নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

জুল ভার্ন

সামু, আমার প্রিয় সামু-প্রত্যাশা পুরণে ব্যার্থতার ভারে নূহ্য! বর্তমান সামু কোনো দিন প্রত্যাশিত ছিলনা-তাই আপাতত সামু চর্চা বন্ধ। আপাতত সামু নষ্টদের দখলেই থাকুক। যদি মডারেটর চান-তাহলেই সামু আবার ফিরে আসবে স্বমহিমায়, ফিরে আসবো আমিও অনেকের মতই। ভালো থেকো প্রিয় বন্ধুরা। সকলের জন্য শুভ শুভ কামনা। * প্রানবন্ত কল্পনাশক্তির প্রয়োগে স্বচ্ছ ভাবনা আর বাস্তবতার মিশেলে মানুষ ক্রমশই সংকীর্ণ আর ক্ষুদ্র গন্ডিতে আবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।সব কিছু ছোট হয়ে যাচ্ছে, ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের চিন্তা শক্তি-ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের মন। আসুন পারস্পরিক মূল্যবোধ বিনিময়ে নিজ নিজ ভুল্গুলো শুধরে নিয়ে নিজেকে বিকশিত করি।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

কফি হাউসের সেই আড্ডাটা ..

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৩৯

কফি হাউসের সেই আড্ডাটা ..

