নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

জুল ভার্ন

সামু, আমার প্রিয় সামু-প্রত্যাশা পুরণে ব্যার্থতার ভারে নূহ্য! বর্তমান সামু কোনো দিন প্রত্যাশিত ছিলনা-তাই আপাতত সামু চর্চা বন্ধ। আপাতত সামু নষ্টদের দখলেই থাকুক। যদি মডারেটর চান-তাহলেই সামু আবার ফিরে আসবে স্বমহিমায়, ফিরে আসবো আমিও অনেকের মতই। ভালো থেকো প্রিয় বন্ধুরা। সকলের জন্য শুভ শুভ কামনা। * প্রানবন্ত কল্পনাশক্তির প্রয়োগে স্বচ্ছ ভাবনা আর বাস্তবতার মিশেলে মানুষ ক্রমশই সংকীর্ণ আর ক্ষুদ্র গন্ডিতে আবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।সব কিছু ছোট হয়ে যাচ্ছে, ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের চিন্তা শক্তি-ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের মন। আসুন পারস্পরিক মূল্যবোধ বিনিময়ে নিজ নিজ ভুল্গুলো শুধরে নিয়ে নিজেকে বিকশিত করি।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

লকডাউন এবং মসজিদের নামাজ------

১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১:৪১

গত শুক্রবার বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদে দেখলাম পাড়া মহল্লার বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিরা ভিড় জমান। অনেকেই মসজিদের ভেতর প্রবেশ করেন এবং জুম্মার নামাজ আদায় করেন। বেশি লোকের ভিড় দেখে কোনো কোনো মসজিদের গেট বন্ধ করে দেয়া হয়। তারপর লোকজন ফিরে আসে এবং ফিরে আসার সময় তারা আবার মহল্লার গলিতে দাঁড়িয়ে গল্প করেন। এই লোকদের কাফেলায় কিছু তরুণ ও কিশোরদের দেখা যায়। তাদের মূল উদ্দেশ্য নামাজ নয়, নামাজের দোহাই দিয়ে ঘর থেকে বের হওয়া।

গত ৬ এপ্রিল সরকার খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ নামাজে অনধিক ২০ জন মুসল্লি শরিক হতে পারবেন বলে বিজ্ঞপ্তি জারী করেন। এই সংখ্যা জানার পরও লোকজন জুম্মার নামাজের জন্য মসজিদে ভিড় করেন। জামাতে লোক নির্ধারণের এ ঘোষণার পর সামাজিক মাধ্যমে দেখা যায় কিছু মানুষ ছাদে যেয়ে জামাতে নামাজ পড়ছেন যার নিচে ক্যাপশন লিখেছে-‘ সরকার বন্ধ করেছে তো কি হয়েছে আমরা জামাত বন্ধ করবে না’। এর আগে দেখা গেছে বিভিন্ন ভাবে গণ জমায়েত করে ওয়াজ মাহফিল আর বয়ান চলছে যেখানে বলা হয়েছে- ‘সৌদি আরব বন্ধ করেছে তো কি হয়েছে আমরা করবো না’। কোনো কোনো জমায়েতে এমনও বলা হয়েছে যে, ‘যারা এই জামাতে যোগ দিয়েছেন তারা করোনা মুক্ত। তাদের করোনা ধরতে পারবে না’। কিছু জায়গায় ওয়াজ ও জমায়েতে বলা হয়েছে-‘ বাংলাদেশে কোনদিন করোনা আসবে না। ওটা শুধুমাত্র বিধর্মীদের জন্য’।
ধর্মকে নানাভাবে ব্যবহার করে, মনগড়া ফতোয়া আর বয়ানে এদেশের সাধারণ মানুষের বোধবুদ্ধিকে বিভ্রান্ত ও মিথ্যায় আচ্ছন্ন করে রাখা হয়েছে অনাদিকাল থেকে। ফলে ধর্মের মূল বাণী আমাদের কাছে পৌঁছচ্ছে না এবং প্রকৃত ধর্ম যা তা পালন করতে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি।
বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ধর্মভীরু এবং একই সাথে তারা অশিক্ষিত, অর্ধ শিক্ষিত ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। তাই তাদের সহজেই বিভ্রান্ত করা যায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, আমরা যারা নিজেদের শিক্ষিত বলে দাবি করি তারাও ধর্মের মূলভাব বুঝিনি বা বুঝেও গ্রহণ করতে পারিনি। গত শুক্রবার যারা জুম্মার নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন এবং যারা মসজিদে ঢোকার জন্য জোর করছিলেন তাদের সবাই কিন্তু অশিক্ষিত বা অর্ধ শিক্ষিত নন। অন্য মহল্লার কথা জানা নেই, কিন্তু আমার মহল্লায় যাদের দেখেছি তাদের অনেকেই শিক্ষিত এবং মহল্লায় একটা বিশেষ অবস্থান নিয়েই বাস করেন।
একটু পেছনে যাই, বাংলাদেশে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮ মার্চ ২০২০। করোনার সংক্রমণ বেড়ে গেলে সরকার ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এবং পরিস্থিতির আরো অবনতিতে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেন, যা দুদফায় বেড়ে পঁচিশ এপ্রিল করা হয়েছে। সাধারণ ছুটিই এই বৃদ্ধিই বলে দেয় বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি তখন কেমন ছিলো। বছর ঘুরে করোনার দ্বিতীয় ওয়েভে বাংলাদেশ একপ্রকার পর্যুদস্ত। সেই প্রেক্ষাপটে আবারও সাত দিনের জন্য তথাকথিত কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে শিল্প কারখানা, ব্যাংকসহ অনেক প্রতিষ্ঠান খোলা রেখে।

