নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাউন্ডুলে কথন

অপ বাক

তবু ও মানুষ কাঁদে অধিকার চায় একটি শিশুর তবুও মানুষ বাঁচে কার হাতে অধিকার মানুষ না যীশুর............ অধিকার সবার চাই, মতপ্রকাশের অধিকার নামান্তরে মতদ্বৈততার আধিকার। ইতিহাস সাক্ষী সর্বদা বিজয়ীর ভাষ্য লেখা হয়, রক্তলোলুপ মানুষেরা তরবারি দিয়ে কেটে ইতিহাস লিখে, আমজনতার কথা লিখে রাখে দীক্ষ দ্রাবিড়, সেসব দ্রাবিড়দের মুখপত্র ইতিহাসে ছিলো না, দ্রাবিড়রা কখনই ক্ষমতার বলয়ে যেতে পারে নি, ফিনিশিয়, সুমেরিয় মিশরিয় ,পারসিয় সভ্যতার কিছু কিছু নিয়ে সেমিটিক ধর্মের উদ্ভব, কালের প্রবাহে সেমিটিক ধর্মই টিকে গেছে, অস্ত্রের জোড়ে, শিল্পের জোড় ছিলো না তাদের, আর অনার্য সবাই পৈত্তলিক, শয়তানের অনুচর হয়ে টিকে আছে একত্ববাদী ধর্মগ্রন্থে, আমি এসব দ্রাবিড়দের অধিকার চাই, সভ্যতার ইতিহাসে এরা শিল্পে সংস্কৃতিতে সব সময় গুরুত্বপুর্ন অবদান রেখেছে, তাদের দাবীর সপক্ষে আমি কণ্ঠ মেলালাম।

অপ বাক › বিস্তারিত পোস্টঃ

দালাল আইন 1972

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ২:১৫



24শে জানুয়ারি 1972, গন প্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি বিশেষ ঘোষনা দিয়ে দালাল আইনের প্রস্তাবনা দেন।

সেখানে ঘাতক দালালদের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে-

সেযব ব্যাক্তিবর্গ যারা সহযোগিতা বা সহায়তা দিয়েছে দখলদার বাহিনিকে,

আচরনে, বা কার্যে বা নৈতিক ভাবে দখলদার বাহিনীকে সমর্থন করেছে,

যারা এই দেশের জানমালের ক্ষতিসাধন করেছে, এই দেশের নর-নারী -শিশুএবং নারীদের সম্ভ্রমের উপর নৃশংস, অমানবিক অত্যাচার চালিয়েছে, যারা পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর গনহত্যায় অংশগ্রহন করেছিলো,

এমন সব ব্যাক্তি যাদের আচরন এবং কার্যের পরিনতিতে এই দেশের নাগরিকদের জানমালের ক্ষতিসাধন হয়েছে, তাদের সবাইকে দালাল বলা হয়েছে।

তাদের আইনের আওতায় আনার জন্যই এই বিশেষ প্রজ্ঞাপনের প্রস্তাবনা।

এই আইনের বলে

যেকোনো পুলিশ অফিসার বা সরকারের দ্্বারা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাক্তি, ওয়ারেন্ট ছাড়াই সন্দেহভাজন যেকোনো দালালকে গ্রেফতার করতে পারবে।

এবং এই গ্রেফতারে পর সেই ব্যাক্তিকে গ্রেফতারের জন্য প্রাপ্ত তথ্যের সারমর্ম বা প্রমান পেশ করতে হবে।

এই প্রমান পাওয়া সাপেক্ষে সরকার সেই ব্যাক্তিকে 6 মাস অন্তরিন রাখবে যেনো এই বিষয়ে সুষ্ঠ তদন্ত করা সম্ভব হয়।

যদি তদন্ত সম্পন্ন করতে এর বেশী সময় লাগে তাহলে সরকার অনির্দিষ্ট কাল এই আইনের আওতায় গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তিকে অন্তরীন করে রাখতে পারবে।

এই আইনে শাস্তি প্রদানের জন্য বিশেষ আদালত তৈরি হবে এবং সরকার এমন আদালত যত ইচ্ছা তৈরি করতে পারবে এই ধরনের অপরাধের বিচারের প্রয়োজনে।

এই বিশেষ আদালতের সদস্য সংখ্যা হবে একজন, এবং তাকে অবশ্যই নু্যনতম আসিস্টান্ট সেশন জজ হতে হবে।

তবে পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারের রিপোর্ট ছাড়া এই আদালত কাউকেই অপরাধি ঘোষনা করে শাস্তিপ্পরদান করতে পারবে না।

