| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রমাণিত অপরাধীর মৃত্যু চাই। কিন্তু দুঃখ লাগলো আজকে কিছু গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের কথা শুনে। তারা বললেন যে দেশে মৃত্যুদণ্ড আছে বলে তারা মৃত্যুদণ্ডের রায় না পেয়ে খুবই হতাশ, যদি মৃত্যুদণ্ড না থাকতো তবে তাদের আপত্তি ছিল না। মানুষের বিবেক কোন জায়গায়? দেশের কত মানুষ, নারীকে হত্যা করেছে, অকথ্য নির্যাতন চালিয়েছে। আর দেশে মৃত্যুদণ্ড না থাকলে এই রায়ের বিরুদ্ধে তাদের নাকি আপত্তি ছিল না। দেশে মৃত্যুদণ্ড না থাকলেও আমি তাদের ফাঁসির আদেশ-ই চাইতাম এবং চাইছি। তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার মাধ্যমেই প্রকৃত মানবতা রক্ষা পাবে। যে মানবতা একজন অপরাধীকে সংশোধনের সুযোগ দানের মাধ্যমে এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবন ভবিষ্যত ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয় সেই মানবতার কোন দরকার নেই। কয়জন মানুষকে হত্যা করলে পরে একজন অপরাধীর ফাঁসি দেয়া যায়?
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৩৫
জালাল উদ্দিন ফরিদী বলেছেন: আপনার ধারণা ঠিক হতে পারে আবার ভুলও হতে পারে। তবে তরুণ ভোটাররা গতবার ভোটের ফলে প্রভাব রেখেছিল। এবারো তরুণ ভোটার বেশি। কারণ, বয়স্করাতো আবার নতুন করে ভোটার হতে পারবেন না। তাই তরুণদের একটা সূতোয় গাঁথা চাই। তাদেরকে চিন্তাকে একটা কাঙ্ক্ষিত দিকমুখী করা দরকার। সুযোগ কাজে লাগানোর এটা একটা সময়। কারোর এখন সময় হবে বিশ্বজিৎকে নিয়ে ভাববার, টেন্ডারবাজদের নিয়ে ভাববার, সন্ত্রাসীদের নিয়ে ভাববার? প্রায়ই সব রাজনৈতিক দল আমাদের (অধিকাংশ) নিয়ে খেলা করে। আমাদের যা হয় হোক তাদের তো ক্ষতি কম বা একেবারে নেই। তাদের বিদেশে আশ্রয় আছে, অর্থ আছে আর আছে নিরাপত্তা।
২|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১৪
জালাল উদ্দিন ফরিদী বলেছেন: মনে হচ্ছে ভোটের রাজনীতি শুরু হয়েছে ভালো মতই। অবাক হতে হতে কবে জ্ঞান না হারাতে হয়। ব্লগের সমুদ্রে সুনামি হোক আর ফেসবুক-এর ফেস বিক্ষোভে ফেটে পড়ুক পলিটিসিয়ান তার দাবার চাল নিয়ে ব্যস্ত। পলিটিসিয়ান স্মিতহাস্যে দেখে শুনে চাল দিতে চান যেন রাজা নিরাপদ থাকে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৫৬
এম . এম ওবায়দুর রহমান বলেছেন: কয়েক দিন আগে ট্রাইবুনালের ১ এর বিচারক এর স্কাইপ স্ক্যাণ্ডাল নিয়ে মাহমুদুর রহমানের পত্রিকা আমার দেশ রিপোট করেছিল। সরকার গ্যাছে পাগল হইয়া.....! নামের সেই প্রতিবেদন গুলি পড়ে ছিলাম।
সেখান থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিলো বিচারটা প্রহশন মাত্র। জাষ্টিস নয় বরং কোন মহলকে খুশি করাই যেন সরকারের কাজ। আমার দেশ যখন রিপোর্ট করলো তখন দেশের আতেল, মোসা সাহেব, গ্রহপালিত বুদ্ধিজীবীরা দেশ গেল দেশ গেল রব উঠিয়ে দিচ্ছিলো। ট্রাইবুন্যাল তখন মসজিত মন্দিরের মত ব্যাপার ছিল। আর বিচারক রা ছিলো তখন ঈশ্বর প্রদত্ত ফেরেস্তা।
টকশোতে ছিল আমার দেশের গুষ্টি উদ্ভার করার মিছিল।
কিন্তু হায় সেই ফেরেস্তা তুল্য বিচারকদের এখন বলা হচ্ছে রাজারকার!!
হায় নিয়তি ! বেচারা বিচারকদের এখন কুল রাখি না শ্যাম রাখি অবস্থা। এখন হয়ত পদত্যাগি বিচারক মনে শান্তি পাচ্ছেন।
আমার মনে হচ্ছে এই রায় এবং শাহবাগের মিটিং সবি সরকারের সাজানো।
সরকার নাটক করছে। তারা রাজাকারদের ফাসি নয় বরং রাজাকারদের গুটি বানিয়ে খেলতে চাইছেন। কথিত আন্তজাতিক ট্রাইবুনাল যে কতটা আন্তজাতিক এই রায়ে তা প্রমাণ হয়েছে।
দুঃখ আমজনতার জন্য তারা না বুঝেই শাহবাগে গিয়ে সরকারের অসৎ উদ্দেশ্যে শিকার হচ্ছে।
কামরুল বলছে জনতা আগে জাগলে নাকি রায় অন্য রকম হতে পারতো!!
কামরুলকে প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করছে বটতলার উকিল তুমি কি জানোনা বিচারক নথি আর স্বাক্ষি দেখে রায় দেয়। মিছিল দেখে নয়।