করোনা উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশে দেরিতে প্রবেশ করেছে। সেই সময়টায় বিশ্ব বাস্তবতায় জানা গেছে করোনার কোনো কার্যকর ঔষধ বা প্রতিশেধক এখনও আবিষ্কার হয়নি, একমাত্র কার্যকর ব্যবস্থা হচ্ছে সঙ্গ নিরোধ। সঙ্গ নিরোধের জন্য প্রয়োজন সব ধরনের গণজমায়েত পরিহার। গণজমায়েত পরিহার এবং সাধারণ ছুটিতে ঘরে থাকার কথা বলা হলেও মসজিদে জামাত নামাজ চলমান ছিলো ছয় এপ্রিল পর্যন্ত। আমরা একদিকে দেখেছি সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নানাভাবে চেষ্টা করেছে মানুষকে ঘরে রাখার, অন্যদিকে দেখেছি পাঁচবেলা মসজিদে মানুষ যাচ্ছে জামাত পড়তে এবং জামাত শেষে গলির মুখে গোল হয়ে দাড়িয়ে নির্বিকার আলাপচারিতা চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ ধমের্র নির্দেশনা ছিলো- হাদিসে আছে, এক ঝড়-বৃষ্টির দিনে ইবনু ‘আব্বাস (রা.) আমাদের উদ্দেশে খুতবাহ দিচ্ছিলেন। মুয়াজ্জিন যখন ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ পর্যন্ত পৌঁছল, তখন তিনি তাকে বললেন, ঘোষণা করে দাও যে, ‘সালাত যার যার আবাসস্থলে’। এ শুনে লোকেরা একে অন্যের দিকে তাকাতে লাগলো- যেন তারা বিষয়টাকে অপছন্দ করলো। তিনি তাদের লক্ষ্য করে বললেন, মনে হয় তোমরা বিষয়টি অপছন্দ করছ। তবে, আমার চেয়ে যিনি উত্তম ছিলেন অর্থাৎ আল্লাহর রসূল তিনিই এরূপ করেছেন। একথা সত্য যে, জুমু‘আর সালাত ওয়াজিব। তবে তোমাদের অসুবিধায় ফেলা আমি পছন্দ করি না সহিহ বুখারী : ৬৬৮।
ইবনু ‘উমার (রা.) একদা তীব্র শীত ও বাতাসের রাতে সালাতের আযান দিলেন। অতঃপর ঘোষণা করলেন, প্রত্যেকেই নিজ নিজ আবাসস্থলে সালাত আদায় করে নাও, অতঃপর তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল প্রচণ্ড শীত ও বৃষ্টির রাত হলে মুয়াজ্জিনকে এ কথা বলার নির্দেশ দিতেন- ‘প্রত্যেকে নিজ নিজ আবাসস্থলে সালাত আদায় করে নাও’ ( সহিহ বুখারী )

