![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
"বিএনপি সংস্কার চায়না"- সত্যের অপলাপ ....
জা-শি এবং জানাপা সমস্বরে ম্যাতকার করে- "বিএনপি সংস্কার চায়না!" আমাদের ম্যাড মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টা চাউর হয়েছে। এটাই টক অফ দ্যা কান্ট্রি! এবার দেখা যাক- বিএনপি কোন কোন সংস্কার চায়না?
(১) কেউ যদি বাংলাদেশের কোনো নাগরিককে জিজ্ঞেস করে- আপনার দেশের নাম কি?
উত্তরে সিংহভাগ মানুষই বলবে, "বাংলাদেশ"। খুব কম মানুষ আছে যারা বলবে, "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ"!
সংস্কার কমিশন- "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ" সরকার নাম পরিবর্তন করে 'জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ' করার সুপারিশ করেছে! এই নাম পরিবর্তন হলে রাষ্ট্রের, জনগণের কি উপকার হবে, কি লাভ হবে তার কোনো ব্যাখ্যা নাই।
বিএনপি মনে করে, দেশের নাম পরিবর্তনের কোনো দাবী জনগণ কখনওই করেনি। প্রয়োজনও নাই। বিএনপি মনে করে- রাষ্ট্রের নাম পরিবর্তন করতে, রাষ্ট্রীয় নথি পরিবর্তন করতে রাষ্ট্রের/ সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করতে হবে। লেডি হিটলার শেখ হাসিনা সরকার জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের ফলে ১২/১৪ শত কোটি টাকা খরচ করেছে। তখন বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো সাংবাদিকদের জানিয়েছে, বিমানবন্দরের নিয়ন সাইনগুলো, মনোগ্রাম সম্বলিত দাপ্তরিক কাগজপত্র বদলাতে এবং আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন মনোনীত বিভিন্ন জায়গায় নতুন নামকরণে উল্লেখিত অর্থ খরচ হয়েছে।
দেশের একটি বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করতে যদি শতশত কোটি টাকা ব্যয় হয়, তাহলে দেশের নাম পরিবর্তিত হলে এর খরচ কয়েকগুণ বেশী হবে। কিন্তু এর বিপরীতে লাভ কি হবে? আমাদের দেশের নাম 'গণপ্রজাতন্ত্রী' নাকি 'জনগণতন্ত্রী' তা যেখানে আমার দেশের সিংহভাগ মানুষের কাছেই কোনো ম্যাটার করেনা। তারা এই নাম জীবনে জানবেওনা, বলবেওনা, অনুধাবনও করবেনা। তবু এই খরচের হেতু কি? এর বিরোধীতা করাটা কোন অর্থে অযৌক্তিক? জুলাই বিপ্লব কি দেশের নাম পরিবর্তনের জন্য হয়েছে? দেশের নামের সাথে ফ্যাসিজমের কি সম্পর্ক?
(২) সংবিধান পরিবর্তনঃ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ আওয়ামী লীগের তথা ফ্যাসিবাদের পতন চেয়েছিলেন। সংবিধান পরিবর্তন করার দাবি কেউ করেনি। তারপরও সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী সংবিধান পরিবর্তন, পরিমার্জন হতেই পারে এবং হয়েও আসছে- বিএনপির তাতে কোনো দ্বিমত নাই। বিএনপি মনে করে- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংবিধান পরিবর্তন করার কোনো অধিকার নাই। সংবিধান পরিবর্তন করতে হলে নির্বাচিত সংসদের মাধ্যমেই করতে হবে।
(৩) আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করাঃ একটা প্রেসনোট দিয়ে আওয়ামী লীগ কিম্বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা যায়না, বিষয়টা ডক্টর ইউনুস সরকার, স্বাধীনতা বিরোধী জা-শি এবং ফটকাবাজ ছাত্রদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টিও ভালো করে জানে। কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার সুযোগ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নাই। সেটা করার ক্ষমতা রাখে জাতীয় সংসদ।
(৪) বিএনপির দোষঃ "বিএনপি শুধু নির্বাচন চাই, নির্বাচন চাই- জিগির করে"!