-"হ্যালো! নিখিলেশ চিনতে পারছিস? আমি মঈদুল, ঢাকার মঈদুল।"
ফোনটা কানে তুলেই বাকরুদ্ধ নিখিলেশ! বহু বছর হয়ে গেছে নিখিলেশের কলকাতা ছেড়ে আসা। তারপর থেকে অনেক খুঁজেছে সে পুরনো বন্ধুদের কিন্তু কোন লাভ হয়নি।
বাবা মা, স্ত্রী সবাইকে নিয়ে এখন স্থায়ীভাবে সে প্যারিসেই রয়েছে।
হঠাৎ এরকম ফোন পেয়ে একটু হতভম্ভ সে, কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর ভাঙা গলায় নিখিলেশ বললো.."মঈদুল... আমাদের মঈদুল, ভাই কেমন আছিস ? অনেক খুঁজেছি রে তোদের কিন্তু কারোর কোন খবর পাই নি , কোথাই পেলি আমার নম্বর?"
-কেমন আছি ? হয়তো ভালোই... কিন্তু কি জানিস্ খুব বাজে ভাবে মিস করি তোদের,কফি হাউসের প্রত্যেক দিনের আড্ডাটা মিস করি। তোর অনেক খোঁজ করার পর কাল প্যারিসের বিখ্যাত আর্ট কলেজের ওয়েবসাইটে তোর নাম দেখলাম, বুঝতে দেরি হয়নি এটা আমাদের নিখিলেশ সান্যাল, সবার প্রিয় নিখিল। তোর এখন অনেক নাম হয়েছে বল...
-সত্যি বলতে ভগবানের দয়ায় এখন আমার সব আছে, শুধু যা নেই তা হল তোদের মতো বন্ধু,আড্ডা আর সময়। প্রত্যেকটা দিন তোদের কথা মনে পড়ে। রমা, অমল, সুজাতা ওরা সবাই কেমন আছে রে?
- *সুজাতার সাথে যোগাযোগ ছিল, কিন্তু এখন হয়তো নম্বর বদলেছে... ফোন করে পাই না, আর তেমন কারোর সাথে যোগাযোগ নেই। তবে জানিস্ ভাই আমাদের ডিসুজা আর এ পৃথিবীতে নেই।
-এটা আমি শুনেছি ,তাই ওর কথা আর জিজ্ঞেস করলাম না। একমাত্র ডিসুজার বাড়ির নম্বরটা আমি পেয়েছিলাম, ফোন করার পর জানলাম সে সবাইকে ছেড়ে চিরকালের জন্য বিদায় নিয়েছে,আর আমরা তো সবাই বেঁচে থেকেও বিচ্ছিন্ন। বছর পাঁচেক আগে বাবা মাকে নিয়ে ৩ দিনের জন্য কলকাতা এসেছিলাম, বিশ্বাস কর মইদুল চেনা শহরটা খুব অচেনা লেগেছিল আমার, অথচ আমার কত স্মৃতি জড়িয়ে এই শহরে!
সে যাই হোক তুই এখন ঢাকা তে আছিস্ ?
-হ্যাঁ, এখন ঢাকাতে আছি। তবে চ্যানেলের কাজের সূত্রে বছরের বেশির ভাগ সময়টা আমাকে কলকাতাতেই থাকতে হয়। একটু সময় পেলেই আমাদের কফি হাউসে গিয়ে বসি। জানিস্ নিখিল, আমার সবসময় মনে হয় কফি হাউসের পেয়ালা, টেবিল গুলো আজও আমাদেরকে খোঁজে। আগের মতো সময় করে কেউ রোজ আড্ডা দিতে আসে না এখানে ,সবাই সময় বের করে তবেই আড্ডা দিতে আসে।
-ভাই আমাদের কফি হাউসটা আগের মতোই জমজমাট আছে তো? আমাদের সেই ওয়েটার সিরাজ চাচা , সব কাজ ফেলে কেমন আমাদের টেবিলের সামনে এসে দাঁড়িয়ে থাকতো সে এখনও আছে কফি হাউসে ?
-না সিরাজ চাচাকে দেখি না আর.. এসেছে অনেক নতুন মুখ।
-আজও কি যামিনী রায় , বিষ্ণু দে-কে নিয়ে তর্কের ঝড় ওঠে সেখানে ?
-না রে ভাই। সেসব এখন অতীত ; তর্কে উঠে আসে শুধুই নোংরা রাজনীতি, কেউ কেউ আবার দেখি সময়টা উপভোগ করার চেয়ে ক্যামেরা বন্দি করতেই বেশি ব্যস্ত থাকে, তুলেই চলে সেল্ফি-গ্রুপফি।
-এখন আর অমলের মতো কবিতা পড়ে শোনায় কেউ ?
-হাসালি ভাই। এখন সবার অতো সময় কোথায় যে কি কবিতা লিখেছে পড়ে শোনাবে ? কোন টেবিলে দেখি কেউ ঘষেই চলে ঠোঁটে লিপস্টিক তো কেউ আবার হাতে নিয়ে বসে সেল্ফিস্টিক।
-ভাই কফি হাউসের প্রেম এখনও বেঁচে আছে ?
-হ্যাঁ প্রেমটা তখনও ছিল আজও আছে। আমাদের গ্রুপে যেমন সপ্তাহে রমা রায় কতগুলো প্রেমপত্র পেতো তার হিসেব তো সুজাতা রেখেছে।
তবে এখন আর প্রেম পত্র পড়তে দেখি না কাউকে, প্রেম গুলোও সব ওয়্যাটস্ আপ, ম্যাসেঞ্জারে বন্দি।
আমাদের সময় যেমন প্রেমিক প্রেমিকারা ঘন্টার পর ঘন্টা বসে কফি হাউসেই কাটিয়ে দিত সে প্রেম আর নেই।
একটা দীর্ঘস্বাস ফেলে নিখিলেশ জিজ্ঞেস করলো
-ডিসুজার মতো আর গানও ধরে না বল কেউ ?
-না ভাই নির্বাক শ্রোতা হয়েও একবার বলাতেই ডিসুজার মতো গান ধরতে দেখিনা কাউকে।
তবে আমার সবসময় মনে হয় জানিস ডিসুজার গান গুলো আজও কফি হাউসের মধ্যেই বাজে... কফি হাউসের মধ্যে ওকে খুঁজে পাই আমি।
কফি-হাউসের রংবদলের টুকরো টুকরো কাহিনী শুনে চোখের এক কোণ চিকচিক করে উঠলো নিখিলেশের..
-তবে আর আগের মতো নেই আমাদের কফি হাউসটা ? ভাঙা গলায় কিছুটা ধীরে ধীরে বললো কথা গুলো নিখিলেশ।
-ভাই কফি হাউসটা আছে শুধু আড্ডাটা নেই আগের মতো। প্রেম ভালোবাসাটাও আছে, শুধু সময়টা নেই কারোর আগের মতো। বলছি, একবার আয় না পারলে ছুটি নিয়ে কলকাতায় , অনেক কথা জমে আছে সব কথা ফোনে শেষ হবে না।
-আসবো ভাই শীঘ্রই আসবো, আসার আগে তোকে জানাবো... শুধু যোগাযোগটা রাখিস্।
... হঠাৎ নিখিলেশ এর কানের কাছে একটা চেনা গলা "কি গো ঘুম থেকে উঠবে না আজ ? কি বিড়বিড় করছো ঘুমের মধ্যে..."
গলাটা নিখিলেশের স্ত্রী শ্রাবণীর , মঈদুলের বন্ধু নিখিলের আর বুঝতে দেরি হল না মঈদুলের ফোনটা তার স্বপ্নেই এসেছিল...
একটু বিরক্তের সাথে নিখিলেশ বলে উঠলো স্ত্রীকে
-"আজ আমাকে ঘুমোতেই দাও ,আজ না হয় ঘুমের জগতেই স্মৃতিচারণ করি, ফিরিয়ে আনি সেই ফেলে আসা অতীতের একটু পরশছোঁয়া"...
* সুজাতাও ঢাকার মেয়ে। আওয়ামী লীগের নেতা ওয়ালিউর রহমানকে ভালোবেসে ১৯৭২ সনে বিয়ে করেন।
* ২০১৪ সনে মাঈদুল মারা গেছেন। কল্পনাসৃষ্ট লেখাটা লিখেছিলাম ফেসবুকে, যা হারিয়ে গিয়েছে সেই আইডি সমেত। স্মৃতিভর করে আবারও লিখলাম....