এই হাদিসের ভিত্তিতে কুয়েতে আজানের বাক্যও পরিবর্তন করা হয়েছে। মুআজ্জিন যখন ‘হাইয়া ‘আলাস্ সালাহ’ বলেন সেখানে শোনা যাচ্ছে ‘সাল্লু ফি রিহালিকুম’ অর্থাৎ তোমরা বাড়িতেই সালাত আদায় করো। মহামারীর বিষয়েও হাদিসে বলা হয়েছে,‘ কোনো এলাকায় মহামারির সংবাদ শুনলে তোমরা সেখানে প্রবেশ করবে না। আর কোনো এলাকায় থাকা অবস্থায় যদি মহামারি শুরু হয়, তবে তোমরা সেখান থেকে পলায়নও করবে না’ (সহিহ বুখারী : ৫২৮৭; সহিহ মুসলিম : ৪১১১)

অর্থাৎ সারা বিশ্ব জুড়ে এখন যে কোয়ারেনটাইনের কথা বলা আছে সেটিই বলে গেছেন মহানবী। অথচ আমরা নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে ভিড় করেছি এবং অবিবেচকের মতো এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় ছুটে বেড়াচ্ছি। শুধু তাই নয় যখন স্পষ্ট রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা এসেছে তখনও তা অমান্য করেছি। অথচ ইসলামে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যের ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
' তামরা নির্দেশ পালন করো আল্লাহ, রসূল ও তোমাদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাবানদের'- (সুরা নিসা : ৪৯)।

'তোমরা আমির ও শাসকের কথা শুনবে এবং মান্য করবে। যদিও হাবশি গোলামকে শাসক বানিয়ে দেওয়া হয়'- (বুখারী: ৭১৪২)।
শুধু তাই নয় ইসলামে জাতিগত ঐক্য বিনষ্ট ও অনা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেবার বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে। 'নিশ্চিতভাবে জেনে রেখো, সামনে অনেক মন্দ বিষয়াবলী ঘটবে। কাজেই যে ব্যক্তি জাতির ঐক্যবদ্ধ থাকাবস্থায় অনৈক্য সৃষ্টি করবে, তরবারি দ্বারা তার মাথা উড়িয়ে দাও। সে যেই হোক না কেন'- (মুসলিম : ৪৭৫৯)

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে অবিশ্বাস্য দ্রুততায়। এটা যে একটা অতি সংক্রামক এবং ভয়ানক রোগ সেটা নিয়ে কিছু বলাই বাহুল্য। বলা হচ্ছে শারীরিক ও সামাজিক দূরত্বই এই রোগ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়। মহামারীর বিষয়ে বিজ্ঞান যে পন্থা অবলম্বনের কথা বলছে ধর্মের সাথে তার কোনো সংঘাত নেই বরং মিল আছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে আমরা বিজ্ঞানের কথা তো শুনছিই না, এমনকি কি যারা খুব ধর্মবোধ দেখাচ্ছি তারা ধর্মের কথাও মানছি না।

