| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একশত তরুণ বাংলাদেশীদের দীর্ঘ ৮ দিন ভারতের বিভিন্ন বড় বড় শহর ঘুরিয়ে দেখানো চাট্টিখানী কথা নয়। তার উপর আবার ভারতের মতো দেশের ব্যাস্ত রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাতের মতো আয়োজনও আছে এর সাথে। লক্ষ কোটি টাকার ব্যাপার। একেই বলে সত্যিকারের বন্ধুত্ব। এই ভারতেরই অন্যান্য সব বন্ধুত্বসুলভ আচরণগুলো হচ্ছে সকল আন্তর্জাতিক নদীর পানি বন্ধ করা, প্রতিনিয়ত ৪/৫ জন নিরীহ বাংলাদেশী মুসলমানদের সীমান্তে হত্যা করা, ফেলানীর মতো কিশোরীকে হত্যা করে তারকাটাতে ঝুলিয়ে রাখা, সীমান্তের চতুর্দীকে শত শত ফেনসিডিলের কারখানা স্থাপন করে বানের পানির মতো এ দেশে ফেনসিডিল পাঠানো, যাতে করে এদেশের ভবিষ্যত, বর্তমান তরুণ সমাজ কর্মক্ষেত্রে গিয়ে চরম ব্যার্থতার পরিচয় দেয়। তাদের মধ্যে থাকবেনা কোনো দেশ প্রেম, থাকবে না সততা। এমনকি থাকবেনা দেশ পরিচালনা করার মতো কোনো বুদ্ধিমত্ত্বা ও প্রজ্ঞা।
সেই ভারত আবার প্রতি বৎসর একশত তরুণকে আমন্ত্রণ দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বন্ধুত্বের খাতিরে। আমাদের দেশের গোবর গনেশ গোয়েন্দা বাহিনী এবং বর্তমান ভারতীয় রাজাকার সরকারীদল কশ্মীনকালেও ভারতের আসল উদ্দেশ্য বুঝতে পারবে না যে, বিষয়টা হচ্ছে ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনীর একটি মগজ ধোলাই কার্যক্রম। ভাল করে যাচাই করলে দেখা যাবে যে, এসব তরুণরা হচ্ছে অত্যান্ত তুখোর যার যার ক্ষেত্রে।
অত্যান্ত দক্ষতার সাথেই বাছাই করা হয় এদেরকে, যারা ভবিষ্যতে এদেশ পরিচালনায় কর্ণধারের দায়িত্ব পালন করবে। তরুন সাংবাদিকদের নেয়া প্রয়োজন যাতে করে ওদের লিখনী দিয়ে পরবর্তীতে দেশের আপামর জনসাধারণের মগজ ধোলাই করা সহজ হয়।
আমাদের প্রক্তন শাসক গোষ্ঠি পাকিস্তানীদেরও একই অবস্থা।
আমেরিকানরা প্রতিনিয়ত পাক আফগান সীমান্তে ৮/১০ জন নিরীহ মুসলমানকে ড্রোন দিয়ে হত্যা করে, আবার এঞ্জেলিনা জোলিকে পাঠায় বিশ্ব মানবাধিকার এর প্রতিনিধি হিসেবে আফগান রিফিউজিদেরকে সান্ত¦না দিতে। শত শত সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের ওদের দেশে নিয়ে যায় প্রশিক্ষণের বাহানা করে মগজ ধোলাই করতে। পাকিস্তানের যেমনি উচিত না জোলিকে ভিসা দেয়া কিংবা কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে পাঠানো ঠিক তেমনি বাংলাদেশেরও উচিত না দেশের ভবিষ্যত, বর্তমান তরুণদেরকে ভারতকর্তৃক মগজ ধোলাই করার জন্য সুযোগ করে দেয়া। প্রজ্ঞাহীন একদল মানুষ ক্ষমতায় থাকলে এ ধরনের কর্মকা- একান্ত স্বাভাবিক।
আমাদের বিশ্ব নন্দিত সাকিব আল হাসান সম্বন্ধে দু-একটা কথা না বললেই নয়। আপনি এখন এ দেশের একটি মূল্যবান সম্পদ, আপনাকে তাই হিসাব করে চলতে হবে। যে অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জয় কিংবা তার মতো কেউ উপস্থিত হয় সেখানে আমরা আপনাকে দেখতে চাই না। আর ভারতের মগজ ধোলাই কার্যক্রমে নিজেকে উপস্থিত করে আপনি সম্ভবত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুলটি করলেন। আশা করি নিজের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে ভবিষ্যতে আপনি সাবধান হবেন। আর জয়া আহসানের উপস্থিতি ক্ষমার যোগ্য। কারণ সাংস্কৃতির সাথে জড়িত মুসলমানেরা পর্যায়ক্রমে বুদ্ধিহীন হয়ে যায়। তাদের কাছে নগদ নারায়নটাই মূল বিষয়, স্থান, কাল কিংবা পাত্র কোনো সমস্যা নয়। এ বিষয়ে নাট্যকার হুমায়ুন আহাম্মদ সর্বোৎকৃষ্ট এক দৃষ্টান্ত, বুড়ো বয়সে নিজের মেয়ের বান্ধবীকে বিয়ে এবং মৃত্যুর পূর্বে আমাদের সমাজে সমকামিতার প্রচলনে সহায়ক “ঘেটুপুত্র কমলা”র মতো গল্প লিখে, পায়ুদেশে ক্যানসার নিয়ে সে মৃত্যুবরণ করে। সে প্রমাণ করেছে যে, একজন বুদ্ধিজীবী মুসলমান সাংস্কৃতিক জগতে এসে কি করে পর্যায়ক্রমে বুদ্ধিহীন হয় এবং শুধুমাত্র নগদ নারায়নের জন্য খোদাই গজবে ধ্বংস প্রাপ্ত হতে হয়।
নোট : ভারত ভ্রমনের খবরটি পড়তে হলো ক্লিক করুন এখানে -
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৪
আলাপচারী বলেছেন: ++++++++