অপরাধীর অনুপস্থিতির জন্য কখনই এই আদালতের বিচারকার্যস্থগিত হইতে পারবে না।

বরং এই বিশেষ আদালত সেই অনুপস্থিত ব্যাক্তির জন্য উকিলের ব্যাবস্থা করেই বিচার কার্য সম্পাদন করিবেন।

এর জন্য নির্ধারিত শাস্তির মেয়াদ অনধিক 2 বছর থেকে শুরু করে মৃতু্যদন্ড পর্যন্ত।এবং সাথে জরিমানার বিধান আছে।

এবং এইসব দালালদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা আছে এই বিশেষ আদালতের।

এই আইনের আওতায় গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তি এবং এই আইনের ধারায় শাস্তিপ্রাপ্ত ব্যাক্তির জামিন নেই।

তবে শাস্তি প্রাপ্ত ব্যাক্তি রায় ঘোষনার 30 দিনের মধ্যে হাইকোর্টে পুনঃবিচারে আবেদন জানাতে পারবেন,

যদি কেউ অনুপস্থিত থাকে, বা দেশান্তরি হয়, তবে সরকার ঘোষণা দিয়ে সেই ব্যাক্তির স্থাবর-অস্থাবর যাবতীয় সম্পত্তি ক্রোক করার ক্ষমতা রাখে, এই সম্পদের ভেতরে তার স্ত্রি, ছেলে মেয়ের নামে রক্ষিত সম্পত্তিও পরবে।



SCHEDULE

PART I

Offences under sections 121, 121-A, 302, 304, 307, 376, 396 of the Penal Code and attempts to commit or the abetment of the commission of any of such offences.

PART II

Offences under sections 308, 325, 326, 328, 329, 330, 331, 333, 354, 363, 364, 365, 367, 368, 369, 380, 382, 386, 388, 389, 392, 393, 394, 395, 397, 435, 436, 437, 438, 449 and 450 of the Penal Code and attempts to commit or the abetment of the commission of any such offences.

PART III

Offences under sections 324, 332, 338, 343, 346, 348, 427, 428, 429, 430, 431 and 440 of the penal code and attempts to commit or the abetment of the commission of any of the offences.

PART IV

(a) Offences under sections 336, 337, 341, 342, 352, 357, 374, 426, 447 and 448 of the penal code and attempts to commit or the abetment of the commission of any of the offences.

(b) Any act which is mentioned is clause (b) of Article 2 of this order but which is not covered by any of the parts in this schedule.



এই ধারা সমুহের প্রথম ধারায় অভিযুক্ত ব্যাক্তির শাস্তি মৃতু্যদন্ড বা যাবজ্জিবন কারাদন্ড।

2য় ধারাসমুহে অভিযুক্ত ব্যাক্তির শাস্তি অনধিক 10 বছর,



3য় ধারা সমুহে অভিযুক্ত ব্যাক্তির শাস্তি অনধিক 5 বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা,

4র্থ ধারা সমুহে অভুযুক্ত ব্যাক্তিবর্গের শাস্তি অনধিক 2 বছরের কারাদন্ড এবং জরিমানা।