ইসলামিক দেশগুলি কতখানি ইসলামিক নিয়ম মানেন এ নিয়ে গবেষণা করেন জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হুসেন আসকারী। রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থায় ইসলামের যে বিধান তা প্রতিদিনের জীবনে কোন দেশগুলো মানেন এমন একটি স্টাডিতে দেখা গেছে সবচেয়ে বেশি ইসলামিক বিধান মেনে চলা দেশ হচ্ছে নিউজিল্যান্ড, দ্বিতীয় অবস্থানে লুক্সেমবার্গ। তারপর পর্যায়ক্রমে আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক ও কানাডা। মালয়েশিয়া ৩৮তম, কুয়েত ৪৮তম, বাহরাইন ৬৪তম এবং সৌদি আরব ১৩১তম অবস্থানে। গ্লোবাল ইকোনমি জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় বাংলাদেশের অবস্থান সৌদি আরবেরও নীচে।
গবেষণায় আরো দেখা গেছে, মুসলমানরা নামাজ, রোজা, হজ্জ, জাকাত, সুন্নাহ, কোরআন, হাদিস, হিজাব, দাড়ি, লেবাস নিয়ে অতি সতর্ক কিন্তু রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও পেশাগত জীবনে ইসলামের আইন মেনে চলে না।
গবেষণার এই ফলাফল ছাড়াই ব্যক্তি ও সমাজজীবনের নিরীক্ষা থেকে নিশ্চিত করেই বলা যায় যে, ধর্ম নিয়ে আমরা যতটা উন্মাদনা দেখাই ঠিক ততোটাই তা মেনে চলি না আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে। মসজিদে নামাজ পড়ার জন্য আমাদের ঘুম হারাম হয়ে যায়, হালাল খাবার নিয়ে এত সর্তকতা দেখাই কিন্তু হারাম ঘুষ খাবার ব্যাপারে আমাদের আগ্রহের কোনো কমতি নেই, আমরা ত্রাণ লুট করি। আমরা যদি ধর্মই মানতাম তাহলে ধর্ম নিয়ে এত ব্যবসা আর ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে এত ঠকাতে পারতাম না।

আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আমরা না মানি ধর্ম, না মানি বিজ্ঞান। তাই বিজ্ঞান বারবার হাত ধুতে বললে আমরা তা করি না, যাই থানকুনি পাতা খেতে। অথচ ধর্মেও বলা আছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কথা। পাঁচবার নামাজ পড়লেও পাঁচবার হাত ধোয়া হয়ে যায়। অসুস্থ হলে বিজ্ঞান আর ধর্ম দু'জায়গাতেই বলা হয়েছে ঔষধের কথা, যথাযথ চিকিৎসার কথা অথচ আমরা অসুস্থ হলে যাই টোটকা কবিরাজ আর তাবিজ-কবজের কাছে। এভাবে আমাদের জীবনধারণে ধর্ম আর বিজ্ঞান দুটোই উপেক্ষিত থাকে।
ইসলাম শুধু আচার অনুষ্ঠানের নয়, এটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। ইসলাম বিজ্ঞানসম্মত ধর্ম। বিজ্ঞানের সাথে ধর্মের কোনো কোনো বিষয়ে কিছু দ্বিমত এবং বিতর্ক থাকলেও আমাদের জীবন-যাপনে বিজ্ঞানের যে প্রয়োগ এবং তার মধ্য দিয়ে মানুষের যে কল্যাণ ও ভালো থাকা তার সাথে ধর্মের খুব বড় কোনো ক্লেশ নেই বরং বিজ্ঞানের অনেককিছুই ধর্মের মধ্যেও বিদ্যমান। শুধুমাত্র ধর্মের মূল জায়গাটিকে আমরা চিহ্নিত করতে পারিনি। যদি আমরা ধর্মের মূল কথাগুলিও মানতে পারতাম, সঠিকভাবে ধর্মের চর্চা করতে পারতাম তাহলেও সমাজের এতো অধঃপতিত মুখ দেখতে হতো না। ধর্ম যে শুধু লৌকিকতা আর আচার অনুষ্ঠানের নয়, এটি আমাদের আত্মিক শুদ্ধি ও এবং নৈতিক উন্নয়নের এটি আত্মস্থ করতে পারলেই আমরা ধর্মের মাধ্যমেও মানব কল্যাণ করতে পারতাম এবং বিজ্ঞানের মাধ্যমে ধর্ম অথবা ধর্মের মাধ্যমে বিজ্ঞানকে প্রতিদিনের জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে পারতাম। কিন্তু আমাদের মনের বিশ্বাস ধর্ম বা বিজ্ঞানের প্রতি নয়। আমাদের বিশ্বাস কুসংস্কার, গোঁড়ামি আর স্বার্থের দিকে। আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হচ্ছে স্বার্থউদ্ধার আর অতি শর্টকাট রাস্তায় দ্রুত সব অর্জন করা। আল্লাহর বিধান মেনে আল্লাহর পথে হাঁটা এতো সোজা নয়, খুব কঠিন। প্রকৃতার্থে আমাদের মন প্রতারণাপূর্ণ। আমরা তাই প্রতিনিয়ত প্রতারণা করি নিজেকে, সমাজকে আর দেশকে।