হ্যা বিএনপি নির্বাচন চায়, বারবার নির্বাচনের কথা বলে। কারণ, গনতন্ত্রের সবচাইতেই শুধু নয়, একমাত্র স্বতসিদ্ধ পথ- নির্বাচন। বিএনপি সেই নির্বাচনের জন্যই বছরের পর বছর আন্দোলন সংগ্রাম করেছে, নির্বাচনের জন্যই অজস্র প্রাণ দিয়েছে বিএনপি নেতা কর্মী সমর্থক। কিন্তু বিএনপি ছাড়া অন্যকোনো দল নির্বাচন চায়না, তারা নির্বাচন ছাড়া তারা ক্ষমতায় থাকতে চায়।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১:৫২
জুল ভার্ন বলেছেন: বিএনপিকে ছোট করার মানসিকতার প্রবর্তক প্রথম আলো এবং কলকাতা কেন্দ্রিক বাংলাদেশের ভারতীয় দাস প্রকৃতির বুদ্ধিবৃত্তিক পেশাজীবীদের। তাদের সাথে যোগ দিয়েছে জা-শি এবং জানাপা গোষ্ঠী, যাদের নির্বাচনে পাস করে ক্ষমতায় যাওয়ার যোগ্যতা নাই।
বিএনপিকে নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নাই, কারণ, প্রায় তিন বছর আগেই বিএনপি তাদের ৩১ দফা ঘোষণা দিয়ে তাদের রাজনৈতিক লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
২| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ১১:০০
শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: এনসিপি যতই সংস্কারের কথা বলুক না কেন, তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্ষমতার অংশীদার হওয়া—একদম জাতীয় পার্টির মতো। বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিএনপি ছাড়া তাদের সামনে ক্ষমতায় যাওয়ার তেমন কোনো বাস্তব পথ নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় যতই জামায়াতকে জনপ্রিয় দেখানোর চেষ্টা হোক বা জরিপে তাদের শক্তি দেখানো হোক, বাস্তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ জামায়াতকে ভোট দেয় না। এনসিপি কৌশলগতভাবে বিএনপির কাছ থেকে কিছু বাড়তি আসন আদায় করতেই এখন ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান নিচ্ছে। তবে নির্বাচনের আগে দেখা যাবে, তারাই সবার আগে বিএনপির সাথে জোটে যাবেন।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১:৫৩
জুল ভার্ন বলেছেন: আপনার অবজারভেশনে কোনো ভুল নাই।
৩| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ১১:০৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শাম্মীভাই@আপনি বিএনপির নেতা ড. মঈন ও এনসিপির আখতারের কথা দেখেন। এনসিপি অন্তত এই নির্বাচনে বিএনপির সাথে জোট বাধার সম্ভাবনা প্রবল। আর জামায়াতের সাথে বা ইসলামিক দলগুলোর সাথে জোট বাধলে ফায়দা হবে না এই নির্বাচনে তারা সেটা জানে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১:৫৭
জুল ভার্ন বলেছেন: ওরা কোনো বাহিনী কিম্বা প্রশাসনের কাছ থেকে চাহিদা মতো আসন পাওয়ার নিশ্চয়তা না পেলে বিএনপির সাথে জোট করার সুযোগ খুঁজবে। তবে বিএনপি ওদের সর্বোচ্চ ৫ টা আসনে ছাড় দিতে পারে।
ধন্যবাদ।
৪| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১২:৪৪
শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: @সৈয়দ কুতুব ভাই, আমার ব্যক্তিগত ধারনা যদি ভুল না হয় তাহলে এনসিপির সামনে ক্ষমতার অংশীদার হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই, এটা তাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এনসিপি নেতাদের সেনাপ্রধান কান্ডের পর তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিএনপি বা অন্যকোনো দল তাদের সাথে মিটিং করার আগে এখন দশবার চিন্তা করবে। কোনো বিষয় নিয়ে সমঝোতা না হলেই এনসিপি নেতারা পরবর্তী সময়ে সেনসিটিভ ইস্যুগুলো সোস্যাল মিডিয়াতে পোস্ট দিয়ে লিক করে দিবে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১:৫৮