("নিখিলেশ প্যারিসে, মঈদুল ঢাকাতে/ নেই তারা আজ কোনও খবরে..."- প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মান্না দে'র বিখ্যাত 'কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আর নেই' গানের মঈদুল মারা গেছেন। তার আসল নাম নূর আহমদ। ২০১৪ সনে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ৭৮ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মঈদুলকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। মঈদুল ১৯৩৬ সালের ১৩ জানুয়ারি কলকাতার উত্তর চব্বিশ পরগণায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৪ সালে তিনি সপরিবারে ঢাকায় চলে আসেন। ১৫ বছর বয়সে মান্না দে'র সঙ্গে পরিচয় হয়। মান্না দে'র গানের আসরে নিয়মিত যোগ দিতেন। কলকাতার ক্রীড়াঙ্গনে খেলোয়াড় হিসেবে সফল মঈদুল ঢাকায় এসে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব এবং ইকবাল স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে ব্যাডমিন্টন ও ফুটবল খেলেন। ১৯৬৪ সালেই তিনি পাকিস্তান রেডিওতে ক্রীড়া ধারা ভাষ্যকার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। ১৯৬৬ সাল থেকে দৈনিক আজাদ, ইত্তেফাক, দৈনিক বাংলা, ইনকিলাব, সংবাদ, বাংলার বাণী ও দৈনিক পূর্বদেশে খেলাধুলা নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি চালিয়ে গেছেন। বিভিন্ন সাপ্তাহিক ও পাক্ষিকেও লেখালেখি করে গেছেন তিনি। ২০১১ সালে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির আজীবন সম্মাননা পান তিনি)।

মন্তব্য ৪৬ টি রেটিং +১৭/-০

মন্তব্য (৪৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৪৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



গানটাতে একটা জেনারেশনের ইতিহাস আছে।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৫৪

জুল ভার্ন বলেছেন: একদম সত্যি কথা।

২| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৫৯

জাদিদ বলেছেন: প্রিয় জুর্লভার্ন ভাই, আপনাকে ব্লগে আবারো স্বাগতম! আপনার লেখাগুলো এখানে দিবেন প্লীজ।

যাইহোক, পোস্ট প্রসঙ্গে বলি, আমার মনে হয় সবার জীবনেই কফি হাউজ গানটা একসময় না এক সময় সত্য হয়ে আসে।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:০৭

জুল ভার্ন বলেছেন: প্রিয় জাদিদ, ল্যাপটপে টেকনিক্যাল ঝামেলা হয়েছিল। লকডাউন ছাড়াও নানাবিধ কারনে ঘর থেকে খুব একটা বের হইনি। সেলফোন থেকেই ফেসবুকে সক্রিয় ছিলাম কিন্তু সামুতে মোবাইল থেকে রিচ করা যায়না। ল্যাপটপের সমস্যার কথা এতোদিন ছেলেদেরকেও বলিনি। গতকাল বলতেই বড়ো ছেলে ঠিক করে দিয়েছে। তাই আজ ব্লগে লগইন করেছি।

আশা করি, সামুতে থাকবো।

ধন্যবাদ

৩| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:০২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: শৈশবের সে পারভেজ যে কোথায় হারিয়ে গেল? মনে মনে এখনো তাকে খুঁজি।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:০৯

জুল ভার্ন বলেছেন: এভাবেই আমাদের সকলের শৈশব হারিয়ে যায়-শুধু নস্টালজিকতাই সম্বল করে দিনগুজরাণ করি।

৪| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:১৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: নিলু একদিন শৈশবের কথা মনে করিয়ে দিল। কথাটা আমি ভুলে গেলেও সে ভুলেনি। মনে মনে বলি শৈশবে যদি আবার ফিরে যেতে পারতাম? কিন্তু না এখন কবরের কথাই বেশী মনে পড়ে। চেনা-জানা কতজন যে চলে গেল, তার কোন হিসাব নাই।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৩২

জুল ভার্ন বলেছেন: কষ্ট কষ্ট সুখ!