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:০০

শায়মা বলেছেন: পরিষ্কার পরিছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। মুসলিমদেরকেও পরিষ্কার থাকতেই বলা হয়েছে।

কিন্তু করোনা কেরিয়ার একজন মসজিদে গেলে তারই সাথে নিজের অজান্তেই ১০জনকে আক্রান্ত করবে। :(

১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:৫৬

জুল ভার্ন বলেছেন: মসজিদ ছাড়াও যেকোনো পাব্লিক গ্যাদারিং এ একই রকম ঝুকি।

২| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: কিছু ধার্মিক গোয়ার হয়। তারা মনে করে মসজিদ থেকে করোনা হবে না। কারন তারা নামাজ পড়তে গেছেন।

১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:৫৮

জুল ভার্ন বলেছেন: রাইট। যদিও ধর্মে গোয়ার্তমির সুযোগ নাই।

৩| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:১০

রাজীব নুর বলেছেন: করোনায় আল্লাহর হাত নেই। এখন প্রয়োজন সারা পৃথিবীর মানুষকে যত দ্রুত সম্ভব টিকার আওতায় নিয়ে আসা, মাস্ক পরতে অনুপ্রাণিত করা। করোনার ১ম দিন থেকেই বলা হচ্ছে- মাস্ক পড়ুন, কিন্তু অনেককেই মাস্ক ছাড়া দেখা যায়। আমার ইচ্ছা করে একটা চাবুক নিয়ে রাস্তায় বেড়িয়ে পড়ি। যার মুখে মাস্ক দেখবো না, তাকেই চাবুক দিয়ে পিটাবো। মুখের কথায় এই জাতির কাজ হবে না।

১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:৫৯

জুল ভার্ন বলেছেন: ডান্ডা ছাড়া বাংগালী ঠান্ডা হয়না।

৪| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে টানাটানি, বেড নিয়ে হানাহানি, ভেন্টিলেটর তো স্বপ্নের ব্যাপার। মানুষ কোথায় যাবে কি করবে কিছুই বুঝতে পারছে না। সারা বিশ্বে একই অবস্থা। এই ভাইরাসের বিহ্যাভিয়ার খুব অদ্ভুত। নির্বোধ ধার্মিকেরা বলে, করোনা আল্লাহর গজব। ওহে ধার্মিক রোগের কোনো ধর্ম নেই। বাঁচতে চাইলে সচেতন হোন। মাস্ক পড়ুন। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুতে থাকুন।

১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৩:০০

জুল ভার্ন বলেছেন: একমত।

৫| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:৩১

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: এতো বড় লেখা পুরটা পড়লাম না।

২০ জনের হিসাব কোথাও মানা হয়নি। মানা সম্ভব না বলেই আমার অভিজ্ঞতা।
আমি একটি মসজিদের স্বভাপতি। সেখানে ধারণক্ষমতা ১৫০০+। জুম্মাতে তার পুরটাই ভরে যায়। তারাবির প্রথম ৭-১০ দিন প্রায় তিনের দুই ভাগ উপস্থিতি থাকে। আমরা কোনো ভাবেই মুসল্লিতে বিরতো করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ফাঁকা ফাঁকা হয়ে দাঁড়ানোর ব্যবস্থাতে থেকে গেছি। করোনার কারণে অনেকেই মসজিদে আসছেন না বলেই সেটা করা সম্ভব হচ্ছে।