জুল ভার্ন বলেছেন: আপনার রাজনৈতিক অবজারভেশনে কোনো ভুল নাই।
৫| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১২:৫০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শাম্মী@ভাই আপনি দারণ বিষয়ের অবতারণা করছেন। ব্লগে অনেকের আপনার কথা হজম হবে না। একটা কড়া পোস্ট চাই আপনার শেষ কমেন্টের ভাবনা নিয়ে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১:৫৯
জুল ভার্ন বলেছেন: আমিও তেমন আশা করি।
৬| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১:৫৩
নতুন বলেছেন: নতুন দলের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যই বিএনপির সাথে জোট বাধা লাগবে।
বিএনপির উচিত হবে নতুন দলকে সাথে নিয়ে দলে পরিবর্তন আনার চেস্টা করা। দলের বেশিরভাগ নেতারাই চাদাবাজী সন্ত্রাসী করেই এতদুর এসেছে। তারেক রহমান বললেই তারা সাধু হয়ে যাবেনা।
নতুন দলকে সমথৃন দিয়ে নতুন প্রজন্মের পোলাপাইনকে সামনে আনলে ক্ষতি হবেনা।
বুইড়া নেতারা পরিবর্তন চাইবেনা, তারা জমিদারী স্টাইলেই রাজনিতি করতে। তারা চায় তাদের ছেলেরা ক্ষমতাশীল হইবে আর বড় হইয়া বাপের গদিতে বসবে।
দুনিয়া পাল্টাইতেছে তাই পরিবর্তন আনতে হবে। রাজনিতিতেও।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ২:০৩
জুল ভার্ন বলেছেন: আপনার মন্তব্যের সাথে একমত হয়েই বলছি- জানাপা'র কোনো রাজনৈতিক দর্শন নাই। আমি ওদেরকে মোটেই গুরুত্ব দেইনা। তবে বিএনপি ওদের অবজ্ঞা করবে না বিএনপি ওদের সর্বোচ্চ ৫ টা আসনে ছাড় দিতে পারে।
ধন্যবাদ।
৭| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ২:১৩
নতুন বলেছেন: জানাপা'র কোনো রাজনৈতিক দর্শন নাই।
রাজনিতিক আদর্শ বিএনপি বা আয়ামীলীগেরও নাই।
সত্যি বলতে আদর্শ আছে শুধুই জামাতের
বাকিরা রাজনিতি করলে ক্ষমতা এবং সম্পদবানানো যায় তাই রাজনিতি করছে।
বিএনপি ওদের সাথে নিলেই ভালো করবে। জামাতকে ছাড়তে হবে বিএনপিকে।
তারেক জিয়া যদি সত্যই পরিবর্তিত হয়ে জিয়াউর রহমানের মতন জনগনের কাছে গিয়ে আস্থা অর্জন করতে পারেন তবে সেটা দেশের জন্য ভালো হবে।
তবে দলে পরিবারতন্ত্রের বদলে সত্যিকারের গনতন্ত্র আনতে হবে বিএনপিকে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ বিকাল ৪:১৮
জুল ভার্ন বলেছেন: জামায়াতের রাজনৈতিক দর্শন কি আমি বুঝিনা।
আর পরিবার তন্ত্র কোথায় নাই- অথচ শুধু বিএনপি তেই পরিবারতন্ত্র দেখছেন! কয়েকটি উদাহরণ দেইঃ-
* মুগ্ধের ভাই স্নিগ্ধ কিভাবে জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী হইলো? সে কোথায় বিপ্লব করেছিলো?
বলবেন, এইটা একজন বিপ্লবী শহীদ মুগ্ধের প্রতি সম্মান, এখানে পরিবারতন্ত্রের কিছু নাই!
* গোলাম আযমের ছেলে আমান আজমি, সাঈদী সাহেবের ছেলে মাসুদ বিন সাঈদী, মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে নাজিবুর মোমেন, মীর কাশেম আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আরমানরা জামাতের এমপি প্রার্থী! এগুলো কি পরিবারতন্ত্র না?
* তাহলে একজন বীর উত্তম, সেক্টর কমান্ডারের ছেলে, ১৬ বছর যার পরিবার নানাভাবে নির্যাতিত হইছে, যে দেশে আসতে পারেনাই, এবং যার সাংগঠনিক দক্ষতায় শত ষড়যন্ত্রের মুখেও বিএনপি টিকে ছিলো, যার সাংগঠনিক যোগ্যতা দলের মাঝে প্রশ্নাতীত, তৃণমূলের যেকোনো ওয়ার্ড লেভেলের কর্মীর কাছেও যার এক্সেস আছে, ডিরেক্ট যোগাযোগ থাকে, দলের ভিতরে যার জনপ্রিয়তা কল্পনাতীত... সেই লোকের রাজনীতি কেন কেবল পরিবারতন্ত্রের দোহাই দিয়ে বাতিল করার চেস্টা করবেন?