৫| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:২৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বহুদিন পরে আসলেন ভাইজান। আশা করি ভালোই আছেন। আপনাকে নিয়মিত দেখতে পাওয়ার আশা করতেই পারি এখন থেকে......নাকি বলেন!! :)

লেখাটা ভালো লেগেছে। গানটা অন্য অনেকের মতো আমারও অনেক প্রিয়।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৩৭

জুল ভার্ন বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ। বেঁচে থাকাই পরম ভালো থাকা।

বাসায় ব্লগিং করা নিষিদ্ধ। দীর্ঘদিন পর অফিস খুলেছি- তাই ব্লগে। চেষ্টা করবো-যাতটা সময় দেওয়া যায়।

অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা।

৬| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৪০

জুন বলেছেন: অনেক দিন পর আপনাকে ব্লগে দেখে ভালো লাগলো আর লেখা তো অবশ্যই।
+

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৪৩

জুল ভার্ন বলেছেন: ব্লগে বিরতি চলছিলো-টেকনিক্যাল কারনে। ফোন করলে রিসিভ করেননা-যা অত্যন্ত গহির্ত!

শুভ কামনা।

৭| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৪১

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: জি অনেক সুন্দর একটা নস্টালজিক পোস্ট। তবে মান্না দে কিন্তু নিজে কখনও কফি হাউজে যান নাই। উনি এমনটাই বলেছেন।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৪৩

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৪৪

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া

কফিহাউসের সাথে মিলে গেলো জীবনের গল্পগুলিও।

অনেক অনেক ভালো লাগা ভাইয়ামনি!

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৫২

জুল ভার্ন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।

৯| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৫১

সাদীদ তনয় বলেছেন: চমৎকার লাগলো গল্প। চিরসবুজ এই গানের চরিত্ররা আজীবন বেঁচে থাকবেন বাংলা গানের শ্রোতাদের মাঝে।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৫৪

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:১১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কফি হাউজের আড্ডা যেন চিরন্তনী একটা বিষয় শুধু মানুষ বদলায় হয়তো স্থানও কিন্তু এমন আড্ডার অনুভূতি ভুলা যায় না কোনদিন। তাইতো এতো সুন্দর গান হয়ে ধরা দেয় অমর হয়ে যুগে যুগে মানুষেে মনে দোলা দেয় ।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:২৬

জুল ভার্ন বলেছেন: প্রিয় কবি, কফি হাউজের আড্ডা, গানের চাইতেও কফি হাউজের নেপথ্য ঘটনাগুলো কম সুন্দর নয়!

১১| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:২০

নজসু বলেছেন:


লেখাটা পড়তে পড়তে ভাবছিলাম কমেন্টে অনেক কিছু লিখবো। কিন্তু কমেন্ট বক্সে এসে কি লিখবো সেটা আর কিছুতেই ভেবে পাচ্ছিলাম না। শ্রাবণী নিখিলেশকে ডাকার আগ পর্যন্ত অমোঘ এক ঘোরের ভিতর ছিলাম যেন।
তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিলাম আমিও। অপূর্ব। শেষে এসে পেলাম গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য। লাইক এবং প্রিয়তে।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:২৭

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ নজসু।

১২| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:২০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
কফি হাউজের সেই মঈদুলের আসল জীবন কাহিনী জানা হলো। গানটা আসলেই ইতিহাস। ++++

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:২৭

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:১৫

তারেক ফাহিম বলেছেন: জনপ্রিয় গানটি ঘিরে চরিত্র ঠিক রেখে সুন্দর রচনা করছেন।

মুগ্ধতা।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:০৭

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:১৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: জীবন্ত গান নিয়ে জীবন্ত বর্ণনা
মুগ্ধতা এক রাশ

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:০৭

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:১৫

ফয়সাল রকি বলেছেন: পড়তে গিয়ে আবেগী হবার মতো লেখা। +++

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:০৮

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৯

সোহানী বলেছেন: দারুন একটা লিখা পড়লাম। জাদিদের মতো আমিও বলি সবার জীবনেই কফি হাউস সত্য। তবে এখন ফেবুর যুগের সুবিধা হলো আমরা সবাইকে খুঁজে পাই সহজে।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:০৮

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪১

আখেনাটেন বলেছেন: ছাত্রজীবনে হস্টেলে গিটারের তালে তালে এই গান নিত্য অনুষঙ্গ ছিল। আহা...কী সব দিন! :D