আমাদের লোক জন নানান উসিলায় মাস্ক পড়া থেকে বিরত থাকে। আমি একটি ছোট সংগঠনের সাথে জড়িত। সেটির মাধ্যমে লোকজনদের মাস্ক ব্যবহারে উদ্ভদ্ধ করার চেষ্টা করেছি। খুব একটা কাজ হয়নি। শেষ পর্যন্ত রমজানে এসে পড়ায় এলাকার মসজিদগুলিতে মাস্ক দিয়েছি যাতে মুসল্লিরা কেউ মাস্ক ছাড়া আসলে যাতে তাদের মাস্ক দিয়ে দেয়া যায়। সেই সাথে ৫ লিটার করে ডেটল/সেভলন দিয়েছি যাতে ফ্লোর গুলি জীবানু মুক্ত করা যায়।

নিজেরা সতর্ক হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৩:০৩

জুল ভার্ন বলেছেন: লকডাউন কোয়ারেন্টাইন বিষয় ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন রেফারেন্স / কোটেশন উল্লেখ করায় লেখাটি বেশী লম্বা হয়ে গেছে। দুঃখিত।

৬| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:৪৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অধিকাংশ মুসলিম লোক দেখান ধার্মিক।

১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৩:০৪

জুল ভার্ন বলেছেন: নিঃসন্দেহে।

৭| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:৪৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: বেতের বাড়ির ব্যবস্থা না করলে কেউই কথা শুনবে না

১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৩:০৪

জুল ভার্ন বলেছেন: আর কোনো বিকল্প নাই।

৮| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: আমাকে সরকার থেকে দায়িত্ব দেওয়া হোক, আমি চাবুক নিয়ে রাস্তায় নেমে যাবো। যার মুখে মাস্ক থাকবে না, তাকেই দু ঘা করে লাগাবো।

১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৫:২০

জুল ভার্ন বলেছেন: আপনি মাস্ক পরে নিয়েন

৯| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২৯

আমি নই বলেছেন: আমার মনে হয় এই বিষয়টা হযবরল করার পিছনে আমাদের দেশের নীতিনির্ধারকরাই অন্যতম দায়ী, কোনো কিছুর জন্যই কোনো প্লান ছিল বলে মনে হয় না। নীতিনির্ধারকদের যখন যা মনে আসছে তাই করছে, যার ফলে জনগনের মাঝে অসন্তস্টি চলে আসছে, নির্দেশ না মানার প্রবনতাও বেরে যাচ্ছে। আমি অনেক মুসুল্লিকে বলতে শুনেছি ব্যাংক, গার্মেন্টস, মেলা ইত্যাদি খোলা, সেখানে কি করোনা নেই?

একটা বিষয় ক্লিয়ার, নিজেদের সাবধান থাকতে হবে। এখন নিজেকে, নিজের পরিবারকে বাচানোই আসল যুদ্ধ, এমন একটা যুদ্ধ যেখানে একবার আক্রান্ত হলে একমাত্র আল্লাহ ছারা কোথাও থেকে কোনো সাহায্য পাওয়ার আশা নেই।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৫:৪৩

জুল ভার্ন বলেছেন: ঠিক বলেছেন, তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে নীতি নির্ধাকদের করমযজ্ঞ। ভালো থাকতে সচেতনতাই অগ্রাধিকার দিতে হবে।

১০| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: অতি প্রয়োজনে বাহিরে গেলে মাস্ক অবশ্যই ব্যাবহার করুন ভিড় এড়িয়ে চলুন নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন নিজেও সুস্থ থাকুন অন্যদের সুস্থ রাখুন।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৫:৪৩

জুল ভার্ন বলেছেন: একমত।

১১| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:১০

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি মাস্ক পরে নিয়েন ।

মাস্ক ছাড়া আমি বাইরে যাই না।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৫:৪৪