শেখ পরিবারের কথা আর না বলি।
আপনার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আর কিছু বলার নাই। ধন্যবাদ।
৮| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ২:২৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নতুন@ আপনি বলেছেন " সত্যি বলতে আদর্শ আছে শুধুই জামাতের " - কথা সত্য ! কিন্তু তারা বাংলাদেশের প্রথম সহী ট্যাগিংবের শিকার।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ বিকাল ৪:১৯
জুল ভার্ন বলেছেন:
৯| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ বিকাল ৪:৩৬
নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: জামায়াতের রাজনৈতিক দর্শন কি আমি বুঝিনা।
জামাতেইসলামের দর্শন হইলো ইসলামী তরিকায় জমি চাষ করে পাকিআইডিওলজির বীজ বপন করা। কিন্তু তারা একটা দর্শন নিয়ে চলে।
কিন্তু আয়ামীলীগ/বিএনপি সবাই ক্ষমতার মজা নিতেই রাজনিতি করে।
আয়ামীলীগ ৭১ এর চেতনা বিক্রি করে পরিবারতন্ত্র চালু করেছে।
তেমনি খালেদা জিয়াও স্বামীর কোটায় প্রধানমন্ত্রী এবং তারেক জিয়াও বাবা মায়ের কোটায় প্রধানমন্ত্রী হইতে চেয়েছে।
জামাত/শিবির সহী রাজাকার ট্যাগ দিছে জনগন। আশা করি সেটা জনগন কোন দিন ভুলে যাবেনা।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ বিকাল ৫:৫০
জুল ভার্ন বলেছেন:
১০| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৩১
রিফাত হোসেন বলেছেন: আপনি পোস্টে যা বলেছেন ভুল বলেন নাই কিন্তু সবাই কালো চশমা দিয়ে অর্থ এই নয় যে তা পরেই থাকতে হবে। বিমানবন্দরের পূর্ব নাম ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছিল। পরে ১৯৮৩ সালে জিয়া বসানো হয়। এইভাবে দলীয়করণ না করলেও পারত। মজার ব্যাপার হল জিয়া ইন্তেকাল পরবর্তী সংশোধন করা হয়। উনার চিন্তা আর দলের চিন্তা ভিন্ন। DAC flight code খেয়াল করলেই বুঝবেন। আগের নাম Dacca. বি এন পি নিজে মেজর জিয়া ধারণ করতে পারে নাই। উনার নাম ব্যবহার করছে মাত্র।
কে কি পরিবারতন্ত্রের ভেতর আছে না ভেবে এর থেকে বের হবার চেষ্টা করা উচিত। সবারই আত্নীয় স্বজনের ভিতর রাজনৈতিক প্রভাব আছে, তা যাচাই করে দেখুন। সবাই রাজনৈতিক legacy ধরে রাখতে চাচ্ছে। তা খারাপ রাজনৈতিক চর্চা। তা গ্রহণযোগ্য হত যদি legacy কে ভিত্তি করে দেশের জন্য কিছু করত। তবে ধরে রাখতে চাচ্ছে আধিপত্য ও আয়ের পথ!!!
ধর্ম ব্যবসায়ী যেমন আছে তেমনি রাজনৈতিক ব্যবসায়ী অভাব নাই। তারেকসহ দলের অনেকে একই পদ দখল করে আছে। তাদের জায়গায় ধীরে অন্য কাউকে প্রস্তুত করুক! যারা আসবে তারাও দীর্ঘ মেয়াদি থাকতে পারবে না! এমন হলে বি এন পি হবে ব্যতিক্রম। এটাই সাধারণ মানুষ চাচ্ছে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ রাত ৮:০৮
জুল ভার্ন বলেছেন: পৃথিবীতে বাংলাদেশ ছাড়া আর কোনো দেশে একটা পরিবারের ৭ সদস্যের নামে ৯৭৮ টা সরকারি /রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নাম করণ হয়েছে কি না জানিনা....
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
১১| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ রাত ৮:২২
এইচ এন নার্গিস বলেছেন: এখনো সংস্কার? ভুলে নাই দেখছি ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ১০:৪২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বিএনপিকে ছোটো করার মানসিকতা বর্তমানের সংস্কার পন্থীরা আওয়ামী লীগ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। যাদের সিট নেই সারাদেশে তিনটা তারা ১০০ সিট চায়।
। বিএনপির সামনে ইতিহাস গড়ার সুযোগ হাতছানি দিচ্ছে। তবে কিছু সংস্কারের ব্যাপারে বিএনপিকে অবশ্যই ছাড় দিতে হবে। আর আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ ও লিবারেল ন্যারেটিভ বিএনপিকে কিছুটা ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি মধ্যপন্থাতো আছেই। খাল একটাই ভয় শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকায় বিএনপি আবার না জানি আওয়ামী লীগের পদাংক অনুসরণ করে ! 