরিকায় তো মেয়েরা রাত তিনটা বাজেও গ্যাঞ্জি হাফপ্যান্ট পড়ে বের হতে পারে । সে তো বিপদমুক্ত । তাহলে এই যে ধর্মীয় মূল্যবোধ এটা কেন রক্ষা করতে পারছে না । আসলে মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখতে হবে । সে নারীই হোক কিংবা পুরুষই হোক ।
১০|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৪৬
megla mon বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ..এই সব ক্ষেত্রে আমি সবিনয়ে বলতে চাই এই পর্যন্ত যত মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে তারা সবাই যে উত্তেজক পোশাক পড়া ছিল তা কিন্তু নয় ।
পাকিস্থানের এক কুত্তা কবর থেকে নারীদের লাশ তুলে ধর্ষণ করতো। সে ও কি পোষাকের কারনে ?
১১|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:২০
রাতজাগাপাখি বলেছেন: গ্রাম্যবালিকা বলেছেন: ধর্ষকের ফাঁসি দেয়া হোক। নো আদার অপশন।
দুই একটা ফাঁসি কার্যকর হলেই ধর্ষকদের সাপোর্টে যে শয়তানগুলা কথা বলে সবগুলাই সোজা হয়ে যেত।
একমত।
১২|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:১৩
বিকারগ্রস্থ মস্তিস্ক বলেছেন:
যারা শুধু পোশাকের উপর দোষ দিতে চায় ধর্মের দোহাই দিয়ে, তাদের বলি, ধর্মে আমাদের পুরুষদের দৃষ্টি সংযত করতে বলা হয়েছে। যা করলে অশ্লীল পোশাক তোর দূরের কথা, পোশাক ছাড়া দেখলেও টিজিং করার কথা না। কারন ধর্ম মানলে তো দৃষ্টি সংযত করেই চলার কথা ছেলেদের
দুঃখিত আফা আপনের এই কথাটার সাথে একটু যোগ করলে আপত্তি থাকতো না - ধর্ম উভয় মানলে ধর্ষন হতো না (ধর্ম মানেই বোরখা তা কিন্তু না তবে শ্লালীন )
আর ধর্ষনের মূল কারন আমার কাছে মনে হয় সমাজের উদাসীনতা রাষ্ট্রের দুর্বল শাস্তি ব্যাবস্থা -- যদি ৩০ দিনের মধ্যে ফাসিঁ দিতে পারে জনগনকে জানিয়ে মানে মিডিয়ায় ঢালাও প্রচার এই আপকর্মের ফলে ৩০ দিনের মাথে ফাসিঁ দেওয়া হলো - আর নূন্যতম শাস্তি মৃত্যুদন্ড -
বেশি না ৩০-৪০ জন কে ফাসিঁ দেওয়া হোক না তাহলে দেখবেন ধর্ষন শূন্যের দিগে ধাবিত হবে !!
১৩|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:১৯
মোঃ জুম্মা বলেছেন: যথার্থ প্রশ্ন। এর উত্তর বড্ড কঠিন ।
১৪|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:০৭
অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: ++++++++++++++++ ভালো লিখেছেন ।
ধর্ষকদের জন্য একটাই আইন চাই , ৯০ দিন নয় এক সপ্তাহের মধ্যে ফাঁসী চাই । যাবজ্জীবন কিংবা জরিমানা নয় । কোন প্রকার ক্ষমা / বিশেষ ক্ষমা / সাধারণ ক্ষমা নয়।
ভালো থাকবেন ।
১৫|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৩
megla mon বলেছেন: ধর্ম উভয় মানলে ধর্ষন হতো না (ধর্ম মানেই বোরখা তা কিন্তু না তবে শ্লালীন ) !
আপনি কি ২০ মাসের ১টা শিশুকে ধর্ম মানতে বলেন ? বিকারগ্রস্থ মস্তিস্ক ?
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৪
নীড় ~ বলেছেন: একমত