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:১৩

নীল আকাশ বলেছেন: লেখা ঠিক আছে। তবে সব মসজিদে ২০ জনের হিসাব নিয়ে আমার আপত্তি আছে।
সব মসজিদ সমান না এবং সেখান ধারন ক্ষমতাও সমান না। গৎবাধা ২০ জনের থিওরী কপচিয়ে এরা মুসল্লিদের খেপিয়ে দিয়েছে।
বায়তুল মুকাররামও একটা মসজিদ এবং পাড়ার টিনের মসজিদও একটা মসজিদ। দুইটা কী এক হলো? ভেবে দেখুন।
এরা ইচ্ছেকৃত ভাবে তারাবীহ এর নামাজ অনেক মসজিদে পড়তে দিচ্ছে না। জুমুয়াহ এর মতো খতমে তারাবীহ সবাই পড়তেও যায় না। লোক সংখ্যা এমনিতেও এবার কম হতো।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৫:৪৫

জুল ভার্ন বলেছেন: আমার বক্তব্যও সেইটা, মসজিদের ধারন ক্ষমতানুযায়ী মুসুল্লী এলাউ করা উচিত।

১৩| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




গুরুত্বপুর্ণ তথ্য সম্বলিত পোষ্ট ।পোষ্টের লেখা হতে সহি বিষয়টি সম্পর্কে
সকলেই সচেতনতামুলক দিক নির্দেশনা পাবেন বলে মনে করি ।
নীজে সুস্থ থাকা ও সমাজের অপরকে সুস্থ থাকতে দেয়া এখন সময়ের দাবী ।
রাষ্ট্রীয় বিধি বিধান মেনে চললে সমাজের সকলের জন্যই মঙ্গলময় হয় এই
করোনা পেনডেমিক পিরিয়ডে ।

ভাল থাকার শুভ কামনা রইল

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৫:৪৬

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৪:০৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: যারা ব্যাক্তিগত জীবনে ধর্মের কিছই মানে নাম তারাই লোক দেখানো ধর্মচর্চা বেশী করে।
এরাই দেশের সব অপরাধ-অপকর্মের জন্য আসল দায়ী।
মোনাফেক সেজে নিজের সাথে প্রতারণা ছেড়ে সবারই উচিত প্রকৃত ধর্ম পালন করা।
দেশে এতো ধার্মিক থাকলে চুরি ঘুষ দুর্নীতি সুদ জুয়া ব‍্যাভিচার মদ মাদক পরকিয়া আর সবরকম অপকর্ম অবাধে চলে কিভাবে ?
ধার্মিকরা বাধা দেয় না কেনো?

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৫:৪৭

জুল ভার্ন বলেছেন: আপনার বক্তব্য সমর্থন করি।

১৫| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:০৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

বাংলাদেশে বেশীর ভাগ মানুষ ধার্মিক। কিন্তু তারা সৎ নয়।
তারা মিথ্যাবাদী।
তাদের কথা ও কাজে কোন মিল নেই।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৬:৪০

জুল ভার্ন বলেছেন: একমত।

১৬| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৯:০১

ডাব্বা বলেছেন: মানুষ কেন কথা শুনছে না তার মূলটা কোথায় জানেন, মূলটা হচ্ছে মানুষের সাথে সরকারের দূরত্ব। সরকার মানুষকে মূল্য দেয়নি, মানুষও সরকারের তোয়াক্কা করে না যখনই সুযোগ পায় সেটা দেখিয়েও দেয়। একটি বাচ্চা আপনার জিদের সাথে একমত না হলে একভাবে তার প্রকাশ ঘটাবেই, তাকে আমরা যে নামেই ডাকি না কেন।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৬:৩৯

জুল ভার্ন বলেছেন: ১০০% সত্য।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৬:৩৯

জুল ভার্ন বলেছেন: ১০০% সত্য।

১৭| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:৫১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান মানাও জরুরী। মনের নিয়ততো আল্লাহ দেখছেন। সবাই যার যার প্রাপ্যটাই পাবে।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৬:৪২

জুল ভার্ন বলেছেন: রাস্ট্র যদি জনগনের হতো তাহলে রাস্ট্রীয় আইন মানার জন্য জীবন দিতো জনগন।