তবে বাস্তবে কলকাতায় কফি হাউসে গিয়ে হতাশ হয়েছি।


মজা পেলুম পড়ে।..... :D

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:০৯

জুল ভার্ন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৮| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:১১

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুল ভার্ন,



একাধারে হৃদয় ঘনিষ্ঠ-জীবন্ত আর নষ্টালজিক একটি অমর গান নিয়ে লেখা।
সেই গানের একজন পাত্রকে সামনে তুলে এনে আপনিও যেন আরেক প্রস্থ অমরত্ব দিয়ে গেলেন গানটিকে।

সেই সোনালী বিকেলগুলো আর নেই। এখন দিনগুলো বিচিত্র রংয়ে মেখে জবরজং হয়ে গেছে। আপনার লেখাতেই এই সময়কালের নিরস- নিস্তরঙ্গ-নিঃসার-নিরানন্দ যে ছবি ফুটে উঠেছে তা আমাদের অনুভূতিহীন মনোজগতেরই তৈরী করা এক একটা বিকেল। এখনকার বিকেলগুলো অন্তরবিহীন সব রং নিয়ে যেন ধূসরতার ছাপে ভুগছে।

গৌরী প্রসন্ন মজুমদারের লেখা ও সুপর্ণকান্ত ঘোষের ( নচিকেতা ঘোষের পূত্র ) সুরে মান্নাদের গলায় সেই হাহাকারই যেন আজও বেজে চলে ---
সেই সাত জন নেই আজ টেবিলটা তবু আছে
সাতটা পেয়ালা আজও খালি নেই
একই সে বাগানে আজ এসেছে নতুন কুঁড়ি
শুধু সেই সেদিনের মালী নেই
কত স্বপনের রোদ ওঠে এই কফি হাউসে
কত স্বপ্ন মেঘে ঢেকে যায়
কত জন এল গেলো, কতজনই আসবে
কফি হাউসটা শুধু থেকে যায়............


পোস্টে ++++++++

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:১৩

জুল ভার্ন বলেছেন: প্রিয় জী এস ভাই, আপনার সুন্দর মন্তব্য আমার পোস্ট সমৃদ্ধ করেছে। কৃতজ্ঞতা।

১৯| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:১৭

কামাল১৮ বলেছেন: জীবনের গল্প এমনি হয়।সবার জীবনেরই গল্প,একটু এদিক সেদিক।এই গান বহু বার শুনেছি এখনো মাঝে মাঝে শুনি।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:১৪

জুল ভার্ন বলেছেন: আমার মতো বুড়োদের এই গান শুনে স্মৃতি হাতড়ানোই সুখ।

২০| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:২৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনাকে ব্লগে দেখে আনন্দ পেলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইজান আপনাকে।
সুন্দর একটি বিষয় তুলে ধরেছেন। ভালো লাগলো। কিন্তু কথা নস্টালজিক লাগে নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের কথা মনে করে। শেষের দিকে আমরা কাউন্টডাউন করতাম।কি কষ্ট হয় আজো সে সব সময়ের কথা মনে করে।মান্নাদের এই গান যেন সমস্ত যুগের অসহায় নস্টালজিক মানুষের অন্তরের কথা তুলে ধরে।

সুন্দর পোষ্টে ভালোলাগা রইলো।
শুভেচ্ছা আপনাকে।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:১৫

জুল ভার্ন বলেছেন: কৃতজ্ঞতা জানাই ভাই আমার।

২১| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:১২

শেরজা তপন বলেছেন: ভাই জুলভার্ন, আপনাকে দেখে দারুন উচ্ছসিত ও আনন্দিত বোধ করছি।
দয়া করে ব্লগে ফের নিয়মিত হউন। দেখুন এখনো ব্লগারেরা কত ভালবাসে আপনাকে!
ব্লগে আপনাদের মত ব্লগারদের অভাব অনুভব করছি...

লেখায় ভাললাগা- পছন্দটা আগেই জানিয়েছি

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:১৬

জুল ভার্ন বলেছেন: লাভ য়্যু সো মাচ ভাইয়া।

২২| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: এই গানটা সব সময়ের জন্য। এই গানটা কখনও পুরোনো হবে না।
লেখা সুন্দর হয়েছে।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:১৭

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:৪৩

রোকসানা লেইস বলেছেন: প্রিয় গান । বাস্তব ভিত্তিক গানের গল্প।
আর অনেকদিন পর আপনার লেখা বেশ ভালোলাগল।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:১৭

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ বোন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.