যদিও অসম্পুর্ন রয়ে গেলো অনেক কিছুই এর পরও এই আমার মনে হয় মূল বিষয়গুলো।

বিস্তারিত থাকবে মন্তব্যে।

মন্তব্য ১১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:১৭

অপ বাক বলেছেন: Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972*
(*no.58. Pub : 24th January, 1972- The above order made by the president on the advise of the Prime Minister of the People's Republic Of Bangladesh on the 24th January, 1972 is hereby published for general information)
Presidents Order
No.8 of 1972
Whereas certain persons, individually or as members of organizations, directly or indirectly, have been collaborators of the Pakistan Armed Forces, which had illegally occupied Bangladesh by brute force and have aided or abetted the Pakistan Armed Forces of occupation in committing genocide and crimes against humanity and in committing atrocities against men, women and children and against the person, property and honor of the civilian population of Bangladesh and have otherwise aided or co-operated with or acted in the interest of Pakistan Armed Forces of occupation or contributed by any act, word or sign towards maintaining, sustaining, strengthening, supporting or furthering the illegal occupation of Bangladesh by the Pakistan Armed Forces or have waged war or aided or abetted in waging war against People's Republic of Bangladesh.
And whereas such collaboration contributed towards the perpetration of a reign of terror and the commission of crimes against humanity on a scale which has horrified the moral consciences of the people of Bangladesh and of right thinking people throughout the world;
And whereas it is imperative that such persons should be dealt with effectively and be adequately punished in accordance with the due process of law;
And whereas it is expedient to provide for the setting up of Special Tribunals for expeditious and fair trial of the offences committed by such persons;
Now therefore, in pursuance of the proclamation of Independence of Bangladesh Order, 1972 in exercise of all powers enabling him in that behalf, the President is pleased to make the following Order :
1. 1) This Order may be called the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972
2) It extends to the whole of Bangladesh.
3) It shall come into force at once and shall be deemed to have taken effect on the 26th day of March,
1971.
In this Order, -
a) 'Code' means Code Of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898)
b) 'Collaborator' means a person who has-
(i) Participated with or aided or abetted the occupation army in maintaining, sustaining, strengthening, supporting or furthering the illegal occupation of Bangladesh by such army;
(ii) rendered material assistance in anyway whatsoever to the occupation army by any act, whether by words, signs or conduct;
(iii) Waged war or abetted in waging war against the People's Republic Of Bangladesh;
(iv) Actively resisted or sabotaged the efforts of the people and the liberation forces of Bangladesh in their liberation struggle against the occupation army;
(v) by a public statement or by voluntary participation in propaganda within or outside Bangladesh on or by association in any delegation or committee or by participation in purported by-elections attempted to aid or aided the occupation army in furthering its design of perpetrating its forcible occupation in Bangladesh.
Explanation- a person who has performed in good faith functions which he was required by any purported law in force at the material time to do shall not be deemed to be a collaborator;
Provided that a person who has performed functions as direct object or result of which was the killing of any member of the civil population or the liberation forces of Bangladesh or the destruction of their property or the rape of or the criminal assault on their womenfolk, even if done under purported law passed by the occupation army, shall be deemed to be a collaborator.
c) "Government" means the Government of the People's Republic of Bangladesh:
d) "Liberation Forces" includes all forces of the People's Republic of Bangladesh engaged in the liberation
of Bangladesh;
e) "Occupation Army" means the Pakistan Armed Forces engaged in the occupation of Bangladesh.
f) "Special Tribunal" means a Tribunal under this order.
3(1) Any Police Officer or any person empowered by the Government in that behalf may, without a warrant, arrest any person who may reasonably be suspected of having been a collaborator.
(2) Any Police Officer on any person making an arrest under clause (1) shall forthwith report such arrest
to the Government together with a pr

২| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩৬

অতিথি বলেছেন: এইটা কবে, কে, কিভাবে বাতিল হলো - তার কি কোন ধারণা দেওয়া যাবে?

৩| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৪

অপ বাক বলেছেন: হাতে আরও কিছু আসুক, না আসলে আন্দাজের উপর কিছু বলা যাবে না , আসলে একটা আর্কাইভের অভাব প্রতিদিন বুঝতে পারি, এই দেশে কেনো সংবাদপত্রের ডিজিটাল সংগ্রহশালা নেই , যেখানে নির্দিষ্ট দিনের নাম দিলে সেই দিনের সংবাদপত্রসমুহ চলে আসবে। অনেক সুবিধা হইতো তাহলে, এই ভাবে তীর্থের কাকের মতো বসে থাকতে হতো না, যদি ওরা বাৎসরিক কোনো সদস্য ফি রাখতো এর পরও আমার মনে হয় অনেকেই এটার সদস্য হতো।

৪| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৭

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: একটু অপেক্ষা করেন। পোস্ট দিতাছি। বিকাল নাগাদ।

৫| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:১২

অতিথি বলেছেন: পোস্টের ব্যাপারে কী আর বলবো? আপনি আর পিয়াল ভাই, অনেক বড় একটা কাজ করলেন।

ডিজিটাল আর্কাইভ নিয়ে ভালো একটা কথা বলেছেন অপ বাক।

৬| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৪০

অতিথি বলেছেন: ডিজিটাল আর্কাইভের বিষয়ে সরকারের চিন্তাভাবনা করা উচিত। এটা ননগভর্মেন্ট উদ্যোক্তাদের পক্ষে তৈরী করা সম্ভব নয়। কিন্তু এদেশের সরকার সবকিছু তো পঞ্চাশ বছর পরে ভাববে। কোন ট্রাস্ট অথবা ইউএন অর্গ এগুলো নিয়ে চিন্তা করতে পারে।

৭| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:২২

অতিথি বলেছেন: নিস

৮| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:১৩

অতিথি বলেছেন: চমৎকার লেখা। ইতিহাস বিকৃত করা যাবে, কিন্তু সত্যকে মোছা যাবে না। যাদের কাছে দালাল আইন বিস্মৃত, তাদেরকে মনে করিয়ে দেবে 71 পরবর্তী দু:সময়ের কথা। মনে রাখা দরকার, বিচারের বাণী সবসময় নীরবে নিভৃতে বাস করে না।

কৌশিক, কোন সরকারের কাছে ডিজিটাল আর্কাইভের দাবী করেন। যারা রাজাকারদের পূনর্বাসন করেছে, তাদের কাছে?