১৮| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:০৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: সরকারের আদেশ দেয়া উচিত ছিল- এই মহামারির সময় কেউ ঘরে বা একাকী নামাজ পড়তে পারবে না, সবাইকে মসজিদে যাইয়া জামাতে নামাজ পড়তে হবে। তাইলে দেখতেন, মসজিদ ফাঁকা :)

আমার কথাটা নীল আকাশ ভাই বলে দিয়েছেন। ২০ সংখ্যাটা ঠিক হয় নি। হয় আগের মতো মসজিদ বন্ধ ঘোষণা, অথবা ৬ ফুট দূরত্ব কড়াকড়িভাবে মেনে চলার আদেশ দেয়া দরকার ছিল।

আমাদের বেসিক ক্যারেক্টার হলো আইন ভঙ্গ করা। ডান্ডা দিয়াও আমাদের ঠান্ডা করা যাইব বলে মনে হয় না, যদ্দিন না মরে পুরা দেশ সাফ হইব।

লেখা কিন্তু দুর্দান্ত হয়েছে

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৬:৪৪

জুল ভার্ন বলেছেন: হ্যা, বর্তমান সরকারের আইন জনগন সম্মান করে মানে না। যতটুকুই মানে তা নিতান্তই মানতে বাধ্য হয় বলেই মানে।অর্থাত র‍্যাব পুলিশের ভয়ে।

১৯| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:১৩

অন্তরন্তর বলেছেন: জুলভার্ন ভাই পোস্টে সুপার লাইক। আমি সাধারণত ধর্ম বা রাজনীতি নিয়ে পোস্টে মন্তব্য করি না। কেন করিনা তা বুঝিয়ে বলার দরকার নেই। ধর্ম পালন করা, মানা শুধু আমার নিজের লাভের জন্য। এটা লোক দেখানো বা ব্যাক্তিগত এজেন্ডা পূরণ করার জন্য নয় কিন্তু বেশিরভাগ মুসলমান এটাই করছে। করোনা নিয়ে আমাদের দেশের সরকার অনেক বিভ্রান্তিতে ছিল তাই প্রায় সবই ভুল সিদ্ধান্ত হয়েছে এমনকি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শতবার মত পরিবর্তন করেছে। আসলে কোন দেশ বুঝতে পারেনি কি করবে। তবে সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং, মাস্ক পড়া, নিয়মিত হাত ধোয়া এগুলো সব দেশেই মেনে চলেছে আমাদের দেশ, ভারত আর পাকিস্থান ছাড়া। ধর্মান্ধ জাতি সে যে দেশের হউক খুব ক্ষতিকারক।
আপনার কদমবুচি নিয়ে একটি পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়েও করিনি কারণ আমাকে আবার নাস্তিক বা কাফের টেগ দেয় সেই ভয়ে। আমি যেটা জানি এবং মানি যদি একটি হাদিস সহিহ কোথাও পাওয়া যায় তা আমল করা উচিত নয়তো হজরত মুহাম্মদ সা এর কথাকে অমান্য করা হয়। আর প্রিয় নবী সাঃ কে অমান্য করা মনে কি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আপনি যতগুলো রেফারেন্স দিয়েছেন তারপরও দেখবেন অনেক বিশিষ্ট জ্ঞানবান ব্যাক্তিরা এখানে তাদের জ্ঞান জাহির করবে। আমাদের দেশের মানুষ সচেতন না হলে করোনা দ্বিতীয় ফেজে অনেক লোক মারা যাবার সম্ভাবনা আছে। এখন পর্যন্ত পৃথিবীর প্রায় সকল দেশ এব্যাপারে ব্যার্থ হয়েছে। আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন পৃথিবীর সকলের হেফাজত করুন।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৬:৪৪

জুল ভার্ন বলেছেন: একমত পোষণ করছি আপনার বক্তব্যের সাথে।

ধন্যবাদ।

২০| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম সকলের মন্তব্য গুলোতে চোখ বুলাতে।

২১| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৩:১৮

শেরজা তপন বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট! অনেক কষ্ট করে গুছিয়ে লিখেছেন- ধন্যবাদ আপনাকে।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৬:৪৫

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.