৯| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:১৪

অতিথি বলেছেন: ফাটাইয়া ফালাইছো মিয়া !

১০| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৩০

মুড়িওয়ালা বলেছেন: আইনটার সবচাইতে বড় ফাঁক ছিল, থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার রিপোর্ট ছাড়া কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না। আর স্বাধীনতার পরে যারা থানার দায়িত্বে ছিল, তাদের বেশীরভাগই 71-এ যুদ্ধের সময় পাকীদের আন্ডারেই কাজ করছিল। সুতরাং তাদের কাছ থেকে কোন অর্থবহ রিপোর্টও আসেনি। দালাল আইনও তাই খুব একটা কাজে লাগেনি।
আমার প্রশ্ন হল, এখন যদি কেউ যুদ্ধাপরাধ আইনে মামলা করে, তখন কি হবে?

১১| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৪৯

অপ বাক বলেছেন: এখনও সেই সুযোগ আছে,জাহানারা ইমাম জনতার আদালতে যা করেছিলো তেমন ভাবেই কাজটা করতে হবে, যদিও জনতার আদালত বিষয়টার সাংবিধানিক স্ব ীকৃতি ছিলো না তবে এটা জনমতের বিষয় হিসেবে চমৎকার দৃষ্টান্ত ছিলো, জনমত চাইছে যুদ্ধাপরাধের বিচার হোক- এবং যুদ্ধাপরাধের শাস্তি ব্যাক্তির সংশ্লিষ্ঠতার উপর ভিত্তি করে দেওয়া হবে, কয় দিন আগে কোনো এক খুদে রাজাকার ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলো, ওটাও ভালো লেগেছে, তাকে শাস্তির আওতায় আনলে হয়তো তার 5 বছর কিংবা 10 বছরে জেল হতো।
আমার মনে হয় এখনই সময় আসলে সাক্ষ্য প্রমান লিপিবদ্ধ করার-
মুক্তিযুদ্ধের দলিলে অনেকের জবানবন্দি আছে- পেপার কাটিং আছে, কারা কারা জড়িত এবং মাথা তাদেরও নাম এসেছে পত্রিকার পাতায়।
একজন জলিল ভাই একক পরিশ্রমে যা করেছেন তেমন ভাবে যদি আরও 1000 মানুষ এগিয়ে আসে এবং তারা সাক্ষ্য প্রমান দেয়, তাহলে আমারা আসলেই সব যুদ্ধাপরাধী, রাজাকারদের চিহি্নত করতে পারবো।
আর বিচারের ব্যাবস্থা আছেই- দালালদের সাধারন ক্ষমাঘোষণার সময় যুদ্ধাপরাধিদের বিচারের ব্যাবস্থাটা রেখেই দেওয়া হয়েছে- আর ওর জন্য নির্ধারিত শাস্তিও আছে,
রাজাকাররা কলেবরে বেড়েছে, ওদের সম্পদ বেড়েছে তবে বিচারের আওতায় এনে এই পরিমান সম্পদ সরকার দখল করে মুক্তিযোদ্ধাদের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ব্যাবহার করতেই পারে।
বিচার হবেই, আজ হোক- কাল হোক, বিচার করা হবেই- সেটা যদি বাংলাদেশে নাও হয় হবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে, তখন যেনো চিহি্নত যুদ্ধাপরাধি এবং তাদের সহায়ক শক্তিরা অযথা রেহাই না পেয়ে যায় এ জন্যই প্রতিটা ইউনিয়নভিত্তিক দল গঠন করে সেই ইউনিয়নের ভেতরে থাকা রুই কাতলা, পুটি মাছ সব রকমের যুদ্ধাপরাধিদের বিরুদ্ধে প্রমান সংগ্রহ করতে হবে- এর জন্য প্রয়োজন 10000 নিবেদিত প্রান মানুষ, যারা সপ্তাহের একটা দিন এই কাজে ব্যায় করবে, এক বছরে অনন্তত 30000 লোকের বিরুদ্ধে সাক্ষি জোগার করা যাবে এভাবেই দেশ জুড়ে সবাই সচেতন হয়ে উঠলে আমরা দেশের মাটিতেই বিচার করতে পারবো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.